এই আর্টিকেলে আমরা সপ্তম শ্রেণির বাংলা বিষয়ের অন্তর্গত কবি মৃদুল দাশগুপ্তের লেখা ‘আঁকা, লেখা’ কবিতার কিছু গুরুত্বপূর্ণ অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর (SAQ) নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নোত্তরগুলো সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত সহায়ক, কারণ স্কুলের বাংলা পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন নিয়মিত আসে।

সপ্তম শ্রেণি বাংলা – আঁকা, লেখা – অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর
কবি কখন ছবি আঁকেন?
কবি দুপুরবেলায় ছবি আঁকেন।
কখন তাঁর ছড়া লেখার শুরু?
রাত্রিকালে চন্দ্রালোকিত পরিবেশে মৃদুমন্দ বাতাস প্রবাহিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাঁর ছড়া লেখার শুরু হয়।
তিনটি শালিক কী করে?
তিনটি শালিক ঝগড়া থামায়।
কে অবাক হয়ে তাকায়?
চড়ুই পাখি শালিকদের অবস্থা দেখে অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকে।
মাছরাঙা কী চায়?
মাছরাঙা তার নীল রং ধার দিতে চায়, যা ছবি আঁকার কাজে কবিকে সাহায্য করবে।
প্রজাপতিদের ইচ্ছা কী?
প্রজাপতির ইচ্ছা কবির অঙ্কিত চিত্রে তার স্থান থাকুক, তাকে চিত্রিত করা হোক।
গর্তে কে থাকে?
গর্তে ইঁদুর থাকে।
চাঁদের পুরু দুধের সর কোথায় জমে?
চন্দ্রালোকিত রাতে নিকটবর্তী মাঠে চাঁদের পুরু দুধের সর সমতুল্য জ্যোৎস্না প্রতিভাসিত হয়।
কারা, কোথায় অ-আ লিখছে?
দশটি জোনাকি বকুল গাছে অ-আ লিখে চলেছে।
কবি কোন্ বিষয়কে ‘পদক পাওয়া’ মনে করেছেন?
ছড়া ও ছবির মাধ্যমে পাঠকের সঙ্গে কবির যোগসূত্র প্রস্তুত হয়, এই স্বীকৃতিকেই কবি পদকপ্রাপ্তির সঙ্গে তুলনা করেছেন।
কবি যখন ছড়া লিখতে শুরু করেন তখন চারপাশের প্রকৃতিতে কী কী পরিবর্তন ঘটে?
কবি যখন ছড়া লিখতে শুরু করেন তখন চাঁদের আলো পুরু হয়ে মাঠে জমে ওঠে দুধের সরের মতো, আর বাতাস ঈষৎ কাঁপতে থাকে।
খুশ-খেয়ালে কবি কী করেন?
খুশ-খেয়ালে কবি চিত্র অঙ্কন করেন।
কে নীল রং ধার দেয়?
মাছরাঙা নীল রং ধার দেয়।
দুপুরে কারা কবিকে পেয়ে খুশি?
দুপুরে রংতুলিরা কবিকে পেয়ে খুশি।
তারার মালা কথাটি দিয়ে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?
কবি ছড়া লেখেন রাতের বেলা, তাই ‘তারার মালা’ কথাটি দিয়ে উপমায় তিনি বোঝাতে চেয়েছেন নক্ষত্রপুঞ্জকে বা আকাশ ভরা অনেক তারাকে।
তারার মালা খুব গোপনে কার কাছে নেমেছে?
তারার মালা যেন কবির অনুভূতি, তারাই কবিমনের ভাবকে ভাষায় রূপান্তরিত করতে সাহায্য করেছে।
আঁকা, লেখা কবিতায় তারাদের আচরণটি কেমন?
আঁকা, লেখা কবিতায় তারাদের আচরণটি হলো, গোপনতা বজায় রেখে মাটির খুব কাছে নেমে আসা।
কে, কীভাবে রং দিয়ে কবিকে সাহায্য করে?
কবি মৃদুল দাশগুপ্ত রচিত ‘আঁকা, লেখা’ কবিতায় মৎস্যশিকারি পক্ষী মাছরাঙা মৎস্যশিকারে উদাসীন হয়ে কবিকে ছবি আঁকায় সাহায্য করতে তার ডানার নীল রং ধার দিতে চায়।
কবি রং ছড়িয়ে খুশ-খেয়ালে কী আঁকেন?
কবি রং ছড়িয়ে খুশ-খেয়ালে চিত্র আঁকেন।
কোন তিনটি পাখি ঝগড়া থামায়?
তিনটি শালিক ঝগড়া থামায়।
কবিকে নীল রংটি কে ধার দিতে চায়?
কবিকে নীল রংটি ধার দিতে চায় মাছরাঙা।
বাতাস কেমন কাঁপন দিলে কবির ছড়া লেখা শুরু হয়?
বাতাস ঈষৎ কাঁপন দিলে কবির ছড়া লেখা শুরু হয়।
কবির মতে তাঁর পুলকটি কেমন?
কবির মতে তাঁর পুলকটি হলো পরম পুলক।
কবি কীভাবে রং ছড়িয়ে চিত্র আঁকেন?
কবি খুশ-খেয়ালে রং ছড়িয়ে চিত্র আঁকেন।
গর্ত থেকে ইঁদুর কেমন চোখে চেয়ে দেখছে?
গর্ত থেকে ইঁদুর পিটপিটে চোখে চেয়ে দেখছে।
মাঠে কিসের দুধের সর পুরু হয়ে জমে যায়?
মাঠে চাঁদের দুধের সর পুরু হয়ে জমে যায়।
কিসের মালা খুব গোপনে কাছে নামছে?
তারার মালা খুব গোপনে কাছে নামছে।
বকুল গাছে কটি জোনাকি ‘অ’ ‘আ’ লিখছে?
বকুল গাছে দশ জোনাকি ‘অ’ ‘আ’ লিখছে।
এই আর্টিকেলে আমরা সপ্তম শ্রেণির বাংলা বিষয়ের অন্তর্গত, মৃদুল দাশগুপ্ত রচিত ‘আঁকা, লেখা’ কবিতার কিছু অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর নিয়ে আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নোত্তরগুলো সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বাংলা পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন নিয়মিত আসে।
আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের উপকারে আসবে। যদি আপনার কোনো প্রশ্ন বা মতামত থাকে, তবে টেলিগ্রামে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। আপনাদের যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য আমরা সর্বদা প্রস্তুত। ধন্যবাদ।





মন্তব্য করুন