এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করব, “‘দিন নাই রাত নাই, সর্বজয়া শুধুই স্বপ্ন দেখে।’ – সর্বজয়া কী স্বপ্ন দেখে, নিজের ভাষায় লেখো।” — এই প্রশ্নটি স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ; কারণ এটি উপন্যাসের মূল ভিত্তি এবং গ্রামীণ বাংলার চিরায়ত শৈশবকে বোঝার জন্য অপরিহার্য।

‘দিন নাই রাত নাই, সর্বজয়া শুধুই স্বপ্ন দেখে।’ – সর্বজয়া কী স্বপ্ন দেখে, নিজের ভাষায় লেখো।
বড়ো দারিদ্র্যের সঙ্গে সর্বজয়া সংসার চালায়, সে ভাবে, স্বামী হরিহর নিশ্চয়ই এবার কিছু একটা ব্যবস্থা করবে, যাতে সংসারের আর্থিক সংকট দূর হয়। সর্বজয়া একটা সুন্দর সংসারের স্বপ্ন দেখে। সে ভাবে— পাড়ার এক পাশে নিকানো-পোঁছানো ছোটো খড়ের ঘর থাকবে দুই-তিনখানা। গোয়ালে বাঁধা থাকবে হৃষ্টপুষ্ট দুগ্ধবতী গাভী, মাচাভরা বিচালি আর গোলাভরা ধান থাকবে। মাঠের ধারের মটর খেতের তাজা, সবুজ গন্ধ খোলা হাওয়ায় উঠোন দিয়ে বয়ে যাবে। নীলকণ্ঠ, শ্যামা, বাবুই পাখির ডাক শোনা যাবে। অপু সকালে উঠে বড়ো মাটির ভাঁড়ে কালো গাইয়ের তাজা দুধ আর গরম মুড়ির ফলার খেয়ে পড়তে বসবে। দুর্গা ম্যালেরিয়ায় ভুগবে না, গরিব বলে তাদের কেউ অবজ্ঞা করবে না। এমন স্বপ্নই সর্বজয়া দিনরাত দেখে থাকে।
Also Read, ‘বাঁকা-কঞ্চি অপুর জীবনে এক অদ্ভুত জিনিস!’ – উক্তিটির তাৎপর্য আলোচনা করো।
এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, “‘দিন নাই রাত নাই, সর্বজয়া শুধুই স্বপ্ন দেখে।’ – সর্বজয়া কী স্বপ্ন দেখে, নিজের ভাষায় লেখো।” — নিয়ে বিশদ আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নটি স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আশা করি, এই নিবন্ধটি আপনাদের জন্য সহায়ক হয়েছে। যদি আপনার কোনো প্রশ্ন থাকে বা আরও সাহায্যের প্রয়োজন হয়, টেলিগ্রামে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এছাড়াও, আপনার বন্ধুদের সঙ্গে এই পোস্টটি শেয়ার করতে ভুলবেন না, যাতে তারাও এর থেকে উপকৃত হতে পারে। ধন্যবাদ!





Leave a Comment