এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করব, “‘সর্বজয়ার বুক গর্বে ও তৃপ্তিতে ভরিয়া উঠিল।’ – কীভাবে এরূপ ঘটনা ঘটেছিল, আলোচনা করো।” — এই প্রশ্নটি স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

‘সর্বজয়ার বুক গর্বে ও তৃপ্তিতে ভরিয়া উঠিল।’ – কীভাবে এরূপ ঘটনা ঘটেছিল, আলোচনা করো।
অনেক দিন পরে সর্বজয়া, অর্থাৎ অপু-দুর্গার মা, সন্ধ্যার পরে ভাত রান্না করছিলেন। তাতে বালক-বালিকা দুটির মনে খুব আনন্দ ছিল। প্রায় প্রতিদিনই তাদের ওবেলার বাসি ভাত-তরকারি খেতে হয়। কিন্তু সেদিন রাতে তাদের মা ভাত-তরকারি করেছিলেন। খাওয়ার সময় দেখা গেল, সর্বজয়া পাতালকোঁড়ের তরকারি রান্না করেছেন। ওই সামান্য ব্যঞ্জনই অপু-দুর্গার কাছে অমৃতের স্বাদ বহন করে এনেছিল। পাতালকোঁড়ের তরকারি খেয়ে দুর্গার মুখ যেন স্বর্গীয় তৃপ্তিতে ভরে উঠেছিল। অপুরও খুব ভালো লেগেছিল। তাই সে বলল, ‘বাঃ! খেতে ঠিক মাংসের মতো, না দিদি?’ এই দুই বালক-বালিকার নিষ্পাপ এবং অমলিন প্রশংসাবাক্যে মায়ের মন বিগলিত হয়ে পড়েছিল। তিনি তো জানেন, উপযুক্ত উপকরণ পেলে রান্নাটা আরও ভালো হতে পারত। অথচ এই সামান্য জিনিসেই বাছারা কত খুশি! সর্বজয়ার মনও খুশি হয়ে উঠেছিল সন্তানদের খুশিতে। তাই গর্বে ও তৃপ্তিতে ভরে উঠেছিল সর্বজয়ার হৃদয়।
Also Read, কড়িখেলাকে কেন্দ্র করে কী ঘটেছিল আলোচনা করো।
এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, “‘সর্বজয়ার বুক গর্বে ও তৃপ্তিতে ভরিয়া উঠিল।’ – কীভাবে এরূপ ঘটনা ঘটেছিল, আলোচনা করো।” — নিয়ে বিশদ আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নটি স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি, এই নিবন্ধটি আপনাদের জন্য সহায়ক হয়েছে। যদি আপনার কোনো প্রশ্ন থাকে বা আরও সাহায্যের প্রয়োজন হয়, টেলিগ্রামে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এছাড়াও, আপনার বন্ধুদের সঙ্গে এই পোস্টটি শেয়ার করতে ভুলবেন না, যাতে তারাও এর থেকে উপকৃত হতে পারে। ধন্যবাদ!





মন্তব্য করুন