নবম শ্রেণি – বাংলা – নিরুদ্দেশ – অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

Souvick

আজকের এই আর্টিকেলে আমরা নবম শ্রেণীর বাংলা বিষয়ের ষষ্ঠ পাঠের প্রথম অধ্যায়, ‘নিরুদ্দেশ’ -এর কিছু অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর নিয়ে আলোচনা করবো। এই প্রশ্নোত্তরগুলো নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ নবম শ্রেণীর বাংলা পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন নিয়মিত আসে।

নবম শ্রেণি - বাংলা - নিরুদ্দেশ - অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর
Contents Show

বহুবিকল্পভিত্তিক প্রশ্নাবলি

সঠিক উত্তর নির্বাচন করো

‘নিরুদ্দেশ’ গল্পটি কার রচনা?

  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের
  2. মানিক বন্দ্যোপাধ্যাযের
  3. বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায়ের
  4. প্রেমেন্দ্র মিত্রের

উত্তর – 4. প্রেমেন্দ্র মিত্রের

“দিনটা ভারী____।” –

  1. বিশ্রী
  2. গুমোট
  3. শীতল
  4. গরম

উত্তর – 1. বিশ্রী

‘নিরুদ্দেশ’ গল্পের শুরুতে কোন্ ঋতুর উল্লেখ আছে? –

  1. বসন্ত
  2. বর্ষা
  3. শীত
  4. শরৎ

উত্তর – 3. শীত

শীতের দিনে সব থেকে অস্বস্তিকর হল –

  1. বাদলা
  2. আর্দ্রতা
  3. বরফ পড়া
  4. শুষ্কতা

উত্তর – 1. বাদলা

‘নিরুদ্দেশ’ গল্পে হঠাৎ দুপুরে কথকের বাড়িতে কে এসেছিলেন? –

  1. সুরেশ
  2. মহেশ
  3. সোমেশ
  4. রাজেশ

উত্তর – 3. সোমেশ

খবরের কাগজে একসঙ্গে কতগুলো নিরুদ্দেশের বিজ্ঞাপন ছিল? –

  1. আটটা
  2. দশটা
  3. সাতটা
  4. পাঁচটা

উত্তর – 3. সাতটা

‘নিরুদ্দেশ’ -এর বিজ্ঞাপন দেখলে কথকের কেমন অনুভূতি হয়? –

  1. কথকের দুঃখ হয়
  2. কথকের হাসি পায়
  3. কথকের আনন্দ হয়
  4. কথকের রাগ হয়

উত্তর – 2. কথকের হাসি পায়

ছেলে হয়তো রাত করে থিয়েটার দেখে বাড়ি ফিরলে বাবা প্রাথমিকভাবে যা করেন –

  1. ছেলেকে বকেন
  2. মায়ের কাছে খোঁজ করেন
  3. দরজা বন্ধ করার আদেশ দেন
  4. উৎকণ্ঠায় ছেলেকে খুঁজতে বের হন

উত্তর – 2. মায়ের কাছে খোঁজ করেন

কথকের কল্পনায় ছেলের মা কোথা থেকে ছেলেকে টাকা দেয়? –

  1. লুকোনো পুঁজি থেকে
  2. গহনা বেচে
  3. বাবার পকেট কেটে
  4. বাবার কাছ থেকে চেয়ে

উত্তর – 1. লুকোনো পুঁজি থেকে

“ঠিক সেই সময়ে গুণধর পুত্রের প্রবেশ।” – এই সময় বাবা কী বলেন? –

  1. ছেলেকে যত্ন করে খেতে দিতে বলেন
  2. ‘এমন ছেলের আমার দরকার নেই-বেরিয়ে যা’
  3. ছেলেকে হস্টেলে পাঠিয়ে দেওয়ার কথা বলেন
  4. ছেলের পিঠে দু-চার ঘা দেওয়ার কথা বলেন

উত্তর – 2. ‘এমন ছেলের আমার দরকার নেই-বেরিয়ে যা’

“এমন ছেলের আমার দরকার নেই”, এখানে বক্তা হলেন –

  1. ছেলের মা
  2. ছেলের বাবা
  3. লেখক
  4. সোমেশ

উত্তর – 2. ছেলের বাবা

“গৃহিণীকে ধমক দিয়ে বলেন” – ধমক দিয়ে বাবা কী বলেছিলেন? –

  1. ছেলে এমন বিনি পয়সার হোটেল পাবে কোথায়?
  2. তুমি প্রশ্রয় দিয়ে ওর ক্ষতি করছ
  3. মিছিমিছি প্যানপ্যান কোরো না। অমন ছেলে যাওয়াই ভালো
  4. ছেলে এরূপ নিরুদ্দেশ হলে আমি আর বাড়ি থাকব না

উত্তর – 2. তুমি প্রশ্রয় দিয়ে ওর ক্ষতি করছ

“মা এবার অশ্রুসিক্ত স্বরে বলেন।” – কী বলেছিলেন? –

  1. এই দারুণ শীতে কাল সারারাত ছেলে কোথায় রইল কে জানে
  2. অভিমান হয়েছিল, তাই বাড়ি ফেরেনি
  3. সারাদিন না খেয়ে ছেলের আমার মুখ শুকিয়ে গেছে
  4. আমার ছেলে কোনো অন্যায় করতে পারে না

উত্তর – 1. এই দারুণ শীতে কাল সারারাত ছেলে কোথায় রইল কে জানে

“বাবা কথাটাকে ব্যঙ্গ করেই উড়িয়ে দিতে চান” – কোন্ কথাটাকে উড়িয়ে দিতে চান? –

  1. ছেলে যদি আর ঘরে না ফেরে
  2. মা শয্যা থেকে আর উঠবেন না
  3. ছেলে কী করে বসে তাই মায়ের ভয় হয়
  4. ছেলে হয়তো রাস্তা-ঘাটে অসুস্থ হয়ে পড়েছে

উত্তর – 3. ছেলে কী করে বসে তাই মায়ের ভয় হয়

“দিব্যি আছে কোনো বন্ধুর বাড়ি।” – কথাটি কে বলেছেন? –

  1. বাবার অফিসের বন্ধু
  2. মা
  3. সোমেশ
  4. বাবা

উত্তর – 4. বাবা

“মা শয্যা থেকে আর উঠবেন না বলেই পণ করেছেন।” – এই পরিস্থিতিতে বাবা মারমুখী হয়ে কী বলেছিলেন? –

  1. কোনোদিন না ফিরলে আমি বাঁচতাম
  2. বাড়ি এলেও ও আবার ফেল করবে
  3. না আর থাকতে দিলে না! এ অশান্তির চেয়ে বনবাস ভালো
  4. অসুবিধে হলে সুড়সুড় করে ঘরে ফিরবে

উত্তর – 3. না আর থাকতে দিলে না! এ অশান্তির চেয়ে বনবাস ভালো

ছেলে চলে যাবার পরে রাতে মা –

  1. দাঁতে কুটি কাটেননি
  2. ঘুমাননি
  3. ভয় পেয়েছেন
  4. শুধু কেঁদেছেন

উত্তর – 2. ঘুমাননি

“বাবা বেরিয়ে পড়েন” – কোথায়? –

  1. ছেলেকে খুঁজতে ছেলের মামার বাড়ি
  2. বাড়ির অশান্তি এড়াতে রাস্তায়
  3. ছেলের বন্ধুর বাড়ি
  4. খবরের কাগজের অফিসে

উত্তর – 2. বাড়ির অশান্তি এড়াতে রাস্তায়

“কেন আমাদের খবরগুলো পছন্দ হচ্ছে না!” – এ কথা বলেছে –

  1. নিরীহ চেহারার লোকটি
  2. রূঢ় চেহারার লোকটি
  3. সম্পাদক
  4. সোমেশ

উত্তর – 1. নিরীহ চেহারার লোকটি

সংবাদপত্রের অফিসে বাবাকে কে সাহায্য করেছিল? –

  1. সম্পাদক
  2. মালিক
  3. রূঢ় প্রকৃতির লোকটি
  4. নিরীহ চেহারার লোকটি

উত্তর – 3. রূঢ় প্রকৃতির লোকটি

“আজ্ঞে ঠিক খবর নয়” – ‘খবর’ নয়, তাহলে কী? –

  1. এই একটু বিজ্ঞাপন
  2. একটা ছবি ছাপানোর জন্য
  3. একটা সত্য ঘটনা জানাতে চায়
  4. চাকরির খোঁজে এসেছে

উত্তর – 1. এই একটু বিজ্ঞাপন

“আশ্বস্ত হয়ে বাবা ঘরে ফেরেন।” – ঘরে ফিরে কী দেখেন? –

  1. ছেলে ঘরে ফিরে এসেছে
  2. মা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন
  3. বাবা নিজে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন
  4. ছেলের মৃত্যুসংবাদ আসে

উত্তর – 1. ছেলে ঘরে ফিরে এসেছে

“কিন্তু অশ্রুসজল বিজ্ঞাপন বার হবার আগেই” – কী হয়েছিল? –

  1. মা পুত্রশোকে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন
  2. বাবা মারাত্মক পথদুর্ঘটনায় পড়েন
  3. ছেলে ঘরে এসে হাজির
  4. জানা যায় ছেলে চিলেকোঠায় লুকিয়েছিল

উত্তর – 3. ছেলে ঘরে এসে হাজির

“অধিকাংশ নিরুদ্দেশের বিজ্ঞাপনের ইতিহাসই এই।” –

  1. মিলনান্তক
  2. হাস্যকর
  3. বিয়োগান্তক
  4. করুণ

উত্তর – 2. হাস্যকর

“তুমি জানো না।” – কী না জানার কথা বলা হয়েছে? –

  1. কেউ নিরুদ্দেশ হলে আর ফেরে না
  2. বিজ্ঞাপন দেওয়ার পেছনে ব্যাবসা থাকে
  3. নিরুদ্দেশ বিজ্ঞাপনের পেছনে অনেক ‘সত্যকার ট্র্যাজিডি’ থাকে
  4. বিজ্ঞাপন দিয়ে যে যায় সে ঘরে ফেরে

উত্তর – 3. নিরুদ্দেশ বিজ্ঞাপনের পেছনে অনেক ‘সত্যকার ট্র্যাজিডি’ থাকে

“এই বিজ্ঞাপনের পেছনে অনেক সত্যকার ট্র্যাজিডি থাকে।” – বক্তা হলেন –

  1. কথক
  2. সোমেশ
  3. শোভন
  4. মা

উত্তর – 2. সোমেশ

“পুরানো খবরের কাগজের ফাইল যদি উলটে দেখো,” – কী দেখা যাবে? –

  1. দিনের পর দিন একটি বিজ্ঞাপন বেরিয়েছে
  2. কোনোদিন কোনো বিজ্ঞাপন ছাপা হত না
  3. একটা ধারাবাহিক গল্প প্রকাশিত হত
  4. এক মহাপুরুষের ছবি ছাপা হত

উত্তর – 1. দিনের পর দিন একটি বিজ্ঞাপন বেরিয়েছে

ছাপার লেখায় কান পাতলে কী শোনা যায়? –

  1. যন্ত্রণাকাতর চিৎকার
  2. ছেলের নিরুদ্দেশের কারণ
  3. নায়েবমশাইয়ের কাতর আবেদন
  4. কাতর আর্তনাদ

উত্তর – 4. কাতর আর্তনাদ

“প্রথমে দেখা যায় মায়ের কাতর অনুরোধ” – কাতর অনুরোধটি কী ছিল? –

  1. ছেলে যেন ঘরে ফিরে না আসে
  2. মা ছেলের সঙ্গে দেখা করতে চায়
  3. ছেলে যেন ঘরে ফিরে আসে
  4. ছেলে যেন পড়াশোনা করে

উত্তর – 3. ছেলে যেন ঘরে ফিরে আসে

“তারপর শোনা গেল পিতার গম্ভীর স্বর,” – গম্ভীর স্বরে পিতা কী বলেছিলেন? –

  1. তোমার কি এতটুকু কর্তব্যবোধও নেই
  2. দূর করে দেবো, দূর করে দেবো বাড়ি থেকে
  3. এমন ছেলে আমার দরকার নেই
  4. এত রাতে বাবুর আসবার সময় হল?

উত্তর – 1. তোমার কি এতটুকু কর্তব্যবোধও নেই

“একটু যেন কম্পিত তবু ধীর ও শান্ত” – এই শান্ত স্বরে বাবা কী অনুরোধ করেছিলেন? –

  1. শোভন, তোমাকে আর বকব না
  2. শোভন ফিরে এসো
  3. শোভন, তুমি খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ো
  4. শোভন তোমার মা ডাকছেন

উত্তর – 2. শোভন ফিরে এসো

“বিজ্ঞাপন তারপরেও কিন্তু থামল না।” – না থামা বিজ্ঞাপনে কী লেখা ছিল? –

  1. শোভনের বাবা তাকে ত্যাজ্যপুত্র করেছিল
  2. শোভনের মায়ের মৃত্যুসংবাদ
  3. শোভনকে সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার কথা
  4. শোভন, এখন না এলে তোমার মাকে আর দেখতে পাবে না

উত্তর – 4. শোভন, এখন না এলে তোমার মাকে আর দেখতে পাবে না

“শুধু পিতার নিজেকে সামলাবার আর ক্ষমতা নেই।” – কার পিতা? –

  1. সোমেশের
  2. শোভনের
  3. লেখকের
  4. নায়েবমশাইয়ের

উত্তর – 2. শোভনের

“আজ এক বৎসর তার কোনো সন্ধান নেই।” – সন্ধান দিতে পারলে কী পাওয়া যাবে? –

  1. পুরস্কার
  2. পাঁচ হাজার টাকা
  3. চাকরি
  4. এক লাখ টাকা

উত্তর – 1. পুরস্কার

“সন্ধান দিতে পারলে পুরস্কার পাওয়া যাবে।” – এরপরে বিজ্ঞাপনে কী দেখা গেল? –

  1. অনেক প্রত্যাশী এল
  2. কেউ এল না
  3. পুরস্কারের পরিমাণ বাড়ল
  4. বিজ্ঞাপন বন্ধ হল

উত্তর – 3. পুরস্কারের পরিমাণ বাড়ল

“প্রায় দুই বৎসর তখন কেটে গেছে।” – দুই বৎসর পর কী ঘটেছিল? –

  1. মায়ের মৃত্যুসংবাদ কাগজে বেরিয়েছিল
  2. শোভন তার দেশে ফিরে এসেছিল
  3. শোভনের বাবা অসুস্থ হয়ে পড়েছিল
  4. বাবা শোভনকে দেখে ঘরে নিয়ে গিয়েছিল

উত্তর – 2. শোভন তার দেশে ফিরে এসেছিল

“শোভনই তার একমাত্র উত্তরাধিকারী।” – কীসের উত্তরাধিকারী? –

  1. শোভনের বাবার টাকার
  2. শোভনের মায়ের গয়নার
  3. শোভনের মামার বাড়ির সম্পত্তির
  4. শোভনের বাবার জমিদারির

উত্তর – 4. শোভনের বাবার জমিদারির

শোভন দেশে ফিরে বাড়ি ঢুকলে প্রথমে তাকে কে বাধা দিয়েছিল? –

  1. একজন কর্মচারী
  2. তার বাবা
  3. তাদের পুরানো নায়েবমশাই
  4. বাড়ির চাকর

উত্তর – 3. তাদের পুরানো নায়েবমশাই

“শোভন হেসে বললে” – কী বলেছিল? –

  1. বাড়িতে যেতে চাই
  2. মার সঙ্গে দেখা করতে চাই
  3. জমিদারি দেখাশোনা করতে চাই
  4. বাবার সঙ্গে দেখা করতে চাই

উত্তর – 1. বাড়িতে যেতে চাই

“মা ভাল আছেন?” – কার প্রশ্ন এটি? –

  1. খবরের কাগজের এক ভদ্রলোকের
  2. শোভনের
  3. নায়েবমশাইয়ের
  4. খাজাঞ্চিমশাইয়ের

উত্তর – 2. শোভনের

“না হয় না, আপনি আমার সঙ্গে আসুন।” – কাকে বলা হয়েছে? –

  1. শোভনকে
  2. জমিদারকে
  3. নায়েবকে
  4. লেখককে

উত্তর – 1. শোভনকে

“পুরানো সরকার তাদের নেই।” – সেখানে কে আছে? –

  1. নতুন দুটি লোক
  2. একজন কর্মচারী
  3. নতুন নায়েব
  4. শোভনের বাবার আত্মীয়

উত্তর – 1. নতুন দুটি লোক

“ওঃ ইনি আজই এসেছেন বুঝি!” – বক্তা কে? –

  1. নায়েব মশাই
  2. খবরের কাগজের ভদ্রলোক
  3. খাজাঞ্চিমশাই
  4. শোভন

উত্তর – 3. খাজাঞ্চিমশাই

“চারিধারের সব কটা দৃষ্টি তার ওপর অদ্ভুতভাবে নিবদ্ধ।” – কার ওপর? –

  1. শোভনের ওপর
  2. মায়ের ওপর
  3. খাজাঞ্চিমশাই -এর ওপর
  4. বাবার ওপর

উত্তর – 1. শোভনের ওপর

“সে বিস্মিত ভীত কণ্ঠে বলল” – কী বলেছিল? –

  1. আমি মার কাছে যাব
  2. মা কি আর বেঁচে নেই
  3. আপনারা কি আমাকে চিনতে পারছেন না?
  4. আমি শোভন নই

উত্তর – 3. আপনারা কি আমাকে চিনতে পারছেন না?

“আমি শোভন, বুঝতে পারছেন না আমি শোভন?” – কখন এ কথা বলেছিল শোভন? –

  1. যখন সবাই চিৎকার করছিল
  2. যখন ওকে সবাই চলে যেতে বলছিল
  3. যখন সবাই নীরব ছিল
  4. যখন শোভন মায়ের কাছে গিয়েছিল

উত্তর – 3. যখন সবাই নীরব ছিল

“এ তো আমারই ফটো।” – কোন্ ফটো? –

  1. যে ফটো নায়েবমশাই দেখিয়েছিল
  2. যে ফটো খবরের কাগজের বিজ্ঞাপনে ছিল
  3. যে ফটো ঘরের দেয়ালে টাঙানো ছিল
  4. যে ফটো নষ্ট হয়ে গিয়েছিল

উত্তর – 1. যে ফটো নায়েবমশাই দেখিয়েছিল

“শোভন উদ্‌ভ্রান্তভাবে সকলের দিকে চেয়ে দেখল।” – কী দেখেছিল? –

  1. সবাই তার কথা বিশ্বাস করেছিল
  2. সকলের দৃষ্টিতে অবিশ্বাস
  3. সবাই তাকে চিনতে পেরেছিল।
  4. সে কারুর কথা বুঝতে পারছিল না

উত্তর – 2. সকলের দৃষ্টিতে অবিশ্বাস

“একবার আমায় শুধু দেখা করতে দিন।” – কার সঙ্গে? –

  1. মায়ের সঙ্গে
  2. নায়েবের সঙ্গে
  3. মা-বাবার সঙ্গে
  4. খাজাঞ্চি মশাই -এর সঙ্গে

উত্তর – 3. মা-বাবার সঙ্গে

“কেমন করে মারা গেল?” – উত্তরে নায়েব কী বলেছিল? –

  1. রাস্তায় গাড়ি চাপা পড়ে
  2. গুলিবিদ্ধ হয়ে
  3. অসুখ হয়ে
  4. না খেতে পেয়ে

উত্তর – 1. রাস্তায় গাড়ি চাপা পড়ে

“সকলে কিছু বুঝে ওঠবার আগেই” – কী ঘটেছিল? –

  1. শোভন কান্নায় ভেঙে পড়েছিল
  2. শোভন মায়ের কাছে উপস্থিত হয়েছিল
  3. শোভন দৌড়ে ঘর থেকে বার হয়ে গেল
  4. শোভন যে নকল, তা সে নিজে বলেছিল

উত্তর – 3. শোভন দৌড়ে ঘর থেকে বার হয়ে গেল

“শোভনের বুকে ছুরির মতো বিঁধল।” – কি বিঁধেছিল? –

  1. বাবার মুখের বেদনাময় বিমূঢ়তা
  2. মায়ের মৃত্যুসংবাদ
  3. বাবা বলেছিলেন তুমি আমার ছেলে না
  4. নায়েব তাকে ঘর থেকে চলে যেতে বলল

উত্তর – 1. বাবার মুখের বেদনাময় বিমূঢ়তা

“কিছু বোলো না, চলে যেতে দাও।” – কে বলেছিলেন? –

  1. খাজাঞ্চিমশাই
  2. শোভনের বাবা
  3. নতুন সরকারমশাই
  4. নায়েবমশাই

উত্তর – 2. শোভনের বাবা

“আচ্ছন্নতা তার কাটল খানিক বাদে।” – কার কথা বলা হয়েছে? –

  1. শোভনের বৃদ্ধ বাবার
  2. শোভনের
  3. সোমেশের
  4. লেখকের

উত্তর – 2. শোভনের

নায়েবমশাই -এর হাতে অনেকগুলো কী ছিল? –

  1. জামাকাপড়
  2. পুরানো ফটোকপি
  3. বিজ্ঞাপনের খসড়া
  4. অনেকগুলো টাকার নোট

উত্তর – 4. অনেকগুলো টাকার নোট

“কণ্ঠস্বরে তাঁর মিনতি।” – কার? –

  1. বৃদ্ধ বাবার
  2. নায়েবমশাই -এর
  3. শোভনের মায়ের
  4. শোভনের

উত্তর – 2. নায়েবমশাই -এর

“বাড়ির কর্ত্রী মুমূর্ষু,” – কর্ত্রী কে? –

  1. শোভনের মা
  2. সোমেশের মা
  3. লেখকের মা
  4. জমিদার বাবুর দ্বিতীয়া স্ত্রী

উত্তর – 1. শোভনের মা

বাড়ির কর্ত্রী কোন্ সংবাদ পাননি? –

  1. স্বামীর মৃত্যুসংবাদ
  2. পুত্রের মৃত্যুসংবাদ
  3. পুত্রের বিবাহসংবাদ
  4. কন্যার বিবাহসংবাদ

উত্তর – 2. পুত্রের মৃত্যুসংবাদ

“তার এতে কোনো ক্ষতি নেই” – তাকে কী করতে হবে? –

  1. বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে হবে
  2. টাকা নিয়ে চলে যেতে হবে
  3. হারানো ছেলে হয়ে মাকে দেখা দিতে হবে
  4. চিরদিনের মতো বাড়িতে থাকতে হবে

উত্তর – 3. হারানো ছেলে হয়ে মাকে দেখা দিতে হবে

“মুমূর্ষুর নিষ্প্রভ দৃষ্টিতে কোনো কিছু ধরা পড়বে না।” – কী ধরা পড়বে না? –

  1. হারানো ছেলের সঙ্গে ফিরে আসা শোভনের বৈসাদৃশ্য
  2. সোমেশ তার হারানো ছেলে হয়ে দেখা দিলে
  3. আসল শোভন এলে
  4. অন্য কাউকে শোভন সাজিয়ে আনলে

উত্তর – 1. হারানো ছেলের সঙ্গে ফিরে আসা শোভনের বৈসাদৃশ্য

“শোভনের হাতে গুঁজে দিলেন” – কী গুঁজে দিয়েছিলেন? –

  1. একটা হাজার টাকার নোট
  2. একটা পাঁচশ টাকার নোট
  3. নোটের তাড়া
  4. একটা ফটোকপি

উত্তর – 3. নোটের তাড়া

“সোমেশ তোমার কানের কাছে একটা জড়ুল আছে।” – উত্তরে সোমেশ কী বলেছিল? –

  1. কানের কাছে দুটো জড়ুল আছে
  2. সেই জন্যেই গল্প বানানো সহজ হল
  3. কানের কাছে নেই তবে পিঠে আছে
  4. আমার শরীরে কোনো জড়ুল নেই

উত্তর – 2. সেই জন্যেই গল্প বানানো সহজ হল

অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

‘নিরুদ্দেশ’ কথাটির অর্থ কী?

‘নিরুদ্দেশ’ কথাটির অর্থ ‘নিখোঁজ’। উদ্দেশ্যবিহীনভাবে মানুষ যখন অজানার পথে পা বাড়ায় তখন তাকে নিরুদ্দেশ বলে।

‘নিরুদ্দেশ’ কী ধরনের গল্প? এর লেখকের নাম কী?

নিরুদ্দেশ একটি সামাজিক ছোটোগল্প। গল্পটির লেখক সাহিত্যিক প্রেমেন্দ্র মিত্র।

‘নিরুদ্দেশ’ গল্পটির সূচনা কোন্ পরিবেশে হয়?

শীতের এক মেঘাচ্ছন্ন আকাশ এবং ম্লান পৃথিবীর বিষণ্ণ দ্বিপ্রাহরিক পরিমণ্ডলে ‘নিরুদ্দেশ’ গল্পটির সূচনা হয়।

কথক কোন্ বিষয়টিকে আশ্চর্যের ব্যাপার বলে মনে করেছেন?

প্রেমেন্দ্র মিত্রের লেখা ‘নিরুদ্দেশ’ গল্পে, দৈনিক সংবাদপত্রে একইসঙ্গে প্রকাশিত সাত-সাতটা নিরুদ্দেশ -এর বিজ্ঞাপনকে আশ্চর্যের ব্যাপার বলে কথকের মনে হয়েছে।

কথকের ‘আশ্চর্যের ব্যাপার’টি শুনে সোমেশের প্রতিক্রিয়া কী হয়েছিল?

প্রেমেন্দ্র মিত্র রচিত ‘নিরুদ্দেশ’ গল্পের কথকের ‘আশ্চর্য ব্যাপার’টি শুনে সোমেশের কোনো প্রতিক্রিয়াই দেখা যায়নি। আগের মতোই উদাসীনভাবে সে ধূমপানে ব্যস্ত ছিল।

নিরুদ্দেশ -এর বিজ্ঞাপন দেখে কথকের কী ধরনের প্রতিক্রিয়া হয় বলে তিনি প্রকাশ করেছেন?

নিরুদ্দেশ -এর বিজ্ঞাপন দেখে গল্প কথকের মনে কৌতুক সৃষ্টি হয়। বিজ্ঞাপনের অসারতা তার মনে হাসির উদ্রেক করে।

নিরুদ্দেশ -এর বিজ্ঞাপনে অধিকাংশ ক্ষেত্রে ব্যাপারটা কী হয় বলে কথক মনে করেন?

অধিকাংশ ক্ষেত্রে সংবাদপত্রে নিরুদ্দেশ -এর বিজ্ঞাপনটি প্রকাশিত হবার আগেই নিরুদ্দিষ্ট ব্যক্তি ঘরে ফিরে আসে বলে ‘নিরুদ্দেশ’ গল্পের কথকের ধারণা।

নিরুদ্দেশ -এর বিজ্ঞাপনের মূল্যহীনতা বোঝাতে কথক কী করেছিলেন?

অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নিরুদ্দেশ -এর বিজ্ঞাপনের প্রয়োজনীয়তা মূল্যহীন হয়ে পড়ে মনে করে কথক একটি কাল্পনিক গল্পের অবতারণা করেছিলেন।

কথক কাল্পনিক গল্পটিতে কোন্ কোন্ চরিত্রের অবতারণা করেছেন?

কথকের কাল্পনিক গল্পটিতে পিতা-মাতার কাল্পনিক সংলাপ মুখ্য ভূমিকায় থাকলেও সংলাপহীন পুত্রের কার্যকলাপই প্রধান হয়ে দাঁড়িয়েছে এই তিনটি চরিত্রেরই সাক্ষাৎ পাওয়া গেছে।

বাবা তার ছেলের ওপর কী কারণে রাগ করেন?

ছেলে সাম্প্রতিককালে প্রায়ই থিয়েটার দেখে রাত করে বাড়ি ফেরায় বাবা তার ওপর রাগ করেন।

ছেলের জন্য মায়ের উৎকণ্ঠায় বাবা কীভাবে তাকে সান্ত্বনা দেন?

ছেলের জন্য মায়ের উৎকণ্ঠায় বাবা মাকে বোঝান তার ছেলের কোনো ক্ষতি হয়নি; সে কোনো বন্ধুর বাড়িতে আছে, সময়মতো বাড়ি ফিরে আসবে।

খবরের কাগজের অফিসে কোন্ কথা বলে বাবা বিড়ম্বনায় পড়েন?

খবরের কাগজের অফিসের জটিলতায় বিমূঢ় বাবা এক নিরীহ চেহারার ভদ্রলোককে তাদের কাগজে একটা খবর বার করতে চান – এই কথা বলে বিড়ম্বনায় পড়েন।

বাবা কাগজে খবর বার করতে চাইলে তাকে কোন্ কথা শুনতে হয়েছিল?

প্রেমেন্দ্র মিত্রের ‘নিরুদ্দেশ’ গল্পে বর্ণিত নিরুদ্দিষ্ট ছেলের বাবা কাগজে খবর প্রকাশ করতে চাইলে খবরের কাগজের অফিসের আপাত নিরীহ ভদ্রলোক বাবাকে ব্যঙ্গের স্বরে বলেন যে তাদের খবরগুলো কি তাঁর পছন্দ হচ্ছে না, তারা কি এতদিন রামযাত্রা বার করছেন।

‘রামযাত্রা’ কী?

ভগবান রামচন্দ্রের ইহলীলার লোকসংস্করণ কথকতা বা যাত্রা বা পালাগানকে ‘রামযাত্রা’ বলা হয়ে থাকে।

বাবা কার সাহায্যে খবরের কাগজের অফিসে বিড়ম্বনা থেকে উদ্ধার পেলেন?

খবরের কাগজের অফিসে আপাত রূঢ় প্রকৃতির এক ভদ্রলোকের সহানুভূতির কারণে বাবা বিড়ম্বনার হাত থেকে উদ্ধার পেয়েছিলেন।

কাগজের অফিসে বাবা বিজ্ঞাপন দেওয়ার কথা বলায় নতুন করে কী বিপত্তি দেখা দেয়?

অফিসের ভদ্রলোক বিজ্ঞাপন -এর কথা শুনে ব্যাবসায়িক বিজ্ঞাপন -এর কথা ভেবে বিজ্ঞাপনটি কীসের, কতটা স্পেস দরকার এবং কপির কথা জানতে চাওয়ায় বিপত্তি দেখা দেয়।

খবরের কাগজে বিজ্ঞাপন দেওয়ার পর কী হয়েছিল?

অতি কষ্টে খবরের কাগজে বিজ্ঞাপন দেবার কাজটি সম্পূর্ণ হলেও সেটি প্রকাশিত হবার আগেই ছেলে ঘরে ফিরে আসে।

নিরুদ্দেশ -এর বিজ্ঞাপন প্রসঙ্গে সোমেশের বক্তব্য কী ছিল?

নিরুদ্দেশের বিজ্ঞাপন প্রসঙ্গে কথকের কৌতুকপূর্ণ গল্পের পরে সোমেশ জানায়, কখনো-কখনো এর পেছনে সত্যকার ট্র্যাজিডিও লুকিয়ে থাকে।

বিজ্ঞাপনের পেছনে ট্র্যাজিডির কথায় কথক কোন্ কথা স্বীকার করেন?

বিজ্ঞাপনের পেছনে ট্র্যাজিডির কথায় কথক এ কথা স্বীকার করেন যে, কোনো কোনো সময় নিরুদ্দিষ্ট ব্যক্তি আর কখনও ফিরে আসে না।

সোমেশের গল্পের পেছনে কি কথকের কথার সমর্থন পাওয়া যায়?

লেখকের কথার সমর্থন নয়, ফিরে আসারই ভয়ানক এক ট্র্যাজিডির গল্প শোনায় সোমেশ।

সোমেশ তার গল্পে নিরুদ্দেশ -এর বিজ্ঞাপনকে একটা ইতিহাস বলেছিল কেন?

সংবাদপত্রে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন ভাব ও ভঙ্গিমায় বিজ্ঞাপনগুলি প্রকাশিত হওয়ায় সেটি যেন একটি পারিবারিক ইতিহাস রচনা করেছিল।

শোভনের ঘরে ফেরার জন্য বিজ্ঞাপনে প্রথমে কার পক্ষ থেকে অনুরোধ আসে?

ছেলের ঘরে ফেরার জন্য সংবাদপত্রের বিজ্ঞাপনে প্রথমে মায়ের পক্ষ থেকে কাতর অনুরোধ ছাপা হয়।

বিজ্ঞাপনের পরবর্তী পর্যায়ে মায়ের অনুরোধের সুর কীভাবে বদলায়?

মায়ের অনুরোধের আড়ষ্ট অথচ ব্যাকুল ভাষা ধীরে ধীরে কাতরতা ছাড়িয়ে হতাশ দীর্ঘশ্বাসের মতো বিজ্ঞাপনে মিলিয়ে যেতে থাকে।

পরবর্তীকালে কার বয়ানে এবং কী ভাষায় বিজ্ঞাপন প্রকাশ পেতে লাগল?

পরবর্তীকালে পিতার বয়ানে বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হল, যার ভাষা আপাত গম্ভীর হলেও তাতে নিহিত ব্যাকুলতা অপ্রকাশিত থাকেনি।

ক্রমে ক্রমে বিজ্ঞাপনের ভাষার কী পরিবর্তন দেখা গেল?

বিজ্ঞাপনের ভাষা ক্রমশ গম্ভীর থেকে অবশেষে কাতর হয়ে একান্ত দুর্বলতায় পরিণত হয়েছিল।

বিজ্ঞাপনের ভাষা দুর্বলতা ছাপিয়ে কোন্ পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছোল?

বিজ্ঞাপন ক্রমশ হতাশ এবং হাহাকারের মাত্রা ছাড়িয়ে শেষপর্যন্ত বিজ্ঞপ্তিতে পুরস্কার ঘোষণা করা হল।

পুরস্কারের বিজ্ঞপ্তিটির বয়ান কী ধরনের ছিল?

বছরাবধি ছেলেটির সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না জানিয়ে চেহারার বর্ণনা দিয়ে তার সন্ধানের জন্য পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল।

পুরস্কারের বিজ্ঞপ্তিটির পরিবর্তিত রূপ কী ছিল?

চেহারার বর্ণনা দিয়ে পুরস্কারের পরিমাণ ক্রমশ বাড়িয়ে ছেলেটি জীবিত না মৃত এ সংবাদটুকু দিতে পারলেই পুরস্কার দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছিল।

শোভনের চরিত্র সম্পর্কে সোমেশের ধারণা কী ছিল?

শোভনের চরিত্র সম্পর্কে সোমেশের ধারণা ছিল যে শোভন ভবঘুরে মন নিয়েই জন্মেছিল, তার একান্ত নির্লিপ্ত মন সংসারের সাধারণ বন্ধনে কখনোই ধরা পড়েনি।

বিজ্ঞাপন বন্ধ হয়েছিল কীভাবে?

বিজ্ঞাপন চলতে চলতে হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়নি, বয়ান বদলে মায়ের অন্তিম দশার কথা জানিয়ে শোভনকে ঘরে ফেরার গুরুত্ব বুঝিয়ে হঠাৎ যেন কোন্ ভয়ংকর দুর্ঘটনায় স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল সংবাদপত্রের বিজ্ঞাপন।

শোভনের প্রকৃত পরিচয় কী ছিল?

শোভন সাধারণ মধ্যবিত্ত ঘরের ছেলে ছিল না। তাদের পৈতৃক জমিদারি ছিল, যা দুর্দিনে কিছুটা ম্লান হলেও সম্পূর্ণ ক্ষয়প্রাপ্ত হয়নি। শোভন তার উত্তরাধিকারী ছিল।

শোভন দেশে ফেরার সময় তার চেহারা কি অপরিবর্তিত ছিল?

প্রায় দু-বছরের স্বাধীন জীবনে দুঃখকষ্টকে মানসিকভাবে অবহেলা করলেও প্রকৃতির নিয়মেই শরীরের ওপর তার প্রভাব পড়ায় তার চেহারা বেশ কিছুটা পরিবর্তিত হয়েছিল।

শোভনের চেহারা পরিবর্তনের কারণে দেশের বাড়িতে প্রবেশ করার পর কী ঘটনা ঘটেছিল?

শোভনের পরিবর্তিত চেহারার কারণে বাড়িতে প্রবেশ করার পর বাড়ির নায়েবমশাই, খাজাঞ্চিমশাই এমনকি তাদের কর্মচারীরাও তাকে চিনতে পারেনি।

দেশের বাড়িতে শোভনকে প্রথমে কেন, কোথায় বসতে হয়েছিল?

দেশের বাড়িতে শোভনের মৃত্যুর খবর আগেই পৌঁছে যাওয়ায় এবং তার চেহারা পরিবর্তিত হওয়ায় তাকে বারবাড়িতে বসতে হয়েছিল।

বারবাড়িতে নায়েবমশাই শোভনকে কী দেখান এবং কেন দেখান?

বারবাড়িতে নায়েবমশাই শোভনকে তারই একটা পুরোনো ফটো দেখান এবং তার প্রতিক্রিয়া দেখতে চান।

শোভন নায়েবমশাই এবং অন্যান্য কর্মচারীদের চোখে কী দেখেছিল এবং কেন?

শোভন নায়েবমশাই এবং অন্যান্য সমস্ত কর্মচারীর চোখে অবিশ্বাস দেখেছিল এবং তার কারণ তারা আগেই শোভনের মৃত্যুসংবাদ পেয়েছিল।

নায়েবমশাই শোভনকে শোভনেরই মৃত্যুসংবাদ কীভাবে দেন?

নায়েবমশাই শোভনকে জানান, সাতদিন আগেই শোভন অপঘাতে মারা গেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা তার খবর বিজ্ঞাপন দেখে জানিয়েছে এবং হাসপাতাল থেকে তার সমর্থনও তারা পেয়েছেন।

প্রকৃতপক্ষে শোভন দেশের বাড়িতে কোন্ আকাঙ্ক্ষা নিয়ে গিয়েছিল?

প্রকৃতপক্ষে শোভন মা এবং বাবার সঙ্গে দেখা করার অভিপ্রায়ে দেশের বাড়ি গিয়েছিল, সম্পত্তি পাওয়ার জন্য নয়।

হঠাৎ করে বাবাকে দেখতে পেয়ে শোভনের কী মনে হয়েছিল?

হঠাৎ করে বাবাকে দেখে শোভনের ঝড়ে ভাঙা গাছের মতো বিধ্বস্ত মনে হয়েছিল, যার চলনে পুত্রের দুর্ঘটনার শোকার্ত অভিব্যক্তি ফুটে উঠেছিল।

শোভন কীভাবে বাবার কাছে পৌঁছোল?

হঠাৎ বাবাকে বেরোতে দেখে শোভন সকলে কিছু বোঝবার আগেই ঘর থেকে দৌড়ে বেরিয়ে বাবার কাছে পৌঁছে গিয়েছিল।

বাবার বার্ধক্যের বেদনাবিধুর মুখটি দেখে শোভনের কী অনুভূতি হয়েছিল?

‘বাবা’ বলে ডাকার পর বাবার বেদনাময় বিমূঢ় মুখটি দেখে শোভন বুকে ছুরি বেঁধার মতো বেদনাহত হয়েছিল।

বৃদ্ধকে নায়েবমশাই শোভন সম্বন্ধে কী বোঝান?

বৃদ্ধকে নায়েবমশাই ‘এ’ যে শোভন নয় বোঝাতে চেয়ে, আগের দু-বারের প্রতারণার কথা উল্লেখ করেন।

বৃদ্ধ শেষবারের মতো কী করেছিলেন?

বৃদ্ধ শোভনকে কিছু না বলে চলে যেতে বলে, শেষবারের মতো তার দিকে কাতরভাবে তাকিয়ে ঘরে ফিরে যান।

বৃদ্ধের প্রতিক্রিয়া দেখে শোভনের আচরণ কী হয়েছিল?

বৃদ্ধের প্রতিক্রিয়া দেখে শোভন স্তব্ধ হয়ে পড়ায় নায়েবমশাই -এর কোনো কথা তার কানে আসে না, তাই আনমনে আবার সে বারবাড়িতে গিয়ে বসে।

পরবর্তীতে নায়েবমশাই -এর পরিবর্তিত আচরণ কী ছিল?

পূরবর্তীতে নায়েবমশাই-ই শোভনের হাতে অনেকগুলো টাকার নোট নিয়ে কাতর কণ্ঠে মিনতি জানিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন শোকাহত মায়ের কাছে তাঁর হারানো ছেলে হয়ে একবার দেখা করার জন্য।

নায়েবমশাই শোভনকে কী মিনতি জানান?

নায়েবমশাই -এর মিনতি ছিল শোভনকে বৃদ্ধের পুত্রের। ভূমিকায় তাঁর স্ত্রীর কাছে একবারের জন্য দেখা দিতে হবে।

নায়েবমশাই -এর মিনতির কারণ কী ছিল?

বৃদ্ধের হারানো ছেলের সঙ্গে শোভনের সাদৃশ্য থাকায়, মুমূর্ষু স্ত্রীকে সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য বৃদ্ধ নিজেই কাতর অনুরোধ করেছিলেন। সেই কারণেই নায়েবমশাই শোভনের কাছে মিনতি করেন।

অবশেষে নায়েবমশাই কী করেন?

কাতর মিনতির পর নায়েবমশাই অবশেষে হতভম্ব শোভনের হাতে নোটের তাড়াটি গুঁজে দেন।

সোমেশ চুপ করার পর লেখক তাকে কী বলেছিলেন?

সোমেশ চুপ করার পর লেখক সোমেশকে মনে করিয়ে দিয়েছিলেন যে, তার কানের কাছেও একটা জড়ুল আছে।

সোমেশ লেখককে কী উত্তর দিয়েছিল?

সোমেশ লেখককে হেসে জানায় জড়ুলটা থাকার জন্য তার পক্ষে গল্পটা বানানো সহজ হয়েছে।

সোমেশের কথায় লেখকের প্রতিক্রিয়া কী ছিল?

শীতের মেঘলা পরিমণ্ডলে সোমেশের হাসিটিই লেখকের কাছে গল্প বানানোর ক্ষেত্রে অবিশ্বাস বা সংশয়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

“দিনটা ভারী বিশ্রী।” — দিনটা বিশ্রী কেন?

শীতের দিন হলেও বাদলার কারণে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন এবং পৃথিবী স্নান হয়ে উঠেছে। তাই দিনটা এত বিশ্রী।

“একটা আশ্চর্য ব্যাপার দেখেছ?” — আশ্চর্য ব্যাপারটি কী ছিল?

আশ্চর্য ব্যাপারটি ছিল খবরের কাগজে একসঙ্গে সাত-সাতটা নিরুদ্দেশের বিজ্ঞাপন বেরোনো।

সোমেশ হঠাৎ এসে পড়ায় কথকের কী সুবিধা হয়েছিল?

সোমেশ হঠাৎ এসে পড়ায় কথকের শীতের মেঘলা দুপুর কাটানোর সুবিধা হয়েছিল।

কাগজে সাতটি বিজ্ঞাপনের কথা শুনে সোমেশের প্রতিক্রিয়া কী ছিল?

বিজ্ঞাপনের কথা শুনে সোমেশ কোনো কৌতূহল না দেখিয়ে উদাসীনভাবে সিগারেটের ধোঁয়া ছাড়তে থাকে।

আমার হাসি পায়। — কীসে বক্তা হাসি পাওয়ার কথা বলেছেন?

কথক বলেছেন যে কাগজে নিরুদ্দেশের বিজ্ঞাপনগুলো দেখলে তাঁর হাসি পায়।

নিরুদ্দেশ গল্পে ছেলের পীড়াপীড়িতে মা কী করেছিলেন?

নিরুদ্দেশ গল্পে ছেলের পীড়াপীড়িতে মা লুকানো পুঁজি থেকে টাকা বের করে তাকে দিয়েছিলেন।

নিরুদ্দেশ গল্পে বাবা তাঁর থিয়েটার-দেখতে-যাওয়া ছেলে ফিরলে কী করবেন বলেছেন?

নিরুদ্দেশ গল্পে বাবা তাঁর থিয়েটার দেখে ফেরা ছেলেকে বাড়ি থেকে বের করে দেবেন বলেছেন।

ছেলে নিরুদ্দেশে চলে যাওয়ার পরে মা-র কী অবস্থা হয়?

ছেলে নিরুদ্দেশে চলে যাওয়ার পরে মা খাওয়া বন্ধ করে দেন এবং বিছানা ছেড়ে ওঠেন না।

এ অশান্তির চেয়ে বনবাস ভালো। — একথা বলে বাবা কী করেন?

এ অশান্তির চেয়ে বনবাস ভালো। — একথা বলে বাবা খবরের কাগজের অফিসে যান।

বাবা ছেলের খোঁজ পাওয়ার জন্য কী করতে গিয়েছিলেন?

বাবা ছেলের খোঁজ পাওয়ার জন্য খবরের কাগজে বিজ্ঞাপন দিতে গিয়েছিলেন।

বিজ্ঞাপন দেওয়ার জন্য নিরুদ্দিষ্ট ছেলেটির বাবার কাছে কী কী জানতে চাওয়া হয়েছিল?

বিজ্ঞাপন দেওয়ার জন্য নিরুদ্দিষ্ট ছেলেটির বাবার কাছে স্পেসের পরিমাপ ও বিজ্ঞাপনের কপি এনেছেন কিনা জানতে চাওয়া হয়েছিল।

নিরুদ্দেশের বিজ্ঞাপনে বাবা কী লিখতে চেয়েছিলেন?

নিরুদ্দেশের বিজ্ঞাপনে বাবা ছেলেকে ফিরে আসার আবেদন জানাতে চেয়েছিলেন।

ছেলের নিরুদ্দেশের বিজ্ঞাপন দেওয়ার সময়ে বাবা সবথেকে বেশি কী নিয়ে চিন্তিত ছিলেন?

বিজ্ঞাপন দেওয়ার সময়ে নিরুদ্দিষ্ট ছেলেটির মায়ের জলগ্রহণ না করার বিষয়টি নিয়েই তার বাবা সবথেকে বেশি চিন্তিত ছিলেন।

খবরের কাগজে বিজ্ঞাপন প্রকাশের আগেই কী ঘটনা ঘটল?

খবরের কাগজে বিজ্ঞাপন প্রকাশের আগেই নিরুদ্দিষ্ট ছেলেটি বাড়িতে ফিরে এসেছিল।

ছেলেটি বাড়িতে ফিরে এসেছিল কেন?

ছেলেটি তার গোটাকতক বই নিয়ে যাওয়ার জন্য বাড়িতে ফিরে এসেছিল।

“অত আদর ভালো নয়!” — কে কাকে বলেছেন?

প্রেমেন্দ্র মিত্র রচিত নিরুদ্দেশ গল্পে বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়া ও আবার ফিরে আসা ছেলের মা তার বাবাকে আলোচ্য কথাটি বলেছেন।

“পুরানো খবরের কাগজের ফাইল যদি উলটে দেখো” — কী দেখা যাবে?

পুরানো খবরের কাগজের ফাইল উলটালে দেখা যাবে দিনের পর দিন একটি বিশেষ নিরুদ্দেশের বিজ্ঞাপন ধারাবাহিকভাবে বেরিয়েছে।

“মনে হয় ছাপার লেখায় সত্যি যেন কান পাতলে কাতর আর্তনাদ শোনা যাবে।” — এই আর্তনাদ কীসের জন্য ছিল?

এই আর্তনাদ ছিল নিরুদ্দিষ্ট ছেলের ফিরে আসার জন্য মায়ের কাতর আবেদন।

শোভনের পরিচয়জ্ঞাপক কী বিশেষ চিহ্ন ছিল?

শোভনের পরিচয়জ্ঞাপক বিশেষ চিহ্ন হিসেবে তার ঘাড়ের দিকে ডান কানের কাছে ছিল একটি বড়ো জড়ুলো।

“তা মনে কোরো না।” — কী মনে না করার কথা বলা হয়েছে?

শোভন নামের ছেলেটি বাড়ি ছেড়েছিল কোনো অভিমানের বশে, এমনটা মনে না করার কথা বলা হয়েছে।

হঠাৎ করে বিজ্ঞাপন বন্ধ হওয়ার কারণ কী ছিল?

ছেলের ফিরে না-আসার চূড়ান্ত হতাশা থেকেই বিজ্ঞাপন বন্ধ হয়েছিল, কারণ নিরুদ্দিষ্টের মায়ের শরীর এতটাই খারাপ হয়েছিল যে বিজ্ঞাপন অর্থহীন হয়ে গিয়েছিল।

“তার উদাসীন মনও বিচলিত হয়ে উঠল।” — এর কারণ কী?

যেদিন কাগজে নিরুদ্দেশের বিজ্ঞাপন বন্ধ হয়ে গেল সেদিন শোভনের মনও বিচলিত হয়ে উঠল।

“প্রায় দুই বৎসর তখন কেটে গেছে।” — কীসের পরে দু-বছর কেটে গেছে?

শোভন নিরুদ্দেশ হওয়ার পরে দু-বছর কেটে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে।

“শোভনই তার একমাত্র উত্তরাধিকারী।” — শোভন কীসের উত্তরাধিকারী?

এক প্রাচীন জমিদারি যা অনেক দুর্দিনের মধ্যেও নিজেকে টিকিয়ে রাখতে সমর্থ হয়েছে শোভন তার একমাত্র উত্তরাধিকারী।

“এতটা আশঙ্কা করেনি।” — কী আশঙ্কা না করার কথা বলা হয়েছে?

দু-বছর নিরুদ্দেশে থাকার ফলে তার কিছু পরিবর্তন হলেও জমিদারির কর্মচারীরা তাকে চিনতে পারবে না এটা শোভন আশঙ্কা করেনি।

“নায়েব মশাই তার দিকে খানিক তীক্ষ্ণদৃষ্টিতে তাকিয়ে থেকে তারপর একটু স্মিতহাস্যে বললেন।” — নায়েব মশাই কী বলেছিলেন?

নায়েব মশাই শোভনকে তাড়াহুড়ো না-করে বারবাড়িতে বিশ্রাম করতে বলেছিলেন।

“সে যেন আশ্বস্ত হলো।” — কে কীসে আশ্বস্ত হল?

শোভন পরিচিত খাজাঞ্চি মশাইকে দেখে আশ্বস্ত হল।

“মিছিমিছি কেলেংকারি করে লাভ নেই।” — কাকে কেলেংকারি বলা হয়েছে?

জোর করে শোভনের বাড়ির ভিতরে যাওয়ার চেষ্টাকে বৃদ্ধ নায়েব মশাই কেলেংকারি বলেছেন।

“একটা ড্রয়ার খুলে তিনি একটা জিনিস এনে শোভনের হাতে দিলেন।” — এখানে কী দেওয়ার কথা বলা হয়েছে?

ড্রয়ার খুলে নায়েব মশাইয়ের শোভনকে তার পুরোনো ফোটো দেওয়ার কথা এখানে বলা হয়েছে।

“নাঃ, এ অসহ্য।” — কী অসহ্য বলা হয়েছে?

যেভাবে ফোটো দেখিয়ে শোভনকে পরীক্ষা করা হচ্ছিল যে, তার নিজের ছবি সে নিজে চিনতে পারে কিনা তা শোভনের কাছে অসহ্য মনে হয়েছিল।

“শোভন উদ্‌ভ্রান্তভাবে সকলের দিকে চেয়ে দেখল।” — শোভন তাকিয়ে কী দেখেছিল?

শোভন উদ্‌ভ্রান্তভাবে সকলের দিকে তাকিয়ে দেখেছিল যে সকলের দৃষ্টিতেই তার প্রতি অবিশ্বাস রয়েছে।

শোভনের মৃত্যু কীভাবে হয়েছে বলে নায়েব মশাই জানিয়েছিলেন?

শোভনের মৃত্যু গাড়ি চাপা পড়ে অপঘাতে হয়েছে বলে নায়েব মশাই জানিয়েছিলেন।

বাড়ি থেকে বাবাকে বেরোতে দেখে শোভনের কী মনে হয়েছিল?

দীর্ঘ দু-বছর পর বাড়ি থেকে বাবাকে বেরোতে দেখে শোভনের ঝড়ে ভাঙা গাছের কথা মনে হয়েছিল।

“নায়েব ও কর্মচারীরা ব্যাপারটা বুঝে যখন তার পিছু নিলে” — এই পিছু নেওয়ার কারণ কী?

শোভন বাবাকে দেখে তাঁর দিকে ছুটে গেলে তাকে আটকাতে নায়েব ও কর্মচারীরা তার পিছু নেয়।

“বৃদ্ধ স্খলিতপদে এক পা এগিয়ে আবার থমকে গেলেন।” — কখন এই থমকে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছিল?

নিরুদ্দিষ্ট শোভন বাড়িতে ফিরে বাবা তাকে চিনতে পারছেন কিনা জানতে চাইলে বৃদ্ধ বাবা থমকে যান।

“এই নিয়ে তিনবার হলো!” — এখানে কীসের কথা বলা হয়েছে?

বিজ্ঞাপন দেখে নিজেকে নিরুদ্দিষ্ট শোভন দাবি করে তিনজন ব্যক্তির আসার কথা এখানে বলা হয়েছে।

“বৃদ্ধ তাকে থামিয়ে বললেন” — বৃদ্ধ কী বলেছিলেন?

শোভনের বৃদ্ধ বাবা নায়েবকে বলেছিলেন শোভনকে কিছু না বলে চলে যেতে দিতে।


আজকের এই আর্টিকেলে আমরা নবম শ্রেণীর বাংলা বিষয়ের ষষ্ঠ পাঠের প্রথম অধ্যায়, ‘নিরুদ্দেশ’ -এর কিছু অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর নিয়ে আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নোত্তরগুলো নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ নবম শ্রেণীর বাংলা পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন নিয়মিত আসে। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের উপকারে এসেছে। যদি আপনার কোনো প্রশ্ন বা মতামত থাকে, তবে টেলিগ্রামে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। আপনাদের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য আমরা সর্বদা প্রস্তুত। ধন্যবাদ।

Please Share This Article

Related Posts

নবম শ্রেণী ইতিহাস - প্রাককথন: ইউরোপ ও আধুনিক যুগ

নবম শ্রেণী ইতিহাস – প্রাককথন: ইউরোপ ও আধুনিক যুগ

নবম শ্রেণী ইতিহাস - বিপ্লবী আদর্শ,নেপোলিয়নীয় সাম্রাজ্য ও জাতীয়তাবাদ - বিষয়সংক্ষেপ

নবম শ্রেণী ইতিহাস – বিপ্লবী আদর্শ, নেপোলিয়নীয় সাম্রাজ্য ও জাতীয়তাবাদ – বিষয়সংক্ষেপ

নবম শ্রেণী ইতিহাস - বিপ্লবী আদর্শ, নেপোলিয়নীয় সাম্রাজ্য ও জাতীয়তাবাদ - অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর

নবম শ্রেণী ইতিহাস – বিপ্লবী আদর্শ, নেপোলিয়নীয় সাম্রাজ্য ও জাতীয়তাবাদ – অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর

About The Author

Souvick

Tags

মন্তব্য করুন

SolutionWbbse

"SolutionWbbse" শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অনলাইন অধ্যয়ন প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি, মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য গাইডলাইন, এবং বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনার সাহায্য প্রদান করা হয়। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে সকল বিষয়ের শিক্ষণীয় উপকরণ সহজেই সকল শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছে দেওয়া।

Editor Picks

আলোর বিক্ষেপণ কাকে বলে? দিনের বেলায় আকাশকে নীল দেখায় কেন?

আলোর বিচ্ছুরণ ও আলোর প্রতিসরণ কাকে বলে? আলোর বিচ্ছুরণ ও প্রতিসরণের মধ্যে পার্থক্য

আলোক কেন্দ্র কাকে বলে? আলোক কেন্দ্রের বৈশিষ্ট্য ও গুরুত্ব

উত্তল লেন্স ও অবতল লেন্স কাকে বলে? উত্তল লেন্স ও অবতল লেন্সের মধ্যে পার্থক্য

একটি অচল পয়সার আত্মকথা – প্রবন্ধ রচনা