নবম শ্রেণি বাংলা – নব নব সৃষ্টি – বিষয়সংক্ষেপ

Souvick

এই আর্টিকেলে আমরা নবম শ্রেণীর বাংলা বিষয়ের দ্বিতীয় পাঠের দ্বিতীয় অধ্যায়, ‘নব নব সৃষ্টি’ -এর বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা করবো। এখানে প্রাবন্ধিক পরিচিতি, প্রবন্ধের উৎস, প্রবন্ধের পাঠপ্রসঙ্গ, প্রবন্ধের সারসংক্ষেপ, প্রবন্ধের নামকরণ এবং এর প্রধান বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। এই আর্টিকেলটি আপনাদের ‘নব নব সৃষ্টি’ সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত ধারণা দেবে এবং প্রবন্ধটি ভালোভাবে বোঝার ক্ষেত্রে সহায়ক হবে। এছাড়া, নবম শ্রেণীর পরীক্ষায় এই অধ্যায় থেকে প্রাবন্ধিক পরিচিতি ও প্রবন্ধের সারসংক্ষেপ সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে, তাই এই তথ্যগুলো জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

নবম শ্রেণি - বাংলা - নব নব সৃষ্টি - বিষয়সংক্ষেপ

‘নব নব সৃষ্টি’ প্রবন্ধের লেখক পরিচিতি

সৈয়দ মুজতবা আলীর জন্ম –

প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও ভাষাবিদ সৈয়দ মুজতবা আলী অবিভক্ত বাংলাদেশের শ্রীহট্ট জেলার অন্তর্গত করিমগঞ্জে 1904 খ্রিস্টাব্দের 13 সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম ছিল সৈয়দ সিকান্দর আলী।

সৈয়দ মুজতবা আলীর শিক্ষা ও কর্মজীবন –

সিলেট গভর্নমেন্ট হাই স্কুলে সৈয়দ মুজতবা আলীর পড়াশোনা শুরু হয়। অসহযোগ আন্দোলনে যোগ দিতে তিনি স্কুল ছেড়ে দেন। পরে শান্তিনিকেতনে পড়াশোনা শুরু করেন। শিক্ষান্তে কাবুলের শিক্ষাবিভাগে ফারসি ও ইংরেজি ভাষাশিক্ষক (অধ্যাপক) হিসেবে যোগ দেন। সেখানে আফগান বিদ্রোহ শুরু হলে তিনি জার্মানি চলে যান। সেখানে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করে 1932 খ্রিস্টাব্দে তিনি দেশে ফিরে আসেন। সৈয়দ মুজতবা আলী সমগ্র ইউরোপ, জেরুজালেম, দামাস্কাস ভ্রমণ করেন। কায়রোতেও তিনি অধ্যাপনা করেন। 1950 খ্রিস্টাব্দে তিনি আকাশবাণীর কেন্দ্র পরিচালক হন। বিশ্বভারতীর ইসলামী সংস্কৃতির অধ্যাপনা এবং বগুড়া কলেজের অধ্যক্ষও ছিলেন তিনি।

সৈয়দ মুজতবা আলীর রচনাসমূহ

সৈয়দ মুজতবা আলী বাংলা, ইংরেজি ছাড়াও আরবি, ফারসি, হিন্দি, সংস্কৃত, উর্দু, মারাঠি, গুজরাটি, জার্মানি ইত্যাদি 15টি ভাষা জানতেন। প্রবন্ধ, ভ্রমণ-কাহিনি, উপন্যাস ও রম্যরচনায় সিদ্ধহস্ত ছিলেন মুজতবা আলী।

সৈয়দ মুজতবা আলীর ভ্রমণসাহিত্য –

সৈয়দ মুজতবা আলী-র প্রথম গ্রন্থ ‘দেশে-বিদেশে’ 1948 খ্রিস্টাব্দে ‘দেশ’ পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়। এ ছাড়াও তাঁর অপর একটি উল্লেখযোগ্য ভ্রমণকাহিনি হল ‘মুসাফির’। গ্রন্থটিতে ইংল্যান্ড ভ্রমণের কাহিনি বিন্যস্ত হয়েছে।

সৈয়দ মুজতবা আলীর রম্যরচনা –

সৈয়দ মুজতবা আলীর রম্যরচনাগুলি প্রশংসনীয়। তাঁর এ জাতীয় রচনাগ্রন্থ হল – ‘পঞ্চতন্ত্র’ (প্রথম – 1359 বঙ্গাব্দ, দ্বিতীয় – 1373 বঙ্গাব্দ)। এ ছাড়াও রয়েছে উল্লেখযোগ্য রম্যরচনাগ্রন্থ ‘ধূপছায়া’ (1364 বঙ্গাব্দ), ‘ভবঘুরে’, ‘দু-হারা’ (1372 বঙ্গাব্দ) ইত্যাদি।

সৈয়দ মুজতবা আলীর ছোটোগল্প –

সৈয়দ মুজতবা আলীর অন্যতম রচনা ‘চাচাকাহিনী’ (1359 বঙ্গাব্দ)-তে গল্পরস এবং রমণীয়তা দুই-ই আছে। চাচা চরিত্রটি তাঁর অনন্যসাধারণ সৃষ্টি। এ গ্রন্থে 11টি গল্প আছে। সেগুলি হল – ‘স্বয়ংবরা’, ‘কর্নেল’, ‘মা-জননী’, ‘তীর্থহীনা’, ‘বেলতলাতে দু-দুবার’, ‘কাফে দে-জেনি’, ‘বিধবা বিবাহ’, ‘রাক্ষসী’, ‘পাদটীকা’, ‘পুনশ্চ’ এবং ‘বেঁচে থাকো সর্দিকাশি’ ইত্যাদি।

সৈয়দ মুজতবা আলীর উপন্যাস –

ঔপন্যাসিক হিসেবেও সৈয়দ মুজতবা আলীর কৃতিত্ব যথেষ্ট। তাঁর লেখা উপন্যাসগুলি হল – ‘অবিশ্বাস্য’ (1361 বঙ্গাব্দ), ‘শবনম’ (1367 বঙ্গাব্দ), ‘শহর্ ইয়ার’ (1376 বঙ্গাব্দ) এবং ‘তুলনাহীনা’।

সৈয়দ মুজতবা আলীর প্রবন্ধগ্রন্থ –

প্রাবন্ধিক ও গদ্যরচয়িতা হিসেবে সৈয়দ মুজতবা আলীর খ্যাতি সর্বাধিক। তাঁর লেখা উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধ-গ্রন্থগুলি হল – ‘চতুরঙ্গ’ (1367 বঙ্গাব্দ), ‘টুনিমেম’ (1370 বঙ্গাব্দ), ‘বড়বাবু’ (1372 বঙ্গাব্দ), ‘রাজা-উজীর’ (1376 বঙ্গাব্দ), ‘হিটলার’ (1377 বঙ্গাব্দ), ‘কত না অশ্রুজল’ (1378 বঙ্গাব্দ), ‘পরিবর্তনে অপরিবর্তনীয়’ (1382 বঙ্গাব্দ) এবং ‘গুরুদেব ও শান্তিনিকেতন’ (1388 বঙ্গাব্দ)।

সৈয়দ মুজতবা আলীর মৃত্যু –

বহু গুণের অধিকারী সৈয়দ মুজতবা আলীর মহাপ্রয়াণ (মৃত্যু) ঘটে 1974 খ্রিস্টাব্দের 11 ফ্রেব্রুয়ারি।

‘নব নব সৃষ্টি’ প্রবন্ধের উৎস

পাঠ্য ‘নব নব সৃষ্টি’ রচনাটি সংকলকগণ গ্রহণ করেছেন সৈয়দ মুজতবা আলীর ‘চতুরঙ্গ’ (1367 বঙ্গাব্দ) প্রবন্ধগ্রন্থের ‘মামদোর পুনর্জন্ম’ নামক প্রবন্ধ থেকে। আমাদের পাঠ্যাংশটি ‘মামদোর পুনর্জন্ম’ প্রবন্ধের সংক্ষেপিত এবং সম্পাদিত রূপ। ‘নব নব সৃষ্টি’ নামটি সম্পাদকের দেওয়া। ‘সৈয়দ মুজতবা আলীর রচনাবলী’তেও প্রবন্ধটি স্থান পেয়েছে।

‘নব নব সৃষ্টি’ প্রবন্ধের পূর্বকথা

ভাষাবিদ এবং সুসাহিত্যিক সৈয়দ মুজতবা আলী তাঁর নানা রচনায় মাতৃভাষা এবং অন্যান্য ভাষার সমস্যা, সংকট, বিপন্নতা ইত্যাদি নিয়ে বিদগ্ধ আলোচনা করেছেন। বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারের নিজস্ব শব্দের স্বল্পতা, বিদেশি শব্দের আধিক্য, আগন্তুক শব্দের অনিবার্যতা ইত্যাদি প্রসঙ্গে এ লেখায় আলোকপাত করেছেন তিনি। একই সঙ্গে দেখিয়েছেন অন্য ভাষার সঙ্গে তুলনায় বাংলা ভাষার অবস্থান। বাঙালির স্বভাব ও জাতিধর্ম সম্পর্কিত সুচিন্তিত মতামত দিয়ে তিনি রচনাটিতে এনেছেন অন্য মাত্রা।

‘নব নব সৃষ্টি’ প্রবন্ধের বিষয়সংক্ষেপ

সংস্কৃত ভাষা আত্মনির্ভর। প্রয়োজন মেটাতে সে আপন ভাণ্ডারেই অনুসন্ধান চালায় এবং প্রয়োজনে ধার না করে নতুন শব্দ তৈরি করে নেয়। প্রাচীন যুগের সব ভাষাই আত্মনির্ভর ও স্বয়ংসম্পূর্ণ।

কিন্তু আধুনিক যুগের ভাষা বাংলা ও ইংরেজি আত্মনির্ভর নয়। স্বয়ংসম্পূর্ণতার অভাবে তাই তাকে শব্দ ঋণ করতে হয়। শাসন, রাজকার্য পরিচালনা, বিদেশি প্রভাব তার ভাষায় প্রচুর বিদেশি শব্দ প্রবেশ করিয়েছে এবং আগামীতেও আরও ঘটবে।

বাংলা ভাষায় আরবি-ফারসি এবং ইংরেজি শব্দের প্রভাব প্রবল। ওইসব শব্দের ব্যবহার বাংলার বিখ্যাত সাহিত্যিকরা তাদের বিভিন্ন রচনায় করেছেন। পাশাপাশি রচনার ভাষা রচনার বিষয়রীতির উপর নির্ভরশীল – এ কথাও মনে রাখা প্রয়োজন।

সংস্কৃত চর্চা এদেশে থাকায় সংস্কৃত ভাষার শব্দ বাংলায় এসেছে। সংস্কৃত বর্জন করতে গেলে বাংলা অন্যতম প্রধান খাদ্য থেকে বঞ্চিত হবে। পাশাপাশি ইংরেজির ব প্রভাবমুক্ত প্রভাবমুক্ত হ হওয়া বাঙালির এবং বাংলা ভাষার পক্ষে সম্ভব নয়। কেন-না আধুনিক যুগে দর্শন, নন্দনশাস্ত্র, রসায়ন ও পদার্থবিদ্যা বিশেষত প্রযুক্তির ক্ষেত্রে ইংরেজি পরিভাষার দারস্থ হওয়া ছাড়া বাংলা ভাষার বর্তমানে বিকল্প উপায় নেই।

আরবি-ফারসির চর্চা দুই বাংলাতেই কমে এসেছে বলে এ দুই ভাষা থেকে নতুন শব্দ বাংলা ভাষায় আসবে না আর তেমনভাবে। কিন্তু প্রাচীনকাল থেকে ব্যবহৃত শব্দগুলির প্রচলন থাকবে। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়গুলি প্রাচীন সাহিত্যগুলি বাধ্যতামূলক পাঠ্যতালিকায় আনায় আরবি-ফারসি শব্দরাও নতুন মেয়াদ পাবে।

ফারসি ভাষার প্রভাব ভারতীয় ভাষায় বেশি হলেও ভারতীয় ভাষা ফারসির মতো ঐশ্বর্যশালী সাহিত্যসৃষ্টিতে ব্যর্থ।

বাঙালির সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্য পদাবলি কীর্তনে বাঙালি শ্রীকৃষ্ণ ও রাধাকে পৌরাণিক গাম্ভীর্য সরিয়ে নিজের মনের, প্রাণের, ঘরের মানুষ করে গড়ে নিয়েছে। প্রাচীন ঐতিহ্য ও গতানুগতিকতার বিরুদ্ধে বাঙালির আছে চিরন্তন বিদ্রোহ। সে বিদ্রোহ ধর্ম বদল হলেও পরিবর্তিত হয় না। এটাই বাঙালি জাতির চরিত্রধর্ম।

‘নব নব সৃষ্টি’ প্রবন্ধের নামকরণ

ভূমিকা –

সৈয়দ মুজতবা আলীর ‘নব নব সৃষ্টি’ রচনায় বিশিষ্ট ভাষাবিদ লেখক বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডার এবং অন্যান্য ভাষার সঙ্গে বাংলা ভাষার তুলনা উপস্থিত করেছেন। বাঙালি জাতি ও বাংলা সাহিত্য সম্পর্কেও আলোকপাত করেছেন তিনি এই প্রবন্ধে।

বাংলা ভাষা পরনির্ভরশীল –

‘সৃষ্টি’ (সৃজ্ + তি) শব্দটির অর্থ নির্মাণ, রচনাপ্রণয়ন, উৎপাদন ইত্যাদি। নতুন কিছু সৃষ্টির জন্য চাই মৌলিকতা, উন্মেষশালিনী শক্তি। পাঠ্য রচনায় বাংলা ভাষা সম্পর্কে বলতে গিয়ে লেখক বলেছেন বাংলা ভাষা সৃজনক্ষম মধুর ভাষা। কিন্তু তার একটি দুর্বলতা বিদ্যমান। দুর্বলতা এই যে, সে আত্মনির্ভরশীল বা স্বয়ংসম্পূর্ণ ভাষা নয়। ফলে আত্মপ্রয়োজনে তাকে বিদেশি শব্দ ঋণ করতে হয়। পৃথিবীর যে-কোনো ভাষাই নব নব সৃষ্টির মধ্য দিয়ে আত্মপ্রকাশ করে। এ আত্মপ্রকাশের জন্য চাই নতুন শব্দ। সে শব্দ প্রয়োজনে ধার করতেও দ্বিধা নেই। কারণ আত্মপ্রকাশ ও সৃষ্টি ছাড়া ভাষা অবলুপ্ত হয়ে যায়।

বাংলায় গৃহীত নতুন শব্দাবলি –

ভাষার সজীবতার জন্য চাই নব নব সৃষ্টি আর সৃষ্টির জন্য চাই নিত্যনতুন শব্দাবলি। বাংলা ভাষায় সাহিত্য রচনা ও অন্যান্য ব্যাবহারিক ক্ষেত্রে তাই নানা ভাষার নানা শব্দ গৃহীত হয়। বাংলা সাহিত্যের সমৃদ্ধি সৃজনে সেইসব শব্দের ঝংকার শ্রুত হয়।

উপসংহার –

সৃষ্টি কেবল সজীবতা বা সৌন্দর্যই প্রমাণ করে না, সৃষ্টির অর্থ প্রাণবান, বেগবান থাকাও। নব নব সৃষ্টি একটা ভাষার প্রবাহকে লাবণ্য দেয়, সমৃদ্ধ করে , নবীন ও জীবন্ত করে তোলে। সেই নব নব সৃষ্টির নবীনতায় ভাষার প্রবাহ লাবণ্যময় ও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠায় ব্যঞ্জনধর্মী নামকরণ হিসেবে আলোচ্য রচনাংশের নামকরণটি সার্থক ও শিল্পশ্রীমণ্ডিত হয়েছে।


এই আর্টিকেলে আমরা নবম শ্রেণীর বাংলা বিষয়ের দ্বিতীয় পাঠের দ্বিতীয় অধ্যায়, ‘নব নব সৃষ্টি’ -এর বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা করবো। এখানে প্রাবন্ধিক পরিচিতি, প্রবন্ধের উৎস, প্রবন্ধের পাঠপ্রসঙ্গ, প্রবন্ধের সারসংক্ষেপ, প্রবন্ধের নামকরণ এবং এর প্রধান বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। এই আর্টিকেলটি আপনাদের ‘নব নব সৃষ্টি’ সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত ধারণা দিয়েছে এবং প্রবন্ধটি ভালোভাবে বোঝার ক্ষেত্রে সহায়ক হবে। এছাড়া, নবম শ্রেণীর পরীক্ষায় এই অধ্যায় থেকে প্রাবন্ধিক পরিচিতি, প্রবন্ধের নামকরণ ও কবিতার সারসংক্ষেপ সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে, তাই এই তথ্যগুলো জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Please Share This Article

Related Posts

নবম শ্রেণী ইতিহাস - প্রাককথন: ইউরোপ ও আধুনিক যুগ

নবম শ্রেণী ইতিহাস – প্রাককথন: ইউরোপ ও আধুনিক যুগ

নবম শ্রেণী ইতিহাস - বিপ্লবী আদর্শ,নেপোলিয়নীয় সাম্রাজ্য ও জাতীয়তাবাদ - বিষয়সংক্ষেপ

নবম শ্রেণী ইতিহাস – বিপ্লবী আদর্শ, নেপোলিয়নীয় সাম্রাজ্য ও জাতীয়তাবাদ – বিষয়সংক্ষেপ

নবম শ্রেণী ইতিহাস - বিপ্লবী আদর্শ, নেপোলিয়নীয় সাম্রাজ্য ও জাতীয়তাবাদ - অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর

নবম শ্রেণী ইতিহাস – বিপ্লবী আদর্শ, নেপোলিয়নীয় সাম্রাজ্য ও জাতীয়তাবাদ – অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর

About The Author

Souvick

Tags

মন্তব্য করুন

SolutionWbbse

"SolutionWbbse" শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অনলাইন অধ্যয়ন প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি, মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য গাইডলাইন, এবং বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনার সাহায্য প্রদান করা হয়। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে সকল বিষয়ের শিক্ষণীয় উপকরণ সহজেই সকল শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছে দেওয়া।

Editor Picks

আলোর বিক্ষেপণ কাকে বলে? দিনের বেলায় আকাশকে নীল দেখায় কেন?

আলোর বিচ্ছুরণ ও আলোর প্রতিসরণ কাকে বলে? আলোর বিচ্ছুরণ ও প্রতিসরণের মধ্যে পার্থক্য

আলোক কেন্দ্র কাকে বলে? আলোক কেন্দ্রের বৈশিষ্ট্য ও গুরুত্ব

উত্তল লেন্স ও অবতল লেন্স কাকে বলে? উত্তল লেন্স ও অবতল লেন্সের মধ্যে পার্থক্য

একটি অচল পয়সার আত্মকথা – প্রবন্ধ রচনা