এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ভূগোলের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “উষ্ণতা হ্রাসের স্বাভাবিক হার ও বৈপরীত্য উষ্ণতা কাকে বলে? উষ্ণতা হ্রাসের স্বাভাবিক হার ও বৈপরীত্য উষ্ণতার মধ্যে পার্থক্য লেখো।” নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভূগোল পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। “উষ্ণতা হ্রাসের স্বাভাবিক হার ও বৈপরীত্য উষ্ণতা কাকে বলে? উষ্ণতা হ্রাসের স্বাভাবিক হার ও বৈপরীত্য উষ্ণতার মধ্যে পার্থক্য লেখো।” প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভূগোলের দ্বিতীয় অধ্যায় “বায়ুমণ্ডল – বায়ুমণ্ডলের তাপ, উষ্ণতা ও বিশ্ব উষ্ণায়ন” -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়।

উষ্ণতা হ্রাসের স্বাভাবিক হার ও বৈপরীত্য উষ্ণতা কাকে বলে?
উষ্ণতা হ্রাসের স্বাভাবিক হার –
বায়ুমণ্ডলের ট্রপোস্ফিয়ার স্তরে প্রতি 1000 মিটার বা 1 কিমি উচ্চতায় তাপমাত্রা 6.5° সে হারে কমতে থাকে। উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে উষ্ণতা হ্রাস পাওয়াকে Lapse Rate বা উষ্ণতার স্বাভাবিক হ্রাস হার বলে।
বৈপরীত্য উষ্ণতা –
সাধারণত বায়ুমণ্ডলের ট্রপোস্ফিয়ার স্তরে প্রতি 1000 মিটারে 6.5°C হারে উষ্ণতা কমতে থাকে। কিন্তু কখনো এর ব্যতিক্রম ঘটে। উচ্চতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে উষ্ণতা না কমে বাড়তে থাকে। এই ঘটনাকে বৈপরীত্য উত্তাপ বলা হয়।
উষ্ণতা হ্রাসের স্বাভাবিক হার ও বৈপরীত্য উষ্ণতার মধ্যে পার্থক্য লেখো।
উষ্ণতা হ্রাসের স্বাভাবিক হার ও বৈপরীত্য উষ্ণতার মধ্যে পার্থক্য –
| পার্থক্যের বিষয় | উষ্ণতা হ্রাসের স্বাভাবিক হার | বৈপরীত্য উত্তাপ |
| ধারণা | এক্ষেত্রে ভূপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে উষ্ণতা হ্রাস পায়। | এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম ঘটে, উচ্চতা বৃদ্ধির সঙ্গে উষ্ণতা না কমে বেড়ে যায়। |
| সংঘটনের কারণ | উষ্ণতা হ্রাসের স্বাভাবিক হার অনুযায়ী প্রতি 1000 মিটার বা 1 কিমি উচ্চতা বৃদ্ধিতে উষ্ণতা 6.5°C হারে কমতে থাকে। ফলে উপরের দিকে উষ্ণতা হ্রাস পায়। | নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলের পার্বত্য অঞ্চলে শীতল, ভারী ক্যাটাবেটিক বায়ু উপত্যকার ঢাল বেয়ে নীচে নেমে আসে, এবং নীচের উষ্ণ বায়ু ওপরে উঠে যায়। ফলে উপরের দিকে উষ্ণতা বেড়ে যায়। |
| সংঘটন স্থল | ঘটনাটি নিম্ন বায়ুমণ্ডল বা ট্রপোস্ফিয়ার স্তরে সংঘটিত হয়। | এটি নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলের পার্বত্য অংশে সংঘটিত হয়। |
| সময় | এটি দিনেরাতে সবসময় হয়। | এটি সাধারণত রাতের বেলা হয়। |
| প্রভাব | এর ফলে সুউচ্চ পর্বত শৃঙ্গগুলি তুষারাবৃত হয়। ওপরের বায়ু শীতল থাকে, বায়ুর চাপ-কম থাকে। | এর ফলে পার্বত্য অঞ্চলে উচ্চ স্থানে গরম অনুভূত হয়। কখনো কুয়াশার সৃষ্টি হয়। |
এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ভূগোলের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “উষ্ণতা হ্রাসের স্বাভাবিক হার ও বৈপরীত্য উষ্ণতা কাকে বলে? উষ্ণতা হ্রাসের স্বাভাবিক হার ও বৈপরীত্য উষ্ণতার মধ্যে পার্থক্য লেখো।” নিয়ে আলোচনা করেছি। এই “উষ্ণতা হ্রাসের স্বাভাবিক হার ও বৈপরীত্য উষ্ণতা কাকে বলে? উষ্ণতা হ্রাসের স্বাভাবিক হার ও বৈপরীত্য উষ্ণতার মধ্যে পার্থক্য লেখো।” প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভূগোলের দ্বিতীয় অধ্যায় “বায়ুমণ্ডল – বায়ুমণ্ডলের তাপ, উষ্ণতা ও বিশ্ব উষ্ণায়ন” -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন, আমরা উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব। । ধন্যবাদ।





Leave a Comment