আজকে আমরা আমাদের আর্টিকেলে দেখবো যে বহির্জাত প্রক্রিয়ার পদ্ধতিগুলি কী কী? এই প্রশ্ন দশম শ্রেণীর পরীক্ষার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ, বহির্জাত প্রক্রিয়ার পদ্ধতিগুলি কী কী? প্রশ্নটি আপনি পরীক্ষার জন্য তৈরী করে গেলে আপনি লিখে আস্তে পারবেন।
পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ শক্তির মাধ্যমে তৈরি পাহাড়, পর্বত, মালভূমি, এবং সমভূমিগুলি বহির্জাত শক্তির প্রভাবে ক্রমাগত পরিবর্তিত হচ্ছে। এই বহির্জাত শক্তিগুলি ভূমিরূপের বিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বহির্জাত প্রক্রিয়া বলতে বোঝায় ভূ-পৃষ্ঠের উপরে ক্রিয়াশীল বিভিন্ন শক্তির প্রভাবে ভূমিরূপের পরিবর্তন ও বিবর্তন। এই প্রক্রিয়াগুলি দীর্ঘকাল ধরে কাজ করে ভূ-পৃষ্ঠের উচ্চতা, ঢাল, আকৃতি ইত্যাদি পরিবর্তন করে।

বহির্জাত প্রক্রিয়ার পদ্ধতিগুলি কী কী?
মূলত তিনটি পদ্ধতির মাধ্যমে বহির্জাত প্রক্রিয়া কার্যকরী হয়। যথা —
- অবরোহণ প্রক্রিয়া – এই প্রক্রিয়ায় ভূমিভাগের উচ্চতা ক্রমশ কমতে থাকে। যেমন — ক্ষয়জাত পর্বত।
- আরোহণ প্রক্রিয়া – আরোহণ কথার অর্থ ওপরে ওঠা। এই ধরনের প্রক্রিয়ায় ভূমিভাগের উচ্চতা ক্রমশ বাড়তে থাকে। নদী, হিমবাহ, বায়ুবাহিত পদার্থ সঞ্চিত হয়ে নিম্নস্থান উঁচু বা ভরাট হয়। একে আরোহণ প্রক্রিয়া বলে। যেমন — বদ্বীপ, প্লাবন সমভূমি, লোয়েস সমভূমি।
- জৈবিক প্রক্রিয়া – উদ্ভিদ এবং প্রাণী যখন ভূমিরূপের পরিবর্তন ঘটায় তখন তাকে জৈবিক প্রক্রিয়া বলে। জলাভূমিতে শ্যাওলা, পাতা, ফুল, ফল জমে জলাভূমি ভরাট হয়ে যায়। মানুষ পাহাড় কেটে রাস্তা বানায়, সমুদ্রে বাঁধ দিয়ে সঞ্চয়জাত ভূমিরূপ তৈরি করে। এভাবে জৈবিক প্রক্রিয়া ক্রিয়াশীল থাকে।
আরও পড়ুন, নদীর সমভূমি প্রবাহ বা মধ্যগতি কাকে বলে?





মন্তব্য করুন