নবম শ্রেণী জীবনবিজ্ঞান – জীবন সংগঠনের স্তর – মানবদেহের প্রধান অঙ্গ ও তাদের কাজ – সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

Rahul

এই আর্টিকলে আমরা নবম শ্রেণীর জীবন বিজ্ঞানের দ্বিতীয় অধ্যায় ‘জীবন সংগঠনের স্তর’ -এর অন্তর্গত ‘মানবদেহের প্রধান অঙ্গ ও তাদের কাজ’ অংশের গুরুত্বপূর্ণ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর নিয়ে আলোচনা করব। পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ (WBBSE) -এর সিলেবাস অনুযায়ী আসন্ন ইউনিট টেস্ট বা স্কুল পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য এই প্রশ্নগুলো অত্যন্ত জরুরি।

মানবদেহের প্রধান অঙ্গ ও তাদের কাজ – সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর
Contents Show

অঙ্গ (Organ) কাকে বলে?

কতকগুলি ভিন্নধর্মী কলা মিলিতভাবে একটি নির্দিষ্ট শারীরবৃত্তীয় কাজ সম্পাদনের উদ্দেশ্যে যে দেহাংশ গঠন করে, তাকে অঙ্গ বা Organ বলে। যেমন – ত্বক, পাকস্থলী, যকৃৎ, বৃক্ক প্রভৃতি।

তন্ত্র (System) বলতে কী বোঝো?

কতকগুলি অঙ্গ মিলিতভাবে একটি নির্দিষ্ট শারীরবৃত্তীয় কার্য সম্পাদন করলে ওই অঙ্গ সমষ্টিকে তন্ত্র বা System বলে। যেমন – পৌষ্টিকতন্ত্র, শ্বাসতন্ত্র প্রভৃতি।

ত্বক (Skin) কাকে বলে?

মানবদেহের বাইরে আচ্ছাদন সৃষ্টিকারী যে অঙ্গ চাপ, তাপ, স্পর্শ, বেদনা প্রভৃতি অনুভূতি গ্রহণে সাহায্য করে এবং বাহ্যিক আঘাত ও রোগজীবাণুর হাত থেকে প্রতিরক্ষা দান করে তাকে ত্বক বা চর্ম (Skin) বলে।

মানুষের দেহত্বক কটি অংশ দ্বারা গঠিত ও কী কী?

মানুষের দেহত্বক দুটি অংশ দ্বারা গঠিত, যথা – বহিস্তক বা এপিডারমিস ও অন্তস্তক বা ডারমিস।

ত্বকে উপস্থিত দুটি গ্রন্থির নাম ও তাদের ক্ষরণ পদার্থের নাম লেখো।

গ্রন্থিক্ষরণ পদার্থ
ঘর্মগ্রন্থিঘর্ম বা ঘাম
সিবেসিয়াস গ্রন্থিসিবাম

ঘর্মগ্রন্থি (Sweat gland) ও ঘর্ম বলতে কী বোঝো? ঘর্মগ্রন্থি কোথায় কোথায় দেখা যায়?

ঘর্মগ্রন্থি – ত্বকের ডারমিস স্তরে অবস্থিত কুণ্ডলীকৃত যে গ্রন্থি থেকে ঘাম সৃষ্টি হয়, তাকে ঘর্মগ্রন্থি বা স্বেদগ্রন্থি বলে।

ঘর্ম – ঘর্মগ্রন্থি থেকে সক্রিয়ভাবে ক্ষরিত পদার্থকে ঘাম বা ঘর্ম বলে। ঠোঁটের উপরিভাগ, কানের পর্দা, লিঙ্গের অগ্রভাগ ছাড়া দেহের প্রায় সর্বত্রই ঘর্মগ্রন্থি উপস্থিত থাকে।

সিবেসিয়াস গ্রন্থি কী?

ত্বকের ডারমিস স্তরে অবস্থিত যে গ্রন্থি সিবাম নামক তৈলাক্ত পদার্থ ক্ষরণ করে ত্বককে তৈলাক্ত রাখে, সেই গ্রন্থিকে সিবেসিয়াস গ্রন্থি বলে।

ত্বক কীভাবে দেহ উষ্ণতা নিয়ন্ত্রণে সাহায্যে করে?

দেহ উষ্ণতা নিয়ন্ত্রণে ত্বকের ভূমিকা –

  1. ত্বক বিকিরণ, পরিবহণ, পরিচলন ও চর্মস্থিত ঘর্মগ্রন্থি নিঃসৃত ঘর্মের বাষ্পীভবনের মাধ্যমে তাপবর্জন করে দেহ উষ্ণতা নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
  2. ত্বকের হাইপোডারমিস স্তরে সঞ্চিত চর্বি বা ফ্যাট তাপের কুপরিবাহী রূপে কাজ করে দেহ উষ্ণতা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
  3. প্রয়োজনে ত্বকে উপস্থিত রক্তবাহ ভ্যাসোমোটর স্নায়ু দ্বারা সংকুচিত হয়ে দেহে তাপ সংরক্ষণে সাহায্যে করে।

মেলানোসাইট ত্বকের কোন্ স্তরে থাকে? এর কাজ কী?

মেলানোসাইট কোশ ত্বকের বহিঃস্তর অর্থাৎ এপিডারমিসে থাকে।

কাজ – মেলানিন নামক কালো রঞ্জক উৎপন্ন করে। এর দ্বারা ত্বকের বর্ণ নির্ধারিত হয়।

বহিস্তক কেটে গেলেও রক্তক্ষরণ ঘটে না কেন?

বহিস্থকে কোনো রক্তবাহ থাকে না, একারণে স্তরটি কেটে গেলেও কোনো রক্তক্ষরণ ঘটে না।

বেশিক্ষণ রোদে থাকলে ত্বকের রং গোলাপি হয় কেন?

ত্বকের ওপর রোদের বা সূর্যালোকের প্রত্যক্ষ প্রভাব বর্তমান। বেশিক্ষণ রোদে থাকলে প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন হরমোনের প্রভাবে ত্বকের ডারমিস স্তরে রক্তজালকের প্রসারণ ঘটে অর্থাৎ লুমেন বা গহ্বর বেড়ে যায়। এর ফলে রক্তজালকগুলির মধ্যে রক্ত প্রবাহ বৃদ্ধি পায় ও ত্বক গোলাপি রং ধারণ করে।

দীর্ঘদিন, দীর্ঘসময় ধরে রোদে থাকলে ত্বক তামাটে হয়ে পড়ে কেন?

সূর্যালোকের অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে এপিডারমিস স্তরে উপস্থিত মেলানোসাইট কোশগুলি উদ্দীপিত হয়, ফলে বেশি পরিমাণে মেলানিন রঞ্জক উৎপন্ন করে। এ কারণেই দীর্ঘদিন দীর্ঘসময় ধরে রোদে থাকলে ত্বক তামাটে হয়ে পড়ে।

পাকস্থলী কাকে বলে? এর কাজ কী?

মানবদেহে ঊর্ধ্ব উদরগহ্বরের বাঁদিকে অবস্থিত পৌষ্টিকনালির অন্তর্গত সর্বাধিক স্ফীত অংশটি হল পাকস্থলী।

কাজ – পাকস্থলীর অন্ত্রর্গাত্রে অবস্থিত অসংখ্য এককোশী গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থি থেকে ক্ষরিত পাকরস প্রোটিন জাতীয় খাদ্যের পরিপাকে সাহায্য করে।

আরজেনটাফিন কোশ কোথায় দেখা যায়? এর কাজ কী?

পাকস্থলীর ফান্ডাস অঞ্চলে ও ক্ষুদ্রান্ত্রের ক্রিপটস অব লিবারকুহনের নীচে আরজেনটাফিন কোশ দেখা যায়।

কাজ – সেরোটোনিন হরমোন ক্ষরণ করে যা রক্তবাহকে প্রয়োজনে সংকুচিত করে।

পাকস্থলীর শ্লেষ্মাস্তরে অবস্থিত কোশগুলির নাম লেখো।

মিউকাস কোশ, পেপটিক কোশ ও অক্সিনটিক কোশ।

পেপটিক কোশ কোথায় থাকে? এর কাজ কী?

পাকস্থলীর দেহ অংশে পিরামিড আকৃতির পেপটিক কোশ বর্তমান।

কাজ – নিষ্ক্রিয় পেপসিনোজেন ক্ষরণ করে যা HCI -এর সংস্পর্শে সক্রিয় পেপসিনে পরিণত হয় ও প্রোটিন পরিপাকে অংশ নেয়।

অক্সিনটিক বা প্যারাইটাল কোশ কোথায় থাকে? এর কাজ কী?

পাকস্থলীর দেহ অংশের প্রাচীরে শ্লেষ্মাস্তরে ডিম্বাকার অক্সিনটিক বা প্যারাইটাল কোশ বর্তমান।

কাজ – HCI ক্ষরণ করে।

পাকস্থলীতে কোন্ জাতীয় খাদ্যের পরিপাক ও কোন্ জাতীয় পদার্থের শোষণ ঘটে?

  • পরিপাক – প্রধানত প্রোটিন, অল্প পরিমাণে ফ্যাট।
  • শোষণ – জল, অ্যালকোহল, স্যালাইন, গ্লুকোজ প্রভৃতি।

পাকস্থলীর পাচক রসে বর্তমান হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিডের দুটি কাজ লেখো।

  1. পাকস্থলীর পাচকরসে বর্তমান হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড দ্বারা সৃষ্ট আম্লিক মাধ্যমে প্রোটিনের পরিপাক সম্পন্ন হয়।
  2. হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড খাদ্যমধ্যস্থ জীবাণু ধ্বংস করে।

মানবদেহের বৃহত্তম গ্রন্থি কীভাবে পরিপাক ক্রিয়ায় সাহায্য করে?

মানবদেহের বৃহত্তম গ্রন্থি হল যকৃৎ। যকৃতের ক্ষরণজাত পদার্থের নাম পিত্তরস, যা স্নেহপদার্থের পরিপাকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

পিত্তরস (Bile) -এর দুটি কাজ লেখো।

পিত্তরস (Bile) -এর দুটি কাজ –

  1. পিত্তরস স্নেহপদার্থের পরিপাকে সাহায্য করে।
  2. স্নেহপদার্থের শোষণেও পিত্তরস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

যকৃৎকে সুসজ্জিত ‘জৈব রসায়নাগার’ বলা হয় কেন?

যকৃতে বিভিন্ন প্রকার জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া – প্রধানত শর্করা, প্রোটিন ও ফ্যাটের বিপাকসংক্রান্ত রাসায়নিক বিক্রিয়া সংগঠিত হয় বলে বিজ্ঞানীরা যকৃৎকে সুসজ্জিত ‘জৈব রসায়নাগার’ আখ্যা দিয়েছেন।

অগ্ন্যাশয়কে মিশ্র গ্রন্থি (Mixed gland) বলা হয় কেন?

অগ্ন্যাশয় একই সঙ্গে অন্তঃক্ষরা ও বহিঃক্ষরা উভয় প্রকৃতির ক্রিয়া সম্পন্ন করে। অগ্ন্যাশয়ের অ্যাসিনি কোশ থেকে ক্ষরিত অগ্ন্যাশয় রস পরিপাক ক্রিয়ায় সহায়তা করে (বহিঃক্ষরা ক্রিয়া), আবার আইলেটস অফ ল্যাঙ্গারহ্যানস থেকে ইনসুলিন, গ্লুকাগন নামক দুটি হরমোন ক্ষরিত হয় (অন্তঃক্ষরা ক্রিয়া)। এ কারণে অগ্ন্যাশয়কে মিশ্র গ্রন্থি বলা হয়।

অগ্ন্যাশয় গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত দুটি উৎসেচক ও দুটি হরমোনের নাম লেখো।

অগ্ন্যাশয় গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত দুটি উৎসেচক ও দুটি হরমোনের নাম –

  • উৎসেচক – প্যানক্রিয়েটিক অ্যামাইলেজ ও ট্রিপসিন।
  • হরমোন – ইনসুলিন ও গ্লুকাগন।

প্লীহার প্রতিরক্ষামূলক কাজ সম্পর্কে ধারণা দাও।

প্লীহার প্রতিরক্ষামূলক কাজ –

  1. প্লীহাতে প্রতিরক্ষাদানকারী কোশ উৎপন্ন হয়। টিটেনাস টক্সিনের প্রতি প্লীহা অনাক্রম্যতা দান করে।
  2. প্লীহাস্থিত লিম্ফয়েড কোশ সংক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলে।
  3. প্লীহাতে উৎপন্ন রেটিকিউলো এন্ডোথেলিয়াল কোশ বিজাতীয় বস্তু, ব্যাকটেরিয়া, প্রোটোজোয়া প্রভৃতি ফ্যাগোসাইটোসিস পদ্ধতিতে ধ্বংস করে।

ফুসফুসের কার্যগত একক কাকে ও কেন বলা হয়?

ফুসফুসের কার্যগত একক হল বায়ুথলি বা অ্যালভিওলাই। অ্যালভিওলাইকে কার্যগত একক বলার কারণ হল – প্রতিটি অ্যালভিওলাস আঁইশাকার আবরণী কলা দ্বারা নির্মিত প্রাচীর ও সূক্ষ্ম রক্তজালক বেষ্টিত থাকে এবং অ্যালভিওলাস ও রক্তজালকস্থিত রক্তের মধ্যে অক্সিজেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইডের আদানপ্রদান ঘটে।

প্লুরা কাকে বলে? এর কাজ লেখো।

মানব ফুসফুসের দ্বি-স্তরীয় বহিরাবরক হল প্লুরা।

প্লুরার কাজ –

  1. প্লুরা ফুসফুসকে বহিস্থ আঘাত থেকে রক্ষা করে।
  2. প্লুরা ফুসফুসকে বক্ষপিঞ্জরের ভিতরে নির্দিষ্ট অবস্থানে ধরে রাখে।

অ্যালভিওলাই কী? এর প্রধান কাজ লেখো।

ফুসফুসে অবস্থিত রক্তজালক পরিবৃত, পাতলা প্রাচীর বিশিষ্ট যে থলির ন্যায় অংশের মাধ্যমে রক্ত ও ফুসফুসের শ্বাসবায়ুর মধ্যে গ্যাসীয় আদানপ্রদান ঘটে, সেগুলিকে অ্যালভিওলাই বলে।

অ্যালভিওলাই -এর কাজ –

  1. অ্যালভিওলাই হল ফুসফুসের গঠনগত ও কার্যগত একক।
  2. অ্যালভিওলাই বেষ্টনকারী রক্তজালক হৃৎপিণ্ড থেকে আগত দূষিত রক্ত (CO2 যুক্ত) থেকে CO2 কে মুক্ত করে O2 কে যুক্ত করে বিশুদ্ধ রক্ত সৃষ্টি করে।

হৃৎপিণ্ড (Heart) কাকে বলে?

উন্নত প্রাণীদেহে রক্ত সংবহনতন্ত্রে অংশগ্রহণকারী যে বিশেষ পেশিবহুল, স্বতঃস্ফূর্ত সংকোচন ও প্রসারণে সক্ষম ত্রিকোণাকৃতি অঙ্গ পাম্পের মতো কাজ করে সারাদেহে রক্ত সঞ্চালনে সাহায্য করে, তাকে হৃৎপিণ্ড বা Heart বলে।

হৃৎপিণ্ডের প্রাচীর কটি স্তরযুক্ত ও কী কী?

হৃৎপিন্ডের প্রাচীর তিনটি স্তরযুক্ত। যথা –

  1. বাইরের এপিকার্ডিয়াম।
  2. মাঝের মায়োকার্ডিয়াম (সব থেকে পেশিবহুল স্তর)।
  3. ভিতরের এন্ডোকার্ডিয়াম স্তর।

হৃৎপিণ্ডের দুটি গ্রাহক প্রকোষ্ঠ ও দুটি প্রেরক প্রকোষ্ঠের নাম লেখো।

হৃৎপিণ্ডের দুটি গ্রাহক প্রকোষ্ঠ ও দুটি প্রেরক প্রকোষ্ঠের নাম –

  • গ্রাহক প্রকোষ্ঠ – ডান অলিন্দ ও বাম অলিন্দ।
  • প্রেরক প্রকোষ্ঠ – ডান নিলয় ও বাম নিলয়।

মস্তিষ্ক (Brain) কাকে বলে?

মস্তিষ্ক (Brain) – কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের যে সর্ববৃহৎ অংশ করোটির মধ্যে সুরক্ষিত থাকে এবং মানবদেহের গুরুত্বপূর্ণ কাজ নিয়ন্ত্রণ করে, তাকে মস্তিষ্ক বলে।

মস্তিষ্কের প্রধান অংশগুলির নাম লেখো।

গুরুমস্তিষ্ক, থ্যালামাস, হাইপোথ্যালামাস, পনস্, লঘুমস্তিষ্ক ও সুষুম্নাশীর্ষক।

মানবদেহের মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশ

সুষুম্নাকাণ্ড কাকে বলে?

সুষুম্নাকাণ্ড (Spinal cord) – কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের যে দীর্ঘ অংশ নিউরাল ক্যানালের মধ্যে সুরক্ষিত থাকে, তাকে সুষুম্নাকাণ্ড বলে।

কেন্দ্রীয় নালি বা নিউরোসিল কাকে বলে?

সুষুম্নাকাণ্ডের মাঝখানে দৈর্ঘ্য বরাবর যে ফাঁকা স্থান থাকে, তাকে কেন্দ্রীয় নালি বা নিউরোসিল বলে। এর মধ্যে দিয়ে মস্তিষ্ক মেরুরস বা CSF প্রবাহিত হয়।

মেনিনজেস কাকে বলে?

মস্তিষ্ক এবং সুষুম্নাকাণ্ড যে ত্রিস্তরীয় আবরণে (ডুরামেটার, অ্যারাকনয়েডমেটার এবং পিয়ামেটার) আবৃত থাকে, তাকে মেনিনজেস বলে।

ভেন্ট্রিকল বা মস্তিষ্ক-নিলয় কাকে বলে?

মস্তিষ্কের মধ্যে যে প্রকোষ্ঠগুলি সেরিব্রোস্পাইনাল ফ্লুইড বা (CSF) দ্বারা পূর্ণ থাকে, সেই প্রকোষ্ঠগুলিকে ভেন্ট্রিকল বা মস্তিষ্ক-নিলয় বলে।

মস্তিষ্ক ও সুষুম্নাকাণ্ডের মধ্যে সাদৃশ্য লেখো।

মস্তিষ্ক ও সুষুম্নাকাণ্ড উভয়েই কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের অংশ এবং উভয়েই মেনিনজেস পর্দা দ্বারা আবৃত থাকে।

শুক্রাশয়ের প্রধান দুটি কাজ লেখো।

শুক্রাশয়ের প্রধান দুটি কাজ হল –

  1. শুক্রাণু উৎপাদন (স্পার্মাটোজেনেসিস)।
  2. টেস্টোস্টেরন হরমোন ক্ষরণ।

মস্তিষ্ক মেরুরস (CSF) কী?

মস্তিষ্ক নিলয়ে, সুষুম্নাকাণ্ডের গহ্বরে এবং সাব-অ্যারাকনয়েড স্পেসে যে পরিবর্তিত কলারস থাকে, তাকে মস্তিষ্ক মেরুরস বা সেরিব্রোস্পাইনাল ফ্লুইড (CSF) বলে।

CSF -এর দুটি কাজ লেখো।

মস্তিষ্ক মেরুরসের কাজ –

  1. স্নায়ুকোশ বা নিউরোনে অক্সিজেন (O2) সরবরাহ করা ও পুষ্টি জোগান দেওয়া।
  2. বিপাকজাত দূষিত পদার্থগুলির বহিষ্করণে সাহায্য করা।

ডিম্বাশয়ে উৎপন্ন দুটি হরমোনের নাম ও তাদের উৎস উল্লেখ করো।

হরমোনউৎস
ইস্ট্রোজেনপরিণত ডিম্বথলি বা গ্রাফিয়ান ফলিকল
প্রোজেস্টেরনপীতগ্রন্থি বা করপাস লুটিয়াম

অবস্থানের ভিত্তিতে সাইনোভিয়াল তরলের সঙ্গে সেরিব্রোস্পাইনাল তরলের (CSF) পার্থক্য উল্লেখ করো।

বৈশিষ্ট্যসাইনোভিয়াল তরলসেরিব্রোস্পাইনাল তরল
অবস্থানসচল অস্থিসন্ধিতে অবস্থিত সাইনোভিয়াল গহ্বর।সাব অ্যারাকনয়েড স্থান, মস্তিষ্কের প্রকোষ্ঠ ও সুষুম্নাকান্ডের কেন্দ্রীয় নালি।

মানবদেহে অগ্ন্যাশয়ের অবস্থান ও কাজ লেখো।

মানবদেহে অগ্ন্যাশয়ের অবস্থান –

মানবদেহে উদরগহ্বরে পাকস্থলীর পিছনে আড়াআড়িভাবে ডিওডিনাম ও প্লীহার সঙ্গে সমান্তরালে অবস্থান করে।

অগ্ন্যাশয়ের কাজ –

  1. পাচন কাজ – অগ্ন্যাশয় একপ্রকার মিশ্র গ্রন্থি। এর বহিঃক্ষরা গ্রন্থির অ্যাসাইনাস কোশ থেকে বিভিন্ন প্রকার খাদ্য পরিপাককারী উৎসেচক ক্ষরিত হয়। যেমন – প্যানক্রিয়েটিক অ্যামাইলেজ (কার্বোহাইড্রেটকে গ্লুকোজে পরিণত করে), ট্রিপসিন (প্রোটিনকে অ্যামিনো অ্যাসিডে বিশ্লিষ্ট করে), প্যানক্রিয়েটিক লাইপেজ (ফ্যাটকে ফ্যাটি অ্যাসিড ও গ্লিসারলে পরিণত করে) প্রভৃতি।
  2. অন্তঃক্ষরণ ক্রিয়া – অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অফ ল্যাঙ্গারহ্যানস নামক অন্তঃক্ষরা অংশ থেকে ইনসুলিন, গ্লুকাগন ও সোমাটোস্ট্যাটিন নামক হরমোন ক্ষরিত হয়। এই হরমোনগুলি রক্তে শর্করা মাত্রা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  3. রেনিন ক্ষরণ – বৃক্ক রেনিন-অ্যানজিওটেনসিনোজেন তন্ত্রের মাধ্যমে দেহতরলে উচ্চ Na+ ঘনত্ব নিয়ন্ত্রণ করে।
  4. এরিথ্রোপোয়েটিন উৎপাদন – বৃক্ক এরিথ্রোপোয়েটিন উৎপাদনের মাধ্যমে লোহিত রক্তকণিকা সৃষ্টিকে উদ্দীপিত করে।
মানবদেহে অগ্ন্যাশয়ের অবস্থান

ফুসফুস -এর অবস্থান ও কাজ লেখো।

ফুসফুসের অবস্থান –

মানবদেহে বক্ষগহ্বরে মধ্যচ্ছদার ওপরে ও হৃৎপিণ্ডের দুপাশে দুটি ফুসফুস (ডান ও বাম) অবস্থান করে।

মানবদেহে ফুসফুসের অবস্থান

ফুসফুসের কাজ –

  1. শ্বাসকার্য – ফুসফুস মানুষের প্রধান শ্বাসঅঙ্গ। প্রতিটি ফুসফুসে উপস্থিত কয়েক লক্ষ বায়ুথলি বা অ্যালভিওলাইতে পরিবেশ থেকে আগত বায়ু ও বায়ুথলিকে ঘিরে থাকা রক্তজালকের রক্তের মধ্যে অক্সিজেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইডের আদানপ্রদান ঘটে। অর্থাৎ ফুসফুস প্রশ্বাস ক্রিয়ায় অক্সিজেন গ্রহণ করে দেহের রক্তস্রোতে প্রেরণ করে এবং নিশ্বাস ক্রিয়ার দ্বারা দেহের কলাকোশে উৎপন্ন কার্বন ডাইঅক্সাইড পরিবেশে ত্যাগ করে।
  2. রেচন – বিপাকীয় কাজের ফলে উৎপন্ন CO2 ও জল (জলীয় বাষ্পাকারে) ফুসফুসের মাধ্যমে বাইরে পরিত্যক্ত হয়।

মানবদেহে হৃৎপিণ্ডের অবস্থান ও কাজ লেখো

মানবদেহে হৃৎপিণ্ডের অবস্থান –

মানবদেহের বক্ষগহ্বরে দুটি ফুসফুসের মাঝে এবং উরঃফলক বা স্টারনামের নীচে দেহের মধ্যরেখার সামান্য বামদিকে হৎপিণ্ড অবস্থান করে।

মানবদেহে হৃৎপিণ্ডের অবস্থান

হৃৎপিণ্ডের কাজ –

  1. রক্ত সঞ্চালন – মানবদেহে হৃৎপিণ্ড একটি পেশিবহুল পাম্পের মতো কাজ করে। এর স্বতঃস্ফূর্ত সংকোচন (সিস্টোল) ও স্বতঃস্ফূর্ত প্রসারণের (ডায়াস্টোল) ফলে সারাদেহে বিশুদ্ধ রক্ত সরবরাহিত হয় এবং সারাদেহ থেকে দূষিত রক্ত হৃৎপিণ্ডে এসে পৌঁছায়।
  2. প্রয়োজনীয় পদার্থের সরবরাহ – হৃৎপিণ্ডের প্রতিনিয়ত স্বতঃস্ফূর্ত সংকোচন-প্রসারণের মাধ্যমে সারা দেহে রক্ত ছড়িয়ে পড়ে এবং সমস্ত কলাকোশে প্রয়োজনীয় পুষ্টি পদার্থ, অক্সিজেন, হরমোন প্রভৃতি পৌঁছে দেয়।

মানবদেহে প্লীহার অবস্থান ও কাজ উল্লেখ করো।

মানবদেহে প্লীহার অবস্থান –

মধ্যচ্ছদার ঠিক নীচে এবং বাম বৃক্কের ঠিক ওপরে ও পাকস্থলীর ফান্ডাসের পিছনদিকে প্লীহা অবস্থান করে।

প্লীহার কাজ –

  1. রক্তকণিকা উৎপাদন – ভ্রুণ অবস্থায় বিভিন্ন প্রকার রক্তকণিকা উৎপাদনে সাহায্য করে।
  2. অ্যান্টিবডি উৎপাদন ও জীবাণু ধ্বংস – প্লীহা দেহের সবচেয়ে বড়ো লসিকা অঙ্গ। এতে উপস্থিত লিম্ফোসাইট অ্যান্টিবডি উৎপাদনের মাধ্যমে ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস প্রভৃতি রোগজীবাণু ধ্বংসে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।
  3. রক্তকণিকা ধ্বংস – কার্যক্ষমতাহীন RBC, WBC, থ্রম্বোসাইট প্লীহাতে ধ্বংস হয়। এজন্য একে “লোহিত কণিকার কবরস্থান” (Graveyard of RBC) বলে।
প্লীহা

মানবদেহে মস্তিষ্কের অবস্থান ও কাজ উল্লেখ করো।

মানবদেহে মস্তিষ্কের অবস্থান –

মানবদেহে মস্তিষ্ক করোটি প্রকোষ্ঠ বা ক্রেনিয়ামের মধ্যে অবস্থান করে। এটি কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের অন্যতম প্রধান অংশ।

মানবদেহে সুষুম্নাকান্ডের অবস্থান

মস্তিষ্কের কাজ –

  1. মানসিক আবেগ নিয়ন্ত্রণ – অগ্রমস্তিষ্ক মানুষের বুদ্ধি, বিবেচনা, মানসিক আবেগ, চিন্তা, স্মৃতিশক্তি প্রভৃতি নিয়ন্ত্রণ করে।
  2. ভারসাম্য ও সমন্বয় রক্ষা – লঘুমস্তিষ্ক (পশ্চাৎ মস্তিষ্কের অংশ) মানব দেহের ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণ করে। মস্তিষ্ক মানবদেহের বিভিন্ন ইন্দ্রিয়ের কাজ যেমন – দর্শন, শ্রবণ, ঘ্রাণ, তাপ, চাপ, ব্যাথা ইত্যাদি স্পর্শবোধ এবং অক্ষিগোলকের বিচলন নিয়ন্ত্রণ করে। এছাড়া অঙ্গপ্রত্যঙ্গের কাজের মধ্যে সমন্বয় রক্ষা করে।
  3. জৈবিক কাজ নিয়ন্ত্রণ – মস্তিষ্ক হৃৎস্পন্দন, খাদ্যগ্রহণ, শ্বাসক্রিয়া, ঘর্ম নিঃসরণ, ঐচ্ছিক পেশির কাজ প্রভৃতি নিয়ন্ত্রণ করে।

মানবদেহে সুষুম্নাকাণ্ডের অবস্থান ও কাজ লেখো।

মানবদেহে সুষুম্নাকাণ্ডের অবস্থান –

সুষুম্নাকাণ্ড পশ্চাৎ মস্তিষ্কের সুষুম্নাশীর্ষকের শেষ প্রান্ত থেকে উৎপন্ন হয়ে করোটির ফোরামেন অব ম্যাগনাম বা মহাবিবর পথে নির্গত হয় এবং মেরুদণ্ডের কশেরুকার নিউরাল ক্যানেলের মধ্যে দিয়ে প্রসারিত হয়ে দেহের কোমর অংশ বা প্রথম লাম্বার কশেরুকা পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে।

সুষুম্নাকাণ্ডের কাজ –

  1. প্রতিবর্ত ক্রিয়া – সুষুম্নাকাণ্ড প্রতিবর্ত ক্রিয়ার স্নায়ুকেন্দ্ররূপে কাজ করে।
  2. পেশিটান নিয়ন্ত্রণ – সুষুম্নাকাণ্ড পেশিটান ও রক্তবাহের অভ্যন্তরীণ ব্যাসকে নিয়ন্ত্রণ করে।
  3. স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্রের কাজ – সুষুম্নাকাণ্ড সমবেদী ও পরাসমবেদী স্নায়ুতন্ত্ররূপে কাজ করে।

একজন স্বাভাবিক ও সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের সুষুম্নাকাণ্ডের ওজন কত?

একজন স্বাভাবিক ও সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের সুষুম্নাকাণ্ডের ওজন প্রায় 30gm।

শুক্রাশয়ের অবস্থান ও দুটি কাজ লেখো।

শুক্রাশয়ের অবস্থান – পুরুষদেহে দেহগহ্বরের বাইরে স্ক্রোটাম নামক থলিতে একজোড়া শুক্রাশয় অবস্থান করে।

শুক্রাশয়ের অবস্থান

শুক্রাশয়ের কাজ –

  1. অন্তঃক্ষরা কাজ (হরমোন ক্ষরণ) – লেডিগ -এর আন্তরকোশ থেকে টেস্টোস্টেরন এবং সারটোলির কোশ থেকে অল্প ইনহিবিন নামক হরমোন ক্ষরিত হয়।
  2. বহিঃক্ষরা কাজ (জননকোশ উৎপাদন) – শুক্রাণু বা পুং গ্যামেট উৎপাদন করা।

ডিম্বাশয়ের অবস্থান ও দুটি কাজ লেখো।

ডিম্বাশয়ের অবস্থান – মানুষের একজোড়া ডিম্বাশয় স্ত্রীলোকের শ্রোণিগহ্বরে জরায়ুর দুপাশে অবস্থান করে। ডিম্বাশয় দুটি ডিম্বরজ্জুর সাহায্যে ডিম্বনালির সঙ্গে এবং ব্রড লিগামেন্ট দিয়ে জরায়ুর সঙ্গে যুক্ত থাকে।

ডিম্বাশয়ের অবস্থান

ডিম্বাশয়ের কাজ –

  1. অন্তঃক্ষরা কাজ (হরমোন ক্ষরণ) – পরিণত ডিম্বথলি বা গ্রাফিয়ান ফলিকল থেকে ইস্ট্রোজেন ও পীতগ্রন্থি বা করপাস লিউটিয়াম থেকে প্রোজেস্টেরন হরমোন ক্ষরিত হয়।
  2. বহিঃক্ষরা কাজ (জননকোশ উৎপাদন) – ডিম্বাণু বা স্ত্রী গ্যামেট উৎপন্ন করা।

আজকের এই আর্টিকেলে আমরা নবম শ্রেণীর জীবন বিজ্ঞানের দ্বিতীয় অধ্যায় ‘জীবন সংগঠনের স্তর’ -এর অন্তর্গত ‘মানবদেহের প্রধান অঙ্গ ও তাদের কাজ’ অংশের সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর নিয়ে আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নগুলো নবম শ্রেণীর পরীক্ষা এবং যারা ভবিষ্যতে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি নেবেন, তাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আশা করি, আর্টিকেলটি আপনাদের উপকারে আসবে। যদি কোনো প্রশ্ন বা জিজ্ঞাসা থাকে, তবে আমাদের টেলিগ্রামে যোগাযোগ করতে পারেন; আমরা উত্তর দেওয়ার যথাসাধ্য চেষ্টা করবো। এছাড়া, লেখাটি প্রয়োজনীয় মনে হলে আপনার বন্ধু বা সহপাঠীদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না। ধন্যবাদ।

Please Share This Article

Related Posts

জৈবনিক প্রক্রিয়া-উদ্ভিদ শারীরবিদ্যা-বাষ্পমোচন-জীবনবিজ্ঞান-নবম শ্রেণী

নবম শ্রেণী জীবনবিজ্ঞান – জৈবনিক প্রক্রিয়া – উদ্ভিদ শারীরবিদ্যা – বাষ্পমোচন – রচনাধর্মী প্রশ্ন ও উত্তর

জৈবনিক প্রক্রিয়া-উদ্ভিদ শারীরবিদ্যা-বাষ্পমোচন-জীবনবিজ্ঞান-নবম শ্রেণী

নবম শ্রেণী জীবনবিজ্ঞান – জৈবনিক প্রক্রিয়া – উদ্ভিদ শারীরবিদ্যা – বাষ্পমোচন – পার্থক্যধর্মী প্রশ্ন ও উত্তর

জৈবনিক প্রক্রিয়া-উদ্ভিদ শারীরবিদ্যা-বাষ্পমোচন-জীবনবিজ্ঞান-নবম শ্রেণী

নবম শ্রেণী জীবনবিজ্ঞান – জৈবনিক প্রক্রিয়া – উদ্ভিদ শারীরবিদ্যা – বাষ্পমোচন – সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

About The Author

Rahul

Tags

মন্তব্য করুন

SolutionWbbse

"SolutionWbbse" শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অনলাইন অধ্যয়ন প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি, মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য গাইডলাইন, এবং বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনার সাহায্য প্রদান করা হয়। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে সকল বিষয়ের শিক্ষণীয় উপকরণ সহজেই সকল শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছে দেওয়া।

Editor Picks

নবম শ্রেণী জীবনবিজ্ঞান – জৈবনিক প্রক্রিয়া – উদ্ভিদ শারীরবিদ্যা – বাষ্পমোচন – রচনাধর্মী প্রশ্ন ও উত্তর

নবম শ্রেণী জীবনবিজ্ঞান – জৈবনিক প্রক্রিয়া – উদ্ভিদ শারীরবিদ্যা – বাষ্পমোচন – পার্থক্যধর্মী প্রশ্ন ও উত্তর

নবম শ্রেণী জীবনবিজ্ঞান – জৈবনিক প্রক্রিয়া – উদ্ভিদ শারীরবিদ্যা – বাষ্পমোচন – সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

নবম শ্রেণী জীবনবিজ্ঞান – জৈবনিক প্রক্রিয়া – উদ্ভিদ শারীরবিদ্যা – বাষ্পমোচন – অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

নবম শ্রেণী জীবনবিজ্ঞান – জৈবনিক প্রক্রিয়া – উদ্ভিদ শারীরবিদ্যা – খনিজ পুষ্টি – রচনাধর্মী প্রশ্ন ও উত্তর