অষ্টম শ্রেণি বাংলা – পল্লীসমাজ – রচনাধর্মী প্রশ্ন ও উত্তর

Souvick

এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণির বাংলা বিষয়ের চতুর্থ পাঠের অন্তর্গত ‘পল্লীসমাজ’-এর কিছু ‘রচনাধর্মী প্রশ্ন ও উত্তর’ নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নোত্তরগুলো অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বিদ্যালয়ের পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন নিয়মিত আসে।

পল্লীসমাজ - রচনাধর্মী প্রশ্ন ও উত্তর - অষ্টম শ্রেণী - বাংলা

‘নইলে আর ব্যাটাদের ছোটোলোক বলেচে কেন?’ – বক্তা কে? এই উক্তির মধ্য দিয়ে বক্তার চরিত্রের কী পরিচয় পাও?

প্রখ্যাত কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত ‘পল্লীসমাজ’ উপন্যাসের নির্বাচিত অংশ (একাদশ পরিচ্ছেদ) ‘পল্লীসমাজ’ গদ্যাংশে বেণী ঘোষাল এই কথা বলেছে।

তারিণী ঘোষালের পুত্র রমেশের দ্বারস্থ হয় অসহায় গ্রামবাসীবৃন্দ। অবিরাম বৃষ্টিপাতের ফলে তাদের জমির ফসল নষ্ট হওয়ার মুখে। বাঁধ কেটে না দিলে ফসল রক্ষা করা সম্ভব নয়। এই বাঁধ ঘোষাল ও মুখুয্যেদের। রুরকি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের পড়ুয়া রমেশ গ্রামবাসীদের অসহায় অবস্থার কথা অনুভব করে জ্যেষ্ঠ বেণী ঘোষালের শরণাপন্ন হয়। বেণী ঘোষাল শ-তিনেক টাকা ক্ষতি করে বাঁধ কাটতে দিতে নারাজ, কারণ এর পাশেই তাদের জলাভূমিতে প্রচুর মাছ আছে। নানানভাবে পল্লিদরদি রমেশ তাকে গ্রামবাসীদের অসহায়তার কথা বোঝাতে চায়। নির্দয় জমিদার বেণী ঘোষালের বক্তব্য – সে তার নিজের লাভ-লোকসানই দেখবে। গরিবদের কী অবস্থা হতে পারে, তা তার ভাবার কথা নয়। সামান্য যা কিছু আছে, জমিদার হিসেবে তা বর্ধিত করার ওপর সে জোর দেবে।

সমগ্র ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বোঝা যায়, বেণী ঘোষাল একজন নির্দয়, অর্থপিশাচ, ভাবলেশহীন, স্বার্থান্ধ জমিদার। প্রকৃত জমিদারের কাছে প্রজাবৃন্দ সন্তানতুল্য, কিন্তু এখানে দেখা যায় জাত-ধর্ম নিয়ে বেণী ঘোষাল এতই সচেতন যে, গ্রামবাসীর প্রাণের চেয়ে নিজের জমিদারি রক্ষা তার কাছে প্রধান হয়ে উঠেছে।

বেণী, রমা ও রমেশ – চরিত্র তিনটির তুলনামূলক আলোচনা করো। সেইসঙ্গে এই তিনটি চরিত্রের মধ্যে কোন্ চরিত্রটি তোমার সবচেয়ে ভালো লেগেছে এবং কেন তা জানাও।

কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ছিলেন দরদি শিল্পী। পল্লিজীবনে পল্লিবাসীদের স্বার্থান্ধতা, রাজনীতি, ঘরোয়া বিবাদকে সামনে রেখেই তিনি লিখেছিলেন ‘পল্লীসমাজ’। সেই সমাজের প্রেক্ষাপটেই উঠে এসেছে ঘোষাল পরিবারের দুটি চরিত্র – বেণী ও রমেশ। বেণী রমেশের জ্যাঠার ছেলে। উভয়েই কুঁয়াপুরের জমিদার। কিন্তু মানসিকতার দিক থেকে একে অপরের বিপরীত। গদ্যাংশটিতেই তা পরিস্ফুট হয়।

অবিরাম বৃষ্টিপাতের পর অসহায় দরিদ্র গ্রামবাসী যখন ছোটোবাবু রমেশের দ্বারস্থ হয়, তখন তাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সে উদগ্রীব হয়ে ওঠে। ঠিক এই অবস্থায় বেণী ঘোষাল এমন নিশ্চুপ থাকে যা প্রমাণ করে জমিদার হলেও প্রজাদের প্রতি তার কোনো কর্তব্যবোধ নেই। জমিদারির লাভ-লোকসানের অঙ্ক কষতেই সে ব্যস্ত। রমেশ গ্রামবাসীদের কাছ থেকে এ কথা শোনা মাত্রই বেণী ঘোষালের শরণাপন্ন হয়, কিন্তু তার প্রজাদের প্রতি নির্দয় উক্তি রমেশকে ক্ষিপ্ত ও বিব্রত করে তোলে। প্রজাদের জমির পাশের বাঁধ যেহেতু ঘোষাল, মুখুয্যে উভয়েরই, তখন সে তার বাল্যসখী যদু মুখুয্যের বিধবা কন্যা রমার কাছে গিয়ে গ্রামবাসীদের অবস্থা জানায়। সে বোঝে এ ঘটনা রমার অজানা নয়, কিন্তু সেও অর্থক্ষতি স্বীকারে রাজি হয় না। রমার কাছ থেকে এই ব্যবহার রমেশের কাছে একেবারেই অনভিপ্রেত ছিল। রমা তার ভাই যতীনের সম্পত্তির রক্ষাকর্ত্রী। সুতরাং সেসব দিক বিবেচনা করেই সে রমেশের প্রস্তাবে রাজি হয় না। তা ছাড়াও যদু মুখুয্যে ও তারিণী ঘোষালের সম্পর্ক চিরদিনই খারাপ ছিল। অতীত কথা এবং বেণী ঘোষালের কথা চিন্তা করে সে এই প্রস্তাবে সায় দেয় না। অন্যদিকে রমেশ গ্রামবাসীকে এই চরম বিপদের হাত থেকে রক্ষা করতে প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে এক হিন্দুস্থানি লাঠিয়াল সঙ্গে করে বাঁধ কাটতে বেরিয়ে পড়ে। অনর্থ ঘটতে চলেছে এই আশঙ্কায় রমা আকবর সর্দারের সাহায্য নিয়ে বাঁধ রক্ষা করতে চাইলেও পরাস্ত হয়। রমেশের আন্তরিকতা, সাহস, গ্রামবাসীর প্রতি ভালোবাসা আকবরকে মুগ্ধ করে। তাই আহত হয়েও সে তার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ জানাতে চায় না। বেণী ঘোষালও দুজনের প্রস্তাব ফিরিয়ে দেয়। প্রকাশ্যে না হলেও রমা গোপনে রমেশের এই সাহসিকতা ও আন্তরিকতাকে শ্রদ্ধা করে।

রমেশ এই গদ্যের অন্যতম চরিত্র। ‘মানুষ’ কথাটির অর্থ মান এবং হুঁশ যার আছে। জাত, ধর্ম, ঐশ্বর্যের জোরে মানুষ কখনও শ্রেষ্ঠ হতে পারে হতে পারে না। রমেশ চরিত্রটি তার মানবিকতার কারণেই আমার কাছে প্রিয়। জমিদারি রক্ষার চেয়েও সন্তানতুল্য প্রজাসমূহ তার কাছে বড়ো হয়ে উঠেছিল। তাই তাদের রক্ষা করতে গিয়ে বেণী ঘোষাল ও রমার কাছে যখন সে অপমানিত হয়, তখন প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে একক প্রচেষ্টায় বাঁধ কেটে প্রজাদের সে আসন্ন বিপদের হাত থেকে রক্ষা করে প্রকৃত মানুষের পরিচয় দেয়। সেই আহত আকবর সর্দারও তার বিরোধিতা করে অভিযোগ জানাতে থানায় যেতে চায়নি। প্রকৃত মানবিকতার মাধ্যমে সে পল্লিবাসীর মন জয় করেছিল।

উপন্যাসের নামে পাঠ্যাংশটির নামকরণও ‘পল্লীসমাজ’ রাখা হয়েছে। সেক্ষেত্রে নামকরণটি সুপ্রযুক্ত হয়েছে কিনা সে সম্পর্কে মতামত জানাও।

কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত ‘পল্লীসমাজ’ উপন্যাসের নির্বাচিত অংশ (একাদশ পরিচ্ছেদ)-এর নামকরণ করা হয়েছে ‘পল্লীসমাজ’। মূলত নামকরণ হয় চরিত্রনির্ভর, কাহিনিনির্ভর অথবা গূঢ়ার্থকেন্দ্রিক।

নির্বাচিত বেশ কয়েকটি চরিত্রের মাধ্যমে পল্লিজীবনের কলহ, বিবাদ, নীচতা, ষড়যন্ত্র ফুটে উঠেছে। অন্যদিকে জমিদার শ্রেণির শোষণ, প্রজাকুলের প্রতি চরম অসহযোগিতার কথাও প্রকাশিত হয়েছে। পল্লিসমাজের বুক থেকেই উঠে এসেছে বেণী ঘোষালের মতো নির্দয়, অর্থপিশাচ জমিদার এবং তোষামোদকারী হালদার। অন্যদিকে যদু মুখুয্যের বিধবা কন্যা রমা, যার কাছে ভাই যতীনের সম্পত্তি রক্ষাই মুখ্য বিষয় হয়ে উঠেছে। রমেশ জমিদার হয়েও সুশিক্ষিত এবং উচ্চমনের অধিকারী। এই কারণেই শত প্রতিকূলতা, অসহযোগিতা সত্ত্বেও গ্রামের অসহায় দুঃখী মানুষের পাশে থেকে তাদের বিপদে সাহায্য করে অনাহারের হাত থেকে রক্ষা করেছে। আকবর পাঁচ গ্রামের সর্দার হয়েও রমার নির্দেশ অনুযায়ী বাঁধ ভাঙতে বাধা দিতে গিয়ে রমেশের মহানুভবতার পরিচয় পায়; তাই তার লাঠির আঘাতে আহত হয়েও সে তার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করতে নারাজ হয়। বেণী ঘোষালের স্বার্থপূরণ হয় না।

আমার মনে হয়, প্রতিটি চরিত্রই একে অপরকে চিত্রিত করতে সাহায্য করেছে। কেউ এককভাবে প্রাধান্য পায়নি। পল্লিসমাজের বুক থেকে উঠে এসেছে এই বর্ণময় চরিত্রগুলি। সেই চিন্তাধারা থেকেই পটভূমির আশ্রয়ে ‘পল্লীসমাজ’ নামটি যথার্থই বলা যায়।

‘পল্লীসমাজ’ পাঠ্যাংশে সামন্ততান্ত্রিক ব্যবস্থার কোনো নিদর্শন পেয়ে থাকলে সে সম্পর্কে আলোচনা করো। এ ধরনের ব্যবস্থার সুফল ও কুফল সম্পর্কে আলোচনা করো

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় দরদি কথাশিল্পী। পল্লিসমাজের জাত, ধর্ম, বৈভব নিয়ে বিভিন্ন বাসিন্দাদের মধ্যে কলহ-বিবাদ মনুষ্যত্বের অবক্ষয় ঘটিয়েছে। মানুষের লেখক শরৎচন্দ্র সেই ত্রুটিবিচ্যুতি সম্পর্কে পাঠক সমাজকে সচেতন করতেই তাঁর কলম ধরেছেন।

জমিদারি প্রথা চিরকালই এক শ্রেণির মানুষের হাত শক্ত করেছে। দরিদ্র প্রজাদের ওপর শোষণ ও শাসন চালিয়ে কালক্রমে তারা বহু ভূসম্পত্তির অধিকারী হয়েছেন। এককথায় একদল পরিশ্রম করেছে, অপর দল সেই পরিশ্রমের ফসল ভোগ করেছে। বেণী ঘোষাল সেই জমিদারদেরই প্রতিনিধি, যার কাছে প্রাণের চেয়ে অর্থের মূল্য অনেক।

দ্বিতীয় শ্রেণির জমিদাররা ছিলেন প্রজাহিতৈষী। রমেশ রুরকি কলেজে পাঠরত ছেলে। অসহায় গ্রামবাসী যখনই তার কাছে উপস্থিত হয়েছে, তখনই সে তাদের অবস্থা উপলব্ধি করতে পেরেছে। তাদের বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছে প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে। জমিদারি বা সামন্তপ্রথায় একদল জমিদার তাদের ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রজাশোষণ চালিয়েছে সমাজের কিছু গণ্যমান্য ব্যক্তির সহযোগিতায়। আর সচেতন ও শিক্ষিত জমিদার অভিভাবকের মতো পাশে থেকে নিরাপত্তা দিয়েছেন, দুঃখকষ্ট বুঝেছেন আর এরই মাধ্যমে গড়ে উঠেছে জমিদার ও প্রজার মধ্যে সুসম্পর্ক। রমেশ এই জমিদারদের অন্যতম প্রতিনিধি বলা যায়।

সুতরাং বলা যায়, সামন্ততান্ত্রিক ব্যবস্থায় কুফল হিসেবে ছিল প্রজাশোষণ এবং সুফল হিসেবে বলা যায় কৃষক ও জমিদারদের মধ্যে যে আন্তরিক সম্পর্ক গড়ে উঠত তা পরবর্তী পর্যায়েও থেকে গিয়েছিল। কৌশলী জমিদাররা বহু ক্ষেত্রে এই কৃষকদের অশিক্ষার সুযোগে মিথ্যা দেনায় তাদের জড়িয়ে দিতেন। গরিব প্রজারা ফসল নষ্ট হওয়ায় বহু সময় ধার নিতেন, যা তারা জমিদারের কৌশলে শোধ করতে পারতেন না। ফলে বহু ক্ষেত্রে তারা জমি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়তেন। রবীন্দ্রনাথের কথায় বলা যায়, ‘রাজার হস্ত করে সমস্ত কাঙালের ধন চুরি।’


এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণির বাংলা বিষয়ের চতুর্থ পাঠের অন্তর্গত ‘পল্লীসমাজ’-এর কিছু ‘রচনাধর্মী প্রশ্ন ও উত্তর’ নিয়ে আলোচনা করলাম। এই প্রশ্নোত্তরগুলো অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বিদ্যালয়ের বাংলা পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন নিয়মিত আসে।

আশা করি, এই আর্টিকেলটি তোমাদের উপকারে এসেছে। যদি তোমাদের কোনো প্রশ্ন বা মতামত থাকে, তবে টেলিগ্রামে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারো। তোমাদের যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য আমরা সর্বদা প্রস্তুত। ধন্যবাদ।

Please Share This Article

Related Posts

ভারতীয় সংবিধান-গণতন্ত্রের কাঠামো ও জনগণের অধিকার-অষ্টম শ্রেণি ইতিহাস-বিশ্লেষণধর্মী প্রশ্ন উত্তর

অষ্টম শ্রেণি ইতিহাস – ভারতীয় সংবিধান: গণতন্ত্রের কাঠামো ও জনগণের অধিকার – বিশ্লেষণধর্মী প্রশ্ন উত্তর

ভারতীয় সংবিধান-গণতন্ত্রের কাঠামো ও জনগণের অধিকার-অষ্টম শ্রেণি ইতিহাস-ব্যাখ্যামূলক প্রশ্ন উত্তর

অষ্টম শ্রেণি ইতিহাস – ভারতীয় সংবিধান: গণতন্ত্রের কাঠামো ও জনগণের অধিকার – ব্যাখ্যামূলক প্রশ্ন উত্তর

ভারতীয় সংবিধান-গণতন্ত্রের কাঠামো ও জনগণের অধিকার-অষ্টম শ্রেণি ইতিহাস-সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর

অষ্টম শ্রেণি ইতিহাস – ভারতীয় সংবিধান: গণতন্ত্রের কাঠামো ও জনগণের অধিকার – সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর

About The Author

Souvick

Tags

Leave a Comment

SolutionWbbse

"SolutionWbbse" শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অনলাইন অধ্যয়ন প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি, মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য গাইডলাইন, এবং বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনার সাহায্য প্রদান করা হয়। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে সকল বিষয়ের শিক্ষণীয় উপকরণ সহজেই সকল শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছে দেওয়া।

Editor Picks

জৈব ভূ-রাসায়নিক চক্র কাকে বলে? জৈব ভূ-রাসায়নিক চক্রের কটি দশা ও কী কী?

ডিনাইট্রিফিকেশন বলতে কী বোঝো ও এর তাৎপর্য – মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান

নাইট্রোজেন চক্রে অণুজীব ও পতঙ্গভুক উদ্ভিদের ভূমিকা

পরিবেশের মৌলিক উপাদানগুলির ঘাটতি হয় না -এর কারণ কী?

নাইট্রোজেন চক্রে অণুজীবদের ভূমিকা ও পতঙ্গভুক উদ্ভিদের গুরুত্ব