এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “সাধারণ জনশিক্ষা কমিটি কি? সাধারণ জনশিক্ষা কমিটি কেন গঠিত হয়েছিল?” নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক ইতিহাস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই “সাধারণ জনশিক্ষা কমিটি কি? সাধারণ জনশিক্ষা কমিটি কেন গঠিত হয়েছিল?“ প্রশ্নটি মাধ্যমিক ইতিহাসের দ্বিতীয় অধ্যায় “সংস্কার – বৈশিষ্ট্য ও পর্যালোচনা“ -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়।

সাধারণ জনশিক্ষা কমিটি কি?
সাধারণ জনশিক্ষা কমিটি বা “কমিটি অফ পাবলিক ইন্সট্রাকশন” ছিল 1823 সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত একটি সংস্থা, যার মূল উদ্দেশ্য ছিল ভারতীয় জনশিক্ষার নীতিনির্ধারণ।
- গঠন – 1813 সালে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে চার্টার অ্যাক্ট (সনদ আইন) পাস হওয়ার পর, ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে প্রতি বছর এক লক্ষ টাকা ভারতীয় শিক্ষাখাতে বরাদ্দ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এই নির্দেশনা অনুসারে, 1823 সালে জনশিক্ষা কমিটি গঠিত হয়।
- উদ্দেশ্য – এই কমিটির প্রধান লক্ষ্য ছিল ভারতীয় শিক্ষানীতির রূপরেখা প্রণয়ন এবং শিক্ষার প্রসারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
- গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা – 1835 সালে, কমিটির সদস্য টমাস ব্যাবিংটন মেকলে লর্ড বেন্টিংক-এর কাছে ইংরেজি ভাষা ও পাশ্চাত্য শিক্ষার পক্ষে একটি প্রস্তাব পেশ করেন, যা “মেকলে মিনিটস” (বা মেকলে প্রস্তাব) নামে পরিচিত। এই প্রস্তাব পরবর্তীতে ব্রিটিশ ভারতের শিক্ষানীতির ভিত্তি হয়ে ওঠে।
- ফ্রান্সের জনশিক্ষা কমিটি – ফ্রান্সেও “কমিটি অফ পাবলিক ইন্সট্রাকশন” নামে একটি কমিটি ছিল, যা 1791 সালে (1891 নয়) ফরাসি বিপ্লব-পরবর্তী শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কারের জন্য গঠিত হয়েছিল।
সাধারণ জনশিক্ষা কমিটি কেন গঠিত হয়েছিল?
1813 খ্রিস্টাব্দের সনদ আইনের 29 নং ধারায় ভারতীয়দের শিক্ষাখাতে বাৎসরিক এক লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হলেও এই টাকা প্রাচ্য না পাশ্চাত্য কোন্ শিক্ষায় ব্যয়িত হবে-তা নিয়ে বিতর্ক দেখা দেয়। এই বিতর্কের অবসান ঘটানোর লক্ষ্যে বড়লাট লর্ড আমহার্স্ট 1823 খ্রিস্টাব্দে সাধারণ জনশিক্ষা কমিটি গঠন করেন।
এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “সাধারণ জনশিক্ষা কমিটি কি? সাধারণ জনশিক্ষা কমিটি কেন গঠিত হয়েছিল?” নিয়ে আলোচনা করেছি। এই “সাধারণ জনশিক্ষা কমিটি কি? সাধারণ জনশিক্ষা কমিটি কেন গঠিত হয়েছিল?” প্রশ্নটি মাধ্যমিক ইতিহাসের দ্বিতীয় অধ্যায় “সংস্কার – বৈশিষ্ট্য ও পর্যালোচনা” -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন।





মন্তব্য করুন