এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করব, “‘অনেক রাত্রে সর্বজয়ার ঘুম ভাঙিয়া যায়।’ – সেই রাতের ভয়াবহতার পরিচয় দাও।” — এই প্রশ্নটি স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ; কারণ এটি উপন্যাসের মূল ভিত্তি এবং গ্রামীণ বাংলার চিরায়ত শৈশবকে বোঝার জন্য অপরিহার্য।

‘অনেক রাত্রে সর্বজয়ার ঘুম ভাঙিয়া যায়।’ – সেই রাতের ভয়াবহতার পরিচয় দাও।
সর্বজয়ার দারিদ্র্যের সংসারে সেই রাত যেন ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছিল। সন্ধ্যার সময়েই চারদিক ঘন অন্ধকারে আচ্ছাদিত হয়ে উঠেছিল। ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত দুর্গার পাশেই তার মা ও ভাই বসেছিল। সর্বজয়া ছেলেমেয়েদের গল্প শোনায় তার অতীত জীবনের। বৃষ্টিতে তাদের খড়ের ছাদ থেকে জল পড়ে ঘর ভিজিয়ে তুলেছে। একসময় ঘুমিয়ে পড়ে সকলেই। হঠাৎ করেই অনেক রাতে অপুর ডাকে ঘুম ভেঙে যায় সর্বজয়ার। সর্বজয়া আলো জ্বেলে দেখে, ছাদের ফুটো দিয়ে বৃষ্টির জল এসে ঘর ভাসাচ্ছে। সে বিছানা সরিয়ে দেয়। দুর্গার গায়ের কাঁথা ভিজে সপসপ করছে, কিন্তু জ্বরের ঘোরে দুর্গা ঘুমিয়ে আছে। অন্ধকার রাতকে ভয়ানক করে তুলেছে ঘন বর্ষা। ভয়ে বুক কেঁপে ওঠে সর্বজয়ার, গা ছমছম করে! অনেক দিন কোনো খবর নেই স্বামীর, মনে সংশয় দেখা দেয়—’তাঁর শরীরটা ভালো আছে তো?’ বিপদের আশঙ্কায় মা সিদ্ধেশ্বরীর কাছে মানত করে, ‘স-পাঁচ আনার ভোগ’ দেবে বলে। আতঙ্কে তার আর ঘুম আসে না। সেই বর্ষামুখর রাত এমনই আতঙ্কের আবহ তৈরি করেছিল সর্বজয়ার মনে।
Also Read, ‘দিন নাই রাত নাই, সর্বজয়া শুধুই স্বপ্ন দেখে।’ – সর্বজয়া কী স্বপ্ন দেখে, নিজের ভাষায় লেখো।
এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, “‘অনেক রাত্রে সর্বজয়ার ঘুম ভাঙিয়া যায়।’ – সেই রাতের ভয়াবহতার পরিচয় দাও।” — নিয়ে বিশদ আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নটি স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আশা করি, এই নিবন্ধটি আপনাদের জন্য সহায়ক হয়েছে। যদি আপনার কোনো প্রশ্ন থাকে বা আরও সাহায্যের প্রয়োজন হয়, টেলিগ্রামে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এছাড়াও, আপনার বন্ধুদের সঙ্গে এই পোস্টটি শেয়ার করতে ভুলবেন না, যাতে তারাও এর থেকে উপকৃত হতে পারে। ধন্যবাদ!





Leave a Comment