এই আর্টিকলে আমরা নবম শ্রেণীর জীবন বিজ্ঞানের প্রথম অধ্যায় ‘জীবন ও তার বৈচিত্র্য’ -এর অন্তর্গত ‘জীববিদ্যা হল জীবনের রীতি ও প্রক্রিয়া এবং তারা বৈচিত্রের অধ্যয়ন’ অংশের গুরুত্বপূর্ণ অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর নিয়ে আলোচনা করব। পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ (WBBSE) -এর সিলেবাস অনুযায়ী আসন্ন ইউনিট টেস্ট বা স্কুল পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য এই প্রশ্নগুলো অত্যন্ত জরুরি।

নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নোত্তর
সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো
‘বায়োলজি’ শব্দের প্রবর্তক হলেন –
- ডারউইন
- অ্যারিস্টট্ল
- ল্যামার্ক
- ওপারিন
উত্তর – 3. ল্যামার্ক
জীববিদ্যার জনক হলেন –
- অ্যারিস্টট্ল
- ল্যামার্ক
- থিওফ্রাসটাস
- লিনিয়াস
উত্তর – 1. অ্যারিস্টট্ল
লৌকিক উদ্ভিদবিদ্যা সংক্রান্ত তত্ত্ব বিজ্ঞানের যে শাখায় আলোচনা করা হয়, তাকে বলে –
- প্যালিওবটানি
- ইথনোবটানি
- ফাইকোলজি
- মাইকোলজি
উত্তর – 2. ইথনোবটানি
জীববিদ্যার যে শাখায় বার্ধক্যজনিত দশার বিজ্ঞানসম্মত চর্চা করা হয় তাকে বলে –
- জিওলজি
- জেরোন্টোলজি
- জেনেটিক্স
- ডেন্ড্রোলজি
উত্তর – 2. জেরোন্টোলজি
প্রাণীবিদ্যার যে শাখায় সরীসৃপ সংক্রান্ত আলোচনা করা হয় তা হয় –
- নেফ্রোলজি
- সারপেন্টোলজি
- হারপেটোলজি
- এভিয়ান
উত্তর – 3. হারপেটোলজি
অঙ্কোলজি হল –
- নিষিক্ত ডিম্বাণুর বিকাশ
- মৃতকোশ সম্পর্কিত বিদ্যা
- ক্যানসার সংক্রান্ত বিদ্যা
- কোশের বিবর্তন
উত্তর – 3. ক্যানসার সংক্রান্ত বিদ্যা
ব্যাং সংক্রান্ত বিজ্ঞানকে বলে –
- ব্যাট্রাকোলজি
- বায়োজিওগ্রাফি
- অ্যাপিওলজি
- ব্যাকটেরিওলজি
উত্তর – 1. ব্যাট্রাকোলজি
ড্যাকটিওলজি হল –
- জীবের আচরণ সংক্রান্ত বিদ্যা
- আঙুলের ছাপ সংক্রান্ত বিদ্যা
- দাঁত সম্বন্ধীয় বিদ্যা
- জনসংখ্যা সম্বন্ধীয় বিদ্যা
উত্তর – 2. আঙুলের ছাপ সংক্রান্ত বিদ্যা
সাইটোলজিতে যে বিষয়ে পড়াশুনা করতে হয়, তা হল –
- দেহগঠন
- প্রাণীদেহের পুষ্টি
- কোশ
- সামাজিক আচরণ
উত্তর – 3. কোশ
জীববিজ্ঞানের যে শাখায় অধ্যয়নের বিষয় হল সমগ্র অণুজীবজগৎ, তা হল –
- প্রোটোজুলজি
- প্যালিয়োবটানি
- মাইক্রোবায়োলজি
- মাইক্রোমেট্রি
উত্তর – 3. মাইক্রোবায়োলজি
জীববিদ্যার ছত্রাক বিষয়ক শাখাকে বলা হয় –
- মাইকোলজি
- ফাইকোলজি
- হিস্টোলজি
- মাইক্রোবায়োলজি
উত্তর – 1. মাইকোলজি
জীবসংখ্যার পরিমাণ, বৃদ্ধি হার প্রভৃতি জীববিদ্যার যে শাখায় আলোচিত হয়, সেটি হল –
- বায়োমেট্রিক্স
- বায়োনিক্স
- সাইবারনোটিক্স
- বায়োইনফরমেটিক্স
উত্তর – 1. বায়োমেট্রিক্স
জীবাশ্ম সম্পর্কিত বিজ্ঞানের শাখাটি হল –
- Zoology
- Anatomy
- Oncology
- Palaeontology
উত্তর – 4. Palaeontology
মৃত্তিকা বিজ্ঞানকে বলে –
- পেডোলজি
- ইকোলজি
- ডেসমোলজি
- সাইটোলজি
উত্তর – 1. পেডোলজি
মুক্তো চাষকে বলা হয় –
- সেরিকালচার
- এপিকালচার
- ডেয়ারি
- পার্লকালচার
উত্তর – 4. পার্লকালচার
হর্টিকালচার হল –
- বৃক্ষ সম্বন্ধীয় বিজ্ঞান
- উদ্যান পালন
- মৎস্য চাষ
- লাক্ষা পালন
উত্তর – 2. উদ্যান পালন
___ বিশুদ্ধ জীববিদ্যা শাখা।
- ডেয়ারি
- পিগারি
- ফার্মাসি
- হিস্টোলজি
উত্তর – 4. হিস্টোলজি
রক্তবিষয়ক রোগবিদ্যা হল –
- কার্ডিওলজি
- মায়োলজি
- হিমাটোলজি
- নেফ্রোলজি
উত্তর – 3. হিমাটোলজি
মানসিক বিশৃঙ্খলা সম্পর্কিত বিদ্যা –
- সাইকোলজি
- নিউরোলজি
- সাইকিয়াট্রি
- ফিজিওথেরাপি
উত্তর – 3. সাইকিয়াট্রি
সঠিক জোড় নয় –
- সিলভিকালচার – ফুলচাষ
- এপিকালচার – মৌমাছি পালন
- সেরিকালচার – রেশম মথ
- পিসিকালচার – মাছ চাষ
উত্তর – 1. সিলভিকালচার – ফুলচাষ
জনসংখ্যা সংক্রান্ত বিদ্যা হল –
- ডেমোগ্রাফি
- কারটোগ্রাফি
- ম্যালাকোলজি
- ইকথিওলজি
উত্তর – 1. ডেমোগ্রাফি
পক্ষী সংক্রান্ত বিজ্ঞান হল –
- ফেরিকালচার
- এন্টোমোলজি
- অরনিথোলজি
- বায়োনিক্স
উত্তর – 3. অরনিথোলজি
শূন্যস্থান পূরণ করো
যে বিজ্ঞান সজীব বস্তু সম্বন্ধে আলোচনা করে, তাকে বলে ___।
উত্তর – যে বিজ্ঞান সজীব বস্তু সম্বন্ধে আলোচনা করে, তাকে বলে জীবনবিজ্ঞান।
মিষ্টি জলের জীবন সংক্রান্ত আলোচনাকে বলে ___।
উত্তর – মিষ্টি জলের জীবন সংক্রান্ত আলোচনাকে বলে লিমনোলজি।
জীববিদ্যার যে শাখায় জীবের বংশগতি ও প্রকরণ সম্বন্ধে আলোচনা করা হয়, তাকে বলে ___।
উত্তর – জীববিদ্যার যে শাখায় জীবের বংশগতি ও প্রকরণ সম্বন্ধে আলোচনা করা হয়, তাকে বলে জেনেটিক্স।
জীববিদ্যা ও ___ এর সহযোগে গঠিত শাখাটির নাম হল বায়োনিক্স।
উত্তর – জীববিদ্যা ও ইলেকট্রনিক্স এর সহযোগে গঠিত শাখাটির নাম হল বায়োনিক্স।
পরজীবী সংক্রান্ত বিদ্যাকে বলে ___।
উত্তর – পরজীবী সংক্রান্ত বিদ্যাকে বলে প্যারাসাইটোলজি।
মৎস্য চাষ ___ জীববিদ্যার শাখা।
উত্তর – মৎস্য চাষ ফলিত জীববিদ্যার শাখা।
মৌমাছিপালন ও মধু উৎপাদন সংক্রান্ত ফলিত প্রাণীবিদ্যা শাখাটি হল ___।
উত্তর – মৌমাছিপালন ও মধু উৎপাদন সংক্রান্ত ফলিত প্রাণীবিদ্যা শাখাটি হল এপিকালচার।
___ প্রয়োগ দ্বারা বীজহীন ফল উৎপাদন ঘটে।
উত্তর – কৃত্রিম হরমোন প্রয়োগ দ্বারা বীজহীন ফল উৎপাদন ঘটে।
জীব দ্বারা ক্ষতিকারক কীটপতঙ্গ ধ্বংস করার পদ্ধতিকে বলে ___।
উত্তর – জীব দ্বারা ক্ষতিকারক কীটপতঙ্গ ধ্বংস করার পদ্ধতিকে বলে জৈবিক নিয়ন্ত্রণ।
জার্সি শাহিওয়াল একটি উন্নতজাতের ___ ব্রিড।
উত্তর – জার্সি শাহিওয়াল একটি উন্নতজাতের গোরুর ব্রিড।
ক্যানসার সংক্রান্ত বিদ্যা ___।
উত্তর – ক্যানসার সংক্রান্ত বিদ্যা অঙ্কোলজি।
মহাকাশ গবেষণায় ব্যবহৃত শৈবাল হল ___।
উত্তর – মহাকাশ গবেষণায় ব্যবহৃত শৈবাল হল ক্লোরেল্লা।
অপরাধ ও অপরাধ সংক্রান্ত বিজ্ঞানকে বলা হয় ___।
উত্তর – অপরাধ ও অপরাধ সংক্রান্ত বিজ্ঞানকে বলা হয় ক্রিমিনোলজি।
সোনেরা-64, সোনালিকা, গিরিজা প্রভৃতি হল উচ্চফলনশীল ___।
উত্তর – সোনেরা-64, সোনালিকা, গিরিজা প্রভৃতি হল উচ্চফলনশীল গমের প্রজাতি।
জীববিদ্যার সঙ্গে ___ এর সমন্বয়ে গঠিত বিজ্ঞানের শাখাকে বলা হয় বায়োনিক্স।
উত্তর – জীববিদ্যার সঙ্গে ইলেকট্রনিক্স এর সমন্বয়ে গঠিত বিজ্ঞানের শাখাকে বলা হয় বায়োনিক্স।
জীববিদ্যার যে শাখায় জীবদেহের নানা কলা ও কোশ সম্বন্ধে আলোচনা করা হয় তা হল ___।
উত্তর – জীববিদ্যার যে শাখায় জীবদেহের নানা কলা ও কোশ সম্বন্ধে আলোচনা করা হয় তা হল হিস্টোলজি।
একটি উচ্চ ফলনশীল ধানের প্রজাতি হল ___।
উত্তর – একটি উচ্চ ফলনশীল ধানের প্রজাতি হল IR-8।
একটি অধিক ডিম ও মাংস উৎপাদনকারী মুরগির ব্রিড হল ___।
উত্তর – একটি অধিক ডিম ও মাংস উৎপাদনকারী মুরগির ব্রিড হল প্লাইমাউথ রক।
ঠিক বা ভুল নির্বাচন করো।
উদ্ভিদসংক্রান্ত বিদ্যাকে বলে জীববিদ্যা।
উত্তর – ভুল [×]
সঠিক উত্তর –উদ্ভিদবিদ্যা।
শস্য উৎপাদন ও রক্ষণাবেক্ষণ সংক্রান্ত আলোচনাকে বলে অ্যাগ্রোনমি।
উত্তর – ঠিক [✓]
রেশমচাষ হল একটি ফলিত উদ্ভিদবিদ্যা শাখা।
উত্তর – ভুল [×]
সঠিক উত্তর –প্রাণীবিদ্যা।
পক্ষীসম্বন্ধীয় আলোচনাকে বলে অরনিথোলজি।
উত্তর – ঠিক [✓]
জীবদেহের কলা সংক্রান্ত বিদ্যাটি হল ফিজিওলজি।
উত্তর – ভুল [×]
সঠিক উত্তর – হিস্টোলজি।
এন্টোমোলজি হল পতঙ্গ সম্বন্ধীয় আলোচনা।
উত্তর – ঠিক [✓]
মলিকিউলার বায়োলজিতে অণুজীব সংক্রান্ত আলোচনা করা হয়।
উত্তর – ভুল [×]
সঠিক উত্তর – মাইক্রোবায়োলজি।
বিজ্ঞানের দুটি প্রধান শাখা হল ভৌতবিজ্ঞান ও জীবনবিজ্ঞান।
উত্তর – ঠিক [✓]
জীবনবিজ্ঞানের দুটি প্রধান শাখা হল উদ্ভিদবিদ্যা ও কোশবিদ্যা।
উত্তর – ভুল [×]
সঠিক উত্তর –উদ্ভিদবিদ্যা ও প্রাণীবিদ্যা।
কোশবিদ্যা হল জীববিদ্যার বিশুদ্ধ শাখা।
উত্তর – ঠিক [✓]
কৃষিবিদ্যা হল উদ্ভিদবিদ্যার একটি বিশুদ্ধ শাখা।
উত্তর – ভুল [×]
সঠিক উত্তর – ফলিত।
পার্লকালচার হল উদ্ভিদবিদ্যার একটি প্রায়োগিক শাখা।
উত্তর – ভুল [×]
সঠিক উত্তর – প্রাণীবিদ্যার।
সরল জীব থেকে জটিল জীবের উৎপত্তির ব্যাখ্যা দেয় ইউজেনিক্স।
উত্তর – ভুল [×]
সঠিক উত্তর – ইভোলিউশন।
বর্তমানে ভ্যাকসিন সৃষ্টিতে জৈবপ্রযুক্তিবিদ্যা ব্যবহার করা হয়।
উত্তর – ঠিক [✓]
জীবদেহে ব্যাপন, অভিস্রবণ প্রক্রিয়ার প্রয়োগ সংক্রান্ত ব্যাখ্যায় রসায়নবিদ্যা সাহায্য করে।
উত্তর – ভুল [×]
সঠিক উত্তর – পদার্থবিদ্যা।
জীববিদ্যা ও পরিসংখ্যানবিদ্যার সমন্বয়ে গঠিত বিজ্ঞানশাখাকে বলা হয় বায়োনিক্স।
উত্তর – ভুল [×]
সঠিক উত্তর – বায়োমেট্রি।
বিশিষ্ট কয়েকজন বিজ্ঞানী ও তাঁদের বিশেষ উপাধিসমূহ
| বিজ্ঞানীদের নাম | উপাধি |
| অ্যারিস্টট্ল (Aristotle) | ফাদার অফ বায়োলজি (Father of Biology) বা জীববিদ্যার জনক। ইনি ফাদার অফ জুলজি (Father of Zoology) বা প্রাণীবিদ্যার জনক নামেও পরিচিত। |
| থিওফ্রাসটাস (Theophrastus) | ফাদার অফ বটানি (Father of Botany) বা উদ্ভিদবিদ্যার জনক। |
| রবার্ট হুক (Robert Hooke) | ফাদার অফ সাইটোলজি (Father of Cytology) বা কোশবিদ্যার জনক। |
| জি জে মেন্ডেল (G. J. Mendel) | ফাদার অফ জেনেটিকস (Father of Genetics) বা জিনতত্ত্বের জনক। |
| ক্যারোলাস লিনিয়াস (Carolus Linnaeus) | ফাদার অফ ট্যাক্সোনমি (Father of Taxonomy)। |
কারণসহ বেমানান শব্দ পৃথক করো।
| প্রশ্ন | উত্তর | কারণ |
| Bt-তুলো, গোল্ডেন রাইস, র্যাফানোব্রাসিকা, জার্সি গোরু | জার্সি গোরু | বাকীগুলি সবই ট্রান্সজেনিক জীব। |
| সোনেরা-64, IR-8, জয়া, রত্না | সোনেরা-64 | এটি গমের প্রজাতি, বাকীগুলি ধানের ভ্যারাইটি। |
| শারীরবিদ্যা, ভ্রুণবিদ্যা, কৃষিবিদ্যা, প্রত্নজীববিদ্যা | কৃষিবিদ্যা | এটি ফলিত জীববিদ্যা শাখা এবং বাকীগুলি বিশুদ্ধ জীববিদ্যা শাখা। |
| জীব-পদার্থবিদ্যা, জীব-রসায়নবিদ্যা, জীব-প্রযুক্তিবিদ্যা, মহাকাশ বিজ্ঞান | মহাকাশ বিজ্ঞান | বাকীগুলি জীববিদ্যা সম্পর্কিত অধ্যয়ন। |
| অরনিথোলজি, পিসিকালচার, এন্টোমোলজি, হর্টিকালচার | হর্টিকালচার | এটি উদ্ভিদবিদ্যা সম্পর্কিত, বাকীগুলি প্রাণীবিদ্যা সম্পর্কিত অধ্যয়ন। |
দু-একটি শব্দে উত্তর দাও।
মসবর্গীয় উদ্ভিদ সংক্রান্ত আলোচনাকে কী বলে?
মসবর্গীয় উদ্ভিদ সংক্রান্ত আলোচনাকে ব্রায়োলজি বলে।
ফার্নবর্গীয় উদ্ভিদবিদ্যাকে কী বলা হয়?
ফার্নবর্গীয় উদ্ভিদবিদ্যাকে টেরিডোলজি বলা হয়।
স্নায়ু সম্বন্ধীয় জীববিদ্যাকে কী বলে?
স্নায়ু সম্বন্ধীয় জীববিদ্যাকে নিউরোলজি বলে।
জীববিদ্যার কোন্ শাখার সাহায্যে বর্তমানে ভ্যাকসিন, অ্যান্টিবায়োটিক, উৎসেচক প্রভৃতি জৈবপদার্থ বাণিজ্যিক ভিত্তিতে উৎপাদন করা সম্ভব হচ্ছে?
জীববিদ্যার বায়োটেকনোলজি বা জৈবপ্রযুক্তিবিদ্যা শাখার সাহায্যে বর্তমানে ভ্যাকসিন, অ্যান্টিবায়োটিক, উৎসেচক প্রভৃতি জৈবপদার্থ বাণিজ্যিক ভিত্তিতে উৎপাদন করা সম্ভব হচ্ছে।
ওষুধ সম্পর্কিত বিজ্ঞানকে কী বলে?
ওষুধ সম্পর্কিত বিজ্ঞানকে ফার্মাকোলজি বলে।
রেডিয়োলজিতে রোগ নির্ণয়ের জন্য কোন্ কোন্ কৌশল প্রয়োগ করা হয়?
রেডিয়োলজিতে রোগ নির্ণয়ের জন্য X-ray, আল্ট্রাসাউন্ড প্রভৃতি কৌশল প্রয়োগ করা হয়।
জীববিদ্যা ও ইলেকট্রনিক্সের সমন্বয়ে গঠিত বিজ্ঞানশাখাকে কী বলে?
জীববিদ্যা ও ইলেকট্রনিক্সের সমন্বয়ে গঠিত বিজ্ঞানশাখাকে বায়োনিক্স বলে।
বর্তমানে কোন্ পদ্ধতিতে উচ্চফলনশীল বীজ পাওয়া সম্ভব হয়েছে?
বর্তমানে সংকরায়ণ বা হাইব্রিডাইজেশন পদ্ধতিতে উচ্চফলনশীল বীজ পাওয়া সম্ভব হয়েছে।
বর্তমান সহস্রাব্দে জীববিদ্যার দুটি গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারের নাম লেখো।
বর্তমান সহস্রাব্দে জীববিদ্যার দুটি গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারের নাম ক্লোনিং ও ট্রান্সজেনেসিস।
কোন্ অত্যাধুনিক পদ্ধতির সাহায্যে বিলুপ্তপ্রায় উদ্ভিদ ও প্রাণীকে বর্তমানে সংরক্ষিত করা হচ্ছে?
জার্মপ্লাজম সংরক্ষণ পদ্ধতির সাহায্যে বিলুপ্তপ্রায় উদ্ভিদ ও প্রাণীকে বর্তমানে সংরক্ষিত করা হচ্ছে।
অপরাধী শনাক্তকরণে ব্যবহৃত উন্নত জীবপ্রযুক্তিটির নাম লেখো।
অপরাধী শনাক্তকরণে ব্যবহৃত উন্নত জীবপ্রযুক্তিটির নাম DNA ফিঙ্গার প্রিন্টিং।
জীববিদ্যার একটি প্রচলিত শাখার (General stream) নাম লেখো।
জীববিদ্যার একটি প্রচলিত শাখার (General stream) নাম উদ্ভিদবিদ্যা।
জীববিদ্যার একটি পেশাগত শাখার (Professional stream) নাম লেখো।
জীববিদ্যার একটি পেশাগত শাখার (Professional stream) নাম চিকিৎসাবিদ্যা।
জীববিদ্যার একটি বৃত্তিগত শাখার (Vocational stream) নাম লেখো।
জীববিদ্যার একটি বৃত্তিগত শাখার (Vocational stream) নাম মৌমাছি পালন।
জীববিদ্যার যে শাখায় পরিবেশ ও জীবের বিভিন্ন সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে কী বলে?
জীববিদ্যার যে শাখায় পরিবেশ ও জীবের বিভিন্ন সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে ভৌগোলিক জীববিদ্যা বা বায়োজিওগ্রাফি বলে।
কোন্ বিজ্ঞানে জীবাণু সম্পর্কে আলোচনা করা হয়?
মাইক্রোবায়োলজি বিজ্ঞানে জীবাণু সম্পর্কে আলোচনা করা হয়।
ভ্রুণবিদ্যা বা এম্ব্রায়োলজি কাকে বলে?
জীববিদ্যার যে শাখায় ভ্রুণের গঠন ও বিকাশ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, তাকে এম্ব্রায়োলজি বা ভ্রুণবিদ্যা বলে।
প্রোটিস্টোলজি (Protistology) কী?
প্রোটিস্টা সংক্রান্ত জীববিদ্যাকে প্রোটিস্টোলজি বলে।
মাইকোলজি (Mycology) কাকে বলে?
ছত্রাক সম্বন্ধীয় জীববিদ্যাকে মাইকোলজি বলে।
ফাইকোলজি (Phycology) কাকে বলে?
শৈবাল সম্বন্ধীয় জীববিদ্যাকে ফাইকোলজি বলে।
ডেন্ড্রোলজি (Dendrology) কাকে বলে?
বৃক্ষ সম্বন্ধীয় উদ্ভিদবিদ্যাকে ডেন্ড্রোলজি বলে।
অঙ্কোলজিতে কোন্ বিষয়ে পড়াশোনা করা হয়?
অঙ্কোলজিতে ক্যানসার রোগ বা অস্বাভাবিক কোশের গঠন বিষয়ে পড়াশোনা করা হয়।
মহাকাশচারীদের খাদ্য হিসেবে ও শ্বসনে সৃষ্ট CO₂ গ্যাস শোষণে সাহায্য করে কোন্ শৈবাল?
মহাকাশচারীদের খাদ্য হিসেবে এবং শ্বসনে সৃষ্ট CO₂ গ্যাস শোষণে সাহায্য করে ক্লোরেল্লা নামক শৈবাল।
জীববিদ্যার দুটি আধুনিক শাখার নাম লেখো।
জীববিদ্যার দুটি আধুনিক শাখার নাম –
1. আণবিক জীববিদ্যা (Molecular Biology)।
2. বায়োটেকনোলজি (Biotechnology) বা জীব-প্রযুক্তিবিদ্যা।
ক্লোনিং (Cloning) কাকে বলে?
যে বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়ায় একটি জীবিত কোশ বা জীবিত কলা অথবা জিনের একই রকম গঠন বিশিষ্ট হুবহু প্রতিলিপি গঠন করা হয় (অযৌন জনন পদ্ধতিতে), তাকে ক্লোনিং বলা হয়। ক্লোনিং তিনপ্রকার, যথা – জিন ক্লোনিং, কোশ ক্লোনিং, কলা ক্লোনিং। স্কটল্যান্ডের রেজালিন ইন্সটিটিউটে ডাক্তার উইলমুট এবং তাঁর সহকর্মীবৃন্দ সর্বপ্রথম ডলি নামক এক ভেড়ার শাবক ক্লোনিং পদ্ধতিতে সৃষ্টি করেন।
জীববিদ্যার ‘আণবিক জীববিদ্যা’ শাখায় কী কী বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়?
জীববিদ্যার বিভিন্ন জটিল জৈব অণুগুলির (যেমন – DNA, RNA, প্রোটিন, উৎসেচক, কার্বোহাইড্রেট, ফ্যাট, হরমোন, লিপিড, নিউক্লিক অ্যাসিড) ভৌত রাসায়নিক গঠন, সংশ্লেষ পদ্ধতি ও কাজ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়।
জীববিদ্যার কোন্ শাখায় জীব ও জড়ের আন্তঃসম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করা হয়?
জীববিদ্যার বাস্তুবিদ্যা বা ইকোলজি শাখায় জীব ও জড়ের আন্তঃসম্পর্ক বিষয়ে আলোচনা ও অধ্যয়ন করা হয়।
জীবমিতি বা বায়োমেট্রি কোন্ দুটি বিদ্যার সমন্বয়ে গঠিত?
জীবমিতি বা বায়োমেট্রি জীববিদ্যা ও পরিসংখ্যান বিদ্যা নিয়ে গঠিত।
সিলভিকালচার (Silviculture) কী?
মূল্যবান কাঠ উৎপাদনকারী বৃক্ষজাতীয় উদ্ভিদ সংক্রান্ত আলোচনাকে সিলভিকালচার বলে। এটি একটি ফলিত উদ্ভিদবিদ্যা শাখা।
কঙ্কোলজি (Conchology) কী?
শামুকজাতীয় প্রাণীর খোলক (Shell) সংক্রান্ত আলোচনাকে বলে কঙ্কোলজি।
ইথোলজি (Ethology) কাকে বলে?
প্রাণীদের আচার আচরণ ও স্বভাব সম্পর্কিত জীববিদ্যাকে ইথোলজি বলে।
ইটিওলজি (Etiology) কী?
বিভিন্ন রোগের কারণ সম্পর্কিত অধ্যয়নকে ইটিওলজি বলে।
ইকোলজি (Ecology) কী?
জীববিদ্যার যে বিশুদ্ধ শাখায় জীবের বাসস্থান এবং পরিবেশের সঙ্গে জীবের আন্তঃসম্পর্ক বা মিথোস্ক্রিয়া আলোচিত হয়, তাকে ইকোলজি বলে।
হৃৎপিণ্ড সংক্রান্ত বিজ্ঞানকে কী বলে?
হৃৎপিণ্ড সংক্রান্ত বিজ্ঞানকে কার্ডিয়োলজি (Cardiology) বলে।
ভ্রূণবিদ্যা বা এস্থায়োলজি কাকে বলে?
জীববিদ্যার যে শাখায় ভ্রূণের গঠন ও বিকাশ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, তাকে এন্ড্রায়োলজি বা ভ্রূণবিদ্যা বলে।
প্রোটিস্টোলজি (Protistology) কী?
প্রোটিস্টা সংক্রান্ত জীববিদ্যাকে প্রোটিস্টোলজি বলে।
মাইকোলজি (Mycology) কাকে বলে?
ছত্রাক সম্বন্ধীয় জীববিদ্যাকে মাইকোলজি বলে।
ফাইকোলজি (Phycology) কাকে বলে?
শৈবাল সম্বন্ধীয় জীববিদ্যাকে ফাইকোলজি বলে।
ডেড্রোলজি (Dendrology) কাকে বলে?
বৃক্ষ সম্বন্ধীয় উদ্ভিদবিদ্যাকে ডেন্ড্রোলজি বলে।
অঙ্কোলজিতে কোন্ বিষয়ে পড়াশোনা করা হয়?
অঙ্কোলজিতে ক্যানসার রোগ বা অস্বাভাবিক কোশের গঠন বিষয়ে পড়াশোনা করা হয়।
মহাকাশচারীদের খাদ্য হিসেবে ও শ্বসনে সৃষ্ট CO2 গ্যাস শোষণে সাহায্য করে কোন শৈবাল?
মহাকাশচারীদের খাদ্য হিসেবে এবং শ্বসনে সৃষ্ট CO2 গ্যাস শোষণে সাহায্য করে ক্লোরেল্লা নামক শৈবাল।
জীববিদ্যার দুটি আধুনিক শাখার নাম লেখো।
জীববিদ্যার দুটি আধুনিক শাখার নাম –
1. আণবিক জীববিদ্যা (Molecular Biology),
2. বায়োটেকনোলজি (Bio-technology) বা জীব-প্রযুক্তিবিদ্যা।
ক্লোনিং (Cloning) কাকে বলে?
যে বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়ায় একটি জীবিত কোশ বা জীবিত কলা অথবা জিনের একই রকম গঠন বিশিষ্ট হুবহু প্রতিলিপি গঠন করা হয় (অযৌন জনন পদ্ধতিতে), তাকে ক্লোনিং বলা হয়।
জীববিদ্যার আণবিক জীববিদ্যা’ শাখায় কী কী বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়?
জীববিদ্যার বিভিন্ন জটিল জৈব অণুগুলির (যেমন – DNA, RNA, প্রোটিন, উৎসেচক, কার্বোহাইড্রেট, ফ্যাট, হরমোন, লিপিড, নিউক্লিক অ্যাসিড) ভৌত রাসায়নিক গঠন, সংশ্লেষ পদ্ধতি ও কাজ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়।
জীববিদ্যার কোন শাখায় জীব ও জড়ের আন্তঃসম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করা হয়?
জীববিদ্যার বাস্তুবিদ্যা বা ইকোলজি শাখায় জীব ও জড়ের আন্তঃসম্পর্ক বিষয়ে আলোচনা ও অধ্যয়ন করা হয়।
জীবমিতি বা বায়োমেট্রি কোন দুটি বিদ্যার সমন্বয়ে গঠিত?
জীবমিতি বা বায়োমেট্রি জীববিদ্যা ও পরিসংখ্যান বিদ্যা নিয়ে গঠিত।
সিলভিকালচার (Silviculture) কী?
মূল্যবান কাঠ উৎপাদনকারী বৃক্ষজাতীয় উদ্ভিদ সংক্রান্ত আলোচনাকে সিলভিকালচার বলে। এটি একটি ফলিত উদ্ভিদবিদ্যা শাখা।
কঙ্কোলজি (Conchology) কী?
শামুকজাতীয় প্রাণীর খোলক (Shell) সংক্রান্ত আলোচনাকে বলে কঙ্কোলজি।
ইথোলজি (Ethology) কাকে বলে?
প্রাণীদের আচার আচরণ ও স্বভাব সম্পর্কিত জীববিদ্যাকে ইথোলজি বলে।
ইটিওলমি (Etiology)
বিভিন্ন রোগের কারণ সম্পর্কিত অধ্যয়নকে ইটিওলজি বলে।
ইকোলজি (Ecology) কী?
জীববিদ্যার যে বিশুদ্ধ শাখায় জীবের বাসস্থান এবং পরিবেশের সঙ্গে জীবের আন্তঃসম্পর্ক বা মিথোস্তিয়া আলোচিত হয়, তাকে ইকোলজি বলে।
হৃৎপিও সংক্রান্ত বিপ্লনকে কী বলে?
হৃৎপিণ্ড সংক্রান্ত বিজ্ঞানকে কার্ডিয়োলজি (Cardiology) বলে।
উদ্ভিদ প্রজননবিদ্যা ও মাটি সংরক্ষণ সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত ধারণা দাও।
উদ্ভিদ প্রজননবিদ্যা (Plant Breeding) – এটি একটি ফলিত উদ্ভিদবিদ্যার শাখা। এই শাখায় সংকরায়ণ, কলাপালন, ইমাসকুলেশন, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং প্রভৃতি উন্নত প্রযুক্তির সাহায্যে উন্নত বৈশিষ্ট্যযুক্ত উদ্ভিদ সৃষ্টি করা হয়।
উদ্ভিদ প্রজননবিদ্যা ও মাটি সংরক্ষণ সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত ধারণা দাও।
মাটি সংরক্ষণ (Soil conservation) – এটিও একটি ফলিত উদ্ভিদবিদ্যার শাখা। এই শাখাতে বৃক্ষরোপণ, ধাপচাষ, জৈবসার, অণুজীবসার ব্যবহারের মাধ্যমে মাটির ক্ষয় রোধ ও উর্বরতাবৃদ্ধি সংক্রান্ত আলোচনা করা হয়।
সাইকোলজি ও ফিজিওথেরাপি বলতে কী বোঝো?
সাইকোলজি (Psychology) – জীববিদ্যার যে শাখায় মানুষের মন, প্রকৃতি এবং মানবিক গুণাগুণগুলি বিশেষভাবে আলোচিত হয় এবং মানুষের জটিল চিন্তাভাবনার স্তরকে বিশ্লেষণ করা হয়, তাকে সাইকোলজি বলে।
ফিজিওথেরাপি (Physiotherapy) – ব্যায়াম, ম্যাসাজ, আলোক, তাপ, বিদ্যুৎ প্রভৃতি প্রয়োগের দ্বারা দৈহিক অক্ষমতা, আঘাত ও বিভিন্ন স্নায়বিক রোগের নিরাময় পদ্ধতিকে ফিজিওথেরাপি বলা হয়।
মুত্রজনিত চিকিৎসাবিজ্ঞানকে কী বলে?
ইউরোলজি (Urology)।
শিশুদের রোগের কারণ নির্ণয় ও চিকিৎসাবিদ্যাকে কী বলে?
পেডিয়াট্রিক্স (Pediatrics)।
কান ও শ্রবণসংক্রান্ত চিকিৎসাবিদ্যাকে কী বলা হয়?
অটোলজি (Autology)।
কসমেটিক সার্জারি কী?
যে বিশেষ অস্ত্রোপচারের সাহায্যে দেহের বিকৃত গঠনকে স্বাভাবিক বা সুন্দর করে তোলা হয়, তাকে কসমেটিক সার্জারি বলে।
অ্যামনিওসেন্টেসিস কী?
যে পদ্ধতিতে ভূণের (মাতৃগর্ভে থাকাকালীন) অ্যামনিওটিক তরল সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হয়, তাকে অ্যামনিওসেন্টেসিস বলে। এই পরীক্ষার দ্বারা ভূণের জিনঘটিত ত্রুটি নির্ণয় করা যায়।
অ্যামনিওসেন্টেসিসের অপকারিতা কী?
ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ধারণের মাধ্যমে কন্যাভ্রূণ হত্যা করা।
জেনেটিক কাউন্সেলিং বলতে কী বোঝো?
জীববিদ্যার যে শাখায় বংশগত রোগবিহীন সন্তান উৎপাদন সম্পর্কে পরামর্শ দেওয়া হয়, তাকে বংশগত পরামর্শদান বা জেনেটিক কাউন্সেলিং (Genetic Councelling) বলে।
এই শাখার সাহায্যে হিমোফিলিয়া, থ্যালাসেমিয়া প্রভৃতি রোগাক্রান্ত সন্তান উৎপাদন সম্পর্কে মানুষকে অনেক সচেতন করে তোলা সম্ভব হয়েছে।
ফরেনসিক সায়েন্স কাকে বলে?
জীববিদ্যার যে বিভাগে অপরাধী শনাক্তকরণের জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি, যেমন – DNA ফিংগার প্রিন্টিং, ব্লাড-ম্যাচিং, DNA টাইপিং প্রভৃতি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, তাকে ফরেনসিক সায়েন্স বলে। বিজ্ঞানের এই শাখার সাহায্যে মাদক দ্রব্যেরও শনাক্তকরণ করা হয়।
থ্যানাটোলজি কী?
জীববিজ্ঞানের যে শাখায় জীবদেহের মৃত্যু পরবর্তী পরিবর্তন, মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে আলোচনা ও গবেষণা করা হয়, তাকে থ্যানাটোলজি বলে।
বায়োএনার্জেটিকস্ কী?
জীববিজ্ঞানের যে শাখায় জীবদেহের শক্তির গতিবিদ্যা সম্পর্কিত আলোচনা করা হয়, তাকে বায়োএনার্জেটিকস্ বলে।
GMO বা জেনেটিক্যালি মডিফায়েড অরগ্যানিজম কাকে বলে?
জীবপ্রযুক্তিবিদ্যার সাহায্যে জীবদেহে কাঙ্ক্ষিত জিনের অনুপ্রবেশ ঘটিয়ে পছন্দ অনুযায়ী উন্নত বৈশিষ্ট্যযুক্ত সৃষ্ট জীবকে GMO বা জেনেটিক্যালি মডিফায়েড অরগ্যানিজম বলে।
বায়োইনফরমেটিক্স কী?
বিজ্ঞানের যে বিশেষ আধুনিক শাখায় জীবদেহের বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণকারী জিন, DNA, প্রোটিন প্রভৃতি সংক্রান্ত তথ্যের বিশ্লেষণ, পর্যালোচনা, সংরক্ষণ ও তথ্যপ্রযুক্তির প্রয়োগের মাধ্যমে তা লিপিবদ্ধ করা হয়, তাকে বায়োইনফরমেটিক্স (Bioinformatics) বা জীবতথ্য লিপিকরণ বিজ্ঞান বলে।
লাহোর মহাবিদ্যালয়ে জীবনবিজ্ঞানের শিক্ষা কার দ্বারা প্রবর্তিত হয়েছিল?
অবিভক্ত ভারতে লাহোরে লাহোর মহাবিদ্যালয়ে প্রথম জীবনবিজ্ঞান পঠনপাঠন শুরু করেন তৎকালীন ইংরেজ অধ্যাপক ডাক্তার স্টিভেনসন।
ভারতে ডিম ও দুধ উৎপাদনের বৃদ্ধিকে কী বলা হয়?
ভারতে ডিম উৎপাদনের বৃদ্ধিকে ‘রূপোলি বিপ্লব’ (Silver revolution) এবং দুধ উৎপাদনের বৃদ্ধিকে ‘শ্বেত বিপ্লব’ (White revolution) বলে।
নীল, লাল, সবুজ ও সাদা জৈবপ্রযুক্তিবিদ্যার মধ্যে পার্থক্য কী?
নীল, লাল, সবুজ ও সাদা জৈবপ্রযুক্তিবিদ্যার মধ্যে পার্থক্য –
1. নীল জৈবপ্রযুক্তিবিদ্যা (Blue Biotechnology) – সামুদ্রিক ও জলজ জীবের উন্নতিসাধনে নিয়োজিত প্রযুক্তি।
2. লাল জৈবপ্রযুক্তিবিদ্যা (Red Biotechnology) – অ্যান্টিবায়োটিক, ভ্যাকসিন উৎপাদন, জিনগত রোগ নিরাময় পদ্ধতিতে ব্যবহৃত প্রযুক্তি।
3. সবুজ জৈবপ্রযুক্তিবিদ্যা (Green Biotechnology) – কৃষিকাজে উন্নতিসাধনের জন্য ব্যবহৃত প্রযুক্তিবিদ্যা।
4. সাদা জৈবপ্রযুক্তিবিদ্যা (White Biotechnology) – ভিটামিন, উৎসেচক, হরমোন প্রভৃতির বাণিজ্যিক উৎপাদনে নিয়োজিত প্রযুক্তিবিদ্যা।
আজকের এই আর্টিকেলে আমরা নবম শ্রেণীর জীবন বিজ্ঞানের প্রথম অধ্যায় ‘জীবন ও তার বৈচিত্র্য’ -এর অন্তর্গত ‘জীববিদ্যা হল জীবনের রীতি ও প্রক্রিয়া এবং তারা বৈচিত্রের অধ্যয়ন’ অংশের অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর নিয়ে আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নগুলো নবম শ্রেণীর পরীক্ষা এবং যারা ভবিষ্যতে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি নেবেন, তাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আশা করি, আর্টিকেলটি আপনাদের উপকারে আসবে। যদি কোনো প্রশ্ন বা জিজ্ঞাসা থাকে, তবে আমাদের টেলিগ্রামে যোগাযোগ করতে পারেন; আমরা উত্তর দেওয়ার যথাসাধ্য চেষ্টা করবো। এছাড়া, লেখাটি প্রয়োজনীয় মনে হলে আপনার বন্ধু বা সহপাঠীদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না। ধন্যবাদ।





মন্তব্য করুন