এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “স্থানীয় ইতিহাস সম্পর্কে আলোচনা করো।” নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক ইতিহাস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই “স্থানীয় ইতিহাস সম্পর্কে আলোচনা করো।“ প্রশ্নটি মাধ্যমিক ইতিহাসের প্রথম অধ্যায় “ইতিহাসের ধারণা“ -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়।

স্থানীয় ইতিহাস সম্পর্কে আলোচনা করো।
স্থানীয় ইতিহাস
কোনো একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের জনসমাজকে কেন্দ্র করে যে ইতিহাসচর্চা করা হয় তাকে বলা হয় স্থানীয় ইতিহাস। স্থানীয় ইতিহাস সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের জনসমাজের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে তুলে ধরে।
স্থানীয় ইতিহাসচর্চার গুরুত্ব – স্থানীয় ইতিহাসের দ্বারা কোনো অঞ্চলের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে নিয়ে চর্চা করার জন্য তা জাতীয় ইতিহাসের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে পড়ে, এই ধরনের ইতিহাসচর্চার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হল –
- নির্দিষ্ট অঞ্চলের ঐতিহাসিক নিদর্শন,
- কথ্য ইতিহাস।
জাতীয়স্তরের ঐতিহাসিকগণ একটি বিশাল পরিসর নিয়ে ইতিহাসচর্চা করার সময় কোনো একটি অঞ্চলের কথা বাদ দিয়ে দিতে পারেন, এটাই স্বাভাবিক। স্থানীয় ইতিহাস সেই ফাঁক পূরণ করে ইতিহাসচর্চাকে আরও সমৃদ্ধ করে তোলে।
স্থানীয় ইতিহাসচর্চা – স্থানীয় ইতিহাসচর্চা হয়েছে এরূপ কয়েকটি উদাহরণ হল –
- কলনের লেখা কাশ্মীরের ইতিহাস-‘রাজতরঙ্গিনী’,
- রাধারমণ সাহার ‘পাবনা জেলার ইতিহাস’,
- কুমুদনাথ মল্লিকের ‘নদীয়া কাহিনী’ প্রভৃতি।
মন্তব্য – স্থানীয় ইতিহাসচর্চা মূলধারার ইতিহাসচর্চাকে সম্পূর্ণ রূপ দেয়। মূলধারার ইতিহাসচর্চার দৃষ্টিতে যেসব বিষয় আড়ালে থেকে যায়, স্থানীয় ইতিহাসচর্চা সেগুলি দৃষ্টিগোচরে নিয়ে আসে।
এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “স্থানীয় ইতিহাস সম্পর্কে আলোচনা করো।” নিয়ে আলোচনা করেছি। এই “স্থানীয় ইতিহাস সম্পর্কে আলোচনা করো।” প্রশ্নটি মাধ্যমিক ইতিহাসের প্রথম অধ্যায় “ইতিহাসের ধারণা” -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন।





মন্তব্য করুন