সিঁদুরকৌটো খুঁজে না পাওয়াকে কেন্দ্র করে মুখুজ্যে বাড়িতে যে কাণ্ডটি ঘটেছিল, তা নিজের ভাষায় লেখো।

Souvick

এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করব, “সিঁদুরকৌটো খুঁজে না পাওয়াকে কেন্দ্র করে মুখুজ্যে বাড়িতে যে কাণ্ডটি ঘটেছিল, তা নিজের ভাষায় লেখো।” — এই প্রশ্নটি স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ; কারণ এটি উপন্যাসের মূল ভিত্তি এবং গ্রামীণ বাংলার চিরায়ত শৈশবকে বোঝার জন্য অপরিহার্য।

সিঁদুরকৌটো খুঁজে না পাওয়াকে কেন্দ্র করে মুখুজ্যে বাড়িতে যে কাণ্ডটি ঘটেছিল, তা নিজের ভাষায় লেখো।

সিঁদুরকৌটো খুঁজে না পাওয়াকে কেন্দ্র করে মুখুজ্যে বাড়িতে যে কাণ্ডটি ঘটেছিল, তা নিজের ভাষায় লেখো।

রানুর বিবাহকে কেন্দ্র করে তাদের বাড়িতে অনেক আত্মীয়স্বজন এসেছিলেন, তাঁদেরই মধ্যে টুনির মা একজন। তিনি তাঁর সোনার সিঁদুরের কৌটোটি খুঁজে পাচ্ছিলেন না। সে-কথা সেজোঠাকুরণ জানতে পেরেই দুর্গাকে চোর বলে সন্দেহ করেন এবং দুর্গাকে ডেকে এনে নানাভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করতে থাকেন। এই ঘটনায় দুর্গা এতটাই ভয় পেয়ে যায় যে তার জিব শুকিয়ে যায়, সে ঠকঠক করে কাঁপতে থাকে। কিন্তু সেজোঠাকুরণ তাতে দমে না গিয়ে আরও বেশি করে শাসন করতে থাকেন। একসময় তিনি দুর্গার হাত ধরে টেনে দালানের ভিতরে নিয়ে আসেন এবং মারতে থাকেন। অবস্থা যে এমন হবে, টুনির মা তা বুঝতে পারেননি। তিনি সেজোঠাকুরণকে থামানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। দুর্গা চুরির অভিযোগ বারবার অস্বীকার করায় সেজোঠাকুরণের রাগ আরও বেড়ে যায়। এর মধ্যে টেঁপি যখন বলে যে দুর্গার জন্য বাগানের আমগুলি তলায় পড়ার জো পায় না, তখন সেজোঠাকুরণ তেলেবেগুনে জ্বলে উঠে দুর্গার মাথা বারবার দেয়ালে ঠুকতে থাকেন। এতে দুর্গার নাক দিয়ে রক্ত ঝরে পড়তে থাকে। তার মাথার মধ্যে ঝাঁ ঝাঁ করতে থাকে, সে দিশাহারা হয়ে পড়ে। ইতিমধ্যে রানুর মা সেখানে চলে আসেন এবং দুর্গার প্রতি এমন আচরণ তাঁর ভালো লাগে না। তিনি দুর্গার চোখে-মুখে জল দিয়ে তাকে সামান্য সুস্থ করে বাড়ি চলে যেতে সাহায্য করেন। টুনির মা-ও এমন ঘটনায় অনুতাপ প্রকাশ করেন।

সিঁদুরকৌটো খুঁজে না পাওয়াকে কেন্দ্র করে মুখুজ্যে বাড়িতে এমনই অমানবিক কাণ্ড ঘটেছিল সেদিন।

Also Read, গোরুর গাড়িতে চেপে যাওয়ার পথে অপু পরিবেশকে কেমনভাবে উপলব্ধি করেছে, আলোচনা করো।


এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, “সিঁদুরকৌটো খুঁজে না পাওয়াকে কেন্দ্র করে মুখুজ্যে বাড়িতে যে কাণ্ডটি ঘটেছিল, তা নিজের ভাষায় লেখো।” — নিয়ে বিশদ আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নটি স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আশা করি, এই নিবন্ধটি আপনাদের জন্য সহায়ক হয়েছে। যদি আপনার কোনো প্রশ্ন থাকে বা আরও সাহায্যের প্রয়োজন হয়, টেলিগ্রামে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এছাড়াও, আপনার বন্ধুদের সঙ্গে এই পোস্টটি শেয়ার করতে ভুলবেন না, যাতে তারাও এর থেকে উপকৃত হতে পারে। ধন্যবাদ!

Please Share This Article

Related Posts

'অনেক রাত্রে সর্বজয়ার ঘুম ভাঙিয়া যায়।' - সেই রাতের ভয়াবহতার পরিচয় দাও।

‘অনেক রাত্রে সর্বজয়ার ঘুম ভাঙিয়া যায়।’ – সেই রাতের ভয়াবহতার পরিচয় দাও।

'দিন নাই রাত নাই, সর্বজয়া শুধুই স্বপ্ন দেখে।' - সর্বজয়া কী স্বপ্ন দেখে, নিজের ভাষায় লেখো।

‘দিন নাই রাত নাই, সর্বজয়া শুধুই স্বপ্ন দেখে।’ – সর্বজয়া কী স্বপ্ন দেখে, নিজের ভাষায় লেখো।

'বাঁকা-কঞ্চি অপুর জীবনে এক অদ্ভুত জিনিস!' - উক্তিটির তাৎপর্য আলোচনা করো।

‘বাঁকা-কঞ্চি অপুর জীবনে এক অদ্ভুত জিনিস!’ – উক্তিটির তাৎপর্য আলোচনা করো।

About The Author

Souvick

Leave a Comment

SolutionWbbse

"SolutionWbbse" শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অনলাইন অধ্যয়ন প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি, মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য গাইডলাইন, এবং বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনার সাহায্য প্রদান করা হয়। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে সকল বিষয়ের শিক্ষণীয় উপকরণ সহজেই সকল শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছে দেওয়া।

Editor Picks

‘অনেক রাত্রে সর্বজয়ার ঘুম ভাঙিয়া যায়।’ – সেই রাতের ভয়াবহতার পরিচয় দাও।

‘দিন নাই রাত নাই, সর্বজয়া শুধুই স্বপ্ন দেখে।’ – সর্বজয়া কী স্বপ্ন দেখে, নিজের ভাষায় লেখো।

‘বাঁকা-কঞ্চি অপুর জীবনে এক অদ্ভুত জিনিস!’ – উক্তিটির তাৎপর্য আলোচনা করো।

অপু-দুর্গার বনভোজনের বর্ণনা নিজের ভাষায় লেখো।

‘সর্বজয়ার বুক গর্বে ও তৃপ্তিতে ভরিয়া উঠিল।’ – কীভাবে এরূপ ঘটনা ঘটেছিল, আলোচনা করো।