মেসোস্ফিয়ারে উল্কাখণ্ড পুড়ে ছাই হয়ে যাওয়ার কারণ কী? মেসোস্ফিয়ারের বৈশিষ্ট্য লেখো।

Rahul

এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ভূগোলের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “মেসোস্ফিয়ারে উল্কাখণ্ড পুড়ে ছাই হয়ে যাওয়ার কারণ কী? মেসোস্ফিয়ারের বৈশিষ্ট্য লেখো।” নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভূগোল পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। “মেসোস্ফিয়ারে উল্কাখণ্ড পুড়ে ছাই হয়ে যাওয়ার কারণ কী? মেসোস্ফিয়ারের বৈশিষ্ট্য লেখো।” প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভূগোলের দ্বিতীয় অধ্যায় “বায়ুমণ্ডল – উপাদান ও উষ্ণতার ভিত্তিতে বায়ুমণ্ডলের স্তরবিন্যাস” -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়।

উল্কাখণ্ড পুড়ে ছাই হয়ে যাওয়ার কারণ
উল্কাখণ্ড পুড়ে ছাই হয়ে যাওয়ার কারণ

মেসোস্ফিয়ারে উল্কাখণ্ড পুড়ে ছাই হয়ে যাওয়ার কারণ কী?

মেসোস্ফিয়ারে উল্কাখণ্ড পুড়ে ছাই হয়ে যাওয়ার কারণ –

স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের ঊর্ধ্বের বায়ুস্তরকে মেসোস্ফিয়ার বলে। এই স্তরের ঊর্ধ্বসীমায় বায়ুর তাপমাত্রা কম হয়ে প্রায় −93°C তে পৌঁছোয়। এর নিম্নসীমায় উত্তাপ 0°C হয়। মহাকাশ থেকে পৃথিবীর দিকে ছুটে আসা প্রজ্জ্বলিত উল্কাখণ্ডগুলি মেসোস্ফিয়ারে প্রবেশ করলে উত্তাপের হঠাৎ পরিবর্তনের কারণে সামঞ্জস্য রক্ষা করতে না পেরে পুড়ে ছাই হয়ে যায় ও ভস্ম হিসেবে পৃথিবীতে নেমে আসে। তবে কখনো কখনো খুব বৃহদায়তন উল্কাখণ্ড সম্পূর্ণ ভস্মীভূত না হয়েই পৃথিবীতে আছড়ে পড়ে।

মেসোস্ফিয়ারের বৈশিষ্ট্য লেখো।

স্ট্রাটোস্ফিয়ারের উপরে অবস্থিত বায়ুমণ্ডলের স্তরটি মেসোস্ফিয়ার নামে পরিচিত।

বিস্তৃতি – 50-80 কিমি।

গঠন – এই স্তরে সামান্য পরিমাণে অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, অথবা তড়িতাহিত অণু থাকে।

বৈশিষ্ট্য –

  • এটি বায়ুমণ্ডলের শীতলতম অঞ্চল।
  • উচ্চতা বৃদ্ধির সঙ্গে এই স্তরে উষ্ণতা ও চাপ দুই-ই কমে।
  • মেসোস্ফিয়ারের উপরে যে অংশে উষ্ণতার মান প্রায় স্থির হয়, সেই অঞ্চলকে মেসোপজ বলে।

এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ভূগোলের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “মেসোস্ফিয়ারে উল্কাখণ্ড পুড়ে ছাই হয়ে যাওয়ার কারণ কী? মেসোস্ফিয়ারের বৈশিষ্ট্য লেখো।” নিয়ে আলোচনা করেছি। এই “মেসোস্ফিয়ারে উল্কাখণ্ড পুড়ে ছাই হয়ে যাওয়ার কারণ কী? মেসোস্ফিয়ারের বৈশিষ্ট্য লেখো।” প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভূগোলের দ্বিতীয় অধ্যায় “বায়ুমণ্ডল – উপাদান ও উষ্ণতার ভিত্তিতে বায়ুমণ্ডলের স্তরবিন্যাস” -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন, আমরা উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব। । ধন্যবাদ।

Please Share This Article

Related Posts

বায়ুর সঞ্চয়কার্যের ফলে সৃষ্ট ভূমিরূপগুলির বর্ণনা দাও।

বায়ুর সঞ্চয়কার্যের ফলে সৃষ্ট ভূমিরূপগুলির বর্ণনা দাও।

সক্রিয় সেনসর ও নিষ্ক্রিয় সেনসর বলতে কী বোঝো? সক্রিয় সেনসর ও নিষ্ক্রিয় সেনসরের মধ্যে পার্থক্য করো।

সক্রিয় ও নিষ্ক্রিয় সেনসর বলতে কী বোঝো? সক্রিয় ও নিষ্ক্রিয় সেনসরের মধ্যে পার্থক্য

জিওস্টেশনারি ও সান-সিনক্রোনাস উপগ্রহ কী? জিওস্টেশনারি ও সান-সিনক্রোনাস উপগ্রহের মধ্যে পার্থক্য

জিওস্টেশনারি ও সান-সিনক্রোনাস উপগ্রহ কী? জিওস্টেশনারি ও সান-সিনক্রোনাস উপগ্রহের মধ্যে পার্থক্য

About The Author

Rahul

Tags

Leave a Comment

SolutionWbbse

"SolutionWbbse" শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অনলাইন অধ্যয়ন প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি, মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য গাইডলাইন, এবং বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনার সাহায্য প্রদান করা হয়। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে সকল বিষয়ের শিক্ষণীয় উপকরণ সহজেই সকল শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছে দেওয়া।

Editor Picks

থ্যালাসেমিয়া কাকে বলে? প্রকারভেদ ও উপসর্গ

অসুস্থ ভ্রূণ যাতে না জন্মায় তার জন্য জেনেটিক কাউন্সেলরের পরামর্শ | মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান

জেনেটিক কাউন্সেলিং কাকে বলে? বংশগত রোগ প্রতিরোধে এর ভূমিকা | মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান

বর্ণান্ধতার কারণ ও লক্ষণ (বংশগতি ও জিনগত রোগ) – মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান

থ্যালাসেমিয়া রোগের কারণ ও প্রকারভেদ (α ও β থ্যালাসেমিয়া) – মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান