এখনই আমাদের Telegram Community গ্রুপে যোগ দিন। এখানে WBBSE বোর্ডের পঞ্চম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণির যেকোনো বিষয়ভিত্তিক সমস্যা শেয়ার করতে পারেন এবং একে অপরের সাহায্য করতে পারবেন। এছাড়া, কোনও সমস্যা হলে আমাদের শিক্ষকরা তা সমাধান করে দেবেন।

Telegram Logo Join Our Telegram Community

খেলাধুলা কীভাবে জাতীয়তাবাদের বিস্তার ঘটায়? খেলার ইতিহাসে 1911 খ্রিস্টাব্দ গুরুত্বপূর্ণ কেন?

এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “খেলাধুলা কীভাবে জাতীয়তাবাদের বিস্তারে সহায়ক হয়? খেলার ইতিহাসে 1911 খ্রিস্টাব্দ গুরুত্বপূর্ণ কেন? নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক ইতিহাস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই “খেলাধুলা কীভাবে জাতীয়তাবাদের বিস্তারে সহায়ক হয়? খেলার ইতিহাসে 1911 খ্রিস্টাব্দ গুরুত্বপূর্ণ কেন?” প্রশ্নটি মাধ্যমিক ইতিহাসের প্রথম অধ্যায় “ইতিহাসের ধারণা“-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়।

খেলাধুলা কীভাবে জাতীয়তাবাদের বিস্তারে সহায়ক হয়? খেলার ইতিহাসে 1911 খ্রিস্টাব্দ গুরুত্বপূর্ণ কেন?

খেলাধুলা কীভাবে জাতীয়তাবাদের বিস্তারে সহায়ক হয়?

নিছক বিনোদনের মাধ্যম হলেও জাতীয়তাবাদের জাগরণে খেলাধুলার ঐতিহাসিক ভূমিকা উপেক্ষা করা যায় না। কুস্তি, লাঠিখেলা, শরীরচর্চাকে কেন্দ্র করে ঔপনিবেশিক ভারতে যে আখড়া সংস্কৃতির বিকাশ ঘটেছিল, তার মধ্যে জাতীয়তাবাদী চেতনার বীজ সুপ্ত ছিল। আবার 1911 খ্রিস্টাব্দে বাংলার মোহনবাগান দল শ্বেতাঙ্গ ব্রিটিশদের ফুটবল-যুদ্ধে পরাজিত করে যে আই. এফ. এ শিল্ড জয় করেছিল তা একাধারে বঙ্গভঙ্গের যোগ্য জবাব, অন্যদিকে বাঙালির জাতীয়তাবাদের দ্যোতক।

খেলার ইতিহাসে 1911 খ্রিস্টাব্দ গুরুত্বপূর্ণ কেন?

1911 খ্রিস্টাব্দ বাংলার মোহনবাগান দল শ্বেতাঙ্গ ব্রিটিশদের ফুটবল-যুদ্ধে পরাজিত করে আই. এফ. এ শিল্ডে জয়লাভ করে। এই ঘটনা একাধারে প্রভু ব্রিটিশের বিরুদ্ধে ‘নেটিভ’ ভারতীয়দের জয়লাভ, অন্যদিকে বঙ্গভঙ্গের যোগ্য জবাব এবং সর্বোপরি বাঙালির জাতীয়তাবাদের দ্যোতক।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর

1911 খ্রিস্টাব্দের ঘটনা কেন গুরুত্বপূর্ণ?

1911 সালে মোহনবাগান দল শ্বেতাঙ্গ ব্রিটিশ দলকে পরাজিত করে আই.এফ.এ শিল্ড জয় করে। এই জয় শুধুমাত্র খেলার মাঠে সীমাবদ্ধ ছিল না, এটি ছিল ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে ভারতীয়দের প্রতীকী বিজয়। এ ঘটনাটি বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে বাঙালির প্রতিবাদ ও জাতীয়তাবাদী চেতনার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়।

খেলাধুলা কীভাবে সামাজিক ঐক্য গড়ে তোলে?

খেলাধুলা মানুষকে একত্রিত করে এবং সামাজিক বিভেদ দূর করে। এটি সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি ও সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্প্রীতি ও সহযোগিতার বন্ধন তৈরি করে।

মোহনবাগান দলের আই.এফ.এ শিল্ড জয়ের ঐতিহাসিক তাৎপর্য কী?

মোহনবাগান দলের এই জয় ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে ভারতীয়দের আত্মবিশ্বাস ও জাতীয়তাবাদী চেতনাকে শক্তিশালী করে। এটি বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে বাঙালির প্রতিবাদেরও প্রতীক।

আখড়া সংস্কৃতি কী?

আখড়া সংস্কৃতি হলো ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী কুস্তি, লাঠিখেলা ও শরীরচর্চার কেন্দ্র। এটি শারীরিক শক্তির পাশাপাশি জাতীয়তাবাদী চেতনার বিকাশে ভূমিকা রেখেছে।

খেলাধুলা কীভাবে যুবসমাজকে প্রভাবিত করে?

খেলাধুলা যুবসমাজকে শৃঙ্খলা, দলগত কাজ ও লক্ষ্য অর্জনের মনোভাব শেখায়। এটি তাদের মধ্যে জাতীয়তাবাদী চেতনা ও দেশপ্রেম জাগ্রত করে।

জাতীয়তাবাদী আন্দোলনে খেলাধুলার ভূমিকা কী?

খেলাধুলা জাতীয়তাবাদী আন্দোলনে অনুপ্রেরণা ও ঐক্যের প্রতীক হিসেবে কাজ করে। এটি জনগণের মধ্যে দেশপ্রেম ও স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা জাগিয়ে তোলে।


এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “খেলাধুলা কীভাবে জাতীয়তাবাদের বিস্তারে সহায়ক হয়? খেলার ইতিহাসে 1911 খ্রিস্টাব্দ গুরুত্বপূর্ণ কেন?” নিয়ে আলোচনা করেছি। এই “খেলাধুলা কীভাবে জাতীয়তাবাদের বিস্তারে সহায়ক হয়? খেলার ইতিহাসে 1911 খ্রিস্টাব্দ গুরুত্বপূর্ণ কেন?” প্রশ্নটি মাধ্যমিক ইতিহাসের প্রথম অধ্যায় “ইতিহাসের ধারণা” -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করতে পারেন, আমরা উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব। তাছাড়া, নিচে আমাদের এই পোস্টটি আপনার প্রিয়জনের সাথে শেয়ার করুন, যাদের এটি প্রয়োজন হতে পারে। ধন্যবাদ।

Share via:

মন্তব্য করুন