হিমবাহ ও জলধারার মিলিত কার্যের ফলে সৃষ্ট প্রধান ভূমিরূপগুলির চিত্রসহ বিবরণ দাও।

Rahul

এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ভূগোলের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “হিমবাহ ও জলধারার মিলিত কার্যের ফলে সৃষ্ট প্রধান ভূমিরূপগুলির চিত্রসহ বিবরণ দাও।” নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভূগোল পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। “হিমবাহ ও জলধারার মিলিত কার্যের ফলে সৃষ্ট প্রধান ভূমিরূপগুলির চিত্রসহ বিবরণ দাও।” প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভূগোলের প্রথম অধ্যায় “বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তার দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ – হিমবাহের বিভিন্ন কাজ ও তাদের দ্বারা সংশ্লিষ্ট ভূমিরূপ” -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়।

হিমবাহ ও জলধারার মিলিত কার্যের ফলে সৃষ্ট ভূমিরূপ
হিমবাহ ও জলধারার মিলিত কার্যের ফলে সৃষ্ট ভূমিরূপ
Contents Show

হিমবাহ ও জলধারার মিলিত কার্যের ফলে সৃষ্ট প্রধান ভূমিরূপগুলির চিত্রসহ বিবরণ দাও।

হিমবাহ ও জলধারার মিলিত কার্যের ফলে সৃষ্ট ভূমিরূপ –

হিমরেখার নীচে হিমবাহ গলে ছোটো ছোটো অসংখ্য অস্থায়ী জলধারার সৃষ্টি হয়। এই সকল জলধারা হিমবাহ সঞ্চিত পদার্থকে বহুদূর বহন করে দূরবর্তী স্থানে সঞ্চিত করে। এই ধরনের সঞ্চয়কে বলে হিমবাহ-জলধারার সম্মিলিত সঞ্চয়। হিমবাহ-জলধারার মিলিত কাজের ফলে গঠিত ভূমিরূপগুলি হিমবাহের সঞ্চয়জাত ভূমিরূপগুলি থেকে পৃথক হয়। এক্ষেত্রে হিমবাহ প্রান্ত থেকে দূরে গিয়ে সঞ্চয়জাত পদার্থগুলি ভালোভাবে সজ্জিত হয়। হিমবাহ-জলধারার মিলিত কার্যের ফলে সৃষ্ট ভূমিরূপ হল –

বহিঃধৌত সমভূমি –

হিমবাহ পার্বত্যপ্রবাহ থেকে পর্বত পাদদেশে নেমে এসে গলে গেলে এই হিমবাহ বাহিত নুড়ি, পাথর, কাদা প্রভৃতি একত্রে সঞ্চিত হয়ে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে সমভূমির সৃষ্টি করে, তাকে বহিঃধৌত সমভূমি বলে। এই সমভূমিতে চাপা পড়ে থাকা প্রান্ত গ্রাবরেখার সম্মুখে সৃষ্ট একাধিক পলল শঙ্কুর সংযুক্তির ফলে বহিঃধৌত সমভূমি গড়ে ওঠে।

উদাহরণ – আইসল্যান্ড দ্বীপে বহিঃধৌত সমভূমি দেখা যায়। যাহা স্থানীয়ভাবে ‘Sandur’ নামে পরিচিত।

ড্রামলিন –

হিমবাহ বাহিত নুড়ি, পাথর প্রভৃতি পর্বত পাদদেশে সঞ্চিত হয়ে উলটানো চামচ বা উলটানো নৌকার মতো এক প্রকার ঢেউ খেলানো ভূমিরূপ সৃষ্টি করে, এদের ড্রামলিন বলে। অনেকগুলি ড্রামলিন একসঙ্গে অবস্থান করলে অঞ্চলটি দেখতে ডিম ভরতি ঝুড়ির মতো হয়। তাই এইরূপ ভূমিরূপকে Busket of Eggs Re-lief বলা হয়। একটি আদর্শ ড্রামলিনের দৈর্ঘ্য 1-4 কিমি, প্রস্থ 400-600 মিটার এবং উচ্চতা 15-30 মিটার হয়।

উদাহরণ – আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের উত্তরে, ইংল্যান্ডের উত্তরে, আয়ারল্যান্ডের উত্তরে প্রভৃতি স্থানে ড্রামলিন দেখতে পাওয়া যায়।

বহিঃধৌত সমভূমি, ড্রামলিন, কেম, এসকার
বহিঃধৌত সমভূমি, ড্রামলিন, কেম, এসকার

কেম –

নিশ্চল বা গতিহীন হিমবাহের পার্শ্বদেশ বরাবর দুটি নদী প্রবাহিত হয়। এই নদী দ্বারা হিমবাহ উপত্যকার পার্শ্বদেশে সঞ্চিত পিণ্ডাকৃতি ঢিবিকে কেম বলে। কেমগুলি পরস্পর যুক্ত হয়ে হিমবাহের দু-পাশে মঞ্চের আকারে অবস্থান করলে তাদের কেমমঞ্চ বলে।

উদাহরণ – স্কটল্যান্ডের ল্যামারমুয়ার হিমবাহ উপত্যকায় কেম ও কেমমঞ্চের সৃষ্টি হয়েছে।

এসকার –

অনেক সময় পাদদেশীয় হিমবাহের তলদেশের অংশ গলে গিয়ে হিমবাহের তলদেশে সুড়ঙ্গ সৃষ্টি করে এবং তার মধ্য দিয়ে নদী প্রবাহিত হয়। এই জলধারা সুড়ঙ্গের মধ্যে নুড়ি, বালি, কাদা, শিলাখণ্ড প্রভৃতি জমা করে অনুচ্চ, আঁকাবাঁকা, দীর্ঘ শৈলশিরার মতো ভূমি তৈরি করে, একে এসকার বলে। এর উচ্চতা গড়ে 3-5 মিটার এবং দৈর্ঘ্য কয়েক কিমি পর্যন্ত হয়।

উদাহরণ – এটি আয়ারল্যান্ড, ফিনল্যান্ড প্রভৃতি স্থানে দেখা যায়।

কেটল –

অনেক সময় যখন হিমবাহের পশ্চাদপসরণ ঘটতে থাকে তখন কোথাও কোথাও গভীর গর্তের মধ্যে নিশ্চল হিমরাশি রয়ে যায় এবং অনুবাহ বা টিলের দ্বারা বেষ্টিত হয়ে যায় বা চাপা পড়ে যায়। পরবর্তীকালে সেই নিশ্চল হিমরাশি গলে গেলে সেখানে গর্ত থেকে যায় ও হ্রদের সৃষ্টি হয়। এরূপ হ্রদকে কেটল হ্রদ বলে এবং গর্তগুলিকে বলে কেটল।

উদাহরণ – উত্তর ইউরোপের অনেক স্থানে নব ও কেটলের অবস্থান লক্ষ করা যায় এবং ওইসব অঞ্চলের ভূমিরূপকে নব ও কেটল সমন্বিত ভূমিরূপ বলা হয়।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর

হিমবাহ ও জলধারার মিলিত কার্য কী?

হিমবাহ গলে যাওয়ার পর ছোট ছোট জলধারা সৃষ্টি হয়। এই জলধারা হিমবাহ দ্বারা বাহিত নুড়ি, পাথর, কাদা ইত্যাদি পদার্থকে বহন করে দূরবর্তী স্থানে সঞ্চিত করে। এই প্রক্রিয়াকে হিমবাহ ও জলধারার মিলিত কার্য বলা হয়।

বহিঃধৌত সমভূমি কী?

হিমবাহ পার্বত্যপ্রবাহ থেকে পর্বত পাদদেশে নেমে এসে গলে গেলে হিমবাহ বাহিত নুড়ি, পাথর, কাদা প্রভৃতি একত্রে সঞ্চিত হয়ে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে সমভূমির সৃষ্টি করে, তাকে বহিঃধৌত সমভূমি বলে। উদাহরণ – আইসল্যান্ডের ‘Sandur’।

ড্রামলিন কী?

হিমবাহ বাহিত নুড়ি, পাথর প্রভৃতি পর্বত পাদদেশে সঞ্চিত হয়ে উলটানো চামচ বা উলটানো নৌকার মতো এক প্রকার ঢেউ খেলানো ভূমিরূপ সৃষ্টি করে, এদের ড্রামলিন বলে। উদাহরণ – আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের উত্তরে, ইংল্যান্ডের উত্তরে।

কেম কী?

নিশ্চল বা গতিহীন হিমবাহের পার্শ্বদেশ বরাবর দুটি নদী প্রবাহিত হয়। এই নদী দ্বারা হিমবাহ উপত্যকার পার্শ্বদেশে সঞ্চিত পিণ্ডাকৃতি ঢিবিকে কেম বলে। উদাহরণ – স্কটল্যান্ডের ল্যামারমুয়ার হিমবাহ উপত্যকায়।

এসকার কী?

পাদদেশীয় হিমবাহের তলদেশের অংশ গলে গিয়ে হিমবাহের তলদেশে সুড়ঙ্গ সৃষ্টি করে এবং তার মধ্য দিয়ে নদী প্রবাহিত হয়। এই জলধারা সুড়ঙ্গের মধ্যে নুড়ি, বালি, কাদা, শিলাখণ্ড প্রভৃতি জমা করে অনুচ্চ, আঁকাবাঁকা, দীর্ঘ শৈলশিরার মতো ভূমি তৈরি করে, একে এসকার বলে। উদাহরণ – আয়ারল্যান্ড, ফিনল্যান্ড।

কেটল হ্রদ কী?

হিমবাহের পশ্চাদপসরণ ঘটতে থাকলে কোথাও কোথাও গভীর গর্তের মধ্যে নিশ্চল হিমরাশি রয়ে যায় এবং অনুবাহ বা টিলের দ্বারা বেষ্টিত হয়ে যায় বা চাপা পড়ে যায়। পরবর্তীকালে সেই নিশ্চল হিমরাশি গলে গেলে সেখানে গর্ত থেকে যায় ও হ্রদের সৃষ্টি হয়। এরূপ হ্রদকে কেটল হ্রদ বলে। উদাহরণ – উত্তর ইউরোপের অনেক স্থানে।

হিমবাহ ও জলধারার মিলিত কার্যের ফলে সৃষ্ট ভূমিরূপগুলি হিমবাহের সঞ্চয়জাত ভূমিরূপগুলি থেকে কীভাবে পৃথক হয়?

হিমবাহ ও জলধারার মিলিত কার্যের ফলে সৃষ্ট ভূমিরূপগুলি হিমবাহের সঞ্চয়জাত ভূমিরূপগুলি থেকে পৃথক হয় কারণ এক্ষেত্রে হিমবাহ প্রান্ত থেকে দূরে গিয়ে সঞ্চয়জাত পদার্থগুলি ভালোভাবে সজ্জিত হয়।

বহিঃধৌত সমভূমি গঠনের প্রক্রিয়া কী?

হিমবাহ পার্বত্যপ্রবাহ থেকে পর্বত পাদদেশে নেমে এসে গলে গেলে হিমবাহ বাহিত নুড়ি, পাথর, কাদা প্রভৃতি একত্রে সঞ্চিত হয়ে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে সমভূমির সৃষ্টি করে। এই সমভূমিতে চাপা পড়ে থাকা প্রান্ত গ্রাবরেখার সম্মুখে সৃষ্ট একাধিক পলল শঙ্কুর সংযুক্তির ফলে বহিঃধৌত সমভূমি গড়ে ওঠে।

ড্রামলিনের বৈশিষ্ট্য কী?

ড্রামলিনের বৈশিষ্ট্য হল এটি উলটানো চামচ বা উলটানো নৌকার মতো ঢেউ খেলানো ভূমিরূপ। একটি আদর্শ ড্রামলিনের দৈর্ঘ্য 1-4 কিমি, প্রস্থ 400-600 মিটার এবং উচ্চতা 15-30 মিটার হয়।

কেমমঞ্চ কী?

কেমগুলি পরস্পর যুক্ত হয়ে হিমবাহের দু-পাশে মঞ্চের আকারে অবস্থান করলে তাদের কেমমঞ্চ বলে। উদাহরণ – স্কটল্যান্ডের ল্যামারমুয়ার হিমবাহ উপত্যকায়।

এসকারের বৈশিষ্ট্য কী?

এসকারের বৈশিষ্ট্য হল এটি অনুচ্চ, আঁকাবাঁকা, দীর্ঘ শৈলশিরার মতো ভূমি। এর উচ্চতা গড়ে 3-5 মিটার এবং দৈর্ঘ্য কয়েক কিমি পর্যন্ত হয়।

কেটল হ্রদের গঠন প্রক্রিয়া কী?

হিমবাহের পশ্চাদপসরণ ঘটতে থাকলে কোথাও কোথাও গভীর গর্তের মধ্যে নিশ্চল হিমরাশি রয়ে যায় এবং অনুবাহ বা টিলের দ্বারা বেষ্টিত হয়ে যায় বা চাপা পড়ে যায়। পরবর্তীকালে সেই নিশ্চল হিমরাশি গলে গেলে সেখানে গর্ত থেকে যায় ও হ্রদের সৃষ্টি হয়।

হিমবাহ ও জলধারার মিলিত কার্যের ফলে সৃষ্ট ভূমিরূপগুলির উদাহরণ দাও।

হিমবাহ ও জলধারার মিলিত কার্যের ফলে সৃষ্ট ভূমিরূপগুলির উদাহরণ হল বহিঃধৌত সমভূমি, ড্রামলিন, কেম, এসকার, এবং কেটল হ্রদ।

হিমবাহ ও জলধারার মিলিত কার্যের ফলে সৃষ্ট ভূমিরূপগুলির গুরুত্ব কী?

হিমবাহ ও জলধারার মিলিত কার্যের ফলে সৃষ্ট ভূমিরূপগুলি ভূতাত্ত্বিক গবেষণা, কৃষি, এবং মানব বসতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এগুলি ভূমির উর্বরতা বৃদ্ধি করে এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।


এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ভূগোলের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “হিমবাহ ও জলধারার মিলিত কার্যের ফলে সৃষ্ট প্রধান ভূমিরূপগুলির চিত্রসহ বিবরণ দাও।” নিয়ে আলোচনা করেছি। এই “হিমবাহ ও জলধারার মিলিত কার্যের ফলে সৃষ্ট প্রধান ভূমিরূপগুলির চিত্রসহ বিবরণ দাও।” প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভূগোলের প্রথম অধ্যায় “বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তার দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ – হিমবাহের বিভিন্ন কাজ ও তাদের দ্বারা সংশ্লিষ্ট ভূমিরূপ” -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করতে পারেন, আমরা উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব। তাছাড়া, নিচে আমাদের এই পোস্টটি আপনার প্রিয়জনের সাথে শেয়ার করুন, যাদের এটি প্রয়োজন হতে পারে। ধন্যবাদ।

Please Share This Article

Related Posts

রাশিবিজ্ঞান-গড়, মধ্যমা, ওজাইভ, সংখ্যাগুরুমান-কষে দেখি 26.4-মাধ্যমিক গণিত

মাধ্যমিক গণিত – রাশিবিজ্ঞান: গড়, মধ্যমা, ওজাইভ, সংখ্যাগুরুমান – কষে দেখি 26.4

রাশিবিজ্ঞান-গড়, মধ্যমা, ওজাইভ, সংখ্যাগুরুমান-কষে দেখি 26.3-মাধ্যমিক গণিত

মাধ্যমিক গণিত – রাশিবিজ্ঞান: গড়, মধ্যমা, ওজাইভ, সংখ্যাগুরুমান – কষে দেখি 26.3

রাশিবিজ্ঞান-গড়, মধ্যমা, ওজাইভ, সংখ্যাগুরুমান - কষে দেখি 26.2-মাধ্যমিক গণিত

মাধ্যমিক গণিত – রাশিবিজ্ঞান: গড়, মধ্যমা, ওজাইভ, সংখ্যাগুরুমান – কষে দেখি 26.2

About The Author

Rahul

Tags

মন্তব্য করুন

SolutionWbbse

"SolutionWbbse" শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অনলাইন অধ্যয়ন প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি, মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য গাইডলাইন, এবং বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনার সাহায্য প্রদান করা হয়। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে সকল বিষয়ের শিক্ষণীয় উপকরণ সহজেই সকল শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছে দেওয়া।

Editor Picks

সংজ্ঞাবহ নিউরোন ও আজ্ঞাবহ নিউরোন কাকে বলে? সংজ্ঞাবহ নিউরোন ও আজ্ঞাবহ নিউরোনের পার্থক্য

হরমোন এবং স্নায়ুতন্ত্র কাকে বলে? হরমোন এবং স্নায়ুতন্ত্রের মধ্যে কার্যপদ্ধতির পার্থক্য লেখো।

গুরুমস্তিষ্ক ও লঘুমস্তিষ্ক কী? গুরুমস্তিষ্ক ও লঘুমস্তিষ্ক -এর মধ্যে পার্থক্য লেখো।

মস্তিষ্ক এবং সুষুম্নাকাণ্ডের সংজ্ঞা দাও। মস্তিষ্ক এবং সুষুম্নাকাণ্ডের মধ্যে পার্থক্য লেখো।

সমবেদী স্নায়ুতন্ত্র ও পরাসমবেদী স্নায়ুতন্ত্রের সংজ্ঞা দাও। সমবেদী স্নায়ুতন্ত্র এবং পরাসমবেদী স্নায়ুতন্ত্রের পার্থক্য