Class 10 – English Reference – The Passing Away Of Bapu

Class 10 – English Reference – The Passing Away of Bapu শিরোনামে একটি অধ্যায় রয়েছে যেখানে বিশ্বকর্মা মহাত্মা গান্ধীর মৃত্যুর বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এই অধ্যায়টি একটি সমাজতন্ত্র কার্যকরী, ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের নেতা এবং একজন মহাপুরুষের জন্ম, জীবন এবং মৃত্যু নিয়ে চর্চা করে।

এই অধ্যায়ে আপনি বিশ্বকর্মা মহাত্মা গান্ধীর বাংলাদেশ সফর, তাঁর জন্মদিন উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি, তাঁর জীবনশৈলী এবং সমাজতন্ত্র চিন্তাধারা নিয়ে জানতে পারবেন। আপনি জানতে পারবেন যে কিভাবে বিশ্বকর্মা মহাত্মা গান্ধী নির্ভয়ে স্বাধীনতা আন্দোলন চালিয়ে দিলেন এবং তাঁর শান্তিপূর্ণ আন্দোলন কিভাবে দুনিয়ার বিভিন্ন দেশে ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের একটি উদাহরণ হিসেবে পরিচিত হয়েছে।

Class 10 – English Reference – The Passing Away Of Bapu

ইংরেজি উচ্চারণ

আই ওয়াজ হ্যাডিং টি অ্যাট্ হোম্ অন দ্য ইভিনিং অভ্ 30ণ্ জানুয়ারি 1948, হোয়োন্ আই ওয়াজ কলড টু বিড়লা হাউজ বাই অ্যান আরজেন্ট টেলিফোন। গান্ধিজি হ্যাড বিন্ শ‍ট্ অন্ হিজ ওয়ে টু আ প্রেয়ার মিটিং। আই ওয়াজ নাম্ব উইথ্ শক্‌ অ্যাজ আই গট ইনটু দ্য কার।

অ্যাট্‌ দা বিড়লা হাউজ, গান্ধিজিস রিলেটিভ্স অ্যান্ড ফলোয়ারস হ্যাড গ্যাদারড রাউন্ড হিজ্ বড়ি। দেয়্যার ওয়াজ সাইলেন্স ইন দ্য রুম অ্যাজ গান্ধিজি ব্রিদড় হিজ্‌ লাস্ট। ওয়ার্ডস্ অভ্ বাপুজীস ডেথ্ হ্যাড স্প্রেড থ্রু দেহি লাইক আ ফ্লেম্ ফ্যানড্ বাই উইন্ড| স্যাড গ্রুপ অভ্ মেন অ্যান্ড উইমেন হ্যাড্ কালেকটেড্ অ্যারাউন্ড বিড়লা হাউজ। আউট অভ্ এভরি উইন্ডো ওয়ান কুড সি আ ব্রাউন ব্লার অভ্ ফেসেস্। দে ডিড নট মেক্ আ সাউন্ড। দেয়্যার ওয়াজ অ্যান আনন্যাচারাল সাইলেন্স। ইট্‌ ওয়াজ অ্যাজ্ ইফ্ টাইম স্টুড স্টিল ফর পোজ্ ফিউ মিনিটস্।

দ্য পিপল অয়্যার টু স্টানড টু স্পিক ইন্‌ দ্য বিগিনিং। ল্যাটার দে ক্যামারড্ ওয়াইলডলি, শাউটিং অ্যান্ড ক্রাইং। দে জসেল্ড ওয়ান অ্যানাদার ইন আ স্ট্যাম্পীড টু ব্রেক ইন্‌টু দ্য হাউজ। দে কামড আ লিটল্‌ হোয়োন ইট্‌ ওয়াজ অ্যানাউন্সড দ্যাট সে উড বি এবেল টু সী গান্ধিজি বিফোর দ্য ফিউনারেল।

হোয়োন ওয়ান ইজ্ ফেসড উইথ্ দ্য শক্ অভ্ আ লাভড ওয়ানস ডে, ওয়ান হুম্পারস “হোয়্যাট উইল বিকাম্ অভ্ মি নাউ দ্যাট হি হ্যাজ লেফট্‌ মি?” দিস্ ওয়াজ সিওরলি কোয়েশ্চন আপারমোস্ট ইন দ্য মাইনড অভ দ্য মোরনিং পিপল। দে লুকড্ লাইক চিলড্রেন। ইট ওয়াজ দ্য কোয়েশ্চন ইন মেনি অভ্ আওয়ার হার্টস অ্যাজ উই স্যাট, স্টিল শকড
অ্যান্ড আবিলিভিং| উই লিসন্ড টু দ্য ব্রডকাস্ট টেলিং দ্য পিপল অভ্ ইন্ডিয়া দ্যাট্ দেইয়্যার বাপু ওয়াজ নো মোর।

গান্ধিজিস ফিউনারেল ওয়াজ টু টেক্ প্লেস দ্য ডে আফটার হিজ্ ডেথ্। আওয়ারস ইন অ্যাডভান্স, পিপল্ লাইনড দ্য রুট দ্য ফিউনরাল প্রসেশন ওয়াজ টু ফলো। পদ্মশী, মিসেস্ নাইডুস ডটার, স্পোক ফর আস্ অল্ হোয়োন শী সেড সিম্পলি উঁই উইল্ ওয়াক্। ইট্‌ ইজ্ দ্য লাস্ট টাইম্‌ উই শ্যাল বি ওয়াকিং উইথ বাপু।

ইট্‌ ওয়াজ অ্যান এগোনাইজিং ওয়াক। থাউজেন্ডস্ সাইলেন্টলি ওয়াচৃড দ্য প্রসেশন। বাপু লে অন্ অ্যান্ ওপেন্ ট্রাক কভারড উইথ ফ্লাওয়ারস্। থাউজেন্ডস অভ্ পিপল ওয়েপট্, ট্রাইং টু টাচ বাপুস ফিট্। ইট্‌ ওয়াজ ইম্পসিবল টু মুভ ইন্‌ দ্য থিক্ ক্রাউড্।
অ্যাজ আই মুভড্ ফরওয়ার্ড স্লোলি আই আনডারস্টুড আই ওয়াজ নট মিয়ারলি ইন্‌ দ্য মিডস্ট্ অভ্ ব্রিডিং পিপেল। দিস্ ওয়াজ ইভ্ন্ মোর দ্যান দ্য ফিউনারেল প্রসেশন অভ্ ইন্ডিয়াজ বিলাভেড্ লিডার। আই ওয়াজ অ্যামং পিপেল ফর হুম ওয়ার্কিং উইথ বাপু হ্যাড আ স্পেশাল মিনিং। উই হ্যাড্ ওয়াকড় উইথ বাপু ওভার দ্য রাফ্ অ্যান্ড স্মুদ্ অভ্ ইন্ডিয়াজ রিসেন্ট হিস্ট্রি। উই কুড় নট নাও অ্যাকসেপ্ট দ্য ফ্যাক্ট দ্যাট দ্য ম্যান হু হ্যাড লেড আস ওভার মেনি ডিফিকাল্ট পাথ্স, ওয়াজ নেভার গোয়িং টু ওয়াক্ উইথ্ আস এগেইন। বাপুজ্ স্লাইট ফিগার হ্যাড ওয়াকড়, স্টাফ্ ইন্ হ্যান্ড, ওভার আ লার্জ পার্ট অভ্ ইন্ডিয়া। টু ওয়াক্ ইজ্ টু মেক্‌ স্লো প্রগ্রেস। ইট ইজ টু থিংক্ উইথ ক্ল্যারিটি অ্যান্ড ক্লোজলি লুক অ্যাট অল্ দ্যাট ইজ্ অ্যারাউন্ড ইউ, ফ্রম্ স্মল ইন্‌সেক্টস্ টু দ্য হরাইজন ইন দ্য ডিসট্যান্স। মোরওভার টু ওয়াক্ ওয়াজ অফেন দা ওনলি ওয়ে ওপেন টু দ্য অ্যাভারেজ ইন্ডিয়ান। ইট রিকয়ার্ড নো ডেইকল একসেপ্ট হিজ্ ওউন্‌ বডি অ্যান্ড কস্ট হিম্ নাথিং বাট হিজ এনার্জি। গান্ধিজি টুক্ দিস্ নেসেসিটি, অ্যাজ হি টুক্ মা্চ দ্যাটৃ ওয়াজ কমপ্লেস অ্যান্ড ট্রান্সফর্মড ইট্‌ ইনটু আ জয়ফুল এফর্ট।

সাম্ ডেইজ্ আফটার দ্য ফিউনারেল, আ স্পেশাল ট্রেন টু টুক্ গান্ধিজিস অ্যাশেস্ টু এলাহাবাদ। দ্য কম্পার্টমেন্ট ওয়াজ্ ডেকড উইথ ফ্লাওয়ারস্। পিপল্ অন দ্য ট্রেন স্যাং ভজনস্। পিপল্‌ ডিড্ নট্‌ উইপ্ এনিমোর ফর্ দে ক্যুড ফিল্ গান্ধিজিস প্রেজেন্স অ্যামিড দ্য ফ্লাওয়ারস্ অ্যান্ড দ্য সংস্। অ্যাট্ এভরি স্টেশন, সরোফুল ক্রাউডস ফিলড্ দ্য প্ল্যাটফর্ম। অ্যামিড্ সং অ্যান্ড প্রেয়ার দ্য ট্রেন রিচড এলাহাবাদ।

দ্য অ্যাশেস্ অয়্যার ইমারসড্ ইন্ দ্য গ্যানজেস হোয়্যার আ হিউজ ক্লাউড্ হ্যাড্ গ্যাদারড্ অ্যাট্ দ্য ব্যাংক। আফটারওয়ারডস্ উই অল্ ওয়েন্ট ব্যাক টু দেলহি।

ব্যাক্ ইন্‌ দেলহি, আই ফেল্ট অ্যাট লস্। আই হ্যাড্ নট্‌ ডাইরেক্টলি ওয়াকড্ উইথ গান্ধিজি, গন্ টু প্রিজন অ্যাট্ হিজ কল্ অর মেড্ এনি স্যাকরিফাইস্ ফর মাই কানট্রি। মাই সিস্টারস্ অ্যান্ড আই, অ্যান্ড আদার ইয়ং পিপল লাইক্ মি হ্যাড্ বিন্ মিয়ারলি অনলুকারস্। বাট্ স্টিল্ আই ফেল্ট অ্যাট্ সি। আই ফেল্ট আই হ্যাড্ গ্রোন্ আপ্ উইদিন্ আ ম্যাজিক্ সার্কেল। উইথ্ বাপুস পাসিং অ্যাওয়ে, আই ফেল্ট দ্য ম্যাজিক্ সার্কেল হ্যাড ভ্যানিশড়, লিভিং মি আনপ্রটেকটেড।

উইথ অ্যান্ ইফট আই রাউজড্ মাইসেলফ। আই আসকড় মাইসেলফ–হ্যাড় বাপু লিভড্ অ্যান্ড ডাইড ফর নাথিং? হাউ কাড় আই সো ইজিলি লুজ্ কারেজ হোয়োন হি ওয়াজ নো লংগার দেয়্যার? মাই ভ্যালুস অয়্যার নট সো উইক। মিলিয়নস্ অভ্ পিপেল উ্যড্ হ্যাভ্ বিন্ অরডিনারি ফোক্ বাই ফর বাপু। হি ব্রট দেম আউট অভ ইনডিফারেন্স অ্যান্ড অ্যাওয়েকেন্ড দেম টু ওয়ান অ্যানাদারস্ সাফারিং। হোয়্যাট ইফ্ নাও বাপু হ্যাড় গন? উই অয়্যার স্টিল দেয়্যার, ইয়ং, স্ট্রং অ্যান্ড প্রাউড় টু বিয়ার হিজ্ ব্যানার বিফোর আস্।

বাপু হ্যাড় পাসড অ্যাওয়ে বাট্ হিজ্‌ ইন্ডিয়া উড্ কনটিনিউ টু লিভ ইন হিজ্‌ চিলড্রেন।

বঙ্গানুবাদ

১৯৪৮ সালে ৩০শে জানুয়ারি সন্ধ্যায় আমি যখন চা খাচ্ছিলাম, একটি জরুরি ফোনের মাধ্যমে আমাকে বিড়লা হাউসে ডাকা হয়। একটি প্রার্থনা সভায় যোগ দেওয়ার সময় গান্ধিজি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। এই আকস্মিক আঘাতে বিবশ আমি গাড়িতে উঠলাম।

বিড়লাহাউসে গান্ধিজির আত্মীয় ও অনুগামীরা তাঁর মৃতদেহের চারপাশে ভিড় করে দাঁড়িয়েছিল। গান্ধিজি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন—এই ঘটনা ঘরে নিস্তব্ধতা নিয়ে এসেছে। হাওয়ায় যেমন আগুন ছড়ায় তেমনি বাপুর মৃত্যুর খবরও দিল্লি জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল। বিষণ্ণ পুরুষ ও মহিলার দল বিড়লা হাউসে ভিড় জমাচ্ছিল। প্রতিটি জানালা দিয়েই দেখা যাচ্ছিল বাদামি রঙের অস্পষ্ট মানুষের মুখের ভিড়। তারা কোনো শব্দ করছিল না। এক অস্বাভাবিক নীরবতা বিরাজ করছিল। মনে হচ্ছিল ওই কয়েক মিনিটের জন্য সময় থমকে গেছে।

শুরুর দিকে মানুষ এতটাই হতভম্ব হয়ে গিয়েছিল যে কথা বলতে পারছিল না। তারপর তারা তুমুল চিৎকার করতে শুরু করল আর কাঁদতে লাগল। তারা বাড়িতে ঢোকার জন্য পদপিষ্ট হওয়ার মতো ঠেলাঠেলি করছিল। যখন এটা ঘোষণা হল অন্ত্যেষ্টি ক্রিয়ার আগে গান্ধিজিকে দেখতে দেওয়া হবে তারা একটু শান্ত হল।

মানুষ যখন ভালোবাসার কোনো লোকের মৃত্যুজনিত শোকের মুখোমুখি হয়, গুঙিয়ে ওঠে; তিনি তো আমায় ছেড়ে চলে গেলেন, আমার কী হবে? শোকার্ত মানুষগুলোর মাথায় নিশ্চিতভাবে এই প্রশ্নটিই ঘুরছিল। তাদের হারিয়ে যাওয়া শিশুদের মতো দেখাচ্ছিল। এই একই প্রশ্ন আমাদের অনেকের হৃদয়েও ছিল, যারা তখনও হতচকিত অবস্থায় বসেছিলাম আর বিশ্বাস করে উঠতে পারছিলাম না। আমরা রেডিওয় ঘোষণা শুনছিলাম যে ভারতবাসীর বাপু আর নেই।
মৃত্যুর পরের দিনই গান্ধিজির অন্ত্যেষ্টি ক্রিয়া হওয়ার কথা ছিল। তার বহু আগে থেকেই মানুষজন যে পথে গান্ধিজির মৃতদেহ যাবে সেখানে ভিড় করে দাঁড়িয়েছিল। শ্রীমতি নাইডুর মেয়ে পদ্মশী খুব সহজভাবে আমাদের সবার কথাটা বললেন আমরা হাঁটব। এই শেষবার আমরা বাপুর সঙ্গে হাঁটব।

এটা ছিল একটা যন্ত্রণাদায়ক হাঁটা। হাজার হাজার মানুষ নিস্তব্ধভাবে সেই শোক মিছিলের দিকে তাকিয়েছিল। একটি খোলা ট্রাকের মধ্যে ফুলে ঢাকা গান্ধিজি শায়িত ছিলেন। মানুষজন কাঁদতে কাঁদতে বাপুর পা-টুকু স্পর্শ করার চেষ্টা করেছিল। এই ভিড়ের মধ্যে হাঁটা অসম্ভব হয়ে উঠেছিল।

ধীরে ধীরে হাঁটতে গিয়ে আমি বুঝতে পারছিলাম যে আমি শুধুমাত্র কতগুলি শোকার্ত মানুষের মধ্যে নেই। ভারতবর্ষের প্রিয় নেতার শেষযাত্রার থেকেও এটা আরও বেশি কিছু ছিল। আমি তাদের সঙ্গে হাঁটছিলাম, যাদের কাছে বাপুর সঙ্গে হাঁটাটা একটা বিশেষ অর্থ বহন করত। ভারতের সাম্প্রতিক ইতিহাসে আমরা বাপুর সঙ্গে অনেক বন্ধুর ও মসৃণ পথ হেঁটেছি। আমরা বিশ্বাসই করতে পারছিলাম না যে, মানুষটা আমাদের বহু কঠিন পথে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি আর আমাদের সঙ্গে হাঁটবেন না। ভারতের বিস্তীর্ণ অংশে পাতলা চেহারার বাপু লাঠি হাতে হেঁটেছিলেন। হাঁটা মানে ধীরে এগিয়ে যাওয়া। এতে পরিষ্কারভাবে চিন্তা করা যায় ও কাছ থেকে চারদিকে ছোটো পোকামাকড় থেকে দূরের দিগন্ত রেখা অবধি সবকিছু দেখা যায়। এ ছাড়াও সাধারণ ভারতবাসীর জন্যই প্রায়শই হাঁটাই ছিল একমাত্র উপায়। হাঁটার জন্য নিজের দেহ ছাড়া কোনো বাহন লাগে না এবং নিজের শক্তি ছাড়া আর কোনো মূল্যও দিতে হবে না। গান্ধিজি আরও অনেক সাধারণ জিনিসের মতো হাঁটার অভ্যাসকেও প্রয়োজনীয় রূপে গ্রহণ করেছিলেন একটি আনন্দময় প্রচেষ্টায় পরিণত করেছিলেন।

অন্ত্যেষ্টির কয়েকদিন পরে একটি বিশেষ ট্রেনে করে গান্ধিজির ভস্মাবশেষ এলাহাবাদে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কামরাটি ফুল দিয়ে সাজানো ছিল। ট্রেনের মানুষজন ভজন গাইছিল। মানুষজন আর কাঁদছিল না কারণ তারা সেই ফুল আর গানের মধ্যে গান্ধিজির উপস্থিতি অনুভব করতে পারছিল। প্রতিটি স্টেশনের প্ল্যাটফর্মই শোকার্ত মানুষের ভিড়ে পরিপূর্ণ ছিল। গান ও প্রার্থনার মধ্যে দিয়ে ট্রেনটি এলাহাবাদে পৌঁছাল। গান্ধিজির ভস্মাবশেষ গঙ্গার জলে নিমজ্জন করা হল, নদীর ধারে তখন বহু মানুষের ভিড়। এরপর আমরা দিল্লিতে ফিরে আসি।

দিল্লিতে ফিরে এসে আমি যেন কেমন দিশেহারা বোধ করছিলাম। আমি গান্ধিজির সঙ্গে সরাসরি হাটিনি—তাঁর ডাকে জেলে যাওয়া বা দেশের জন্য কোনো স্বার্থত্যাগ করিনি। আমি, আমার বোনেরা, অন্যান্য অল্পবয়স্ক মানুষ শুধুমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী ছিলাম। তবুও আমি অথৈ সমুদ্রে পড়েছিলাম। আমার মনে হচ্ছিল আমি কোনো এক জাদুর বৃত্তের মধ্যে বেড়ে উঠেছিলাম। বাপুর মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে মনে হল সেই জাদুবৃত্ত উধাও হয়ে গেছে, আমাকে অসুরক্ষিত অবস্থায় রেখে।

চেষ্টা করে আমি আবার শক্তি জুগিয়ে নিজেকে দাঁড় করালাম। আমি নিজেকে জিজ্ঞেস করলাম, বাপু কি শুধুই বেঁচেছিলেন আর এমনি এমনি মারা গেলেন? উনি না থাকাকালীন এত সহজে আমি কী করে সাহস হারালম? আমার মূল্যবোধ এত দুর্বল ছিল না। বাপু না থাকলে লক্ষ লক্ষ মানুষ নিতান্তই সাধারণ মানুষ হয়ে রয়ে যেত। তিনি তাদেরকে নির্লিপ্ততা থেকে তুলে এনে একে অপরের কষ্টে জাগ্রত করেছিলেন। বাপু চলে গেলেও বা কী হয়েছে? আমরা তখনও সেখানে ছিলাম তরুণ, শক্তিশালী ও গর্বিত, সেই আমরাই তাঁর পতাকা বহন করব।

বাপু মারা গেছেন কিন্তু তার ভারত তাঁরই সন্তানদের মধ্যে বেঁচে থাকবে।

Answer the following question

Who was Padmasi? [পদ্মশী কে ছিলেন?]

Padmasi was Mrs. Naidu’s daughter. [পদ্মশী ছিলেন মিসেস নাইডুর মেয়ে।]

Why was it impossible to move? [এগোনো অসম্ভব কেন ছিল?]

It was impossible to move due to the thick crowd. [এগোনো অসম্ভব ছিল প্রচুর লোকের ভিড়ের জন্য।]

What did the narrator understand at the time of walking? [হাঁটার সময় বক্তা কী বুঝেছিলেন?]

The narrator understood that she was not merely in the midst of grieving people. [বক্তা বুঝেছিলেন যে তিনি কেবলমাত্র যন্ত্রণাকাতর মানুষজনের মধ্যেই নেই।]

What couldn’t the narrator accept? [বক্তা কী মানতে পারেননি?]

The narrator couldn’t accept that Bapu was never going to walk with them again. [বক্তা কিছুতেই এটি মানতে পারেননি যে বাপু আর কোনোদিন তাদের সাথে হাঁটবেন না।]

What was the only way open to the average Indian? [গড়পড়তা ভারতীয়দের জন্য একটিমাত্র খোলা রাস্তা কী ছিল?]

To walk was the only way open to the average Indian. [গড়পড়তা ভারতীয়দের জন্য একটি মাত্র খোলা রাস্তা ছিল হাঁটা।]

Why didn’t people weep anymore? [লোকে আর কেন কাঁদছিলেন না?]

People didn’t weep anymore for they could feel Gandhiji’s presence amid the flowers and the songs. [লোকে আর কাঁদছিলেন না কারণ তাঁরা গান্ধিজির উপস্থিতি অনুভব করতে পারছিলেন ফুল আর গানের মাঝে।]

How did the narrator feel when she was back to Delhi? [দিল্লিতে ফিরে এসে কথকের কেমন অনুভূতি হয়েছিল?]

Back in Delhi, the narrator felt at a loss. [দিল্লিতে ফিরে এসে বক্তা দিশাহারা হয়ে পড়েছিলেন।]

How did the magic circle vanish? [জাদু বৃত্ত কীভাবে উবে গিয়েছিল?]

The magic circle vanished with the passing away of Bapu. [বাপুর মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে ওই জাদু বৃত্ত উবে গিয়েছিল।

What did Bapu do for millions of people? [বাপু লক্ষ লক্ষ মানুষের জন্য কী করেছিলেন?]

Bapu brought millions of people out of indifference and awakened them to one another’s suffering. [বাপু লক্ষ লক্ষ মানুষকে তাদের ঔদ্যাসীন্য থেকে বের করে এনেছিলেন এবং তাদেরকে একে অপরের যন্ত্রণায় সচেতন করে তুলেছিলেন।]

How would India continue to live after passing away of Bapu? [বাপু মারা যাওয়ার পরে কীভাবে ভারত বেঁচে থাকবে?]

After the passing away of Bapu, India would continue to live in his children. [বাপু মারা যাওয়ার পরে, ভারত বেঁচে থাকবে তাঁর সন্তানদের মাঝে।]

সমাপ্তিতে বলা যায় যে The Passing Away of Bapu অধ্যায়টি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়, যা দ্বারা আমরা বিশ্বকর্মা মহাত্মা গান্ধীর জীবন, কার্যকাল এবং মৃত্যুর বিষয়ে বিস্তারিত ধারণা পেয়েছি। তাঁর শান্তিপূর্ণ আন্দোলন, বিচারপতি হিসেবে তাঁর স্বদেশের নির্ভয়তা চাইতে প্রতিষ্ঠান এবং তাঁর মৃত্যুর উপলক্ষে প্রত্যেক বাঙালি মানুষকে উৎসাহ দেয়া হবে এবং তাঁর বিশ্বাসের সিদ্ধান্ত ও শান্তিপূর্ণ চিন্তাধারার উপর আমরা সর্বদা ভরসা করবো।

Rate this post


Join WhatsApp Channel For Free Study Meterial Join Now
Join Telegram Channel Free Study Meterial Join Now

মন্তব্য করুন