এই আর্টিকলে আমরা নবম শ্রেণীর জীবন বিজ্ঞানের তৃতীয় অধ্যায় ‘জৈবনিক প্রক্রিয়া’ -এর অন্তর্গত ‘সংবহন’ অংশের গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্যধর্মী প্রশ্ন ও উত্তর নিয়ে আলোচনা করব। পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ (WBBSE) -এর সিলেবাস অনুযায়ী আসন্ন ইউনিট টেস্ট বা স্কুল পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য এই প্রশ্নগুলো অত্যন্ত জরুরি।

মুক্ত সংবহন (Open Circulation) ও বন্ধ সংবহন (Closed Circulation) -এর মধ্যে পার্থক্য লেখো।
অথবা, অমেরুদণ্ডী ও মেরুদণ্ডী প্রাণীর সংবহনতন্ত্রের পার্থক্য লেখো।
মুক্ত সংবহন (Open Circulation) ও বন্ধ সংবহন (Closed Circulation) -এর মধ্যে পার্থক্য –
| বিষয় | মুক্ত সংবহন | বদ্ধ সংবহন |
| রক্তের অবস্থান | রক্তবাহ ও দেহগহ্বরে অবস্থান করে। | রক্তবাহে অবস্থান করে। |
| রক্তজালক | অনুপস্থিত। | উপস্থিত। |
| রক্তের গতি | রক্ত মন্থর গতিতে প্রবাহিত হয়। | রক্ত দ্রুত গতিতে প্রবাহিত হয়। |
| কাজ | রক্ত কলাকোশের প্রত্যক্ষ সংস্পর্শে আসে এবং রক্ত ও কোশের মধ্যে সরাসরি পদার্থের আদানপ্রদান ঘটে। | রক্ত কলাকোশের প্রত্যক্ষ সংস্পর্শে আসে না এবং রক্ত ও কোশের মধ্যে সরাসরি পদার্থের আদানপ্রদান ঘটে না। |
| হৃৎপিণ্ড | মুক্ত সংবহনতন্ত্রের হৃৎপিণ্ড অপেক্ষাকৃত অনুন্নত প্রকৃতির। | বদ্ধ সংবহনতন্ত্রের হৃৎপিণ্ড বেশ উন্নত প্রকৃতির। |
| রক্তচাপ | কম থাকে। | বেশি থাকে। |
| উপস্থিতি | চিংড়ি, আরশোলা প্রভৃতি সন্ধিপদী প্রাণী এবং শামুক, ঝিনুক প্রভৃতি কম্বোজী প্রাণীদেহে বর্তমান। | কেঁচো (অমেরুদণ্ডী) এবং সমস্ত মেরুদণ্ডী প্রাণীদেহে বর্তমান। |
রক্ত (Blood) ও লসিকার (Lymph) মধ্যে পার্থক্য লেখো।
রক্ত (Blood) ও লসিকার (Lymph) মধ্যে পার্থক্য –
| বিষয় | রক্ত | লসিকা |
| প্রকৃতি | ক্ষারধর্মী, সামান্য সান্দ্র, লবণাক্ত, অস্বচ্ছ, উজ্জ্বল, লালবর্ণের তরল পদার্থ। | অল্প ক্ষারধর্মী, হালকা হলুদরঙের, স্বচ্ছ পরিবর্তিত কলারস। |
| রক্তকণিকা | লোহিত রক্তকণিকা, অণুচক্রিকা ও শ্বেত রক্তকণিকা বর্তমান। | কেবলমাত্র লিম্ফোসাইট শ্বেতরক্তকণিকা বর্তমান। |
| অবস্থান | রক্তবাহে অবস্থান করে। | লসিকাবাহে অবস্থান করে। |
| হিমোগ্লোবিন | উপস্থিত। | অনুপস্থিত। |
| প্রোটিন | সিরাম অ্যালবুমিন, সিরাম গ্লোবিউলিন, ফাইব্রিনোজেন, প্রোথ্রম্বিন প্রভৃতি প্রোটিন থাকে। | সামান্য ফাইব্রিনোজেন থাকে। |
| গ্যাসীয় পদার্থ পরিবহণ | O₂ ও CO₂ পরিবহণে মুখ্য ভূমিকা পালন করে। | সাধারণত গ্যাসীয় পরিবহণে অংশগ্রহণ করে না। তবে রক্ত যেখানে অনুপস্থিত সেখানে গ্যাসীয় আদান প্রদানে অংশ নেয়। |
প্লাজমা (Plasma) ও সিরামের (Serum) মধ্যে পার্থক্য লেখো।
প্লাজমা (Plasma) ও সিরামের (Serum) মধ্যে পার্থক্য –
| বিষয় | প্লাজমা | সিরাম |
| প্রকৃতি | রক্তের ধাত্র অংশ। | রক্ততঞ্চনের পর তঞ্চনপিণ্ড থেকে নিঃসৃত তরল পদার্থ। |
| রক্তকণিকা | লোহিত রক্তকণিকা, শ্বেত রক্তকণিকা ও অণুচক্রিকা বর্তমান। | কোনো রক্তকণিকা থাকে না। |
| ফাইব্রিনোজেন | থাকে। | থাকে না। |
| তঞ্চন ক্ষমতা | থাকে। | থাকে না। |
লোহিত রক্তকণিকা (Red Blood Cell) ও শ্বেত রক্তকণিকার (White Blood Cell) মধ্যে পার্থক্য লেখো।
লোহিত রক্তকণিকা (Red Blood Cell) ও শ্বেত রক্তকণিকার (White Blood Cell) মধ্যে পার্থক্য –
| বিষয় | লোহিত রক্তকণিকা | শ্বেত রক্তকণিকা |
| আকার | দ্বিঅবতল, গোলাকার। | অনিয়তাকার। |
| নিউক্লিয়াস | পরিণত অবস্থায় থাকে না। | থাকে। |
| মাইটোকনড্রিয়া | থাকে না। | থাকে। |
| সংখ্যা | বেশি। প্রায় 4.5-5 মিলিয়ন/mm³ রক্ত। | কম। প্রায় 6000-9000/mm³ রক্ত। |
| হিমোগ্লোবিন | থাকে। | থাকে না। |
| জীবনকাল | 120 দিন। | 1-15 দিন। |
| কাজ | গ্যাসীয় পদার্থ পরিবহণ। | রোগ প্রতিরোধ ও দেহে সুরক্ষা প্রদান। |
হিমোগ্লোবিন (Haemoglobin) ও হিমোসায়ানিন (Haemocyanin) -এর মধ্যে পার্থক্য লেখো।
হিমোগ্লোবিন (Haemoglobin) ও হিমোসায়ানিন (Haemocyanin) -এর মধ্যে পার্থক্য –
| বিষয় | হিমোগ্লোবিন | হিমোসায়ানিন |
| প্রকৃতি | লৌহঘটিত শ্বাসরঞ্জক। | তাম্রঘটিত শ্বাসরঞ্জক। |
| বর্ণ | হিমোগ্লোবিনের উপস্থিতির জন্য রক্তের রং লাল হয়। | হিমোসায়ানিনের উপস্থিতির জন্য রক্তের রং নীলাভ হয়। |
| O₂ বহন ক্ষমতা | O₂ পরিবহণ ক্ষমতা বেশি। | O₂ পরিবহণ ক্ষমতা তুলনামূলকভাবে কম। |
| যৌগ গঠন | O₂ -এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন নামক যৌগ গঠন করে। | O₂ -এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে অক্সিসায়ানিন নামক যৌগ গঠন করে। |
সর্বজনীন দাতা (Universal donor) ও সর্বজনীন গ্রহীতা (Universal Receptor) রক্তগ্রুপের মধ্যে পার্থক্য দেখাও।
অথবা, O রক্তগ্রুপ ও AB রক্তগ্রুপ -এর মধ্যে পার্থক্য লেখো।
সর্বজনীন দাতা (Universal donor) ও সর্বজনীন গ্রহীতা (Universal Receptor) রক্তগ্রুপের মধ্যে পার্থক্য –
| বিষয় | সর্বজনীন দাতা রক্তগ্রুপ | সর্বজনীন গ্রহীতা রক্তগ্রুপ |
| প্রকৃতি | ‘O’ রক্তগ্রুপ। | ‘AB’ রক্তগ্রুপ। |
| অ্যান্টিজেন | রক্তে কোনো অ্যান্টিজেন থাকে না। | রক্তে অ্যান্টিজেন A ও B থাকে। |
| অ্যান্টিবডি | রক্তরসে অ্যান্টিবডি α ও β বর্তমান। | রক্তরসে কোনো অ্যান্টিবডি থাকে না। |
| রক্তদান | A, B, AB ও O রক্তগ্রুপদের রক্তদান করতে পারে। | কেবলমাত্র AB রক্ত গ্রুপকেই রক্তদান করতে পারে। |
| রক্তগ্রহণ | কেবলমাত্র O গ্রুপের রক্তই গ্রহণ করতে পারে। | A, B, AB ও O সমস্ত গ্রুপের রক্তই গ্রহণ করতে পারে। |
ধমনি (Artery) ও শিরার (Vein) মধ্যে পার্থক্য লেখো।
ধমনি (Artery) ও শিরার (Vein) মধ্যে পার্থক্য –
| বিষয় | ধমনি | শিরা |
| প্রাচীর | ধমনির প্রাচীর স্থূল, পেশিবহুল ও স্থিতিস্থাপক। | শিরার প্রাচীর অল্প পেশিবহুল ও অস্থিতিস্থাপক। |
| উৎপত্তিস্থল | হৃৎপিণ্ড। | রক্তজালক। |
| মিলনস্থল | রক্তজালক। | হৃৎপিণ্ড। |
| প্রাচীর | ধমনির প্রাচীরের অন্তর্গত টিউনিকা মিডিয়া স্তরটি তুলনামূলকভাবে পুরু হয়। | শিরা গঠনকারী টিউনিকা মিডিয়া স্তরটি তুলনামূলক পাতলা বেশি। |
| গহ্বর | ধমনি গহ্বরের ব্যাস ছোটো। | শিরা গহ্বরের ব্যাস বড়ো। |
| কপাটিকা | অর্ধচন্দ্রাকৃতি কপাটিকা থাকে না। | অর্ধচন্দ্রাকৃতি কপাটিকা থাকে। |
| রক্তচাপ | অধিক হয়। | কম হয়। |
| স্পন্দন | স্পন্দন থাকে। | স্পন্দন নেই। |
| রক্তসংবহন পথ | ধমনি হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত সারাদেহে নিয়ে যায়। | সারাদেহ থেকে রক্ত হৃৎপিণ্ডে ফিরিয়ে আনে। |
| কাজ | ধমনির মাধ্যমে অধিক O₂ যুক্ত রক্ত বাহিত হয় (ব্যতিক্রম – ফুসফুসীয় ধমনি)। | শিরার মাধ্যমে অধিক CO₂ রক্ত পরিবাহিত হয় (ব্যতিক্রম – ফুসফুসীয় শিরা)। |
সিস্টেমিক শিরা (Systemic Vein) ও পোর্টাল শিরার (Portal Vein) মধ্যে পার্থক্য লেখো।
সিস্টেমিক শিরা (Systemic Vein) ও পোর্টাল শিরার (Portal Vein) মধ্যে পার্থক্য –
| বিষয় | সিস্টেমিক শিরা | পোর্টাল শিরা |
| প্রকৃতি | এই শিরার উৎপত্তির প্রান্তে রক্তজালক বর্তমান। | এই শিরার উৎপত্তি ও শেষ উভয় প্রান্তেই রক্তজালক বর্তমান। |
| বহন ক্ষমতা | বিস্তৃতি বেশি হওয়ায় অনেকটা রক্ত বহন করতে পারে। | বিস্তৃতি কম হওয়ায় কম পরিমাণ রক্ত বহন করে। |
| রক্তচাপ ও গতি | কম থাকে। | তুলনামূলকভাবে বেশি থাকে। |
| কাজ | কলা বা অঙ্গ থেকে রক্তকে হৃৎপিণ্ডে নিয়ে আসে। | এক অঙ্গ থেকে রক্তকে অন্য অঙ্গে পৌঁছে দেয়। |
ফুসফুসীয় ধমনি (Pulmonary Artery) ও ফুসফুসীয় শিরার (Pulmonary Vein) মধ্যে পার্থক্য লেখো।
ফুসফুসীয় ধমনি (Pulmonary Artery) ও ফুসফুসীয় শিরার (Pulmonary Vein) মধ্যে পার্থক্য –
| বিষয় | ফুসফুসীয় ধমনি | ফুসফুসীয় শিরা |
| উৎপত্তি স্থল | হৃৎপিণ্ডের ডান নিলয়। | ফুসফুস সংলগ্ন রক্তজালক। |
| মিলন স্থল | ফুসফুস সংলগ্ন রক্তজালক। | হৃৎপিণ্ডের বাম অলিন্দ। |
| কপাটিকা | উৎপত্তি স্থলে কপাটিকা থাকে। | উৎপত্তি বা মিলনস্থলে কোথাও কপাটিকা থাকে না। |
| কাজ | বেশি CO₂ যুক্ত রক্তকে ফুসফুসে পৌঁছে দেওয়া। | বেশি O₂ যুক্ত রক্তকে হৃৎপিণ্ডের বাম অলিন্দে পৌঁছে দেওয়া। |
অলিন্দ (Auricle) ও নিলয়ের (Ventricle) মধ্যে পার্থক্য লেখো।
অলিন্দ (Auricle) ও নিলয়ের (Ventricle) মধ্যে পার্থক্য –
| বিষয় | অলিন্দ | নিলয় |
| প্রাচীর | প্রাচীর পাতলা। | প্রাচীর পুরু। |
| অবস্থান | হৃৎপিণ্ডের ঊর্ধ্ব প্রকোষ্ঠ। | হৃৎপিণ্ডের নিম্নপ্রকোষ্ঠ। |
| সংযুক্ত শিরা | ঊর্ধ্ব ও নিম্ন মহাশিরা এবং ফুসফুসীয় শিরা। | কোনো শিরা যুক্ত থাকে না। |
| সংযুক্ত ধমনি | কোনো ধমনি যুক্ত থাকে না। | ফুসফুসীয় ধমনি ও মহাধমনি যুক্ত থাকে। |
| কাজ | ডান অলিন্দ সমস্ত দেহ থেকে আগত দূষিত রক্ত এবং বাম অলিন্দ ফুসফুস থেকে আগত বিশুদ্ধ রক্ত গ্রহণ করে। | ডান নিলয় ফুসফুসে দূষিত রক্ত এবং বাম নিলয় সমস্ত দেহে বিশুদ্ধ রক্ত প্রেরণ করে। |
দ্বিপত্র বা মিট্রাল কপাটিকা ও ত্রিপত্র কপাটিকার মধ্যে পার্থক্য লেখো।
দ্বিপত্র বা মিট্রাল কপাটিকা ও ত্রিপত্র কপাটিকার মধ্যে পার্থক্য –
| বিষয় | দ্বিপত্র কপাটিকা বা মিট্রাল কপাটিকা | ত্রিপত্র কপাটিকা |
| অবস্থান | বাম অলিন্দ ও বাম নিলয়ের সংযোগস্থলে উপস্থিত থাকে। | ডান অলিন্দ ও ডান নিলয়ের সংযোগস্থলে উপস্থিত থাকে। |
| গঠন | দুটি পাল্লা বা ভালভ যুক্ত। | তিনটি পাল্লা বা ভালভ যুক্ত। |
| কাজ | বাম অলিন্দ থেকে O₂ সমৃদ্ধ রক্তকে বাম নিলয়ে প্রেরণ করে এবং রক্তের বিপরীত প্রবাহের বাধা দেয়। | ডান অলিন্দ থেকে বেশি CO₂ যুক্ত রক্তকে ডান নিলয়ে প্রেরণ করে এবং রক্তের বিপরীতমুখী প্রবাহে বাধা দেয়। |
হৃৎপিণ্ড ও হিমোসিলের মধ্যে পার্থক্য লেখো।
হৃৎপিণ্ড ও হিমোসিলের মধ্যে পার্থক্য –
| বিষয় | হৃৎপিণ্ড | হিমোসিল |
| প্রকৃতি | রক্তসংবহনতন্ত্রের অন্তগর্ত পাম্পযন্ত্রের ন্যায় গঠন বিশেষ। | রক্তসংবহনতন্ত্রের অন্তর্গত রক্তধারক প্রকোষ্ঠ বিশেষ। |
| উপস্থিতি | মুক্ত ও বদ্ধ উভয় প্রকার রক্তসংবহনতন্ত্রে দেখা যায়। | ইহা শুধু মাত্র মুক্তরক্ত সংবহনতন্ত্রে দেখা যায়। |
| কাজ | রক্তকে সারা দেহে ধমনির মাধ্যমে প্রেরণ করে। | রক্ত সংগ্রহ ও রক্তকে হৃৎপিণ্ডে প্রেরণের কাজ করে। |
রক্ততঞ্চন ও RBC -এর পুঞ্জীভবনের মধ্যে পার্থক্য লেখো।
রক্ততঞ্চন ও RBC -এর পুঞ্জীভবনের মধ্যে পার্থক্য –
| বিষয় | রক্ততঞ্চন | পুঞ্জীভবন |
| প্রক্রিয়া | দেহের ক্ষতস্থান থেকে নির্গত রক্ত জমাট বাধার ঘটনাকে রক্ততঞ্চন বলে। | দেহের ভিতরে রক্তবাহের মধ্যে রক্তের লোহিত কণিকাগুলি জমাট বেঁধে যাওয়ার ঘটনাকে পুঞ্জীভবন বলে। |
| কার্যকারি অণু | ইহা অনুচক্রিকার কার্যকারিতা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। | ইহা রক্তে থাকা অ্যান্টিজেন-অ্যান্টিবডির বিক্রিয়ার কারণে ঘটে। |
| ফলাফল | ক্ষতস্থান মেরামতির জন্য কার্যকর। | ইহার কারণে থ্রম্বোসিস ঘটে। |
আজকের এই আর্টিকেলে আমরা নবম শ্রেণীর জীবন বিজ্ঞানের তৃতীয় অধ্যায় ‘জৈবনিক প্রক্রিয়া’ -এর অন্তর্গত ‘সংবহন’ অংশের পার্থক্যধর্মী প্রশ্ন ও উত্তর নিয়ে আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নগুলো নবম শ্রেণীর পরীক্ষা এবং যারা ভবিষ্যতে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি নেবেন, তাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আশা করি, আর্টিকেলটি আপনাদের উপকারে আসবে। যদি কোনো প্রশ্ন বা জিজ্ঞাসা থাকে, তবে আমাদের টেলিগ্রামে যোগাযোগ করতে পারেন; আমরা উত্তর দেওয়ার যথাসাধ্য চেষ্টা করবো। এছাড়া, লেখাটি প্রয়োজনীয় মনে হলে আপনার বন্ধু বা সহপাঠীদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না। ধন্যবাদ।





মন্তব্য করুন