এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “প্রাচ্যবাদী (ওরিয়েন্টালিস্ট) ও পাশ্চাত্যবাদী (অ্যাংলিসিস্ট) বিতর্ক বলতে কী বোঝো? ঊনবিংশ শতাব্দীর শিক্ষার প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য দ্বন্দ্বের কারণ সম্পর্কে লেখো।” নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক ইতিহাস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই “প্রাচ্যবাদী (ওরিয়েন্টালিস্ট) ও পাশ্চাত্যবাদী (অ্যাংলিসিস্ট) বিতর্ক বলতে কী বোঝো? ঊনবিংশ শতাব্দীর শিক্ষার প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য দ্বন্দ্বের কারণ সম্পর্কে লেখো।“ প্রশ্নটি মাধ্যমিক ইতিহাসের দ্বিতীয় অধ্যায় “সংস্কার – বৈশিষ্ট্য ও পর্যালোচনা“ -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়।

প্রাচ্যবাদী (ওরিয়েন্টালিস্ট) ও পাশ্চাত্যবাদী (অ্যাংলিসিস্ট) বিতর্ক বলতে কী বোঝো?
1813 খ্রিস্টাব্দের সনদ আইনের 29 নং ধারায় ভারতে শিক্ষাপ্রসারের জন্য যে 1 লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়-তা প্রাচ্য না পাশ্চাত্য─কোন্ শিক্ষাখাতে ব্যয়িত হবে তা নিয়ে বিতর্ক দেখা দেয়। প্রাচ্যবাদীদের পক্ষে ছিলেন কোলব্রুক, উইলসন, জেমস প্রিন্সেপ এবং পাশ্চাত্যবাদীদের পক্ষে ছিলেন চার্লস গ্রান্ট, ট্রেভেলিয়ান, ডাফ, মেকলে, রাজা রামমোহন প্রমুখ ব্যক্তিবর্গ। এটিই প্রাচ্যবাদী ও পাশ্চাত্যবাদী বিতর্ক নামে পরিচিত।
ঊনবিংশ শতাব্দীর শিক্ষার প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য দ্বন্দ্বের কারণ সম্পর্কে লেখো।
প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য দ্বন্দ্বের প্রেক্ষাপট –
ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথম অর্ধে ভারতবর্ষের শিক্ষার ইতিহাসে প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যদের দ্বন্দ্ব একটি স্মরণীয় ঘটনা। এই দ্বন্দ্ব প্রকট হয়েছিল 1813 খ্রীস্টাব্দে সনদ আইনের 43 নং ধরার ব্যাখ্যা কেন্দ্র করে। উক্ত ধারায় বলা হয়েছিল যে –
“ব্রিটিশ ভারতে সাহিত্যের পুনঃরুজ্জীবন ও উন্নতি সাধন শিক্ষিত ভারত বাসীদের উৎসাহ দান এবং এ দেশবাসীদের মধ্যে বিজ্ঞান শিক্ষার প্রবর্তন ও উন্নয়নের জন্য কোম্পানী অন্য সব রকম খরচ বাদে বছরে কম পক্ষে এক লক্ষ টাকা খরচ করবে “
বিতর্কের উৎস –
সনদ আইনে উপরিউক্ত 43 নং ধরার শব্দগুলিকে, এমন ভাবে ব্যাবহার করা হয়েছে। জার ব্যাখ্যা নিয়ে বিতর্কের ঝড় বোয়ে গিয়েছিল।
এক্ষেত্রে “ সাহিত্যের পুনরুজ্জীবন ও উন্নতি” বলতে ভারতীয় অথবা পাশ্চাত্য- সাহিত্য কোনটিকে বোঝায় এবং “বিজ্ঞান শিক্ষার প্রবর্তন” বলতে প্রাচ্য বিজ্ঞান কি পাশ্চাত্য বিজ্ঞান তা স্পষ্ট বা পরিষ্কার ভাবে বলা হয়নি। এর ফলে শিক্ষার উদ্দেশ্য, বিষয়বস্তু, ভাষা, মাধ্যম, শিক্ষা বিস্তারের পদ্ধতি প্রভিতিকে কেন্দ্র করে প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য বাদীদের দুটি দলের উদ্ভব ঘটে ছিল।
প্রাচ্য পন্থী ও পাশ্চাত্য পন্থীদের দল –
1823 খ্রীস্টাব্দে অস্থায়ী গভর্নর জেনারেল মি: অ্যাডামের নেতৃত্বে দশজন সদস্য নীয়ে G.C.P.I (Genaral commitee of public instruction) নামে একটি শিক্ষা সংস্থা গঠিত হয় এবং পরে উক্ত সনদ আইনের ব্যাখ্যা নিয়ে বিতর্কের তুমুল ঝড় বয়ে যায়। ফলে পরস্পর মতবিরোধী মতাদর্শনের ভিত্তিতে দুটি দলে বিভক্ত হয়ে যায়-একটি হল প্রাচ্য অপরটি হল পাশ্চাত্য।
- প্রাচ্যদের মধ্যে ছিল – উইলসন, পিন্সেস প্রমুখ সদস্য এবং এদের মতের পক্ষে ছিলো রক্ষনশীল সরকারি কর্মচারী, এবং দেশীয় পণ্ডিত সমাজ ।
- পাশ্চাত্যের মধ্যে ছিল – মিশনারী সম্প্রদায় সরকারি নবীন কর্মচারী প্রমুখ ব্যাক্তিবর্গ।
উভয় দলের পরস্পর বিরোধী মতবাদ –
শিক্ষা সম্পর্কিত কয়েকটি মৌলিক প্রশ্নকে কেন্দ্র করে উভয় দলের মধ্যে যে সব মতবিরোধী দেখা দিয়েছিল সে গুলি হল নিম্নরূপ –
1. শিক্ষা নীতির উদ্দেশ্য নিয়ে মতভেদ –
প্রাচ্য বাদীদের মতে ভারতের গৌরবময় অতীত সংস্কৃতি ও তার পুনরুজ্জীবনই হবে এদেশে শিক্ষার উদ্দেশ্য। সনদ আইনের 43 নং ধারায় ” সাহিত্যের পুনরুজ্জীবন ” বলতে প্রাচ্য বাদীরা প্রাচীন ভারতীয় ভাষা ও সাহিত্যের (সংস্কৃত আরবী, ফরাসি) উন্নয়ণ এবং “শিক্ষিত ভারতীয়দের উৎসাহ দান” – বলতে প্রাচ্য বিদ্যায় শিক্ষিত পণ্ডিতদের বুঝিয়েছেন। তাদের মতে এই পথে এদেশের রক্ষনশীল অভিজাত শ্রেণীর মানুষদের সন্তুষ্ট করা যাবে।
অপরদিকে, পাশ্চাত্যবাদীদের মতে পাশ্চাত্য বিজ্ঞান সাহিত্যের প্রসার করাই হবে ভারতীয় শিক্ষার উদ্দেশ্য। তাঁরা দাবি করেন যে সনদ আইনে “সাহিত্য “ বলতে পাশ্চাত্য শিক্ষার শিক্ষিত ভারতীয়দের বোঝানো হয়েছে তাঁদের মতে পাশ্চাত্য শিক্ষার মাধ্যমে এদেশের মধবৃত্তদের মন জয় করা সম্ভব হবে এবং সরকারি কাজ কর্মে উপযুক্ত কমচারী সহজেই পাওয়া যাবে।
2. শিক্ষার বিষয় বস্তু নিয়ে মতভেদ – (পাঠক্রম)
শিক্ষার বিষয় বস্তু প্রসঙ্গে প্রাচ্য বাদীরা বলেন যে প্রাচীন, সাহিত্য, দর্শন, ও ধর্মতত্ত্ব নিয়ে গঠিত হবে মূল পাঠক্রম। তবে এগুলি চর্চার সঙ্গে সঙ্গে অনুবাদের মাধ্যমে পাশ্চাত্য জ্ঞান-বিজ্ঞানের অনুশীলন কিছুটা থাকবে।
অপরদিকে, পাশ্চাত্য বাদীদের অভিমত হল প্রাচ্য শিক্ষা সম্পূর্ণ অন্তঃসার শূন্য ও অচল। তাছাড়া ভারতীয়দের মধ্যে ক্রমশ পাশ্চাত্য জ্ঞান-বিজ্ঞানের আগ্রহ বেড়েই চলেছে । তাই প্রাচ্য বিদ্যার পরিবর্তে পাশ্চাত্য সাহিত্য,দর্শন কে সরাসরি উপস্থাপিত করতে হবে।
3. ভাষাগত পদ্ধতির মতভেদ –
উভয় গোষ্ঠীর মধ্যে ভাষাগত প্রশ্নের মতভেদ খুবই স্পষ্ট।
- প্রাচ্য বাদীরা – সঙ্কৃত, আরবী,ফরাসি ভাষা শিক্ষার মাধ্যম করতে চাইতেন ।
- পাশ্চাত্য বাদীরা – ইংরেজিকে শিক্ষা বহন করতে চাইতেন।
4. শিক্ষা বিস্তারের পদ্ধতি সম্পর্কে মতভেদ –
প্রাচ্য বাদীরা প্রাচ্য শিক্ষা প্রসারের জন্য দেশীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলি চালু রাখা পুস্তক প্রকাশন এবং প্রাচ্য বিদ্যার শিক্ষার্থীদের জন্য আর্থিক সাহায্য দানের কথা বলেছেন । অপরদিকে পাশ্চাত্য বাদীরা দেশীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিয়ে পাশ্চাত্য ধারায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা নীতি প্রচলন করতে চেয়েছিলেন।
1835 সালে বড়লাট লর্ড বেন্টিং ঘোষণা করেন যে ইউরোপীয় সাহিত্য এবং বিজ্ঞান সাধারণকে পরিপূর্ণ করার জন্য সরকারি অর্থ ব্যায় হবে। তবে প্রাচ্য কলেজ গুলিকে ভেঙে দেওয়া হবে না। ছাত্র শিক্ষকের বৃত্তি কাটা হবে না। এ বিষয়ে কোনো নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করা হবে না অর্থাৎ ইংরেজি সাহিত্য ও পাশ্চাত্য জ্ঞান বিজ্ঞানের বিস্তারের উদ্দেশ্য হবে সরকারি প্রচেষ্টা এবং যেখানে বার্ষিক সরকারি অর্থ (1 লক্ষ্য টাকা) ব্যায় করা হবে।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর
প্রাচ্যবাদী ও পাশ্চাত্যবাদী বিতর্ক কী?
প্রাচ্যবাদী ও পাশ্চাত্যবাদী বিতর্ক হলো ঊনবিংশ শতাব্দীতে ভারতে শিক্ষানীতি নির্ধারণের সময় প্রাচ্য (ভারতীয়) ও পাশ্চাত্য (ইউরোপীয়) শিক্ষা পদ্ধতির মধ্যে হওয়া মতবিরোধ। 1813 সালের সনদ আইনের 43 নং ধারায় শিক্ষার জন্য বরাদ্দকৃত ১ লক্ষ টাকা প্রাচ্য না পাশ্চাত্য শিক্ষায় ব্যয় হবে, তা নিয়ে এই বিতর্ক শুরু হয়।
প্রাচ্যবাদী ও পাশ্চাত্যবাদী বিতর্কের কারণ কী ছিল?
বিতর্কের মূল কারণ ছিল সনদ আইনের 43 নং ধারার অস্পষ্টতা। এই ধারায় “সাহিত্যের পুনরুজ্জীবন” ও “বিজ্ঞান শিক্ষার প্রবর্তন” বলতে প্রাচ্য না পাশ্চাত্য সাহিত্য ও বিজ্ঞানকে বোঝানো হয়েছে, তা স্পষ্ট ছিল না। এর ফলে শিক্ষার উদ্দেশ্য, বিষয়বস্তু, ভাষা ও মাধ্যম নিয়ে দুটি দলের মধ্যে মতপার্থক্য দেখা দেয়।
প্রাচ্যবাদী ও পাশ্চাত্যবাদীদের মধ্যে কী কী মতভেদ ছিল?
প্রাচ্যবাদী ও পাশ্চাত্যবাদীদের মধ্যে নিম্নলিখিত মতভেদ ছিল –
1. শিক্ষার উদ্দেশ্য – প্রাচ্যবাদীরা ভারতীয় সংস্কৃতি ও সাহিত্যের পুনরুজ্জীবন চাইতেন, অন্যদিকে পাশ্চাত্যবাদীরা পাশ্চাত্য বিজ্ঞান ও সাহিত্যের প্রসার চাইতেন।
2. শিক্ষার বিষয়বস্তু – প্রাচ্যবাদীরা সংস্কৃত, আরবী ও ফারসি ভাষায় শিক্ষা দিতে চাইতেন, আর পাশ্চাত্যবাদীরা ইংরেজি ভাষায় পাশ্চাত্য জ্ঞান-বিজ্ঞান শেখানোর পক্ষে ছিলেন।
3. শিক্ষার মাধ্যম – প্রাচ্যবাদীরা দেশীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালু রাখতে চাইতেন, আর পাশ্চাত্যবাদীরা পাশ্চাত্য ধারায় নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়তে চাইতেন।
প্রাচ্যবাদী ও পাশ্চাত্যবাদীদের মধ্যে কারা ছিলেন?
1. প্রাচ্যবাদীদের মধ্যে ছিলেন – হেনরি টমাস কোলব্রুক, এইচ.এইচ. উইলসন, জেমস প্রিন্সেপ প্রমুখ।
2. পাশ্চাত্যবাদীদের মধ্যে ছিলেন – চার্লস গ্রান্ট, ট্রেভেলিয়ান, আলেকজান্ডার ডাফ, টমাস ব্যাবিংটন মেকলে, রাজা রামমোহন রায় প্রমুখ।
1835 সালে লর্ড বেন্টিংকের সিদ্ধান্ত কী ছিল?
1835 সালে লর্ড বেন্টিংক পাশ্চাত্যবাদীদের সমর্থন করে ঘোষণা করেন যে সরকারি অর্থ পাশ্চাত্য শিক্ষা ও বিজ্ঞানের প্রসারে ব্যয় হবে। তবে প্রাচ্য কলেজগুলো বন্ধ করা হবে না, কিন্তু নতুন করে প্রাচ্য শিক্ষার জন্য কোনো অর্থ বরাদ্দ করা হবে না।
প্রাচ্যবাদী ও পাশ্চাত্যবাদী বিতর্কের ফলাফল কী ছিল?
এই বিতর্কের ফলে ভারতে ইংরেজি শিক্ষার প্রসার ঘটে এবং পাশ্চাত্য শিক্ষা পদ্ধতি প্রতিষ্ঠিত হয়। এর মাধ্যমে ভারতীয় সমাজে পাশ্চাত্য জ্ঞান-বিজ্ঞান ও চিন্তাধারার প্রভাব বাড়ে, যা পরবর্তীতে ভারতের সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
প্রাচ্যবাদী ও পাশ্চাত্যবাদী বিতর্কের ঐতিহাসিক তাৎপর্য কী?
এই বিতর্ক ঊনবিংশ শতাব্দীর ভারতীয় শিক্ষা ও সংস্কৃতির ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এটি ভারতীয় সমাজে প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য চিন্তাধারার সংঘাত ও সমন্বয়ের প্রতীক। এ বিতর্কের মাধ্যমে ভারতে আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থার ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ভারতীয়দের মধ্যে পাশ্চাত্য জ্ঞান-বিজ্ঞান ও চিন্তাধারার প্রসার ঘটে।
প্রাচ্যবাদী ও পাশ্চাত্যবাদী বিতর্কের প্রভাব কী ছিল?
এই বিতর্কের প্রভাবে ভারতে ইংরেজি শিক্ষার প্রসার ঘটে এবং পাশ্চাত্য শিক্ষা পদ্ধতি প্রতিষ্ঠিত হয়। এর ফলে ভারতীয় সমাজে আধুনিক চিন্তাধারা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রসার ঘটে। তবে একই সাথে প্রাচ্য শিক্ষা ও সংস্কৃতির অবনতি ঘটে, যা পরবর্তীতে জাতীয়তাবাদী আন্দোলনে প্রভাব ফেলে।
এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “প্রাচ্যবাদী (ওরিয়েন্টালিস্ট) ও পাশ্চাত্যবাদী (অ্যাংলিসিস্ট) বিতর্ক বলতে কী বোঝো? ঊনবিংশ শতাব্দীর শিক্ষার প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য দ্বন্দ্বের কারণ সম্পর্কে লেখো।” নিয়ে আলোচনা করেছি। এই “প্রাচ্যবাদী (ওরিয়েন্টালিস্ট) ও পাশ্চাত্যবাদী (অ্যাংলিসিস্ট) বিতর্ক বলতে কী বোঝো? ঊনবিংশ শতাব্দীর শিক্ষার প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য দ্বন্দ্বের কারণ সম্পর্কে লেখো।” প্রশ্নটি মাধ্যমিক ইতিহাসের দ্বিতীয় অধ্যায় “সংস্কার – বৈশিষ্ট্য ও পর্যালোচনা” -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করতে পারেন, আমরা উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব। তাছাড়া, নিচে আমাদের এই পোস্টটি আপনার প্রিয়জনের সাথে শেয়ার করুন, যাদের এটি প্রয়োজন হতে পারে। ধন্যবাদ।