নবম শ্রেণী জীবনবিজ্ঞান – জৈবনিক প্রক্রিয়া – উদ্ভিদ শারীরবিদ্যা – সালোকসংশ্লেষ – সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

Rahul

এই আর্টিকলে আমরা নবম শ্রেণীর জীবন বিজ্ঞানের তৃতীয় অধ্যায় ‘জৈবনিক প্রক্রিয়া’ -এর উপবিভাগ ‘উদ্ভিদ শারীরবিদ্যা’ -এর অন্তর্গত ‘সালোকসংশ্লেষ’ অংশের গুরুত্বপূর্ণ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর নিয়ে আলোচনা করব। পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ (WBBSE) -এর সিলেবাস অনুযায়ী আসন্ন ইউনিট টেস্ট বা স্কুল পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য এই প্রশ্নগুলো অত্যন্ত জরুরি।

জৈবনিক প্রক্রিয়া-উদ্ভিদ শারীরবিদ্যা-সালোকসংশ্লেষ-নবম শ্রেণী-জীবনবিজ্ঞান
Contents Show

সালোকসংশ্লেষ কাকে বলে?

সালোকসংশ্লেষ (Photosynthesis) –

যে শারীরবৃত্তীয় উপচিতিমূলক প্রক্রিয়ায় ক্লোরোফিলযুক্ত উদ্ভিদকোশে সূর্যালোকের উপস্থিতিতে পরিবেশ থেকে গৃহীত জল ও কার্বন ডাইঅক্সাইডের রাসায়নিক বিক্রিয়ায় সরল শর্করা জাতীয় খাদ্য উৎপন্ন হয়, উৎপন্ন খাদ্যে সৌরশক্তির আবদ্ধকরণ ঘটে এবং উপজাত বস্তুরূপে পরিবেশে অক্সিজেন নির্গত হয় তাকে সালোকসংশ্লেষ বলে।

6CO2+12H2Oক্লোরোফিলসূর্যালোকC6H12O6+6H2O+6O2বিক্রিয়াটির দুটি প্রধান বৈশিষ্ট্য লেখো।

বিক্রিয়াটির দুটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হল –

  1. দুটি অজৈব যৌগ (CO2 ও H2O) -এর রাসায়নিক বিক্রিয়ায় জৈব যৌগ (গ্লুকোজ, C6H12O6) উৎপন্ন হয়।
  2. বিক্রিয়াটি সূর্যালোকের উপস্থিতিতে কেবলমাত্র ক্লোরোফিলযুক্ত কোশেই সংঘটিত হয়।

উদ্ভিদমূলে সালোকসংশ্লেষ হয় না কেন?

উদ্ভিদমূলে সালোকসংশ্লেষ হয় না, কারণ –

  1. উদ্ভিদমূল ক্লোরোফিলবিহীন হয়।
  2. উদ্ভিদমূল সাধারণত আলোর বিপরীতে মাটির নীচে বর্ধিত হয়।

উদ্ভিদের কোন প্রকার কাণ্ডে সালোকসংশ্লেষ ঘটে?

উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষকারী কান্ড –

  1. বীরুৎ, নরম, রসালো, সবুজ কান্ড। যেমন – লাউ, কুমড়ো, পালং প্রভৃতি।
  2. ক্যাকটাসের পর্ণকাণ্ড।

রাত্রে সালোকসংশ্লেষ ঘটে না কেন?

রাত্রে সালোকসংশ্লেষ ঘটে না, কারণ –

  1. রাত্রে সূর্যালোক থাকে না। সূর্যালোক ছাড়া ক্লোরোফিল উত্তেজিত ও সক্রিয় হয় না বলে আত্তীকৃত শক্তি (NADPH + H+ ও ATP) উৎপন্ন হয় না।
  2. বেশিরভাগ উদ্ভিদের রাত্রিবেলা পত্ররন্ধ্র বন্ধ থাকে বলে উদ্ভিদ কোশে CO2 প্রবেশ করতে পারে না (ব্যতিক্রম – ক্যাকটাস বা CAM উদ্ভিদ)।

সোলারাইজেশন কাকে বলে?

অত্যধিক প্রখর সূর্যকিরণে ক্লোরোপ্লাস্ট অণুর আলোক জারণ ঘটে, ফলে ক্লোরোফিল অণু বিনষ্ট হয় এবং সালোকসংশ্লেষ হ্রাস পায়। এই ঘটনাকে সোলারাইজেশন বলে।

পাতাকে ‘গাছের রান্নাঘর’ বলে কেন?

পাতাকে গাছের রান্নাঘর বলার কারণ হল –

  1. পাতা গাছের সবথেকে প্রসারিত, পাতলা অংশ।
  2. পাতার ত্বক পত্ররন্ধ্রযুক্ত।
  3. পাতায় ক্লোরোফিল সমৃদ্ধ মেসোফিল কলাকোশ বর্তমান। এই সমস্ত বৈশিষ্ট্যগুলির জন্যই পাতায় সূর্যালোক শোষণ, গ্যাসীয় আদানপ্রদান ও শিরাবিন্যাসের মাধ্যমে সংবহন ব্যবস্থার দ্বারা সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় খাদ্য তৈরি হয়।

সালোকসংশ্লেষকে জারণ-বিজারণ প্রক্রিয়া বলার কারণ কী?

অনুরূপ প্রশ্ন, সালোকসংশ্লেষের রাসায়নিক সমীকরণটি লেখো এবং জারণ-বিজারণ উল্লেখ করো।

সালোকসংশ্লেষকে জারণ-বিজারণ প্রক্রিয়া বলার কারণ –

  1. সালোকসংশ্লেষে CO2 জলের সঙ্গে বিক্রিয়া করে গ্লুকোজ অর্থাৎ, C6H12O6 উৎপন্ন করে। এক্ষেত্রে CO2 -এর সঙ্গে হাইড্রোজেন যুক্ত হয় অর্থাৎ বিজারণ ঘটে। সুতরাং, সালোকসংশ্লেষে কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO2) বিজারিত হয়।
  2. অন্যদিকে এই পদ্ধতিতে জল (H2O) থেকে মুক্ত অক্সিজেন উৎপন্ন হয় অর্থাৎ, হাইড্রোজেন অপসারিত হয়। সুতরাং, সালোকসংশ্লেষে জল (H2O) জারিত হয়।
সালোকসংশ্লেষের রাসায়নিক সমীকরণ
সালোকসংশ্লেষের রাসায়নিক সমীকরণ

সালোকসংশ্লেষকে উপচিতিমূলক বিপাকক্রিয়া বলা হয় কেন?

সালোকসংশ্লেষকে উপচিতিমূলক বিপাকক্রিয়া বলার কারণ –

  1. সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় সরল অজৈব যৌগ জল ও কার্বন ডাইঅক্সাইডের রাসায়নিক বিক্রিয়ায় জটিল জৈবযৌগ শর্করা উৎপন্ন হয়।
  2. উৎপন্ন শর্করা প্রোটোপ্লাজমে অঙ্গীভূত হয়। ফলে, প্রোটোপ্লাজমের বৃদ্ধি ঘটে।
  3. এর দ্বারা উদ্ভিদদেহের শুষ্ক ওজনের বৃদ্ধি ঘটে।

সালোকসংশ্লেষীয় রঞ্জক কাকে বলে?

যে সমস্ত যৌগিক পদার্থ সজীব কোশে উপস্থিত থেকে সূর্যালোক শোষণ করে এবং শোষিত সৌরশক্তিকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে, তাদের সালোকসংশ্লেষীয় রঞ্জক বলে। যেমন –

  1. ক্লোরোফিল।
  2. ক্যারোটিনয়েড।
  3. ফাইকোবিলিন।

সালোকসংশ্লেষের প্রধান ও আনুষঙ্গিক রঞ্জক পদার্থগুলির নাম লেখো।

  1. সালোকসংশ্লেষের প্রধান রঞ্জক – ক্লোরোফিল-a।
  2. সালোকসংশ্লেষের আনুষঙ্গিক রঞ্জকগুলি হল – ক্লোরোফিল-b, ক্লোরোফিল-c, ক্যারোটিনয়েড, ফাইকোবিলিন।

ফোটন কণা কী? এর কাজ কী?

সূর্য থেকে যে চুম্বকীয় বিচ্ছুরিত শক্তি মহাকাশ ভেদ করে পৃথিবীতে আসে তা অসংখ্য তেজোময় বা শক্তিময় কণা দ্বারা গঠিত, এদের ফোটন কণা (Photon) বলে।

কাজ – ফোটন কণা ক্লোরোফিলকে উত্তেজিত ও সক্রিয় করে। সক্রিয় ক্লোরোফিল জলকে হাইড্রোজেন আয়ন (H+) ও হাইড্রক্সিল আয়নে (OH) বিশ্লিষ্ট করে।

ফোটন কণা
ফোটন কণা

কোয়ান্টাম কী?

কোয়ান্টাম (Quantam) – ফোটন কণায় আবদ্ধ শক্তিকে কোয়ান্টাম বলে। সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় 1 অণু O2 উৎপন্ন করতে বা 1 অণু CO2 বিজারিত করার জন্য 8-10 ফোটন বা ন্যূনতম কোয়ান্টামের প্রয়োজন হয়। 

ক্লোরোসিস কাকে বলে?

ক্লোরোসিস (Chlorosis) – আলোর উপস্থিতিতে উদ্ভিদের পাতায় ক্লোরোপ্লাস্টে ক্লোরোফিল সংশ্লেষিত হয়। ক্লোরোফিলের সংশ্লেষে লোহা, তামা, ম্যাগনেশিয়াম, দস্তা, নাইট্রোজেন, পটাশিয়াম প্রভৃতির অত্যন্ত প্রয়োজন। এদের যে-কোনো একটির অভাবে ক্লোরোফিল সংশ্লেষ ব্যাহত হয়। এর ফলে পাতা হলুদ বা বিবর্ণ হয়ে পড়ে। এই অবস্থাকে ক্লোরোসিস বলে।

হিল বিক্রিয়া কাকে বলে?

হিল বিক্রিয়া – যে প্রক্রিয়ায় সালোকসংশ্লেষের আলোক দশায় আলোকপ্রাপ্ত ক্লোরোপ্লাস্ট একটি ইলেকট্রন গ্রাহককে বিজারিত করে অক্সিজেন উৎপাদন করে, তাকে হিল বিক্রিয়া বলে। বিজ্ঞানী রবিন হিল (Robin Hill, 1937) এই বিক্রিয়াটি পর্যবেক্ষণ করেন বলে একে ‘হিল বিক্রিয়া’ বলা হয়। বিজ্ঞানী রবিন হিল উদ্ভিদকোশ থেকে সংগৃহীত ক্লোরোপ্লাস্ট, জল ও হাইড্রোজেন গ্রহীতা পটাশিয়াম ফেরিক অক্সালেট -এর মিশ্রণে আলো ফেলে প্রমাণ করেন যে, পটাশিয়াম ফেরিক অক্সালেট বিজারিত হয়ে পটাশিয়াম ফেরাস অক্সালেটে পরিণত হয় এবং এর ফলে O2 উৎপন্ন হয়।

2H2O+2Aক্লোরোপ্লাস্টআলো2AH2+6O2

হিল বিকারক কী?

হিল বিক্রিয়ায় বিজ্ঞানী রবিন হিল যে-সমস্ত পদার্থগুলিকে ইলেকট্রন গ্রাহক রূপে ব্যবহার করেছিলেন, সেগুলিকে হিল বিকারক বলে। যেমন – ফেরিক অক্সালেট, ফেরিক সায়ানাইড প্রভৃতি। উদ্ভিদদেহে প্রাকৃতিক হিল বিকারক হল NADP+

সালোকসংশ্লেষের আলোক দশায় বা আলোক বিক্রিয়ায় অন্তিম পদার্থগুলি কী কী?

  1. NADAPH + H+ (বিজারিত নিকোটিনামাইড অ্যাডেনিন ডাইনিউক্লিওটাইড ফসফেট)।
  2. ATP (অ্যাডিনোসিন ট্রাই ফসফেট)।
  3. O2 (অক্সিজেন)।
  4. H2O (জল)।

সালোকসংশ্লেষে কার্যবর্ণালি কাকে বলে?

সালোকসংশ্লেষে কার্যবর্ণালি (Action Spectrum of Photosynthesis) – সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়াটির হার (অক্সিজেনের উৎপাদনের হার অনুযায়ী) আলোকবর্ণালির বিভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্য যুক্ত (390 nm থেকে 760 nm) যে আলোতে সবচেয়ে বেশি হয়, তাকে সালোকসংশ্লেষে কার্যবর্ণালি বলে।

সালোকসংশ্লেষীয় কার্যাবর্ণালি দুটি। আলোক বর্ণালির লাল ও নীল আলো। অর্থাৎ, সালোকসংশ্লেষের কার্যবর্ণালি নীল-বেগুনি অংশে যথেষ্ট বেশি এবং কমলা লাল অংশে সর্বাধিক হয়।

সালোকসংশ্লেষে কার্যবর্ণালি
সালোকসংশ্লেষে কার্যবর্ণালি

সালোকসংশ্লেষে শোষণ বর্ণালি কাকে বলে?

সালোকসংশ্লেষে শোষণ বর্ণালি (Absorption Spectrum) – সালোকসংশ্লেষে কোনো একটি নির্দিষ্ট রঞ্জক দৃশ্যমান আলোকবর্ণালির যে তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো শোষণ করে, তাকে ওই রঞ্জকের শোষণ বর্ণালি (Absorption Spectrum) বলে। যেমন – লাল ও বেগুনি নীল আলো ক্লোরোফিল রঞ্জকটির শোষণ বর্ণালি। শোষণ বর্ণালি স্পেকট্রোফোটোমিটার (Spectrophotometer) যন্ত্রের দ্বারা পরিমাপ করা হয়।

রেড ড্রপ কাকে বলে?

রেড ড্রপ – 680 nm তরঙ্গদৈর্ঘ্যের বেশি তরঙ্গদৈর্ঘ্যযুক্ত লাল বর্ণের আলো দ্বারা একক ভাবে ক্লোরোপ্লাস্টকে আলোকিত করা হলে, সালোকসংশ্লেষের হার প্রথমে বৃদ্ধি পেলেও পরে কমে যায়। লাল আলোকে সাংলোকসংশ্লেষের হারের এরূপ অবনমনকে লোহিত চ্যুতি/রেড ড্রপ বলে।

লোহিত চ্যুতি কীভাবে প্রমাণ করে যে সালোকসংশ্লেষণে একাধিক রঞ্জকতন্ত্র কার্যকর হতে পারে এবং বিভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো এতে কী ভূমিকা রাখে?

লোহিত চ্যুতি প্রমাণ করে একটি নয়, সম্ভবত একাধিক রঞ্জকতন্ত্র সালোকসংশ্লেষে কার্যকর। পৃথক তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলোতে উত্তেজিত হওয়ার সেখানে সম্ভাবনা রয়েছে।

ক্লোরোফিল-a -এর শোষণ বর্ণালি দৃশ্যমান আলোর কোন্ অংশে সবথেকে বেশি হয়?

ক্লোরোফিল-a -এর শোষণ বর্ণালি দৃশ্যমান আলোর নীল-বেগুনি (390 nm থেকে 470 nm) ও লাল-কমলা (660 থেকে 760 nm) অংশে সবথেকে বেশি থাকে।

ক্লোরোফিল-b ও ক্যারোটিনয়েডের শোষণ বর্ণালি লেখো।

  1. ক্লোরোফিল-b -এর শোষণ বর্ণালি – নীল ও লাল আলো।
  2. ক্যারোটিনয়েড -এর শোষণ বর্ণালি – নীল ও সবুজ আলো।

এমারসন এফেক্ট কাকে বলে?

বিজ্ঞানী এমারসন ও ক্যালমার্স ক্লোরেল্লা নামক শৈবালে লাল (700 nm) এবং পরিপূরক কমলা বর্ণের (653 nm) আলোকরশ্মি প্রয়োগ করে দেখেন যে, সালোকসংশ্লেষের হার ওই দুইপ্রকার আলোকরশ্মিতে পৃথকভাবে সম্পন্ন সালোকসংশ্লেষের মিলিত হারের তুলনায় অনেকগুণ বৃদ্ধি পায়। এই ঘটনাটিকে এমারসন এফেক্ট বা এমারসনের প্রভাব বলে।

Z – স্কিম বলতে কী বোঝো?

সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ার আলোকদশায় অনাবর্তকার ফসফোরিভবনে PS-II -এর ক্লোরোফিল (P680) থেকে নির্গত ইলেকট্রন PS-I -এর উত্তেজিত ক্লোরোফিলকে (P700) স্থিতাবস্থায় আনে এবং হাইড্রক্সিল আয়ন (OH) থেকে মুক্ত ইলেকট্রন PS-II -এর উত্তেজিত ক্লোরোফিলকে স্থিতাবস্থায় নিয়ে আসে। সামগ্রিক ঘটনাটির রেখাচিত্র ইংরেজি ‘Z’ আকৃতির মতো দেখায় বলে, একে Z স্কিম বলে। এই গতিপথটি বিজ্ঞানী হিল ও বেন্ডাল আবিষ্কার করেন।

আলোকদশা ও অন্ধকারদশার পারস্পরিক নির্ভরশীলতা
আলোকদশা ও অন্ধকারদশার পারস্পরিক নির্ভরশীলতা

ক্যারোটিনয়েডের দুটি কাজ উল্লেখ করো।

  1. ক্যারোটিনয়েড সূর্যালোকের ফোটনকণার প্রভাবে সক্রিয় হলেও সালোকসংশ্লেষে অংশগ্রহণ করতে পারে না। তারা তাদের উত্তেজিত শক্তিকে ক্লোরোফিলে স্থানান্তরিত করে সালোকসংশ্লেষে সহায়ক রঞ্জক হিসেবে কাজ করে।
  2. উদ্ভিদের ফুল ও ফলের বর্ণধারণ নিয়ন্ত্রণ করে পরাগসংযোগ ও ফল এবং বীজের বিস্তারে সাহায্য করে।

সবুজ উদ্ভিদের ক্ষেত্রে ‘সৌরশক্তি আবদ্ধকরণ’ বলতে কী বোঝো?

অথবা, সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় কীভাবে সৌরশক্তি স্থৈতিক বা স্থিতিশক্তিরূপে খাদ্যের মধ্যে আবদ্ধ হয়?

সৌরশক্তির আবদ্ধকরণ – পৃথিবীতে ক্লোরোফিল একমাত্র জৈবযৌগ যা সূর্যালোকের ফোটন কণাকে আবদ্ধ করতে পারে। সবুজ উদ্ভিদে উপস্থিত ক্লোরোফিল সূর্যালোকের ফোটন কণা শোষণ করে উত্তেজিত হয় এবং উচ্চশক্তিযুক্ত ইলেকট্রন ত্যাগ করে। ইলেকট্রন বাহক দ্বারা ইলেকট্রন গৃহীত ও বাহিত হওয়ার সময় যে শক্তি নির্গত করে, তা পাতায় উপস্থিত ADP ও Pi -এর মধ্যে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটিয়ে ATP যৌগ উৎপন্ন করে। অর্থাৎ, ক্লোরোফিল দ্বারা শোষিত সৌরশক্তি ATP -এর মধ্যে রাসায়নিক শক্তিরূপে আবদ্ধ হয়। এই ATP সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন খাদ্যের মধ্যে স্থৈতিক শক্তিরূপে সঞ্চিত হয়।

সবুজ উদ্ভিদের ক্ষেত্রে 'সৌরশক্তি আবদ্ধকরণ' বলতে কী বোঝো
সবুজ উদ্ভিদের ক্ষেত্রে ‘সৌরশক্তি আবদ্ধকরণ’ বলতে কী বোঝো

সালোকসংশ্লেষকে অঙ্গার আত্তীকরণ বলা হয় কেন?

সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ার অন্ধকার দশায় পাতায় উপস্থিত রাইবিউলোজ বিসফসফেট (RuBP) উৎসেচকের সাহায্যে বায়ুমণ্ডলের মুক্ত CO2 -এর সঙ্গে সংযুক্ত হয়। গৃহীত CO2 -এর সঙ্গে RuBP রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটিয়ে স্থায়ী জৈবযৌগ ফসফোগ্লিসারিক অ্যাসিড (PGA) উৎপন্ন করে। এইভাবে সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় বায়ুমণ্ডলের অজৈব CO2 কোশস্থ জৈবযৌগে অঙ্গীভূত হয় বলে সালোকসংশ্লেষকে ‘অঙ্গার আত্তীকরণ’ বলা হয়।

সালোকসংশ্লেষকে অঙ্গার আত্তীকরণ বলা হয় কেন
সালোকসংশ্লেষকে অঙ্গার আত্তীকরণ বলা হয় কেন

সালোকসংশ্লেষের সঙ্গে শক্তিচক্রের সম্পর্ক ব্যাখ্যা করো।

সালোকসংশ্লেষের সঙ্গে শক্তিচক্রের সম্পর্ক –

  1. সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় ক্লোরোফিল সৌরশক্তি আবদ্ধ করে এবং ATP অণুর মধ্যে রাসায়নিক শক্তিরূপে সঞ্চিত করে। এই শক্তি উৎপন্ন খাদ্যে স্থৈতিকশক্তিরূপে আবদ্ধ হয়।
  2. শ্বসন প্রক্রিয়ার সময় জীবকোশে খাদ্য জারিত হয় এবং খাদ্য মধ্যস্থ স্থৈতিকশক্তি গতিশক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
  3. এই গতিশক্তিই এনার্জি কারেন্সি ATP -এর মধ্যে আবদ্ধ থাকে এবং তাপশক্তি উৎপন্ন করে।
  4. জীবজগতে উদ্ভিদদেহে উৎপাদিত খাদ্য খাদ্যশৃঙ্খলের মাধ্যমে খাদ্য-খাদক সম্পর্কের ভিত্তিতে খাদ্যস্তরের সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছায় এবং সালোকসংশ্লেষকে শক্তির রূপান্তরের মাধ্যমে শক্তিচক্রের সঙ্গে যুক্ত করে।
সালোকসংশ্লেষের সঙ্গে শক্তিচক্রের সম্পর্ক
সালোকসংশ্লেষের সঙ্গে শক্তিচক্রের সম্পর্ক

সালোকসংশ্লেষীয় একক কী?

সালোকসংশ্লেষীয় একক –

ক্লোরোপ্লাস্টের গ্রাণাস্থিত থাইলাকয়েডের পর্দায় কোয়ান্টোজোম দানা থাকে। প্রতিটি কোয়ান্টোজোমে প্রায় 250টি ক্লোরোফিল অণু উপস্থিত থাকে। এক অণু অক্সিজেন যুক্ত করার জন্য বা এক অণু কার্বন ডাইঅক্সাইডকে বিজারিত করার জন্য যে ন্যূনতম সংখ্যার ক্লোরোফিল অণু একত্রে আলোক-রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে, তাকে সালোকসংশ্লেষীয় একক (Photosynthetic Unit) বলে।

সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত একটি জৈব উৎসেচক এবং দুটি সহকারী উৎসেচকের নাম লেখো।

  1. জৈব উৎসেচক – রাইবিউলোজ বিসফসফেট কার্বক্সিলেজ/অক্সিজিনেজ (RuBisCO)।
  2. সহকারী উৎসেচক – ADP (অ্যাডিনোসিন ডাইফসফেট) ও NADP (নিকোটিনামাইড অ্যাডিনাইন ডাইনিউক্লিওটাইড ফসফেট)।

সালোকসংশ্লেষীয় হার PQ কাকে বলে? 

সালোকসংশ্লেষীয় হার (Photosynthetic Quotient; P. Q.) – সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় বর্জিত O2 ও গৃহীত CO2 -এর পরিমাণের অনুপাতকে সালোকসংশ্লেষীয় হার বা P. Q. বলে।

সালোকসংশ্লেষীয় হার PQ কাকে বলে
সালোকসংশ্লেষীয় হার PQ কাকে বলে

ব্ল‍্যাকম্যান বিক্রিয়া কী?

বিজ্ঞানী ব্ল‍্যাকম্যান (Blackman, 1905) সালোকসংশ্লেষের দ্বিতীয় দশা বা অন্ধকারদশার বিক্রিয়ার ধাপগুলি পর্যবেক্ষণ ও বর্ণনা করেন বলে, একে ব্ল্যাকম্যান বিক্রিয়া বলা হয়।

কমপেনসেশন পয়েন্ট বা পূর্তিবিন্দু বা ক্ষয়পূরণ বিন্দু কাকে বলে?

দিনের বেলা যে আলোক তীব্রতায় উদ্ভিদের CO2 গ্রহণ (সালোকসংশ্লেষ) এবং CO2 বর্জন (শ্বসন) -এর হার সমান হয়, তাকে ক্ষয়পূরণ বিন্দু বা কমপেনসেশন পয়েন্ট বলে।

কেলভিন চক্র কী?

কেলভিন চক্র (Calvin Cycle, 1954) – বিজ্ঞানী কেলভিন ও তাঁর সহকর্মীবৃন্দ প্রমাণ করেন যে সালোকসংশ্লেষের অন্ধকার দশায় চক্রাকার বিক্রিয়ার মাধ্যমে অঙ্গার আত্তীকরণ, PGA উৎপাদন, শর্করা সৃষ্টি ও RUBP -এর পুনঃসংশ্লেষ ঘটে। এই ঘটনাকে কেলভিন চক্র বলে।

আলোতে হওয়া সত্ত্বেও সালোকসংশ্লেষের দ্বিতীয় দশাকে অন্ধকার দশা বলে কেন?

সালোকসংশ্লেষের দ্বিতীয় দশা দিনেরবেলা সূর্যালোকের উপস্থিতিতেই সংঘটিত হয়। কিন্তু এই দশায় সূর্যালোকের কোনো প্রয়োজন হয় না। ক্লোরোপ্লাস্টের স্ট্রোমায় উৎসেচকের উপস্থিতিতে এই পর্যায়ের বিক্রিয়াগুলি সংঘটিত হয়। বিক্রিয়ার গতিপথ আলোক নিয়ন্ত্রিত নয়। একারণে, আলোতে হওয়া সত্ত্বেও সালোকসংশ্লেষের দ্বিতীয় দশাকে অন্ধকার দশা বলা হয়।

খাদ্য উৎপাদনে সালোকসংশ্লেষের ভূমিকা কী?

খাদ্য উৎপাদনে সালোকসংশ্লেষের ভূমিকা – সালোকসংশ্লেষ পদ্ধতিতে সবুজ উদ্ভিদ সূর্যালোকের উপস্থিতিতে ক্লোরোফিলের সক্রিয়তায়, কার্বন ডাইঅক্সাইড ও জলের সহায়তায় গ্লুকোজ বা শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে। এই শর্করা জাতীয় খাদ্য উদ্ভিদ প্রয়োজন অনুসারে নিজ দেহে সঞ্চিত রাখে। গ্লুকোজ থেকে প্রোটিন, ফ্যাট প্রভৃতি সংশ্লেষিত হয়। এই শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন ও ফ্যাট খাদ্য-খাদক সম্পর্কের ভিত্তিতে সমগ্র প্রাণীজগতে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে, বাস্তুতান্ত্রিক ভারসাম্য রক্ষিত হয়। উদ্ভিদই হল সমগ্র জীবজগতের খাদ্য উৎপাদক।

পরিবেশে অক্সিজেন ও কার্বন-ডাইঅক্সাইডের ভারসাম্য রক্ষায় সালোকসংশ্লেষের ভূমিকা আলোচনা করো।

পরিবেশে অক্সিজেন (O2) ও কার্বন ডাইঅক্সাইডের (CO2) ভারসাম্য রক্ষায় সালোকসংশ্লেষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ –

  1. সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় বায়ুমণ্ডলের CO2 কাঁচামালরূপে গৃহীত হয় এবং গৃহীত CO2 -এর সমপরিমাণ O2 পরিবেশে পরিত্যক্ত হয়।
  2. জীবদেহে শ্বসনক্রিয়ার ফলে পরিবেশ থেকে O2 গৃহীত হয় এবং CO2 বর্জিত হয়।
  3. সুতরাং, সালোকসংশ্লেষ পরিবেশে CO2 -এর পরিমাণ কখনও বৃদ্ধি পেতে দেয় না (বায়ুমণ্ডলে CO2 -এর স্বাভাবিক পরিমাণ 0.03%) এবং শ্বসনক্রিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় O2 -এর জোগান দেয় এবং এর দ্বারা পরিবেশে O2 ও CO2 ভারসাম্য রক্ষিত হয়।
পরিবেশে O₂ ও CO₂ গ্যাসের ভারসাম্য রক্ষায় সালোকসংশ্লেষের ভূমিকা
পরিবেশে O₂ ও CO₂ গ্যাসের ভারসাম্য রক্ষায় সালোকসংশ্লেষের ভূমিকা

সালোকসংশ্লেষের হার ব্যাহতকারী দুটি পদার্থের নাম লেখো।

ক্লোরোফর্ম ও হাইড্রোজেন সালফাইড।

রাত্রিবেলা গাছের নীচে থাকা অস্বাস্থ্যকর কেন?

রাত্রিবেলা গাছের নীচে থাকা অস্বাস্থ্যকর কারণ –

  1. রাত্রিবেলা সালোকসংশ্লেষ ঘটে না ফলে বাতাসে কোনো O2 নির্গত হয় না।
  2. অন্যদিকে শ্বসনক্রিয়ার ফলে গাছ বাতাসে CO2 নির্গত করে যা অক্সিজেনের তুলনায় ভারী বলে ভূপৃষ্ঠের কাছাকাছি বায়ুমণ্ডলে সঞ্চিত হয়।
  3. রাত্রিবেলা গাছের নীচে এই কম O2 ও বেশি CO2 ঘনত্বে থাকলে মানুষের শ্বাসকষ্ট দেখা দিতে পারে।

সালোকসংশ্লেষে উৎপন্ন গ্লুকোজ শ্বেতসারে পরিণত হয় কেন?

সালোকসংশ্লেষে উৎপন্ন গ্লুকোজ হল দ্রবণীয় শর্করা যা দীর্ঘস্থায়ীভাবে সঞ্চিত থাকতে পারে না। একারণে দ্রবণীয় গ্লুকোজ এক অণু জল ত্যাগ করে অদ্রবণীয় শ্বেতসারে (Starch) পরিণত হয় এবং উদ্ভিদের মূল, কাণ্ড, পাতা, বীজ প্রভৃতি স্থানে দীর্ঘস্থায়ীভাবে সঞ্চিত থাকে।

(C6H12O6)nদ্রবণীয় গ্লুকোজ(C6H10O5)nঅদ্রবণীয় শ্বেতসার+H2O

পাতার কোশে গ্লুকোজের ঘনত্ব বেড়ে গেলে সালোকসংশ্লেষের হার কমে যায়। একারণেও গ্লুকোজ শ্বেতসারে পরিণত হয়।

“সমস্ত সবুজ উদ্ভিদ ধ্বংস হলে প্রাণীজগতের অস্তিত্ব বিপন্ন হবে” – ব্যাখ্যা করো।

সমস্ত সবুজ উদ্ভিদ ধ্বংস হলে প্রাণীজগতের অস্তিত্ব বিপন্ন হবে, কারণ –

  1. সবুজ উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় যে খাদ্য উৎপন্ন করে তা সমস্ত জীবজগতের শক্তির উৎসরূপে কাজ করে।
  2. সবুজ উদ্ভিদ বাতাসে অক্সিজেন নির্গত করে যা প্রাণী দ্বারা গৃহীত হয় ও খাদ্যকে জারিত করে ও প্রাণীদেহে ATP সংশ্লেষে সাহায্য করে।

এইভাবে সবুজ উদ্ভিদ প্রাণীদের শ্বাসকার্যে সাহায্য করে। CO2 গ্রহণ ও সমপরিমাণ O2 নির্গমনের মাধ্যমে সবুজ উদ্ভিদ পরিবেশকে দূষণমুক্ত রাখে। সুতরাং, খাদ্য ও অক্সিজেন -এর অভাব ঘটলে প্রাণীজগতের অস্তিত্ব বিপন্ন হবে।

বেশিরভাগ গাছের পাতা সবুজ হয় কেন?

পাতায় উপস্থিত রঞ্জক পদার্থ ক্লোরোফিল দৃশ্যমান আলোর, নীল (ছোটো তরঙ্গদৈর্ঘ্যবিশিষ্ট) ও লাল (বড়ো তরঙ্গদৈর্ঘ্যবিশিষ্ট) অংশ শোষণ করে। সবুজ আলো শোষিত না হয়ে প্রতিফলিত হয় বলে গাছের পাতা সবুজ হয়।

কয়লা, খনিজ তেলের সঙ্গে সালোকসংশ্লেষের সম্পর্ক কী?

  1. সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় সবুজ উদ্ভিদ সৌরশক্তি শোষণ করে খাদ্যে আবদ্ধ করে।
  2. প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে উদ্ভিদ কোটি কোটি বছর ধরে মাটির নীচে চাপা পড়ে থাকার ফলে জৈবশক্তি সমৃদ্ধ কয়লা ও খনিজ তেলে পরিণত হয়। এদের জীবাশ্ম জ্বালানি (Fossil Fuel) বলে।

সুতরাং, কয়লা ও খনিজ তেলের মধ্যে নিহিত শক্তি প্রকৃত অর্থে সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় আবদ্ধ রূপান্তরিত সৌরশক্তি।

সালোকসংশ্লেষে সক্ষম দুটি প্রাণীর নাম লেখো।

সালোকসংশ্লেষে সক্ষম দুটি প্রাণী – ইউগ্লিনা ও ক্রাইস্যামিবা।

সালোকসংশ্লেষে সক্ষম দুটি ব্যাকটেরিয়ার নাম লেখো।

সালোকসংশ্লেষে সক্ষম দুটি ব্যাকটেরিয়া – রোডোসিউডোমোনাস ও রোডোস্পাইরিলাম।

সালোকসংশ্লেষে অক্ষম দুটি উদ্ভিদের নাম লেখো।

সালোকসংশ্লেষে অক্ষম দুটি উদ্ভিদ হল – ছত্রাক ও স্বর্ণলতা।


এই আর্টিকলে আমরা নবম শ্রেণীর জীবন বিজ্ঞানের তৃতীয় অধ্যায় ‘জৈবনিক প্রক্রিয়া’ -এর উপবিভাগ ‘উদ্ভিদ শারীরবিদ্যা’ -এর অন্তর্গত ‘সালোকসংশ্লেষ’ অংশের সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর নিয়ে আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নগুলো নবম শ্রেণীর পরীক্ষা এবং যারা ভবিষ্যতে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি নেবেন, তাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আশা করি, আর্টিকেলটি আপনাদের উপকারে আসবে। যদি কোনো প্রশ্ন বা জিজ্ঞাসা থাকে, তবে আমাদের টেলিগ্রামে যোগাযোগ করতে পারেন; আমরা উত্তর দেওয়ার যথাসাধ্য চেষ্টা করবো। এছাড়া, লেখাটি প্রয়োজনীয় মনে হলে আপনার বন্ধু বা সহপাঠীদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না। ধন্যবাদ।

Please Share This Article

Related Posts

জৈবনিক প্রক্রিয়া-উদ্ভিদ শারীরবিদ্যা-খনিজ পুষ্টি-নবম শ্রেণী-জীবনবিজ্ঞান

নবম শ্রেণী জীবনবিজ্ঞান – জৈবনিক প্রক্রিয়া – উদ্ভিদ শারীরবিদ্যা – খনিজ পুষ্টি – অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

জৈবনিক প্রক্রিয়া-উদ্ভিদ শারীরবিদ্যা-সালোকসংশ্লেষ-নবম শ্রেণী-জীবনবিজ্ঞান

নবম শ্রেণী জীবনবিজ্ঞান – জৈবনিক প্রক্রিয়া – উদ্ভিদ শারীরবিদ্যা – সালোকসংশ্লেষ – রচনাধর্মী প্রশ্ন ও উত্তর

জৈবনিক প্রক্রিয়া-উদ্ভিদ শারীরবিদ্যা-সালোকসংশ্লেষ-জীবনবিজ্ঞান-নবম শ্রেণী

নবম শ্রেণী জীবনবিজ্ঞান – জৈবনিক প্রক্রিয়া – উদ্ভিদ শারীরবিদ্যা – সালোকসংশ্লেষ – টীকা

About The Author

Rahul

Tags

মন্তব্য করুন

SolutionWbbse

"SolutionWbbse" শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অনলাইন অধ্যয়ন প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি, মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য গাইডলাইন, এবং বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনার সাহায্য প্রদান করা হয়। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে সকল বিষয়ের শিক্ষণীয় উপকরণ সহজেই সকল শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছে দেওয়া।

Editor Picks

নবম শ্রেণী জীবনবিজ্ঞান – জৈবনিক প্রক্রিয়া – উদ্ভিদ শারীরবিদ্যা – খনিজ পুষ্টি – অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

নবম শ্রেণী জীবনবিজ্ঞান – জৈবনিক প্রক্রিয়া – উদ্ভিদ শারীরবিদ্যা – সালোকসংশ্লেষ – রচনাধর্মী প্রশ্ন ও উত্তর

নবম শ্রেণী জীবনবিজ্ঞান – জৈবনিক প্রক্রিয়া – উদ্ভিদ শারীরবিদ্যা – সালোকসংশ্লেষ – টীকা

নবম শ্রেণী জীবনবিজ্ঞান – জৈবনিক প্রক্রিয়া – উদ্ভিদ শারীরবিদ্যা – সালোকসংশ্লেষ – পার্থক্যধর্মী প্রশ্ন ও উত্তর

নবম শ্রেণী জীবনবিজ্ঞান – জৈবনিক প্রক্রিয়া – উদ্ভিদ শারীরবিদ্যা – সালোকসংশ্লেষ – সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর