নবম শ্রেণি বাংলা – নোঙর – অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

Souvick

আজকের এই আর্টিকেলে আমরা নবম শ্রেণীর বাংলা বিষয়ের তৃতীয় পাঠের দ্বিতীয় অধ্যায়, ‘নোঙর’ –এর কিছু অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর নিয়ে আলোচনা করবো। এই প্রশ্নোত্তরগুলো নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ নবম শ্রেণীর বাংলা পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন নিয়মিত আসে।

নবম শ্রেণি - বাংলা - নোঙর - অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর
Contents Show

বহুবিকল্পভিত্তিক প্রশ্নাবলি

সঠিক উত্তর নির্বাচন করো

‘নোঙর’ কবিতাটির রচয়িতা-

  1. বুদ্ধদেব বসু
  2. প্রেমেন্দ্র মিত্র
  3. অজিত দত্ত
  4. সমর সেন

উত্তর – 3. অজিত দত্ত

কবি কোথায় পাড়ি দিতে চেয়েছেন? —

  1. সাগরতীরে
  2. সপ্তসিন্ধুপারে
  3. মঙ্গল গ্রহে
  4. সিন্ধুপারে

উত্তর – 4. সিন্ধুপারে

‘পাড়ি দিতে দূর সিন্ধুপারে’, ‘পাড়ি দেওয়া’র অর্থ –

  1. পেরিয়ে যাওয়া
  2. যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়া
  3. ভাসিয়ে দেওয়া
  4. স্থির থাকা

উত্তর – 2. যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়া

বাণিজ্যতরী কোথায় বাঁধা আছে? –

  1. তটের মাঝে
  2. তটের কাছে
  3. সমুদ্র মাঝে
  4. নদীর জলে

উত্তর – 2. তটের কাছে

‘নোঙর’ হল – 

  1. কাছি
  2. বড়শি
  3. লৌহদণ্ড
  4. কাছি বাঁধা বড়শির মতো যন্ত্র বা অঙ্কুশ

উত্তর – 4. কাছি বাঁধা বড়শির মতো যন্ত্র বা অঙ্কুশ

‘তট’ হল –

  1. তীরভূমি
  2. স্থলভূমি
  3. জলাভূমি
  4. মরুভূমি

উত্তর – 1. তীরভূমি

নোঙর পড়া-র অর্থ –

  1. বাঁধা পড়া
  2. গতি বাড়া
  3. গতি হ্রাস
  4. ভেঙে পড়া

উত্তর – 1. বাঁধা পড়া

কবি কতক্ষণ দাঁড় টানেন? –

  1. তিন রাত
  2. সারারাত
  3. অর্ধ দিন
  4. অর্ধরাত

উত্তর – 2. সারারাত

কবির এই দাঁড় টানাকে কী মনে হয়েছে? –

  1. মিছে 
  2. বাস্তব
  3. কঠিন
  4. অযথা

উত্তর – 1. মিছে 

‘মিছে দাঁড় টানি’-র অর্থ –

  1. দাঁড় না টানা
  2. নিষ্ফল দাঁড় টানা
  3. দাঁড় টানার ভান করা
  4. অবিরাম দাঁড় টানা

উত্তর – 2. নিষ্ফল দাঁড় টানা

দাঁড় টানা হয় –

  1. নৌকাকে স্থির রাখার জন্য
  2. নৌকা ভাসিয়ে রাখার জন্য
  3. নৌকা চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য
  4. নৌকার গতিবেগ ঠিক রাখার জন্য

উত্তর – 3. নৌকা চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য

‘ফুলে ফুলে ওঠে’ –

  1. জোয়ার জল
  2. ভাটার ঢেউ
  3. জোয়ারের ঢেউ
  4. ভাটার টান

উত্তর – 3. জোয়ারের ঢেউ

জোয়ারের সময় নদীতে –

  1. জলস্ফীতি ঘটে
  2. জল কমে যায়
  3. জল শুকিয়ে যায়
  4. জল উবে যায়

উত্তর – 1. জলস্ফীতি ঘটে

তরিতে মাথা ঠোকে –

  1. কবি নিজে
  2. সাগরের মাছ
  3. ভাটার জল
  4. জোয়ারের ঢেউ

উত্তর – 4. জোয়ারের ঢেউ

জোয়ারের ঢেউগুলি তরিতে মাথা ঠুকে –

  1. ভেঙে যায়
  2. পালিয়ে যায়
  3. সমুদ্রে ছোটে
  4. তরি ভেঙে দেয়

উত্তর – 3. সমুদ্রে ছোটে

কবিতায় উল্লিখিত তরির চালক কে? –

  1. কবির বন্ধু
  2. ভগবান
  3. কবি স্বয়ং
  4. কবির প্রতিযোগী

উত্তর – 3. কবি স্বয়ং

জোয়ারের ঢেউগুলিকে কে শোষণ করে? –

  1. সূর্যালোক
  2. ভাটা
  3. বড়ো সামুদ্রিক মাছ
  4. জোয়ার স্বয়ং

উত্তর – 2. ভাটা

‘ভাঁটার শোষণ’ হল –

  1. ভাটার টান
  2. জোয়ারের টান
  3. জলস্ফীতি
  4. জল হ্রাস

উত্তর – 1. ভাটার টান

ভাটার শোষণ আহরণ করে –

  1. জোয়ারের জল
  2. ভাটার জল
  3. স্রোতের প্রবল প্রাণ
  4. সমুদ্রের জল

উত্তর – 3. স্রোতের প্রবল প্রাণ

‘বাণিজ্য-তরী’ বাঁধা পড়ে আছে –

  1. তটের কাছে
  2. কবির কাছে
  3. নদীর কাছে
  4. সাগরের কাছে

উত্তর – 1. তটের কাছে

কবি কী উদ্দেশ্যে তরি নিয়ে বেরিয়েছেন? –

  1. বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে
  2. ভ্রমণের উদ্দেশ্যে
  3. সময় কাটানোর উদ্দেশ্যে
  4. ক্লান্তি মেটানোর উদ্দেশ্যে

উত্তর – 1. বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে

কবির বাণিজ্যতরি কাদের কাছে বাঁধা? –

  1. সময়ের কাছে
  2. তটের কাছে
  3. প্রাকৃতিক দুর্যোগের কাছে
  4. প্রতিকূলতার কাছে

উত্তর – 2. তটের কাছে

‘বাঁধা পড়ে আছে’-র অর্থ হল –

  1. বেঁধে রাখা হয়েছে
  2. তটে আটকে আছে
  3. নোঙরে বাঁধা অবস্থায় আটকে আছে
  4. জলে আটকে আছে

উত্তর – 3. নোঙরে বাঁধা অবস্থায় আটকে আছে

‘মাস্তুলে বাঁধি পাল,’ ‘মাস্তুল’ অর্থে –

  1. নৌকার কিনারা
  2. নৌকার উপর উচ্চ শক্ত দণ্ড
  3. নৌকার ছই
  4. নৌকার দাঁড়

উত্তর – 2. নৌকার উপর উচ্চ শক্ত দণ্ড

পাল বাঁধা হয় –

  1. নৌকায়
  2. দাঁড়ে
  3. কাছির সঙ্গে
  4. মাস্তুলে

উত্তর – 4. মাস্তুলে

নৌকা বাঁধা আছে –

  1. জোয়ারের টানে
  2. নোঙরের কাছিতে
  3. মাস্তুলের কাছিতে
  4. দাঁড়ের সাথে

উত্তর – 2. নোঙরের কাছিতে

‘সাগরগর্জনে ওঠে কেঁপে’ –

  1. তরি 
  2. কবি
  3. নিস্তব্ধ মুহূর্ত
  4. সমুদ্র প্রাণী

উত্তর – 3. নিস্তব্ধ মুহূর্ত

নিস্তব্ধ মুহূর্তগুলি কেঁপে ওঠে –

  1. জলের গর্জনে
  2. সাগরগর্জনে
  3. বাতাসের গর্জনে
  4. জোয়ারের গর্জনে

উত্তর – 2. সাগরগর্জনে

স্রোতের বিদ্রুপ শোনা যায় –

  1. সাগরগর্জনে
  2. জোয়ারের টানে
  3. ভাঁটার শোষণে
  4. দাঁড়ের নিক্ষেপে

উত্তর – 4. দাঁড়ের নিক্ষেপে

দাঁড়ের নিক্ষেপে কবি শোনেন –

  1. সাগরের গর্জন
  2. ঢেউ -এর গর্জন
  3. স্রোতের বিদ্রুপ
  4. জলের কল্লোলধ্বনি

উত্তর – 3. স্রোতের বিদ্রুপ

‘দাঁড়ের নিক্ষেপ’ – হল –

  1. দাঁড় চালনা
  2. দাঁড় তুলে নেওয়া
  3. দাঁড় বাঁধা
  4. দাঁড় বন্ধ রাখা

উত্তর – 1. দাঁড় চালনা

তারার দিকে চেয়ে কবি –

  1. দিকের নিশানা করেন
  2. সাগরের নিশানা করেন
  3. দেশের নিশানা করেন
  4. তটের নিশানা করেন

উত্তর – 1. দিকের নিশানা করেন

কবি দাঁড় টানেন –

  1. অবিরাম
  2. মাঝে মাঝে
  3. দিনের বেলা
  4. রাতের বেলা

উত্তর – 1. অবিরাম

তরি ভরা আছে –

  1. ফসলে
  2. পণ্য দ্রব্যে
  3. যাত্রীতে
  4. জলে

উত্তর – 2. পণ্য দ্রব্যে

‘পণ্য’ হল –

  1. মানুষজন
  2. বিক্রয়ের সামগ্রী
  3. নিজের প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি
  4. বর্জ্য সামগ্রী

উত্তর – 2. বিক্রয়ের সামগ্রী

‘তরী ভরা পণ্য নিয়ে’ কবি কোথায় পাড়ি দিতে চান? –

  1. পঞ্চসিন্ধুপারে
  2. ষষ্ঠসিন্ধুপারে
  3. সপ্তসিন্ধুপারে
  4. অষ্টসিন্ধুপারে

উত্তর – 3. সপ্তসিন্ধুপারে

‘সপ্তসিন্ধুপারে’ – অর্থাৎ –

  1. সাতটি নদীর পারে
  2. সাতটি দেশের পারে
  3. সাতসমুদ্র পারে
  4. সপ্তগিরি পারে

উত্তর – 3. সাতসমুদ্র পারে

কবি সপ্তসিন্ধুপারে যাবেন –

  1. ভ্রমণ করতে
  2. বাণিজ্য করতে
  3. বিদেশ ঘুরতে
  4. সাগর দেখতে

উত্তর – 2. বাণিজ্য করতে

নোঙর পড়ে গেছে –

  1. কবির জ্ঞাতে
  2. কবির অজ্ঞাতে
  3. কবির ঘুমের সময়
  4. গভীর রাতে

উত্তর – 2. কবির অজ্ঞাতে

নোঙর কোথায় পড়ে আছে? –

  1. তটের কিনারে
  2. রাস্তার ধারে
  3. মাস্তুলে
  4. নদীতে

উত্তর – 1. তটের কিনারে

‘নোঙর কখন জানি পড়ে গেছে তটের কিনারে’ – উদ্ধৃতাংশটির মাধ্যমে যে ভাবনা ব্যক্ত হয়েছে, তা হলো –

  1. পাড়ি দেওয়ার বাসনা থাকলেও বন্ধন ছিন্ন করা যায় না
  2. নৌকা নোঙরেই আটকে থাকে
  3. ভারী পণ্যের কারণেই নোঙরে নৌকা বাঁধা থাকে
  4. স্রোতে নোঙর ভেসে গেলে তবে নৌকা পাড়ি দেয়

উত্তর – 2. নৌকা নোঙরেই আটকে থাকে

অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

‘নোঙর’ কবিতাটি কার লেখা?

‘নোঙর’ কবিতাটি কবি অজিত দত্তের লেখা।

অজিত দত্তের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম লেখো।

অজিত দত্তের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম ‘কুসুমের মাস’।

‘নোঙর’ কবিতাটি কোন্ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?

‘নোঙর’ কবিতাটি কবি অজিত দত্ত রচিত ‘শাদা মেঘ কালো পাহাড়’ (1970 খ্রিস্টাব্দ) কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।

কবি কোথায় পাড়ি দিতে চান?

কবি দূর সিন্ধুপারে পাড়ি দিতে চান তাঁর তরিখানি নিয়ে।

নোঙর কী?

নোঙর হল কাছির সঙ্গে বাঁধা লোহার অঙ্কুশ বিশেষ, যার সাহায্যে নৌকা, জাহাজ প্রভৃতি জলযান বেঁধে রাখা হয়।

নোঙর কোথায় গিয়ে পড়েছে?

নোঙর তটের কিনারে পড়েছে।

সারারাত কবি কী করেন?

সারারাত কবি দাঁড় টানেন।

সারারাত ধরে দাঁড় টানাকে কবির কী মনে হয়েছে?

সারারাত ধরে দাঁড় টানাকে কবির ‘মিছে’ বলে মনে হয়েছে।

কবিতায় উল্লিখিত তরির চালক কে?

কবিতায় উল্লিখিত তরির চালক হলেন কবি স্বয়ং।

কীসের ঢেউ ফুলে ফুলে ওঠে?

জোয়ারের ঢেউগুলি ফুলে ফুলে ওঠে।

জোয়ার কী?

চাঁদ-সূর্যের আকর্ষণে পৃথিবীর জল ফুলে উঠলে তাকে জোয়ার বলে। প্রতি 12 ঘণ্টা অন্তর জোয়ার হয়।

জোয়ারের ঢেউগুলি কেমন আকার ধারণ করে?

জোয়ারের ঢেউগুলি ফুলে ফুলে ওঠে।

জোয়ারের ঢেউগুলি কোথায় যায়?

জোয়ারের ঢেউগুলি কবির তরিতে মাথা ঠুকে সমুদ্রের দিকে ছোটে।

ভাটার শোষণ কী করে?

ভাটার শোষণ স্রোতের প্রবল প্রাণ আহরণ করে নেয়।

কবির তরিটি কেমন তরি?

কবির তরিটি পণ্যবাহী তরি বা বাণিজ্যতরি।

বাণিজ্যতরি কী?

ব্যাবসা বা বাণিজ্য করার পণ্যদ্রব্য বা পসরাবাহী নৌকাই বাণিজ্যতরি বলে পরিচিতি।

কবির বাণিজ্যতরি কোথায় বাঁধা পড়ে আছে?

কবির বাণিজ্যতরি জোয়ারভাটায় বাঁধা তটের কাছে বাঁধা পড়ে আছে।

কবির পাড়ি দেওয়ায় বাধা কোথায়?

কবির পাড়ি দেওয়ার একান্ত বাসনা থাকলেও তাঁর নৌকার নোঙর তটের কিনারে পড়ে যাওয়ায় তাঁর যাত্রা বাধাপ্রাপ্ত।

নোঙরের কাছি কী?

নোঙর বাঁধার মোটা দড়িকে নোঙরের কাছি বলে।

চিরকাল কবির নৌকা কীসে বাঁধা থাকে?

চিরকাল নৌকা-নোঙরের কাছিতে বাঁধা থাকে।

সাগরগর্জনে কারা কেঁপে ওঠে?

নিস্তব্ধ মুহূর্তগুলি সাগরগর্জনে কেঁপে ওঠে।

প্রতিবার দাঁড়ের নিক্ষেপে কবি কী শোনেন?

প্রতিবার দাঁড়ের নিক্ষেপে কবি স্রোতের বিদ্রুপ শোনেন।

তারার দিকে তাকিয়ে কবি কী করেন?

তারার দিকে বিশেষত শুকতারা, সপ্তর্ষিমণ্ডল ইত্যাদির অবস্থান দেখে কবি অকূল জলরাশিতে দিনির্ণয় করেন।

কবির তরি নিয়ে বেরোনোর উদ্দেশ্য কী?

কবির তরি নিয়ে বেরোনোর উদ্দেশ্য হল সপ্তসিন্ধুপারে পাড়ি দেওয়া।

কবি কোন্ তরি নিয়ে সপ্তসিন্ধুপারে পাড়ি দিয়েছেন?

পণ্য ভরা বাণিজ্যতরি নিয়ে কবি সপ্তসিন্ধুপারে পাড়ি দিয়েছেন।

তরির নোঙর কোথায় পড়ে গিয়েছে?

তরির নোঙর পড়ে গিয়েছে তটের কিনারে।

নোঙর তটের কিনারে পড়ে যাওয়া সত্ত্বেও কবি সারারাত কী করে যান?

নোঙর তটের কিনারে পড়ে যাওয়া সত্ত্বেও কবি সারারাত দাঁড় টেনে যান।

অজিত দত্ত কোন্ সময়ের কবি?

অজিত দত্ত বিশ শতকের তিরিশ-চল্লিশ দশকের কবি।

কবি অজিত দত্তের দুটি কাব্যগ্রন্থের নাম লেখো।

কবি অজিত দত্ত রচিত দুটি কাব্যগ্রন্থ হল — কুসুমের মাস (১৯৩০), ও পাতালকন্যা (১৯৩৮)।

অজিত দত্ত কোন্ বিখ্যাত পত্রিকাগোষ্ঠীর কবি ছিলেন?

অজিত দত্ত কল্লোল পত্রিকাগোষ্ঠীর কবি ছিলেন।

অজিত দত্তের সমকালীন দুজন বিখ্যাত কবির নাম লেখো।

কবি অজিত দত্তের সমসাময়িক দুজন বিখ্যাত কবি হলেন বুদ্ধদেব বসু এবং প্রেমেন্দ্র মিত্র।

পাড়ি দিতে দূর সিন্ধুপারে — কবি কীসের মাধ্যমে পাড়ি দিতে চান?

কবি নৌকার মাধ্যমে দূর সিন্ধুপারে পাড়ি দিতে চান।

দূর সিন্ধুপারে পাড়ি দিতে চেয়েও কবি ব্যর্থ হন কেন?

দূর সিন্ধুপারে পাড়ি দিতে চেয়েও কবি ব্যর্থ হন কারণ তাঁর নৌকার নোঙর তটের কিনারে পড়ে গেছে।

নোঙর গিয়েছে পড়ে – নোঙর কোথায় পড়ে গিয়েছে?

নোঙর পড়ে গিয়েছে তটের কিনারায়।

সারারাত মিছে দাঁড় টানি — সারারাত দাঁড় টানা কেমন করে মিছে হয়ে যায়?

কবির নৌকা তটের কিনারে নোঙরে বাঁধা পড়েছে, দাঁড় টেনে তাকে এগোনো যায় না।

জোয়ারের ঢেউগুলি ফুলে ফুলে ওঠে — জোয়ারের ঢেউ ফুলে উঠে কী করে?

জোয়ারের ঢেউগুলি ফুলে ফুলে ওঠে আর কবির নৌকায় মাথা ঠুকে সমুদ্রের দিকে ছুটে যায়।

আমার বাণিজ্য-তরী বাঁধা পড়ে আছে। — কবির বাণিজ্য-তরি কোথায় কীভাবে বাঁধা পড়ে আছে?

জোয়ারভাটায় বাঁধা তটের কাছে কবির বাণিজ্যতরি নোঙরে বাঁধা পড়ে আছে।

নোঙর কবিতায় দাঁড় টানা ও মাস্তুলে পাল বাঁধা সত্ত্বেও কী হল না এবং কেন হল না?

দাঁড় টানা ও মাস্তুলে পাল বাঁধা সত্ত্বেও নৌকা এগোল না, কারণ নোঙরের কাছিতে নৌকা বাঁধা পড়ে আছে।

কবির সপ্তসিন্ধুপারে পাড়ি দেওয়ার সংকল্প পূরণ হয় না কেন?

তটের কিনারায় নোঙর পড়ে যাওয়ায় কবির সপ্তসিন্ধুপারে পাড়ি দেওয়ার সংকল্প পূরণ হয় না।

নোঙর কবিতায় কবির জীবনের নিস্তব্ধ মুহূর্তগুলি কেমন?

নোঙর কবিতায় কবির জীবনের নিস্তব্ধ মুহূর্তগুলি সাগরগর্জনে কেঁপে ওঠে এবং প্রতিবার দাঁড় টানায় কবি স্রোতের বিদ্রুপধ্বনি শোনেন।

কবি কখন স্রোতের বিদ্রুপ শোনেন?

প্রতিবার যখন কবি স্রোতের মধ্য দিয়ে দাঁড় টানেন তখন স্রোতের বিদ্রুপ শোনেন।

সপ্তসিন্ধুপারে কবির যাওয়ার উদ্দেশ্য কী?

সপ্তসিন্ধুপারে কবি তরি ভরা পণ্য নিয়ে পাড়ি দিতে চান।

সারারাত তবু দাঁড় টানি। — এই তবু শব্দটি কেন কবি ব্যবহার করেছেন?

তটের কিনারায় নোঙর পড়ে গেলেও যেহেতু দাঁড় টানা চলতেই থাকে, সেহেতু সেই বিরামহীনতাকে বোঝানোর জন্যই তবু শব্দটিকে ব্যবহার করা হয়েছে।

নোঙর কবিতায় নোঙর ও নৌকা’ কীসের প্রতীক?

নোঙর কবিতায় নোঙর বন্ধন বা স্থিতির প্রতীক এবং নৌকা গতির প্রতীক।


আজকের এই আর্টিকেলে আমরা নবম শ্রেণীর বাংলা বিষয়ের তৃতীয় পাঠের দ্বিতীয় অধ্যায়, ‘নোঙর’ -এর কিছু অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর নিয়ে আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নোত্তরগুলো নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ নবম শ্রেণীর বাংলা পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন নিয়মিত আসে। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের উপকারে এসেছে। যদি আপনার কোনো প্রশ্ন বা মতামত থাকে, তবে টেলিগ্রামে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। আপনাদের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য আমরা সর্বদা প্রস্তুত। ধন্যবাদ।

Please Share This Article

Related Posts

নবম শ্রেণী ইতিহাস - প্রাককথন: ইউরোপ ও আধুনিক যুগ

নবম শ্রেণী ইতিহাস – প্রাককথন: ইউরোপ ও আধুনিক যুগ

নবম শ্রেণী ইতিহাস - বিপ্লবী আদর্শ,নেপোলিয়নীয় সাম্রাজ্য ও জাতীয়তাবাদ - বিষয়সংক্ষেপ

নবম শ্রেণী ইতিহাস – বিপ্লবী আদর্শ, নেপোলিয়নীয় সাম্রাজ্য ও জাতীয়তাবাদ – বিষয়সংক্ষেপ

নবম শ্রেণী ইতিহাস - বিপ্লবী আদর্শ, নেপোলিয়নীয় সাম্রাজ্য ও জাতীয়তাবাদ - অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর

নবম শ্রেণী ইতিহাস – বিপ্লবী আদর্শ, নেপোলিয়নীয় সাম্রাজ্য ও জাতীয়তাবাদ – অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর

About The Author

Souvick

Tags

মন্তব্য করুন

SolutionWbbse

"SolutionWbbse" শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অনলাইন অধ্যয়ন প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি, মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য গাইডলাইন, এবং বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনার সাহায্য প্রদান করা হয়। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে সকল বিষয়ের শিক্ষণীয় উপকরণ সহজেই সকল শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছে দেওয়া।

Editor Picks

আলোর বিক্ষেপণ কাকে বলে? দিনের বেলায় আকাশকে নীল দেখায় কেন?

আলোর বিচ্ছুরণ ও আলোর প্রতিসরণ কাকে বলে? আলোর বিচ্ছুরণ ও প্রতিসরণের মধ্যে পার্থক্য

আলোক কেন্দ্র কাকে বলে? আলোক কেন্দ্রের বৈশিষ্ট্য ও গুরুত্ব

উত্তল লেন্স ও অবতল লেন্স কাকে বলে? উত্তল লেন্স ও অবতল লেন্সের মধ্যে পার্থক্য

একটি অচল পয়সার আত্মকথা – প্রবন্ধ রচনা