নবম শ্রেণী জীবনবিজ্ঞান – জৈবনিক প্রক্রিয়া – সংবহন – পার্থক্যধর্মী প্রশ্ন ও উত্তর

Souvick

এই আর্টিকলে আমরা নবম শ্রেণীর জীবন বিজ্ঞানের তৃতীয় অধ্যায় ‘জৈবনিক প্রক্রিয়া’ -এর অন্তর্গত ‘সংবহন’ অংশের গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্যধর্মী প্রশ্ন ও উত্তর নিয়ে আলোচনা করব। পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ (WBBSE) -এর সিলেবাস অনুযায়ী আসন্ন ইউনিট টেস্ট বা স্কুল পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য এই প্রশ্নগুলো অত্যন্ত জরুরি।

জৈবনিক প্রক্রিয়া-সংবহন-জীবনবিজ্ঞান-নবম শ্রেণী
Contents Show

মুক্ত সংবহন (Open Circulation) ও বন্ধ সংবহন (Closed Circulation) -এর মধ্যে পার্থক্য লেখো।
অথবা, অমেরুদণ্ডী ও মেরুদণ্ডী প্রাণীর সংবহনতন্ত্রের পার্থক্য লেখো।

মুক্ত সংবহন (Open Circulation) ও বন্ধ সংবহন (Closed Circulation) -এর মধ্যে পার্থক্য –

বিষয়মুক্ত সংবহনবদ্ধ সংবহন
রক্তের অবস্থানরক্তবাহ ও দেহগহ্বরে অবস্থান করে।রক্তবাহে অবস্থান করে।
রক্তজালকঅনুপস্থিত।উপস্থিত।
রক্তের গতিরক্ত মন্থর গতিতে প্রবাহিত হয়।রক্ত দ্রুত গতিতে প্রবাহিত হয়।
কাজরক্ত কলাকোশের প্রত্যক্ষ সংস্পর্শে আসে এবং রক্ত ও কোশের মধ্যে সরাসরি পদার্থের আদানপ্রদান ঘটে।রক্ত কলাকোশের প্রত্যক্ষ সংস্পর্শে আসে না এবং রক্ত ও কোশের মধ্যে সরাসরি পদার্থের আদানপ্রদান ঘটে না।
হৃৎপিণ্ডমুক্ত সংবহনতন্ত্রের হৃৎপিণ্ড অপেক্ষাকৃত অনুন্নত প্রকৃতির।বদ্ধ সংবহনতন্ত্রের হৃৎপিণ্ড বেশ উন্নত প্রকৃতির।
রক্তচাপকম থাকে।বেশি থাকে।
উপস্থিতিচিংড়ি, আরশোলা প্রভৃতি সন্ধিপদী প্রাণী এবং শামুক, ঝিনুক প্রভৃতি কম্বোজী প্রাণীদেহে বর্তমান।কেঁচো (অমেরুদণ্ডী) এবং সমস্ত মেরুদণ্ডী প্রাণীদেহে বর্তমান।

রক্ত (Blood) ও লসিকার (Lymph) মধ্যে পার্থক্য লেখো।

রক্ত (Blood) ও লসিকার (Lymph) মধ্যে পার্থক্য –

বিষয়রক্তলসিকা
প্রকৃতিক্ষারধর্মী, সামান্য সান্দ্র, লবণাক্ত, অস্বচ্ছ, উজ্জ্বল, লালবর্ণের তরল পদার্থ।অল্প ক্ষারধর্মী, হালকা হলুদরঙের, স্বচ্ছ পরিবর্তিত কলারস।
রক্তকণিকালোহিত রক্তকণিকা, অণুচক্রিকা ও শ্বেত রক্তকণিকা বর্তমান।কেবলমাত্র লিম্ফোসাইট শ্বেতরক্তকণিকা বর্তমান।
অবস্থানরক্তবাহে অবস্থান করে।লসিকাবাহে অবস্থান করে।
হিমোগ্লোবিনউপস্থিত।অনুপস্থিত।
প্রোটিনসিরাম অ্যালবুমিন, সিরাম গ্লোবিউলিন, ফাইব্রিনোজেন, প্রোথ্রম্বিন প্রভৃতি প্রোটিন থাকে।সামান্য ফাইব্রিনোজেন থাকে।
গ্যাসীয় পদার্থ পরিবহণO₂ ও CO₂ পরিবহণে মুখ্য ভূমিকা পালন করে।সাধারণত গ্যাসীয় পরিবহণে অংশগ্রহণ করে না। তবে রক্ত যেখানে অনুপস্থিত সেখানে গ্যাসীয় আদান প্রদানে অংশ নেয়।

প্লাজমা (Plasma) ও সিরামের (Serum) মধ্যে পার্থক্য লেখো।

প্লাজমা (Plasma) ও সিরামের (Serum) মধ্যে পার্থক্য –

বিষয়প্লাজমাসিরাম
প্রকৃতিরক্তের ধাত্র অংশ।রক্ততঞ্চনের পর তঞ্চনপিণ্ড থেকে নিঃসৃত তরল পদার্থ।
রক্তকণিকালোহিত রক্তকণিকা, শ্বেত রক্তকণিকা ও অণুচক্রিকা বর্তমান।কোনো রক্তকণিকা থাকে না।
ফাইব্রিনোজেনথাকে।থাকে না।
তঞ্চন ক্ষমতাথাকে।থাকে না।

লোহিত রক্তকণিকা (Red Blood Cell) ও শ্বেত রক্তকণিকার (White Blood Cell) মধ্যে পার্থক্য লেখো।

লোহিত রক্তকণিকা (Red Blood Cell) ও শ্বেত রক্তকণিকার (White Blood Cell) মধ্যে পার্থক্য –

বিষয়লোহিত রক্তকণিকাশ্বেত রক্তকণিকা
আকারদ্বিঅবতল, গোলাকার।অনিয়তাকার।
নিউক্লিয়াসপরিণত অবস্থায় থাকে না।থাকে।
মাইটোকনড্রিয়াথাকে না।থাকে।
সংখ্যাবেশি। প্রায় 4.5-5 মিলিয়ন/mm³ রক্ত।কম। প্রায় 6000-9000/mm³ রক্ত।
হিমোগ্লোবিনথাকে।থাকে না।
জীবনকাল120 দিন।1-15 দিন।
কাজগ্যাসীয় পদার্থ পরিবহণ।রোগ প্রতিরোধ ও দেহে সুরক্ষা প্রদান।

হিমোগ্লোবিন (Haemoglobin) ও হিমোসায়ানিন (Haemocyanin) -এর মধ্যে পার্থক্য লেখো।

হিমোগ্লোবিন (Haemoglobin) ও হিমোসায়ানিন (Haemocyanin) -এর মধ্যে পার্থক্য –

বিষয়হিমোগ্লোবিনহিমোসায়ানিন
প্রকৃতিলৌহঘটিত শ্বাসরঞ্জক।তাম্রঘটিত শ্বাসরঞ্জক।
বর্ণহিমোগ্লোবিনের উপস্থিতির জন্য রক্তের রং লাল হয়।হিমোসায়ানিনের উপস্থিতির জন্য রক্তের রং নীলাভ হয়।
O₂ বহন ক্ষমতাO₂ পরিবহণ ক্ষমতা বেশি।O₂ পরিবহণ ক্ষমতা তুলনামূলকভাবে কম।
যৌগ গঠনO₂ -এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন নামক যৌগ গঠন করে।O₂ -এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে অক্সিসায়ানিন নামক যৌগ গঠন করে।

সর্বজনীন দাতা (Universal donor) ও সর্বজনীন গ্রহীতা (Universal Receptor) রক্তগ্রুপের মধ্যে পার্থক্য দেখাও।
অথবা, O রক্তগ্রুপ ও AB রক্তগ্রুপ -এর মধ্যে পার্থক্য লেখো।

সর্বজনীন দাতা (Universal donor) ও সর্বজনীন গ্রহীতা (Universal Receptor) রক্তগ্রুপের মধ্যে পার্থক্য –

বিষয়সর্বজনীন দাতা রক্তগ্রুপসর্বজনীন গ্রহীতা রক্তগ্রুপ
প্রকৃতি‘O’ রক্তগ্রুপ।‘AB’ রক্তগ্রুপ।
অ্যান্টিজেনরক্তে কোনো অ্যান্টিজেন থাকে না।রক্তে অ্যান্টিজেন A ও B থাকে।
অ্যান্টিবডিরক্তরসে অ্যান্টিবডি α ও β বর্তমান।রক্তরসে কোনো অ্যান্টিবডি থাকে না।
রক্তদানA, B, AB ও O রক্তগ্রুপদের রক্তদান করতে পারে।কেবলমাত্র AB রক্ত গ্রুপকেই রক্তদান করতে পারে।
রক্তগ্রহণকেবলমাত্র O গ্রুপের রক্তই গ্রহণ করতে পারে।A, B, AB ও O সমস্ত গ্রুপের রক্তই গ্রহণ করতে পারে।

ধমনি (Artery) ও শিরার (Vein) মধ্যে পার্থক্য লেখো।

ধমনি (Artery) ও শিরার (Vein) মধ্যে পার্থক্য –

বিষয়ধমনিশিরা
প্রাচীরধমনির প্রাচীর স্থূল, পেশিবহুল ও স্থিতিস্থাপক।শিরার প্রাচীর অল্প পেশিবহুল ও অস্থিতিস্থাপক।
উৎপত্তিস্থলহৃৎপিণ্ড।রক্তজালক।
মিলনস্থলরক্তজালক।হৃৎপিণ্ড।
প্রাচীরধমনির প্রাচীরের অন্তর্গত টিউনিকা মিডিয়া স্তরটি তুলনামূলকভাবে পুরু হয়। শিরা গঠনকারী টিউনিকা মিডিয়া স্তরটি তুলনামূলক পাতলা বেশি।
গহ্বরধমনি গহ্বরের ব্যাস ছোটো।শিরা গহ্বরের ব্যাস বড়ো।
কপাটিকাঅর্ধচন্দ্রাকৃতি কপাটিকা থাকে না।অর্ধচন্দ্রাকৃতি কপাটিকা থাকে।
রক্তচাপঅধিক হয়।কম হয়।
স্পন্দনস্পন্দন থাকে।স্পন্দন নেই।
রক্তসংবহন পথধমনি হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত সারাদেহে নিয়ে যায়।সারাদেহ থেকে রক্ত হৃৎপিণ্ডে ফিরিয়ে আনে।
কাজধমনির মাধ্যমে অধিক O₂ যুক্ত রক্ত বাহিত হয় (ব্যতিক্রম – ফুসফুসীয় ধমনি)।শিরার মাধ্যমে অধিক CO₂ রক্ত পরিবাহিত হয় (ব্যতিক্রম – ফুসফুসীয় শিরা)।

সিস্টেমিক শিরা (Systemic Vein) ও পোর্টাল শিরার (Portal Vein) মধ্যে পার্থক্য লেখো।

সিস্টেমিক শিরা (Systemic Vein) ও পোর্টাল শিরার (Portal Vein) মধ্যে পার্থক্য –

বিষয়সিস্টেমিক শিরাপোর্টাল শিরা
প্রকৃতিএই শিরার উৎপত্তির প্রান্তে রক্তজালক বর্তমান।এই শিরার উৎপত্তি ও শেষ উভয় প্রান্তেই রক্তজালক বর্তমান।
বহন ক্ষমতাবিস্তৃতি বেশি হওয়ায় অনেকটা রক্ত বহন করতে পারে।বিস্তৃতি কম হওয়ায় কম পরিমাণ রক্ত বহন করে।
রক্তচাপ ও গতিকম থাকে।তুলনামূলকভাবে বেশি থাকে।
কাজকলা বা অঙ্গ থেকে রক্তকে হৃৎপিণ্ডে নিয়ে আসে।এক অঙ্গ থেকে রক্তকে অন্য অঙ্গে পৌঁছে দেয়।

ফুসফুসীয় ধমনি (Pulmonary Artery) ও ফুসফুসীয় শিরার (Pulmonary Vein) মধ্যে পার্থক্য লেখো।

ফুসফুসীয় ধমনি (Pulmonary Artery) ও ফুসফুসীয় শিরার (Pulmonary Vein) মধ্যে পার্থক্য –

বিষয়ফুসফুসীয় ধমনিফুসফুসীয় শিরা
উৎপত্তি স্থলহৃৎপিণ্ডের ডান নিলয়।ফুসফুস সংলগ্ন রক্তজালক।
মিলন স্থলফুসফুস সংলগ্ন রক্তজালক।হৃৎপিণ্ডের বাম অলিন্দ।
কপাটিকাউৎপত্তি স্থলে কপাটিকা থাকে।উৎপত্তি বা মিলনস্থলে কোথাও কপাটিকা থাকে না।
কাজবেশি CO₂ যুক্ত রক্তকে ফুসফুসে পৌঁছে দেওয়া।বেশি O₂ যুক্ত রক্তকে হৃৎপিণ্ডের বাম অলিন্দে পৌঁছে দেওয়া।

অলিন্দ (Auricle) ও নিলয়ের (Ventricle) মধ্যে পার্থক্য লেখো।

অলিন্দ (Auricle) ও নিলয়ের (Ventricle) মধ্যে পার্থক্য –

বিষয়অলিন্দনিলয়
প্রাচীরপ্রাচীর পাতলা।প্রাচীর পুরু।
অবস্থানহৃৎপিণ্ডের ঊর্ধ্ব প্রকোষ্ঠ।হৃৎপিণ্ডের নিম্নপ্রকোষ্ঠ।
সংযুক্ত শিরাঊর্ধ্ব ও নিম্ন মহাশিরা এবং ফুসফুসীয় শিরা।কোনো শিরা যুক্ত থাকে না।
সংযুক্ত ধমনিকোনো ধমনি যুক্ত থাকে না।ফুসফুসীয় ধমনি ও মহাধমনি যুক্ত থাকে।
কাজডান অলিন্দ সমস্ত দেহ থেকে আগত দূষিত রক্ত এবং বাম অলিন্দ ফুসফুস থেকে আগত বিশুদ্ধ রক্ত গ্রহণ করে।ডান নিলয় ফুসফুসে দূষিত রক্ত এবং বাম নিলয় সমস্ত দেহে বিশুদ্ধ রক্ত প্রেরণ করে।

দ্বিপত্র বা মিট্রাল কপাটিকা ও ত্রিপত্র কপাটিকার মধ্যে পার্থক্য লেখো।

দ্বিপত্র বা মিট্রাল কপাটিকা ও ত্রিপত্র কপাটিকার মধ্যে পার্থক্য –

বিষয়দ্বিপত্র কপাটিকা বা মিট্রাল কপাটিকাত্রিপত্র কপাটিকা
অবস্থানবাম অলিন্দ ও বাম নিলয়ের সংযোগস্থলে উপস্থিত থাকে।ডান অলিন্দ ও ডান নিলয়ের সংযোগস্থলে উপস্থিত থাকে।
গঠনদুটি পাল্লা বা ভালভ যুক্ত।তিনটি পাল্লা বা ভালভ যুক্ত।
কাজবাম অলিন্দ থেকে O₂ সমৃদ্ধ রক্তকে বাম নিলয়ে প্রেরণ করে এবং রক্তের বিপরীত প্রবাহের বাধা দেয়।ডান অলিন্দ থেকে বেশি CO₂ যুক্ত রক্তকে ডান নিলয়ে প্রেরণ করে এবং রক্তের বিপরীতমুখী প্রবাহে বাধা দেয়।

হৃৎপিণ্ড ও হিমোসিলের মধ্যে পার্থক্য লেখো।

হৃৎপিণ্ড ও হিমোসিলের মধ্যে পার্থক্য –

বিষয়হৃৎপিণ্ডহিমোসিল
প্রকৃতিরক্তসংবহনতন্ত্রের অন্তগর্ত পাম্পযন্ত্রের ন্যায় গঠন বিশেষ।রক্তসংবহনতন্ত্রের অন্তর্গত রক্তধারক প্রকোষ্ঠ বিশেষ।
উপস্থিতিমুক্ত ও বদ্ধ উভয় প্রকার রক্তসংবহনতন্ত্রে দেখা যায়।ইহা শুধু মাত্র মুক্তরক্ত সংবহনতন্ত্রে দেখা যায়।
কাজরক্তকে সারা দেহে ধমনির মাধ্যমে প্রেরণ করে।রক্ত সংগ্রহ ও রক্তকে হৃৎপিণ্ডে প্রেরণের কাজ করে।

রক্ততঞ্চন ও RBC -এর পুঞ্জীভবনের মধ্যে পার্থক্য লেখো।

রক্ততঞ্চন ও RBC -এর পুঞ্জীভবনের মধ্যে পার্থক্য –

বিষয়রক্ততঞ্চনপুঞ্জীভবন
প্রক্রিয়াদেহের ক্ষতস্থান থেকে নির্গত রক্ত জমাট বাধার ঘটনাকে রক্ততঞ্চন বলে।দেহের ভিতরে রক্তবাহের মধ্যে রক্তের লোহিত কণিকাগুলি জমাট বেঁধে যাওয়ার ঘটনাকে পুঞ্জীভবন বলে।
কার্যকারি অণুইহা অনুচক্রিকার কার্যকারিতা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।ইহা রক্তে থাকা অ্যান্টিজেন-অ্যান্টিবডির বিক্রিয়ার কারণে ঘটে।
ফলাফলক্ষতস্থান মেরামতির জন্য কার্যকর।ইহার কারণে থ্রম্বোসিস ঘটে।

আজকের এই আর্টিকেলে আমরা নবম শ্রেণীর জীবন বিজ্ঞানের তৃতীয় অধ্যায় ‘জৈবনিক প্রক্রিয়া’ -এর অন্তর্গত ‘সংবহন’ অংশের পার্থক্যধর্মী প্রশ্ন ও উত্তর নিয়ে আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নগুলো নবম শ্রেণীর পরীক্ষা এবং যারা ভবিষ্যতে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি নেবেন, তাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আশা করি, আর্টিকেলটি আপনাদের উপকারে আসবে। যদি কোনো প্রশ্ন বা জিজ্ঞাসা থাকে, তবে আমাদের টেলিগ্রামে যোগাযোগ করতে পারেন; আমরা উত্তর দেওয়ার যথাসাধ্য চেষ্টা করবো। এছাড়া, লেখাটি প্রয়োজনীয় মনে হলে আপনার বন্ধু বা সহপাঠীদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না। ধন্যবাদ।

Please Share This Article

Related Posts

পরিবেশ ও তার সম্পদ-বাস্তুবিদ্যা ও বাস্তুবিদ্যার সংগঠন-জীবনবিজ্ঞান-নবম শ্রেণী

নবম শ্রেণী জীবনবিজ্ঞান – পরিবেশ ও তার সম্পদ – বাস্তুবিদ্যা ও বাস্তুবিদ্যার সংগঠন – রচনাধর্মী প্রশ্ন ও উত্তর

পরিবেশ ও তার সম্পদ-বাস্তুবিদ্যা ও বাস্তুবিদ্যার সংগঠন-জীবনবিজ্ঞান-নবম শ্রেণী

নবম শ্রেণী জীবনবিজ্ঞান – পরিবেশ ও তার সম্পদ – বাস্তুবিদ্যা ও বাস্তুবিদ্যার সংগঠন – টীকা

পরিবেশ ও তার সম্পদ-বাস্তুবিদ্যা ও বাস্তুবিদ্যার সংগঠন-জীবনবিজ্ঞান-নবম শ্রেণী

নবম শ্রেণী জীবনবিজ্ঞান – পরিবেশ ও তার সম্পদ – বাস্তুবিদ্যা ও বাস্তুবিদ্যার সংগঠন – পার্থক্যধর্মী প্রশ্ন ও উত্তর

About The Author

Souvick

Tags

মন্তব্য করুন

SolutionWbbse

"SolutionWbbse" শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অনলাইন অধ্যয়ন প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি, মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য গাইডলাইন, এবং বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনার সাহায্য প্রদান করা হয়। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে সকল বিষয়ের শিক্ষণীয় উপকরণ সহজেই সকল শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছে দেওয়া।

Editor Picks

নবম শ্রেণী জীবনবিজ্ঞান – পরিবেশ ও তার সম্পদ – বাস্তুবিদ্যা ও বাস্তুবিদ্যার সংগঠন – রচনাধর্মী প্রশ্ন ও উত্তর

নবম শ্রেণী জীবনবিজ্ঞান – পরিবেশ ও তার সম্পদ – বাস্তুবিদ্যা ও বাস্তুবিদ্যার সংগঠন – টীকা

নবম শ্রেণী জীবনবিজ্ঞান – পরিবেশ ও তার সম্পদ – বাস্তুবিদ্যা ও বাস্তুবিদ্যার সংগঠন – পার্থক্যধর্মী প্রশ্ন ও উত্তর

নবম শ্রেণী জীবনবিজ্ঞান – পরিবেশ ও তার সম্পদ – বাস্তুবিদ্যা ও বাস্তুবিদ্যার সংগঠন – সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

নবম শ্রেণী জীবনবিজ্ঞান – পরিবেশ ও তার সম্পদ – বাস্তুবিদ্যা ও বাস্তুবিদ্যার সংগঠন – অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর