মেঘালয় মালভূমির ভূপ্রকৃতি সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করো।

Rahul

আজকের আর্টিকেলে আমরা মেঘালয় মালভূমির ভূপ্রকৃতি সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করবো। দশম শ্রেণীর মাধ্যমিক ভূগোল পরীক্ষার জন্য এই প্রশ্নটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এটি “ভারতের প্রাকৃতিক পরিবেশ” অধ্যায়ের “ভারতের ভূপ্রকৃতি” বিভাগ থেকে নেওয়া হয়েছে।

মেঘালয় মালভূমির ভূপ্রকৃতি সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করো।

মেঘালয় মালভূমির ভূপ্রকৃতি সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করো।

অসম রাজ্যের দক্ষিণে অবস্থিত প্রাচীন শিলা দ্বারা গঠিত এই মালভূমিটি বহু কোটি বছর আগে প্রবল ভূ-আলোড়নের ফলে ছোটোনাগপুর মালভূমি থেকে আলাদা হয়ে যায়। এই দুই মালভূমির মাঝখানে অবনমিত অংশে পরবর্তীকালে গঙ্গা বদ্বীপের সৃষ্টি হয়। মেঘালয় মালভূমির উল্লেখযোগ্য পাহাড়গুলি হল পূর্বাংশের মিকির পাহাড়, পশ্চিমাংশের গারো পাহাড় এবং মধ্যাংশের খাসি-জয়ন্তিয়া পাহাড়। মধ্যভাগে অবস্থিত শিলং-চেরাপুঞ্জি এলাকা এই মালভূমির সবচেয়ে উঁচু অংশ, গড় উচ্চতা প্রায় 1500 মিটার। এখানকার সর্বোচ্চ শৃঙ্গের নাম শিলং পাহাড় (1966 মি)। এই মালভূমিতে অনেক চুনাপাথরের গুহা দেখা যায়।

মেঘালয় মালভূমির ভূপ্রকৃতি

কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর

মেঘালয় মালভূমি কি ধরনের মালভূমি?

মেঘালয় মালভূমি উপদ্বীপীয় মালভূমি হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়। এই মালভূমি ভারতীয় উপদ্বীপের উত্তর-পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত এবং গারো, খাসি ও জয়ন্তিয়া পাহাড় নামে পরিচিত তিনটি পাহাড়ি অঞ্চলের সমন্বয়ে গঠিত। ধানসিরি নদীর পূর্ব এবং সিংগামারী নদীর পশ্চিমে প্রায় 400 কিলোমিটার দীর্ঘ, গড়ে 40 কিলোমিটার প্রস্থ এবং 35,291 বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এই মালভূমিটি ভূতাত্ত্বিকভাবে পুরাতন এবং গন্ডোয়ানা ভূখণ্ডের অংশ।

মেঘালয় মালভূমি বলতে কী বোঝো?

মেঘালয় মালভূমি, যা শিলং মালভূমি নামেও পরিচিত, ভারতের উত্তর-পূর্ব অংশে অবস্থিত একটি উপদ্বীপীয় মালভূমি। এই মালভূমি গারো, খাসি ও জয়ন্তিয়া পাহাড় নামে পরিচিত তিনটি পাহাড়ি অঞ্চলের সমন্বয়ে গঠিত। ধানসিরি নদীর পূর্ব এবং সিংগামারী নদীর পশ্চিমে প্রায় 400 কিলোমিটার দীর্ঘ, গড়ে 40 কিলোমিটার প্রস্থ এবং 35,291 বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এই মালভূমিটি ভূতাত্ত্বিকভাবে পুরাতন এবং গন্ডোয়ানা ভূখণ্ডের অংশ।

ছোটনাগপুর মালভূমির সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কি?

ছোটনাগপুর মালভূমির সর্বোচ্চ শৃঙ্গ হল পরেশনাথ পাহাড়, যা ঝাড়খণ্ড রাজ্যের জামশেদপুর জেলায় অবস্থিত। এই পাহাড়টি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে 1366 মিটার (4482 ফুট) উঁচু।

মেঘালয় মালভূমির সর্বোচ্চ অংশের নাম কি?

মেঘালয় মালভূমির সর্বোচ্চ অংশের নাম হল শিলং পিক। এটি খাসি পাহাড়ে অবস্থিত এবং 6,433 ফুট (1,961 মিটার) উঁচু।

মেঘালয় মালভূমি তার বৈচিত্র্যপূর্ণ ভূপ্রকৃতি, মনোরম পরিবেশ এবং সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র্যের জন্য একটি অনন্য স্থান। এই অঞ্চল ভ্রমণকারী, প্রকৃতিপ্রেমী এবং গবেষকদের কাছে অত্যন্ত আকর্ষণীয়।

Please Share This Article

Related Posts

আলোর বিক্ষেপণ কাকে বলে? দিনের বেলায় আকাশকে নীল দেখায় কেন?

আলোর বিক্ষেপণ কাকে বলে? দিনের বেলায় আকাশকে নীল দেখায় কেন?

আলোর বিচ্ছুরণ ও আলোর প্রতিসরণ কাকে বলে? আলোর বিচ্ছুরণ ও প্রতিসরণের মধ্যে পার্থক্য লেখো।

আলোর বিচ্ছুরণ ও আলোর প্রতিসরণ কাকে বলে? আলোর বিচ্ছুরণ ও প্রতিসরণের মধ্যে পার্থক্য

আলোক কেন্দ্র কাকে বলে? অথবা, পাতলা লেন্সের আলোককেন্দ্র বলতে কী বোঝায়?

আলোক কেন্দ্র কাকে বলে? আলোক কেন্দ্রের বৈশিষ্ট্য ও গুরুত্ব

About The Author

Rahul

Tags

মন্তব্য করুন

SolutionWbbse

"SolutionWbbse" শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অনলাইন অধ্যয়ন প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি, মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য গাইডলাইন, এবং বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনার সাহায্য প্রদান করা হয়। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে সকল বিষয়ের শিক্ষণীয় উপকরণ সহজেই সকল শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছে দেওয়া।

Editor Picks

আলোর বিক্ষেপণ কাকে বলে? দিনের বেলায় আকাশকে নীল দেখায় কেন?

আলোর বিচ্ছুরণ ও আলোর প্রতিসরণ কাকে বলে? আলোর বিচ্ছুরণ ও প্রতিসরণের মধ্যে পার্থক্য

আলোক কেন্দ্র কাকে বলে? আলোক কেন্দ্রের বৈশিষ্ট্য ও গুরুত্ব

উত্তল লেন্স ও অবতল লেন্স কাকে বলে? উত্তল লেন্স ও অবতল লেন্সের মধ্যে পার্থক্য

একটি অচল পয়সার আত্মকথা – প্রবন্ধ রচনা