আজকের এই আর্টিকেলে আমরা নবম শ্রেণীর বাংলা বিষয়ের, ‘ব্যোমযাত্রীর ডায়রি’ -এর কিছু অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর নিয়ে আলোচনা করবো। এই প্রশ্নোত্তরগুলো নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ নবম শ্রেণীর বাংলা পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন নিয়মিত আসে।

অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর
‘ব্যোমযাত্রীর ডায়রি’ রচনাটি কার লেখা?
‘ব্যোমযাত্রীর ডায়রি’ রচনাটি প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায়ের লেখা।
‘ব্যোমযাত্রীর ডায়রি’ রচনাটি কোন্ মূলগ্রন্থের অন্তর্গত?
‘ব্যোমযাত্রীর ডায়রি’ রচনাটি ‘প্রোফেসর শঙ্কু’ নামক মূল প্রবন্ধের অন্তর্গত।
‘ব্যোমযাত্রীর ডায়রি’ কোন্ ধরনের রচনা?
এটি প্রবন্ধধর্মী রচনা। একে ‘ডায়ারি’ বলা হয়।
প্রফেসার শঙ্কুর ডায়ারিটা কার কাছে পাওয়া গিয়েছিল?
প্রফেসার শঙ্কুর ডায়ারিটা তারক চ্যাটার্জির কাছে পাওয়া গিয়েছিল।
প্রফেসার শঙ্কুর পুরো নাম কী?
প্রফেসার শঙ্কুর পুরো নাম প্রফেসার ত্রিলোকেশ্বর শঙ্কু।
প্রফেসার শঙ্কু পেশায় কী ছিলেন?
প্রফেসার শঙ্কু পেশায় ছিলেন বৈজ্ঞানিক।
তিনি কতদিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন?
তিনি 15 বছর ধরে নিখোঁজ ছিলেন।
তারকবাবু সুন্দরবনে কোন্ ঘটনার কথা বলেছেন?
তারকবাবু সুন্দরবনে উল্কাপাতের ঘটনার কথা বলেছেন।
তারকবাবু সুন্দরবনে কী দেখার আশায় গিয়েছিলেন?
তারকবাবু সুন্দরবনে বাঘ দেখার আশায় গিয়েছিলেন।
‘কিন্তু সে গুড়ে বালি।’ – কেন এ কথা বলেছিলেন?
সুন্দরবনে বাঘ বা হরিণ কিছুই না দেখতে পেয়ে তারকবাবু এ কথা বলেছেন।
সুন্দরবনে তারকবাবু কীসের ছাল দেখতে পেলেন?
সুন্দরবনে তারকবাবু গোসাপের ছাল দেখতে পেলেন।
“লাল-লাল কী একটা মাটির ভেতর থেকে উঁকি মারছে দেখে টেনে তুললাম।” – লাল রঙের কীসের কথা বলা হয়েছে?
লাল রঙের ডায়ারি বা খাতার কথা বলা হয়েছে। এর লেখক বৈজ্ঞানিক প্রফেসার শঙ্কু।
খাতায় কী ঘটনা ছিল?
খাতায় প্রফেসার শঙ্কুর মঙ্গল গ্রহে যাত্রার বর্ণনা ছিল।
“….প্রথমবার দেখেছিলাম কালির রং সবুজ।” – লেখকের এই মন্তব্যের কারণ কী?
প্রফেসার শঙ্কুর খাতায় লেখা কালির রং বারবার বদলে যাওয়ার প্রসঙ্গে লেখক এই উক্তি করেছেন।
“….এ কাগজ ছেঁড়া মানুষের সাধ্যি নয়।” – কেন মানুষের কাগজ ছেঁড়ার সাধ্যিও নেই?
প্রফেসার শঙ্কুর ডায়ারির খাতার পাতাগুলি অদ্ভুত ধরনের ছিল বলে, সে কাগজ ছেঁড়ার সাধ্যি কারোর ছিল না।
আয়নায় নিজের ছবি দেখে শঙ্কুর কী রকম অনুভূতি হয়েছিল?
আয়নায় নিজের ছবি দেখে শঙ্কু চমকে গিয়ে চিৎকার করে উঠেছিলেন। তার বিঘিারার ফ্যাশন।
আয়নার ওপর থেকে ক্যালেন্ডার সরিয়ে নেওয়ায় শঙ্কু আয়নায় নিজের প্রতিবিম্ব দেখে চমকে ওঠেন।
কেন তার এই অনুভূতি হয়?
প্রথমবারের রকেট কেলেঙ্কারির জন্য দায়ী কে?
প্রথমবারের রকেট কেলেঙ্কারির জন্য দায়ী শঙ্কুর বাড়ির পরিচারক প্রহ্লাদ।
রকেট কোথায় গিয়ে পড়েছিল?
রকেটটি শঙ্কুর প্রতিবেশী অবিনাশবাবুর বাড়ির মুলোর খেতে পড়েছিল।
অবিনাশবাবু কত টাকা জরিমানা চেয়েছিলেন?
অবিনাশবাবু পাঁচশো টাকা জরিমানা চেয়েছিলেন।
প্রহ্লাদ কেমন মানুষ ছিলেন?
প্রহ্লাদ একাধারে নির্বোধ হলেও অত্যন্ত সাহসী ছিলেন।
“এই হলো অবিনাশবাবুর রসিকতার নমুনা।” – অবিনাশবাবু রসিকতা করে লেখককে কি বলেছিলেন?
অবিনাশবাবু রসিকতা করে শঙ্কুকে কালীপুজোর রাতে হাউইটা বা রকেটটা ছাড়তে বলেছিলেন।
জৃম্ভণাস্ত্র প্রয়োগ করলে কী হয়?
জৃম্ভণাস্ত্র যার ওপর প্রয়োগ করা হয়, সে হাই তুলতে তুলতে ঘুমিয়ে পড়ে এবং অসম্ভব ভয়ংকর সব স্বপ্ন দেখে।
বিধুশেখর কে?
বিধুশেখর হল প্রফেসার শঙ্কুর ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্ট। সে ছিল শঙ্কুর তৈরি রোবট তথা যন্ত্রমানব।
রকেটের পরিকল্পনা কীভাবে হয়েছিল?
রকেটের পরিকল্পনা ব্যাঙের ছাতা, সাপের খোলস, কচ্ছপের ডিমের খোলা মিশিয়ে কম্পাউন্ড তৈরি করা হয়েছিল।
পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার সময় কী হয়েছিল?
পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার সময় বিকট শব্দ করে বিস্ফোরণ ঘটে ও চোখ ধাঁধানো সবুজ আলো জ্বলে ওঠে।
মাধ্যাকর্ষণ কী?
যে শক্তির জন্য পৃথিবীর সবকিছু নিম্নভূমিতে অবতরণ করে তা-ই হচ্ছে মাধ্যাকর্ষণ।
অদৃশ্য শক্তি সম্পর্কে প্রফেসার শঙ্কুর কী ধারণা ছিল?
প্রফেসার শঙ্কুর মতে বৈজ্ঞানিক বুদ্ধি দিয়ে তিনি যখন কোনো জিনিস তৈরি করেন, তাঁর ওপর অদৃশ্য শক্তি খোদকারি করে।
কখন তিনি বাগানে আরামকেদারায় মৃদু বাতাস উপভোগ করছিলেন?
বারো বছর আগে তিনি শরৎকালে বাগানে আরামকেদারায় মৃদু বাতাস উপভোগ করছিলেন।
আশ্বিন-কার্তিক মাসে আকাশে কী দেখা যায়?
আশ্বিন-কার্তিক মাসে আকাশে উল্কাপাত দেখা যায়।
বাগানের পশ্চিম পাশে কী দেখা গিয়েছিল?
বাগানের পশ্চিম পাশে গুলঞ্চ গাছটার পাশে একটি প্রকাণ্ড জোনাকির মতো আলো অর্থাৎ উল্কা দেখা গিয়েছিল।
শঙ্কুর মনে খটকা লাগার কারণ কী?
শঙ্কুর মনে খটকা লাগার কারণ দুটি –
1. রকেট তৈরিতে আকর্ষণ আর
2. গুলঞ্চ গাছের পরিবর্তিত রূপ।
গুলঞ্চ গাছ দিনে ও রাতে কীভাবে আত্মপ্রকাশ করে?
গুলঞ্চ গাছের পাপড়িগুলি দিনের বেলা কুচকুচে কালো আর রাতে ফসফরাসের মত জ্বলে।
শঙ্কুরা কবে ও কখন মঙ্গল গ্রহের উদ্দেশে যাত্রা করেন?
শঙ্কুরা 12 জানুয়ারি ভোর পাঁচটায় মঙ্গল গ্রহের উদ্দেশে যাত্রা করেন।
রকেটের ওজন কত ছিল?
যাত্রী ও জিনিসপত্র নিয়ে রকেটের ওজন হয়েছিল পনেরো মন বত্রিশ সের তিন ছটাক।
নিউটনের Fish Pill খেলে কী হয়?
নিউটনের Fish Pill খেলে সাতদিনের খাওয়া হয়ে যায়।
প্রহ্লাদ কী বড়ি খায়? সে বড়ি খেলে কী হয়?
প্রহ্লাদ বটফুলের রসের ‘বটিকা’ ইন্ডিকা-র বড়ি খায়। সে বড়ি খেলে 24 ঘণ্টার জন্য খিদে তেষ্টা মিটে যায়।
প্রহ্লাদ কোন্ মহাকাব্য পড়েছিল?
প্রহ্লাদ প্রথমে রামায়ণ ও পরে মহাভারত মহাকাব্য পড়েছিল।
কে বাংলা শিখেছিল?
বিধুশেখর বাংলা শিখেছিল।
মঙ্গল গ্রহকে কীসের মতো দেখতে?
মঙ্গল গ্রহকে বাতাবি লেবুর মতো দেখতে।
বিধুশেখর কোন্ গান গাইছিল?
বিধুশেখর ‘ধনধান্য পুষ্প ভরা’ গানটি গাইছিল।
উল্লিখিত গানটির রচয়িতার নাম লেখো।
উল্লিখিত গানটির রচয়িতা কবি দ্বিজেন্দ্রলাল রায়।
অবিনাশবাবু কে? কত উলা বিভা
অবিনাশবাবু লেখক সত্যজিৎ রায়ের ‘ব্যোমযাত্রীর ডায়রি’ গল্পে প্রফেসার শঙ্কুর প্রতিবেশী ছিলেন।
বিধুশেখরের হাত-পা কীভাবে জোড়া লাগত?
বোতাম টিপলেই বিধুশেখরের হাত পা জোড়া লাগত।
মঙ্গল গ্রহের রং কী?
মঙ্গল গ্রহের রং নীল।
মঙ্গল গ্রহের প্রাণীরা কেমন দেখতে?
মঙ্গল গ্রহের প্রাণীরা মানুষ, মাছ, জন্তু কিছুই নয়। তারা বিদঘুটে দেখতে। গায়ে তাদের আঁশটে গন্ধ।
মঙ্গল গ্রহে কোথায় বসে শঙ্কু ডায়ারি লিখছিলেন?
মঙ্গল গ্রহে একটা হলদে রঙের পাথরের ঢিপির ওপর বসে শঙ্কু ডায়রি লিখছিলেন।
সেখানকার গাছপালা কেমন?
সেখানকার গাছপালা মাটি সবই কেমন যেন নরম।
মঙ্গল গ্রহের গাছপালা ও ঘাসের রং কী?
মঙ্গল গ্রহের গাছপালা ও ঘাসের রং সবুজের বদলে নীল।
মঙ্গলগ্রহের আবহাওয়া কেমন?
মঙ্গলগ্রহের আবহাওয়া ঠান্ডার বদলে গরম।
মঙ্গলগ্রহের নদীর জল খেলে কী হয়?
মঙ্গলগ্রহের নদীর জল খেলে ক্লান্তি দূর হয়।
‘ভীষণ বিপদ’ বিধুশেখর এই ভাষা কীভাবে প্রকাশ করল?
‘ভীবং-বিভং’ এ ভাষায় বিধুশেখর ‘ভীষণ বিপদ’ কথাটিকে প্রকাশ করল।
মঙ্গল গ্রহে আঁশটে গন্ধের কারণ কী?
মঙ্গল গ্রহে আঁশটে গন্ধের কারণ ওখানকার বিশেষ একপ্রকার প্রাণী।
রকেট কোথায় পাড়ি দিয়েছিল?
রকেট সৌরজগতের অগণিত গ্রহ নক্ষত্রের দিকে পাড়ি দিয়েছিল।
নিউটনের অরুচি হয়েছিল কেন?
মঙ্গলীয়দের গায়ে দাঁত বসানোর ফলেই নিউটনের অরুচি হয়েছিল।
বিধুশেখর চলতি ভাষার পরিবর্তে কী ভাষা প্রয়োগ করেছিল?
বিধুশেখর চলতি ভাষার পরিবর্তে শুদ্ধভাষা ব্যবহার করেছিল।
কীভাবে বিধুশেখর শুদ্ধভাষা শিখেছিল?
প্রহ্লাদের কাছে বিধুশেখর রামায়ণ ও মহাভারত শুনে শুদ্ধভাষ শিখেছিল।
চারদিকে আলোর রোশনাই দেখা গিয়েছিল কেন?
চারদিকে অগণিত সোনার বল আপনা থেকেই বড়ো হতে হতে ফাটছিল আর সোনার রোশনাই দেখা গিয়েছিল।
‘তোফা’ শব্দটি কী শব্দে পরিবর্তিত হয়?
‘তোফা’ শব্দটি ‘টাফা’ শব্দে পরিবর্তিত হয়।
‘টাফা’ দেখতে কেমন?
‘টাফা’ সাদা গ্রহ, নির্মল ও নিষ্কলঙ্ক।
‘টাফা’য় কারা বাস করত?
‘টাফা’য় সৌরজগতের সভ্য লোকেরা বাস করত।
টাফার সভ্যতা কত প্রাচীন?
পৃথিবীর সভ্যতা অপেক্ষা টাফার সভ্যতা কয়েক কোটি বছরের প্রাচীন।
‘টাফা’য় কী ধরনের লোক বেশি বাস করত?
‘টাফা’য় বৈজ্ঞানিক ও বুদ্ধিমান মানুষেরা বেশি বাস করত।
‘টাফা’র মানুষেরা দেখতে কেমন?
‘টাফা’র মানুষেরা অতিকায় পিঁপড়ের মতো দেখতে।
এরা কোথায় বাস করত?
এরা গর্ত দিয়ে মাটির ভেতরে ঢুকে বাস করত।
শঙ্কু আর ডায়ারি লিখতে চাইলেন না কেন?
শঙ্কু আর ডায়ারি লিখতে চাইলেন না কারণ মূর্খেরা এর মর্ম বুঝবে না।
টাফার লোকেরা লেখকের কাছে আসতে চাইল কেন?
‘টাফার’ লোকেরা সহজ সরল কথাবার্তা শুনতে লেখকের কাছে আসতে চাইল।
নস্যি বন্দুক দিয়ে লেখক কী করলেন?
লেখক রেগে গিয়ে নস্যি বন্দুক তথা নসাস্ত্র দিয়ে শিক্ষা দিতে চাইলেন।
তাতে কিছু ফল হয়েছিল কি?
উদ্ধৃতিতে টাফার অধিবাসীদের উপর শঙ্কুর নস্যান্ত প্রয়োগের কথা বলা হয়েছে। এর প্রয়োগে কিছু ফল হয়নি। কেন-না টাফার লোকেরা তখনও হাঁচি দিতেই শেখেনি।
কারা ডায়ারিটা উদরসাৎ করেছিল?
ডেঁয়ো পিঁপড়ের দল ডায়ারিটা উদরসাৎ করেছিল।
সঠিক উত্তর নির্বাচন করো
‘ব্যোমযাত্রীর ডায়রি’ প্রথম প্রকাশিত হয় যে পত্রিকায় –
- কল্লোল
- প্রগতি
- শিশুসাথী
- সন্দেশ
উত্তর – 4. সন্দেশ
‘ব্যোমযাত্রীর ডায়রি’ কী জাতীয় রচনা? –
- কল্পবিজ্ঞানমূলক
- বিজ্ঞানভিত্তিক
- ভৌতিক রচনা
- গোয়েন্দা কাহিনি
উত্তর – 1. কল্পবিজ্ঞানমূলক
প্রফেসার ত্রিলোকেশ্বর শঙ্কুর স্রষ্টা –
- সুকুমার রায়
- নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
- সত্যজিৎ রায়
- শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
উত্তর – 3. সত্যজিৎ রায়
ব্যোমযাত্রী হল –
- পাতাল যাত্রী
- আকাশ যাত্রী
- অরণ্য যাত্রী
- জেল যাত্রী
উত্তর – 2. আকাশ যাত্রী
প্রোফেসর ত্রিলোকেশ্বর শঙ্কুর ডায়ারিটা লেখক পান –
- প্রহ্লাদের কাছ থেকে
- অবিনাশবাবুর কাছ থেকে
- তারক চাটুজ্যের কাছ থেকে
- সত্যজিৎ রায়ের কাছ থেকে
উত্তর – 3. তারক চাটুজ্যের কাছ থেকে
বক্তা তারকবাবুকে কেন টাকা দিয়েছিলেন? –
- প্রুফ দেখার জন্য
- গোল্ড মাইন পাওয়ার জন্য
- গল্প লেখার জন্য
- দারিদ্রের কারণে
উত্তর – 4. দারিদ্রের কারণে
প্রোফেসর শঙ্কুর আসল নাম কী? –
- ব্যাঙ্কেশ্বর
- ত্রিলোকেশ্বর
- সুরেশ্বর
- তারকেশ্বর
উত্তর – 2. ত্রিলোকেশ্বর
ত্রিলোকেশ্বর শঙ্কু ছিলেন –
- ডাক্তার
- জীবতত্ত্ববিদ
- গোয়েন্দা
- বৈজ্ঞানিক
উত্তর – 4. বৈজ্ঞানিক
বাঘ জিনিসটা তারকবাবু কখন উল্লেখ করেন? –
- সুন্দরবনে পৌঁছোলে
- চিড়িয়াখানায়
- শিকার করতে গিয়ে
- যে-কোনো ঘটনায়
উত্তর – 4. যে-কোনো ঘটনায়
‘ব্যোমযাত্রীর ডায়েরি’ কোথায় পাওয়া গিয়েছিল? –
- গিরিডিতে
- কলকাতায়
- হরিণাঘাটায়
- মাথারিয়ায়
উত্তর – 4. মাথারিয়ায়
সুন্দরবন থেকে তারকবাবু কী নিয়ে এসেছিলেন? –
- বাঘের ছাল
- হরিণ
- উল্কার খণ্ড
- গো-সাপের ছাল এবং একটি খাতা
উত্তর – 4. গো-সাপের ছাল এবং একটি খাতা
উল্কার গর্তে কী উঁকি মারছিল? –
- শেয়ালের বাচ্চা
- গো-সাপ
- ডায়েরি
- জ্বলন্ত উল্কাখণ্ড
উত্তর – 3. ডায়েরি
তারকবাবু ডায়েরিটি কাকে দিয়েছিলেন? –
- কথককে
- শঙ্কুকে
- অবিনাশবাবুকে
- প্রহ্লাদকে
উত্তর – 1. কথককে
‘চলন্তিকা’ হল –
- কাব্য
- অভিযান
- উপন্যাস
- ডায়েরি
উত্তর – 2. অভিযান
কালির রং কীভাবে বদল হচ্ছিল? –
- সবুজ>নীল>লাল>হলুদ
- সবুজ>সবুজ>নীল>লাল
- সবুজ>লাল>নীল>হলুদ
- সবুজ>হলুদ>নীল>লাল
উত্তর – 3. সবুজ>লাল>নীল>হলুদ
খাতাটা খুলতে কখন বুক ধড়াস করে ওঠে? –
- কালির রং নীল দেখে
- কালির লাল রঙ হলদে দেখে
- কালির রং লাল দেখে
- কালির রং নীল থেকে হলুদ হতে দেখে।
উত্তর – 1. কালির রং নীল দেখে
কথকের কুকুরের নাম –
- ক্যান্ডি
- বাঘা
- ভুলো
- রেনবো
উত্তর – 3. ভুলো
ডায়েরির কাগজের বৈশিষ্ট্য ছিল –
- টানলে রঙ বদলায়
- সহজেই ছিঁড়ে যায়
- টেনে ছেঁড়া অসাধ্য
- কেবল ভুলো ছিঁড়তে পারে
উত্তর – 3. টেনে ছেঁড়া অসাধ্য
ডায়রির খাতাটা কথক কতক্ষণ উনুনে ফেলে রেখেছিল? –
- তিনঘণ্টা
- চারঘণ্টা
- পাঁচঘণ্টা
- ছয়ঘণ্টা
উত্তর – 3. পাঁচঘণ্টা
‘আর দিনের শুরুতেই একটা বিশ্রী কান্ড ঘটে গেল’। দিনটা –
- 12 জানুয়ারি
- 22 জানুয়ারি
- 1 জানুয়ারি
- 10 জানুয়ারি
উত্তর – 3. 1 জানুয়ারি
নর্দমার ভেতর প্রহ্লাদের হাঁচি হওয়ার ফল –
- কিছুক্ষণ
- রাত এগারোটা পর্যন্ত
- তেইশ মিনিট
- তেত্রিশ ঘণ্টা
উত্তর – 4. তেত্রিশ ঘণ্টা
অবিনাশবাবু ছিলেন –
- শঙ্কুর সহকারী
- মুলোখেতের মালিক
- একটি স্বনামধন্য
- প্রহ্লাদের বন্ধু
উত্তর – 2. মুলোখেতের মালিক
অবিনাশবাবু চায়ের চিনির বদলে কী খেতেন? –
- জাফরান
- লবণ
- স্যাকারিন
- ক্লোরিন
উত্তর – 3. স্যাকারিন
‘… যাদের বুদ্ধি কম হয় তাদের সাহস বেশি হয়’ – কারণ? –
- বুদ্ধিকে কাজে লাগাতে সময় নেয়
- বুদ্ধিকে কাজেই লাগায় না
- তারা চোখ-কান বন্ধ করে চলে
- বুদ্ধিমান ব্যক্তি তাদের সাহস জোগায় বলে
উত্তর – 2. বুদ্ধিকে কাজেই লাগায় না
প্রহ্লাদ -এর ওজন কত ছিল? –
- 2 মন 7 সের
- 1 মন 11 সের
- সাড়ে 7 মন
- 5 মন
উত্তর – 1. 2 মন 7 সের
অবিনাশ বাবুর চা-এ কী দেওয়া হয়েছিল? –
- চিনি
- দুধ
- ডালিমের রস
- একটি বড়ি
উত্তর – 1. একটি বড়ি
নিউটন কী খেতে ভালবাসত? –
- Fish pill
- মাছের মুড়ো
- দুধভাত
- কোনোটিই নয়
উত্তর – 1. Fish pill
বিধুশেখরের লোহার মাথা কখন স্বপ্ন করছিল? –
- নিউটনের সঙ্গে যাওয়ার অনুমতি পেয়ে
- ট্যানট্রাম ঢালার সঙ্গে সঙ্গে
- কম্পাউন্ড তৈরির সময়
- যন্ত্রপাতি বিগড়ে যাওয়ার কারণে।
উত্তর – 2. ট্যানট্রাম ঢালার সঙ্গে সঙ্গে
চোখ-ধাঁধানো সবুজ আলো সহ বিস্ফোরণ কখন ঘটেছিল? –
- ভেলোসিলিকাটার বিস্ফোরণে
- ট্যানট্রাম-টা দিয়ে বিস্ফোরণের ফলে
- ভেলোসিলিকাটার সঙ্গে নস্যি মেশানোর ফলে।
- পরমাণু বোমা বিস্ফোরণের ফলে।
উত্তর – 2. ট্যানট্রাম-টা দিয়ে বিস্ফোরণের ফলে
উল্কাপাত বেশি হয় –
- গ্রীষ্মকালে
- বসন্তকালে
- শীতকালে
- শরৎকালে
উত্তর – 4. শরৎকালে
গল্পস্থ গাছের ফুল কোন্ ঘটনার পর বলতে যায়? –
- উল্কাপাতের পর
- দুপুরবেলা
- সকালবেলা
- সন্ধ্যার সময়
উত্তর – 1. উল্কাপাতের পর
নিউটন কী পরানোর সময় আপত্তি করেছিল? –
- টুপি
- জামা
- জুতো
- হেলমেট
উত্তর – 4. হেলমেট
রকেট যাত্রিদের মাল সমেত ওজন কত ছিল? –
- 15 মন 32 সের ও 9 ছটাক
- 16 মন 3 ছটাক
- 16 মন 3 সের 32 ছটাক
- 17 মন 33 সের ও 6 ছটাক
উত্তর – 1. 15 মন 32 সের ও 9 ছটাক
নিউটনের এক-একটা Fish Pill -এ কতদিনের খাওয়া হয়ে যায়? –
- 2 দিন
- 5 দিন
- 4 দিন
- 7 দিন
উত্তর – 4. 7 দিন
প্রহ্লাদ ভালো জানত –
- ইংরাজি
- ভূগোল
- ইতিহাস
- বাংলা
উত্তর – 4. বাংলা
‘অক্সিজেন’ শব্দ করে –
- প্রহ্লাদ
- নিউটন
- বিধুশেখর
- কটকটি
উত্তর – 3. বিধুশেখর
বিধুশেখর রকেটে থাকার সময় কোন কথা বিড়বিড় করছিল? –
- ঘাংঙ ঘঙো কুক্কো ঘঙা আগাঁকেকেই ককুংঘঙা
- ঘঙো ঘাংঙ কুঁক্ক ঘঙা আগাঁকেকেই ককুং খঙা
- ঘঙো ঘাংঙ কুকো ঘঙা আগকেকেই কুকংঘঙা
- ঘাংঙ ঘাংঙ কুঁকো ঘঙা আগাঁকেকেই কুকুংঘঙা
উত্তর – 2. ঘঙো ঘাংঙ কুঁক্ক ঘঙা আগাঁকেকেই ককুং খঙা
শঙ্কু মঙ্গল গ্রহে কী জিনিস নিয়ে নামবেন ভেবেছিলেন? –
- ক্যামেরা ও দূরবিন
- অস্ত্রশস্ত্র
- ফার্স্ট-এড বক্স
- ক্যামেরা, দূরবিন, অস্ত্রশস্ত্র, ফার্স্ট-এড বক্স সবই
উত্তর – 4. ক্যামেরা, দূরবিন, অস্ত্রশস্ত্র, ফার্স্ট-এড বক্স সবই
মঙ্গলে প্রথম জল দেখে মনে হয়েছিল –
- নরম আলকাতরা
- স্বচ্ছ আনারসের জেলি
- স্বচ্ছ পেয়ারার জেলি
- পৃথিবীর জলের মতোই
উত্তর – 3. স্বচ্ছ পেয়ারার জেলি
মঙ্গলের জল প্রথম পান করল –
- বিধুশেখর
- প্রফেসর
- শঙ্কু
- নিউটন
উত্তর – 4. নিউটন
‘বিভং’ শব্দের অর্থ –
- ভয়
- বিপদ
- ভীষণ
- হঠাৎ
উত্তর – 2. বিপদ
মঙ্গলে প্রহ্লাদ-কে কী কাজ দেওয়া হয়েছিল? –
- পাথর সংগ্রহ করার
- প্রাণীর খোঁজ করার
- খাদ্য সংগ্রহ করার
- গাছের খোঁজ করার
উত্তর – 2. প্রাণীর খোঁজ করার
মঙ্গলে অবতরণের কতদিন পরে সেখানকার জীবের সন্ধান দেখা হয়? –
- প্রথম দিন
- দ্বিতীয় দিন
- তৃতীয় দিন
- পঞ্চম দিন
উত্তর – 1. প্রথম দিন
‘তিন্তিড়ি তিন্তিড়ি’ বলে ডাকছিল –
- প্রহ্লাদ
- মঙ্গলের জন্তু
- বিধুশেখর
- নিউটন
উত্তর – 2. মঙ্গলের জন্তু
প্রফেসর শঙ্কু বিধুশেখরকে কীভাবে রকেটে তুলে নিয়ে আসে? –
- বুঝিয়ে সুঝিয়ে
- আঁশটে গন্ধ দিয়ে
- বিধুশেখরকে দু-ভাগে খণ্ড করে
- ঘাড়ের বোতাম চালু করে
উত্তর – 3. বিধুশেখরকে দু-ভাগে খণ্ড করে
রকেটটা মঙ্গল ছেড়ে বেরিয়ে –
- পৃথিবীর দিকে যাত্রা করেছিল
- চাঁদের দিকে
- অজানা জায়গায়
- মঙ্গলের অন্য প্রান্তে
উত্তর – 3. অজানা জায়গায়
ঘটোৎকচবধের কথা আছে –
- রামায়ণে
- মহাভারতে
- ভাগবতে
- বাইবেলে
উত্তর – 2. মহাভারতে
‘গবাক্ষ উদ্ঘাটন করহ’ – ‘গবাক্ষ’ এখানে –
- জানলা
- গোরুর খুর
- গোরুর চোখ
- গোরুর লেজ
উত্তর – 1. জানলা
প্রহ্লাদ ক্রমাগত ইষ্টনাম জপ করছিল-
- মঙ্গল গ্রহে হাঁটার সময়
- মঙ্গলের জন্তুদের তাড়া খেয়ে
- মঙ্গল ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার সময় রকেটে বসে
- মঙ্গলে যাওয়ার কথা শুনে
উত্তর – 3. মঙ্গল ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার সময় রকেটে বসে
‘প্রহ্লাদ ক্রমাগত ইষ্টনাম জপ করছে’। ইষ্টনাম হল –
- ইষ্টদেবতার নাম
- পিতা-মাতার নাম
- পবন দেবতার নাম
- প্রফেসারের নাম
উত্তর – 1. ইষ্টদেবতার নাম
‘টাফা’ – হল –
- সুন্দর গ্রহ
- একটি রকেট
- বক্তার সহঅভিযাত্রী
- মঙ্গলের জন্তু
উত্তর – 1. সুন্দর গ্রহ
সৌরজগতের মধ্যে প্রথম সভ্য লোক বাস করে –
- চাঁদে
- মঙ্গলে
- পৃথিবীতে
- টাফায়
উত্তর – 4. টাফায়
পৃথিবীর সভ্যতার চেয়ে কাদের সভ্যতা কয়েক কোটি বছর পুরোনো? –
- চাঁদের
- মঙ্গল গ্রহের
- টাফার
- সূর্যের
উত্তর – 3. টাফার
টাফায় রকেট থেকে নামার পর কারা অভ্যর্থনা জানায় –
- অতিকায় পিঁপড়েরা
- অতিকায় পিঁপড়ের মতো জন্তুরা
- মঙ্গল গ্রহের জন্তুরা
- লেখকের বন্ধুরা
উত্তর – 2. অতিকায় পিঁপড়ের মতো জন্তুরা
পিঁপড়ে কল্পনা করলে –
- টাফার প্রাণীদের বোঝা যাবে
- মঙ্গলের জন্তুদের বোঝা যাবে
- চাঁদের বুড়িকে জানা যাবে
- মরুসাগরের প্রাণীদের জানা যাবে
উত্তর – 1. টাফার প্রাণীদের বোঝা যাবে
‘টাফা’ সম্পর্কে বিধুশেখরের কথাটি –
- সত্য
- ভুল
- আংশিক ভুল
- আংশিক সত্য
উত্তর – 2. ভুল
প্রফেসার ডায়ারি লেখা বন্ধ করবেন কারণ –
- টাফার মূর্খরা বুঝবে না
- পৃথিবীতে ডায়ারি পৌঁছবে না
- বিধুশেখর নষ্ট করে দেবে বলে
- ক ও খ দুটোই ঠিক
উত্তর – 4. ক ও খ দুটোই ঠিক
প্রফেসার শঙ্কুর ডায়ারিটা কে খেয়ে নিয়েছিল? –
- কুকুরে
- পাগলে
- বিড়ালে
- ডেঁয়ো পিঁপড়েতে
উত্তর – 4. ডেঁয়ো পিঁপড়েতে
আজকের এই আর্টিকেলে আমরা নবম শ্রেণীর বাংলা বিষয়ের, ‘ব্যোমযাত্রীর ডায়রি’ -এর কিছু অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর নিয়ে আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নোত্তরগুলো নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ নবম শ্রেণীর বাংলা পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন নিয়মিত আসে। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের উপকারে এসেছে। যদি আপনার কোনো প্রশ্ন বা মতামত থাকে, তবে টেলিগ্রামে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। আপনাদের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য আমরা সর্বদা প্রস্তুত। ধন্যবাদ।





মন্তব্য করুন