এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করব, “‘অপুর গায়ে কাঁটা দিয়া উঠিল।’ – কেন এমন হয়েছিল?” — এই প্রশ্নটি স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ; কারণ এটি উপন্যাসের মূল ভিত্তি এবং গ্রামীণ বাংলার চিরায়ত শৈশবকে বোঝার জন্য অপরিহার্য।

‘অপুর গায়ে কাঁটা দিয়া উঠিল।’ – কেন এমন হয়েছিল?
নীলপুজোর দিন সন্ধ্যাবেলায় অপু চড়কতলা থেকে ছাতিমতলা হয়ে বাড়ি ফিরছিল। ইতিমধ্যে সে শুনেছে, এই দিন চড়কের সন্ন্যাসীরা শ্মশান জাগায়। ব্যাপারটা নিয়ে আগ্রহ থাকলেও তার ভয়ও ছিল। মেঘ করেছে, সন্ধ্যার অন্ধকার ঘনীভূত হয়ে উঠেছে, কোথাও কোনো জনপ্রাণী নেই; শ্মশানের আর মড়ার মুণ্ডের গল্প শুনে অপুর বেশ ভয় করতে শুরু করেছিল। মোড়ের বাঁশবনের কাছে আসতেই কীসের যেন কটু গন্ধ তার নাকে আসতে লাগল। সে দ্রুত হাঁটতে লাগল এবং একটু পরেই নেড়ার ঠাকুমাকে দেখতে পেল। তিনি নীলপুজোর নৈবেদ্য নিয়ে যাচ্ছিলেন পুজোর স্থানে। তাঁকে কটু গন্ধের কারণ জিজ্ঞাসা করে অপু শুনল যে ‘ওঁরা’ সব বেরিয়েছেন, তারই গন্ধ। ‘ওঁরা’ হল শিবের দলবল অর্থাৎ ‘ভূত-প্রেত’। সন্ধ্যাবেলায় ওঁদের নাম নিতে নেই। চারদিকে সন্ধ্যার অন্ধকার, আকাশে কালো মেঘ, বাঁশবন, শ্মশানের গন্ধ, শিবের অনুচর ভূত-প্রেত—সব মিলিয়ে ছোটো অপুর মনে ভয়-বিস্ময়-আতঙ্ক তৈরি করেছিল। তাই অপুর গায়ে কাঁটা দিয়েছিল।
Also Read, যাত্রাপালা গ্রামের মানুষের মনে কেমন প্রভাব ফেলেছিল?
এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, “‘অপুর গায়ে কাঁটা দিয়া উঠিল।’ – কেন এমন হয়েছিল?” — নিয়ে বিশদ আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নটি স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি, এই নিবন্ধটি আপনাদের জন্য সহায়ক হয়েছে। যদি আপনার কোনো প্রশ্ন থাকে বা আরও সাহায্যের প্রয়োজন হয়, টেলিগ্রামে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এছাড়াও, আপনার বন্ধুদের সঙ্গে এই পোস্টটি শেয়ার করতে ভুলবেন না, যাতে তারাও এর থেকে উপকৃত হতে পারে। ধন্যবাদ!





Leave a Comment