এই আর্টিকলে আমরা নবম শ্রেণীর জীবন বিজ্ঞানের প্রথম অধ্যায় ‘জীবন ও তার বৈচিত্র্য’ -এর অন্তর্গত ‘জীবনের প্রধান/মূল বৈশিষ্ট্য’ অংশের গুরুত্বপূর্ণ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর নিয়ে আলোচনা করব। পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ (WBBSE) -এর সিলেবাস অনুযায়ী আসন্ন ইউনিট টেস্ট বা স্কুল পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য এই প্রশ্নগুলো অত্যন্ত জরুরি।

জীবনের সংজ্ঞা দাও।
জীবন – সজীব ও জটিল জৈব যৌগ সমন্বিত প্রোটোপ্লাজমের সুনির্দিষ্ট ধর্মের (যেমন – বৃদ্ধি, বিপাক, প্রজনন, শ্বসন, চলন, গমন, পরিব্যক্তি প্রভৃতি) বহিঃপ্রকাশকে জীবন বা প্রাণ বলে।

প্রোটোপ্লাজমকে ‘জীবনের ভৌতভিত্তি’ রূপে উল্লেখ করা হয় কেন?
সমস্ত জীবের দেহ প্রোটোপ্লাজম নামক একপ্রকার জেলি সদৃশ বস্তুপূর্ণ আণুবীক্ষণিক একক দ্বারা গঠিত। এদের কোশ (Cell) বলে। জীবের জীবন এই প্রোটোপ্লাজমের সক্রিয়তার ওপর নির্ভরশীল। জীবদেহের সামগ্রিক কোশের প্রোটোপ্লাজমের সক্রিয়তা বিনষ্ট হলে জীবের মৃত্যু ঘটে। এর ফলে জড় ও জীবের মধ্যে কোনো পার্থক্য থাকে না। এই কারণে বিজ্ঞানী টি এইচ হাক্সলে (T. H. Huxley) প্রোটোপ্লাজমকে ‘জীবনের ভৌতভিত্তি’ (Physical basis of life) রূপে অভিহিত করেছেন।
সজীব বস্তু বলতে কী বোঝো? উদাহরণ দাও।
সজীব বস্তু বা জীব (Living beings or Organisms) – যে-সমস্ত বস্তুর নির্দিষ্ট আকার ও আয়তন আছে এবং বিপাক, বৃদ্ধি, চলন, গমন, শ্বসন, রেচন, উত্তেজিতা, জনন, অভিযোজন, পরিব্যক্তি প্রভৃতি বৈশিষ্ট্যগুলি বর্তমান, তাদের সজীব বস্তু বা জীব বলে। যেমন – ব্যাকটেরিয়া, উদ্ভিদ (আমগাছ, বটগাছ প্রভৃতি) ও প্রাণী (পিঁপড়ে, হাতি, বাঘ, মানুষ প্রভৃতি)।
জড় বস্তু কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
জড় বস্তু (Non-Living things) – যে-সমস্ত বস্তুর মধ্যে বিপাক, বৃদ্ধি, জনন প্রভৃতি বৈশিষ্ট্যগুলি দেখা যায় না, তাদের জড় বস্তু বলে। যেমন –
- প্রাকৃতিক জড় বস্তু – পাথর, বালি।
- মনুষ্যসৃষ্ট জড় বস্তু – টেবিল, চেয়ার, গাড়ি, বই প্রভৃতি।
জীব ও জড়ের মধ্যে সাদৃশ্য লেখো।
- জীব ও জড় উভয়েই একই মৌল উপাদান (যেমন – C, H, O, N প্রভৃতি) -এর সমন্বয়ে গঠিত।
- জীব ও জড় উভয়েই আয়তনযুক্ত হয়।
একটি গড়িয়ে যাওয়া পাথর সজীব নয় কেন?
গড়ানো পাথর সামগ্রিকভাবে স্থান পরিবর্তন করলেও এটি সজীব -এর বৈশিষ্ট্য নয়। কারণ, সজীব বস্তুর গমন ঘটে স্বেচ্ছায় এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবে। এক্ষেত্রে পাথর গড়িয়ে যাওয়ার জন্য দায়ী থাকে বাহ্যিক শক্তি। সুতরাং, গড়িয়ে যাওয়া পাথর সজীব নয়।
একটি কেন্নো সজীব কিন্তু পড়ে থাকা ইটের টুকরোকে কেন জড় বলে মনে হয়?
একটি কেন্নোকে কাঠি দিয়ে নাড়ালেই কেন্নোটি গুটিয়ে গোল হয়ে যায়, অর্থাৎ কেন্নো উত্তেজনায় সাড়া দেয়। যে-কোনো জীব উত্তেজনায় সাড়া দেয়, এজন্য কেন্নো সজীব। পড়ে থাকা ইটকে কাঠি দিয়ে নাড়ালে তার কোনো পরিবর্তনই ঘটে না অর্থাৎ, তা উত্তেজনায় সাড়া দেয় না। জড়বস্তু উত্তেজনায় সাড়া দেয় না। একারণে ইটের টুকরো একটি জড়বস্তু।
জীবনচক্র কাকে বলে? একটি করে উদ্ভিদ ও প্রাণীর জীবনচক্রের উদাহরণ দাও।
জীবনচক্র – কোনো নির্দিষ্ট প্রজাতির জীবদেহে কতগুলি বিশেষ ও নির্দিষ্ট প্রকার ধারাবাহিক পরিবর্তনের মাধ্যমে জীবনের বিভিন্ন দশার আবির্ভাব ঘটে, এইরূপ দশার ধারাবাহিক আবর্তনকে জীবনচক্র বলে।
একটি সপুষ্পক উদ্ভিদের জীবনচক্র হল –

একটি প্রাণীর জীবনচক্র হল ব্যাঙের জীবনচক্র।

পরিব্যক্তি কাকে বলে? পরিব্যক্তিতা কী?
জীবের বিভিন্ন চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যগুলি জিন দ্বারা নির্ধারিত হয়। প্রতিটি সজীব কোশের নিউক্লিয়াস মধ্যস্থ জিনের আকস্মিক ও স্থায়ী পরিবর্তনের মাধ্যমে জীবের মধ্যে নতুন বৈশিষ্ট্যের উদ্ভবের ঘটনাকে পরিব্যক্তি (Mutation) বলে। জীবের পরিব্যক্তি ঘটানোর ক্ষমতাকে পরিব্যক্তিতা (Mutability) বলে। পরিব্যক্তিতার মাধ্যমে নতুন বৈশিষ্ট্যযুক্ত জীবপ্রজাতি সৃষ্টি হয় এবং জৈব বিবর্তনের পথ প্রশস্ত হয়।
প্রকরণ (Variation) বলতে কী বোঝো?
প্রকরণ – খাদ্য ও বাসস্থানের জন্য একই প্রজাতির বিভিন্ন সদস্যদের মধ্যে সংগ্রামের ফলে যে সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম পার্থক্যের সৃষ্টি হয় তার মধ্যে কিছু বৈশিষ্ট্য বংশানুক্রমে সঞ্চারিত হয়। বৈশিষ্ট্যের এই পার্থক্যকে ভেদ বা প্রকরণ বলে।
প্রকরণের গুরুত্বগুলি লেখো।
প্রকরণের গুরুত্ব –
- প্রকরণ বা ভেদ জীবের অভিযোজন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
- প্রকরণের মাধ্যমে জীবের অভিব্যক্তির পথ সুগম হয়।
- প্রকরণের দ্বারা জীবের স্বতন্ত্রতা তৈরি হয়।
- জীবের শনাক্তকরণে এবং সংকরায়ণ পদ্ধতিতে প্রকরণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
অবিচ্ছিন্ন প্রকরণ বলতে কী বোঝো? উদাহরণ দাও।
অবিচ্ছিন্ন বা চলমান প্রকরণ (Continuous Variation) – যে প্রকরণে জীবের কোনো বৈশিষ্ট্যের ছোটো ছোটো পরিবর্তনগুলি মিলিতভাবে যখন একটি বৃহৎ পরিবর্তন সৃষ্টি করে এবং সম্পূর্ণ ভিন্ন বৈশিষ্ট্যযুক্ত অপত্য সৃষ্টি করে, তাকে অবিচ্ছিন্ন বা চলমান প্রকরণ বলে।
উদাহরণ –
- জীবের আকার, গঠন, ত্বক ও চুলের রং, ওজন প্রভৃতির পরিবর্তন দ্বারা সংঘটিত প্রকরণ।
- গমের শিষে গমের দানার সংখ্যা, মুরগির বছরে ডিম উৎপাদন ক্ষমতার পার্থক্য দ্বারা সৃষ্ট প্রকরণ।
বিচ্ছিন্ন প্রকরণ বলতে কী বোঝো? উদাহরণ দাও।
বিচ্ছিন্ন বা অসংলগ্ন প্রকরণ (Discontinuous Variation) – যে প্রকরণ জীবদেহে হঠাৎ করে সৃষ্টি হয় এবং বংশপরম্পরায় সঞ্চারণের মাধ্যমে নতুন প্রজাতি সৃষ্টি করে, তাকে বিচ্ছিন্ন বা অসংলগ্ন প্রকরণ বলে।
উদাহরণ –
- ক্রোমোজোম বা জিনের মিউটেশনের দ্বারা সৃষ্ট লোমহীন বিড়াল, ছোটো পা-যুক্ত ভেড়া (অ্যানকন প্রজাতি) প্রভৃতি।
- মানুষের হাতে বা পায়ে আঙুলের সংখ্যা বৃদ্ধিজনিত প্রকরণ।
জৈব বিবর্তন কাকে বলে? পৃথিবীতে জীবন সৃষ্টির ইতিহাসের প্রধান ঘটনাগুলি কী কী?
জৈব বিবর্তন (Organic Evolution) – যে মন্থর এবং গতিশীল প্রক্রিয়ায় বংশপরম্পরায় সরল জীব থেকে ধাপে ধাপে ক্রমান্বয়িক পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে জটিল জীবের উদ্ভব ঘটে, তাকে জৈব বিবর্তন বা জৈব অভিব্যক্তি বলে।
পৃথিবীতে জীবন সৃষ্টির ইতিহাসের প্রধান ঘটনাগুলি ছকের সাহায্যে উল্লেখ করো।
পৃথিবীতে জীবন সৃষ্টির ইতিহাসের প্রধান ঘটনাসমূহ –
পৃথিবী সৃষ্টি → রাসায়নিক বিবর্তন → জৈব বিবর্তন → এককোশী অবস্থার পূর্বরূপ → এককোশী জীব → বহুকোশী জীব।
নিম্নলিখিত তথ্যগুলি পর্যায়ক্রমে সাজাও – সজীবকোশ, জারণধর্মী পরিবেশ, স্বভোজী, পরভোজী, বিজারণধর্মী বায়ুমণ্ডল, প্রথম জৈব অণু।
বিজারণধর্মী বায়ুমণ্ডল → প্রথম জৈব অণু → সজীব কোশ → পরভোজী → স্বভোজী → জারণধর্মী পরিবেশ।
পৃথিবীতে কবে, কোথায় প্রথম জীবনের আবির্ভাব ঘটে?
আনুমানিক 370 কোটি বা 3.7 বিলিয়ন বছর আগে পৃথিবীতে সামুদ্রিক পরিবেশে জীবনের আবির্ভাব ঘটে।
পৃথিবীতে জীবন সৃষ্টি সংক্রান্ত সর্বজনগ্রাহ্য মতবাদ কোনটি? এর প্রবক্তা কে?
পৃথিবীতে জীবন সৃষ্টি সংক্রান্ত সর্বজনগ্রাহ্য মতবাদটি হল ‘জীবনের জৈবরাসায়নিক উৎপত্তি মতবাদ’। এই মতবাদটির প্রবক্তা হলেন আলেকজান্ডার ওপারিন (AI Oparin) এবং জে বি এস হ্যালডেন (JBS Haldene) ।
‘ওপারিন প্রকল্প’ বলতে কী বোঝো?
বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার আই ওপারিন ‘দি অরিজিন অফ লাইফ অন আর্থ’ (The Origin of Life on Earth) নামক গ্রন্থে প্রথম জীবনের উৎপত্তি সংক্রান্ত যে মতবাদ প্রকাশ করেন, তাকে ‘ওপারিন প্রকল্প’ বা ‘Oparin World’ বলা হয়।
‘সায়ানোজেন’ মতবাদটি ব্যাখ্যা করো।
সায়ানোজেন মতবাদটি প্রবর্তন করেন বিজ্ঞানী ফ্লুজার (Pfluger)। পৃথিবী উৎপত্তির পর তাপ বিকিরণ করে ঠান্ডা হতে শুরু করে। কার্বন ও হাইড্রোজেন বিক্রিয়া করে সায়ানোজেন উৎপন্ন করে। ক্রমে সায়ানোজেন অন্যান্য পদার্থের (জলের হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের) সঙ্গে যুক্ত হয়ে অপেক্ষাকৃত জটিল থেকে জটিলতর সায়ানোজেন উৎপন্ন করে। এইভাবে প্রোটোপ্লাজম উৎপন্ন হয়। এই মতবাদ অনুসারে পৃথিবীতে প্রাণের উদ্ভব ঘটেছিল সায়ানোজেনজাতীয় যৌগ থেকেই।
‘গরম তরল ঝোল’ বা ‘হট ডাইলুট স্যুপ’ বলতে কী বোঝো?
আদিম পৃথিবীতে উত্তপ্ত সমুদ্রের জলে রাসায়নিক বিবর্তন বা কেমোজেনির ফলে শর্করা, অ্যামিনো অ্যাসিড, ফ্যাটি অ্যাসিড এবং অন্যান্য সরল ও জটিল জৈব যৌগের উৎপত্তি ঘটে। বিজ্ঞানী হ্যালডেন সমুদ্রের উত্তপ্ত জল ও বিভিন্ন জটিল জৈব অণুর মিশ্রণকে ‘গরম তরল ঝোল’ বা ‘Hot dilute soup’ নামে অভিহিত করেন। আদিম পৃথিবীতে এই মিশ্রণই প্রাণ সৃষ্টির অনুকূল মাধ্যম তৈরি করেছিল।
কোয়াসারভেট কাকে বলে?
বিজ্ঞানী ওপারিন -এর মতে আদিম পৃথিবীতে উত্তপ্ত সামুদ্রিক পরিবেশে উপস্থিত বৃহৎ জৈব অণুগুলি আন্তঃআণবিক বল দ্বারা পরস্পর যুক্ত হয়ে ও গরম তরল স্যুপ থেকে আলাদা হয়ে যে বৃহৎ কোলয়েড দানা গঠন করেছিল, তাকে কোয়াসারভেট (Coacervate; ল্যাটিন শব্দ Coacervare অর্থাৎ একত্রিত বা গুচ্ছ হওয়া) বলে।
কোয়াসারভেটের দুটি বৈশিষ্ট্য লেখো।
কোয়াসারভেটের বৈশিষ্ট্য –
- কোয়াসারভেট শর্করা, বিভিন্ন প্রোটিন, নিউক্লিও প্রোটিন, লিপিড দ্বারা গঠিত বৃহৎ কোলয়েডীয় বিন্দু।
- কোয়াসারভেট লেসিথিন জাতীয় ফ্যাট ও সেফালিন জাতীয় ফসফোলিপিড দ্বারা আবৃত ছিল।
জীবন সৃষ্টিতে কোয়াসারভেট -এর গুরুত্ব লেখো।
জীবন সৃষ্টিতে কোয়াসারভেটের গুরুত্ব –
- ওপারিনের মতে আদি পৃথিবীতে কোয়াসারভেটই হল প্রথম কোশীয় অবস্থা।
- কোয়াসারভেটের লিপিড আবরণী (লেসিথিন ও কেফালিন সমৃদ্ধ) সমুদ্রের জল থেকে প্রচুর জৈব অণু শোষণ করে এবং কোয়াসারভেটের আয়তন বৃদ্ধি ঘটে।
- বৃদ্ধিপ্রাপ্ত কোয়াসারভেট এরপর ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দানায় ভেঙে যায় এবং অপত্য উৎপাদনে সক্ষমতা অর্জন করে ও জীবন সৃষ্টির পূর্বসূরী রূপে কাজ করে।
- বিজ্ঞানী ওপারিন মনে করতেন, কোয়াসারভেট নানারকম বিক্রিয়া ঘটাতেও সক্ষম হত।
প্রোটিনয়েড কী?
আদিম পৃথিবীতে সামুদ্রিক পরিবেশে উচ্চ তাপমাত্রায় (150°C-180°C) বা UV রশ্মির প্রভাবে অ্যামিনো অ্যাসিড জাতীয় জৈব অণুগুলি একসঙ্গে যুক্ত হয়ে (পলিমারাইজেশন) প্রোটিনের মতো যে বৃহৎ রাসায়নিক যৌগ গঠন করে, তাকে প্রোটিনয়েড বলে। আমেরিকান বিজ্ঞানী সিডনি ফক্স (1958) -এর মতে আদিকোশ সৃষ্টির জন্য তখনকার পৃথিবীর পরিবেশে থাকা প্রোটিনয়েডগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করে।
প্রোটিনয়েডের গুরুত্ব লেখো।
প্রোটিনয়েডের গুরুত্ব –
- প্রোটিনয়েডগুলি পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে মাইক্রোস্ফিয়ার নামক গঠন সৃষ্টি করে।
- বিজ্ঞানী সিডনি ফক্স -এর মতে আদিম পৃথিবীতে আদিকোশ গঠনে প্রোটিনয়েডগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।
প্রোটোবায়োন্ট কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
প্রাক্-জীবের মতো অণুসমষ্টি যারা পারিপার্শ্বিক জলীয় পরিবেশ থেকে কৃত্রিমভাবে ও পৃথক পৃথকভাবে উৎপন্ন হয় এবং যাদের প্রজনন ক্ষমতা না থাকলেও নিজের আন্তঃরাসায়নিক পরিবেশ উপস্থিত, তাদের প্রোটোবায়োন্ট বলে।
উদাহরণ – কোয়াসারভেট এবং মাইক্রোস্ফিয়ার হল দু-প্রকার প্রোটোবায়োন্ট।
মাইক্রোস্ফিয়ারের সংজ্ঞা দাও।
বিজ্ঞানী সিডনি ফক্স (S.W. Fox) -এর মতে আদি পৃথিবীতে সমুদ্রের জলে অর্ধভেদ্য পর্দাবৃত প্রোটিন, DNA, RNA প্রভৃতি দ্বারা গঠিত যে-সমস্ত বৃহৎ কোলয়েডীয় দানাগুলি সম্মিলিতভাবে উপস্থিত ছিল, তাদের মাইক্রোস্ফিয়ার বলে।
মাইক্রোস্ফিয়ারের দুটি বৈশিষ্ট্য লেখো।
মাইক্রোস্ফিয়ারের বৈশিষ্ট্য –
- প্রোটিন ও নিউক্লিক অ্যাসিড দ্বারা গঠিত জৈব অণু।
- এটি দ্বিলিপিড পর্দা দ্বারা আবৃত ছিল।
মাইক্রোস্ফিয়ারের গুরুত্ব লেখো।
মাইক্রোস্ফিয়ারের গুরুত্ব –
- মাইক্রোস্ফিয়ার বিভাজন ক্ষমতাযুক্ত ও ATP বিশ্লেষণে সক্ষম ছিল।
- এরাই প্রথম উৎসেচকের মতো কার্যক্ষমতা লাভ করে। এজন্য বিজ্ঞানী সিডনি ফক্স মাইক্রোস্ফিয়ারকে ‘প্রাককোশীয় সংগঠন’ রূপে অভিহিত করেন।
প্রোটোসেল (Protocell) কাকে বলে?
আদি পৃথিবীতে সমুদ্রের জলে বৃহৎ কোলয়েডীয় দানা, কোয়াসারভেটের মধ্যে নিউক্লিক অ্যাসিড ও নিউক্লিওপ্রোটিন তৈরি হওয়ার ফলে এবং সমগ্র উপাদান আবরণ দ্বারা আবৃত হওয়ায় যে প্রথম জীবন (Living System) তৈরি হয়, তাকে প্রোটোসেল বলে।
কোয়াসারভেট ও মাইক্রোস্ফিয়ার -এর মধ্যে সাদৃশ্য লেখো।
- কোয়াসারভেট এবং মাইক্রোস্ফিয়ার উভয়েরই প্রধান উপাদান ছিল প্রোটিন।
- উভয়েই আবরণবেষ্টিত আদি কোশীয় সংগঠনরূপে পরিগণিত হয়।
প্রোটোসেল ও প্রোক্যারিওটিক কোশ -এর সাদৃশ্য লেখো।
- উভয়েই জীবন সংগঠনের আদিরূপকে প্রকাশ করে।
- উভয়েই স্বপ্রজনন ক্ষমতাযুক্ত RNA বিশিষ্ট এবং অবায়ুজীবী।
প্রাথমিক কোশের দুটি বৈশিষ্ট্য লেখো।
- এরা পরভোজী ও অবায়ুজীবী ছিল।
- এরা RNA যুক্ত এবং অনির্দিষ্ট RNA প্রতিলিপিকরণে সক্ষম ছিল।
কত বছর আগে পৃথিবীতে প্রথম স্বভোজী জীবগোষ্ঠী উৎপত্তি লাভ করেছিল? এই জীবগোষ্ঠীর নাম কী?
আনুমানিক 3,000-3,500 মিলিয়ন বছর আগে পৃথিবীতে প্রথম স্বভোজী জীবগোষ্ঠী উৎপত্তি লাভ করে। এই সমস্ত জীবগোষ্ঠী ছিল সায়ানোব্যাকটেরিয়া বা নীলাভ-সবুজ শৈবাল।
জীববৈচিত্র্যের প্রকারভেদগুলির পারস্পরিক সম্পর্ক নির্ণয় করো।
জীববৈচিত্র্যের প্রকারভেদগুলির পারস্পরিক সম্পর্ক –

জীববৈচিত্র্যের যে-কোনো দুটি উৎস লেখো।
জীববৈচিত্র্যের উল্লেখযোগ্য উৎস হল –
পরিবর্তনশীল পরিবেশ – পৃথিবীর জন্মলগ্ন থেকে বর্তমানকাল পর্যন্ত পৃথিবীর অবহাওয়া ও জলবায়ু পরিবর্তিত হয়েছে যার প্রভাবে জীবকুল পরিবর্তনশীল পরিবেশে নিজেকে অভিযোজিত করতে চেষ্টা করেছে এবং নতুন নতুন বৈশিষ্ট্য অর্জন করেছে যা জীববৈচিত্র্যতা সৃষ্টির অন্যতম কারণ।
প্রকরণ (Variation) – জীবকোশে পরিব্যক্তি বা মিউটেশনের দ্বারা জিনের আকস্মিক ও স্থায়ী পরিবর্তন ঘটে এবং এই পরিবর্তিত জিন বংশানুক্রমে সঞ্চারণে সক্ষম হলে, প্রকরণ বা ভেদ সৃষ্টি হয়, যার ফলস্বরূপ জীববৈচিত্র্য লক্ষ করা যায়।
জীববৈচিত্র্যের বাস্তুসংস্থান সম্পর্কিত দুটি গুরুত্ব লেখো।
জীববৈচিত্র্যের বাস্তুসংস্থানগত গুরুত্ব –
- বাস্তুতন্ত্রে প্রতিটি জীবের নির্দিষ্ট ভূমিকা বর্তমান। যেমন – সবুজ উদ্ভিদ খাদ্য তৈরি করে (উৎপাদক), ঘাসফড়িং ঘাস খায়, ব্যাং ফড়িং খায় প্রভৃতি। কোনো একটি জীবগোষ্ঠীর অভাবে বাস্তুতন্ত্রের পর্যায়ক্রমিক পুষ্টিস্তর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সুতরাং, বাস্তুতন্ত্র যথাযথ বজায় রাখতে জীববৈচিত্র্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- জীববৈচিত্র্য জীবনের ধারাকে অক্ষুণ্ণ রাখতে সাহায্য করে।
পৃথিবীর সব জায়গায় জীববৈচিত্র্য কি একই রকম থাকে?
না, পৃথিবীর সব জায়গায় জীববৈচিত্র্য একই রকম থাকে না। পৃথিবীর বিষুবরেখার দুপাশে নিরক্ষীয় অঞ্চলে জীববৈচিত্র্য সবথেকে বেশি। যেমন – অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, মালয়েশিয়া, ভারতবর্ষ প্রভৃতি। আবার মেরু অঞ্চলে জীববৈচিত্র্য খুব কম।
জড় ও জীবের মধ্যে পার্থক্য সৃষ্টিকারী বৈশিষ্ট্যগুলি উল্লেখ করো।
জড় ও জীবের মধ্যে পার্থক্য সৃষ্টিকারী বৈশিষ্ট্যসমূহ –
- নির্দিষ্ট আকার ও আয়তন।
- সুনির্দিষ্ট ও সুসংহত দেহ সংগঠন।
- কোশীয় প্রোটোপ্লাজমীয় সংগঠন।
- পুষ্টি ও বিপাক।
- বৃদ্ধি ও ক্ষয়পূরণ।
- শ্বাসকার্য ও শ্বসন।
- চলন ও গমন।
- রেচন।
- উত্তেজিতা।
- দেহের অভ্যন্তরীণ ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণ বা হোমিওস্ট্যাসিস।
- জনন।
- অভিযোজন, পরিব্যক্তি ও অভিব্যক্তি।
উত্তেজিতা কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
উত্তেজিতা (Irritability) – কোনো জীবের বাহ্যিক বা অভ্যন্তরীণ পরিবেশের কোনো পরিবর্তন ঘটলে সেই পরিবর্তনের সাপেক্ষে জীবের মধ্যে সাড়া দেওয়ার ক্ষমতা লক্ষ করা গেলে, তাকে উত্তেজিতা বলে। যে সকল কারণে জীবদেহে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়, তাদের উদ্দীপক বলে।
উদাহরণ –
- লজ্জাবতী গাছের পাতা স্পর্শ করলে পাতাগুলি মুদে যায়।
- চলমান কোনো শামুককে স্পর্শ করলে শামুক তার দেহ খোলকের মধ্যে ঢুকিয়ে নেয়।

প্রোটোপ্লাজম কথাটির অর্থ কী?
‘প্রোটোপ্লাজম’ কথাটির উদ্ভব গ্রিক শব্দ ‘Protos’ থেকে, যার অর্থ ‘আদি’ এবং ‘Plasm’, যার অর্থ ‘গঠন’। বিজ্ঞানী পারকিনজে এবং হুগো ভন মোল পৃথকভাবে কোশের ধাত্রের নামকরণ করেন প্রোটোপ্লাজম।
ছন্দবদ্ধতা কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
ছন্দবদ্ধতা (Rhythmicity) – জীবদেহের সমস্ত শারীরবৃত্তীয় কার্যাবলি নির্দিষ্ট ছন্দে পরিচালিত হয়। জীবের সব শারীরবৃত্তীয় কাজ কিছুক্ষণ সক্রিয় ও কিছুক্ষণ নিষ্ক্রিয় থাকে, আবার নির্দিষ্ট সময় পরে সক্রিয় হয়। এইভাবে সক্রিয় → নিষ্ক্রিয় → সক্রিয় একটি নির্দিষ্ট ব্যবধানে পর্যায়ক্রমে সংঘটিত হয়। এই অবস্থাকে ছন্দবদ্ধতা বলে।
উদাহরণ – সূর্য ওঠার সঙ্গে সঙ্গে পদ্ম, শালুক প্রভৃতি ফুলের প্রস্ফুটিত হওয়া, হৃৎস্পন্দন, ফুসফুসের সংকোচন-প্রসারণ প্রভৃতি।

জরা ও মৃত্যু বলতে কী বোঝো?
জরা – বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জীবদেহের শারীরস্থানিক গঠনের ও উপাদানের গুণগত বৈশিষ্ট্যসমূহের পরিবর্তন ঘটে এবং শারীরবৃত্তীয় ক্ষমতা ক্রমশ হ্রাস পায়। জীবদেহের এই অবস্থাকে জরা বলে।
মৃত্যু – জরা কবলিত জীবদেহ দীর্ঘ সময়ের সারণিতে চলতে থাকলে একসময় জীবদেহ থেকে জীবনের সমস্ত লক্ষণগুলি অবলুপ্ত হয়। এই অবস্থাকে মৃত্যু বলে।
আদি পৃথিবীর আবহাওয়ার তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য লেখো।
আদি পৃথিবীর আবহাওয়ার তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য –
- হাইড্রোজেনের প্রাচুর্যতা – আদি পৃথিবীতে হাইড্রোজেনের (H2) প্রাচুর্যতা ছিল। এটি নাইট্রোজনের সঙ্গে বিক্রিয়া করে অ্যামোনিয়া (NH3), অক্সিজেনের সঙ্গে বিক্রিয়া করে জলীয় বাষ্প (H2O) এবং কার্বনের সঙ্গে বিক্রিয়া করে মিথেন (CH4) সৃষ্টি করে।
- মুক্ত অক্সিজেনের অনুপস্থিতি – আদি পৃথিবীর পরিবেশে অক্সিজেন (O2) মুক্ত অবস্থায় ছিল না। অক্সিজেন জলীয় বাষ্প, কার্বন ডাইঅক্সাইড এবং বিভিন্ন ধাতব অক্সাইড রূপে উপস্থিত ছিল।
- ওজোন (O3) স্তরের অনুপস্থিতি – পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের বহিঃপ্রান্তে ছাতার মতো ওজোন (O3) স্তর অনুপস্থিত ছিল। ফলে সূর্য থেকে UV রশ্মি, মহাজাগতিক রশ্মি সহজেই পৃথিবীপৃষ্ঠে আছড়ে পড়ত।
কেমোজেনি কাকে বলে? কোমোজেনির ঘটনাগুলি পর্যায়ক্রমে ছকের মাধ্যমে উল্লেখ করো।
আদিম পৃথিবীতে সামুদ্রিক পরিবেশে যে ধারাবাহিক রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে সরল মৌল উপাদান থেকে ক্রমান্বয়ে জটিল জৈব যৌগ সংশ্লেষিত হয় এবং প্রাণ সৃষ্টির প্রাথমিক অবস্থার উৎপত্তি ঘটে, তাকে কেমোজেনি (Chemogeny) বলে।
কেমোজেনির ধারাবাহিক পর্যায়সমূহ –
1. মুক্ত আণবিক অবস্থা → 2. মুক্ত অণুসমূহ থেকে সরল অজৈব যৌগ গঠন (বিজারণধর্মী বায়ুমণ্ডল) → 3. সরল জৈব যৌগের উৎপত্তি (মনোমার) → 4. জটিল জৈব যৌগের উৎপত্তি (পলিমার) → 5. কোয়াসারভেট, মাইক্রোস্ফিয়ারের উৎপত্তি (আদিকোশের প্রাথমিক অবস্থা)।
বায়োজেনি কাকে বলে? বায়োজেনির পর্যায়গুলি ছকের মাধ্যমে উল্লেখ করো।
প্রায় 3.7 বিলিয়ন বছর আগে প্রোটোসেল বা আদিকোশ সৃষ্টি ও তার জৈব বিবর্তনকে বায়োজেনি বলে। বায়োজেনির পর্যায়গুলি হল –

জীবনের উৎপত্তি সংক্রান্ত হ্যালডেন ও ওপারিনের মতবাদের মূল বক্তব্যগুলি লেখো।
জীবনের উৎপত্তি সংক্রান্ত হ্যালডেন ও ওপারিনের মতবাদের মূল বক্তব্যগুলি হল –
- পৃথিবীর আদিম পরিবেশ ও আজকের পৃথিবীর পরিবেশ সম্পূর্ণ আলাদা। আদিম পৃথিবীর পরিবেশে মুক্ত অক্সিজেন অনুপস্থিত ছিল এবং পরিবেশ বিজারণধর্মী ছিল কিন্তু আজকের পৃথিবীর পরিবেশে মুক্ত অক্সিজেন বর্তমান এবং পরিবেশ জারণধর্মী। আজকের এই পৃথিবীতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে জীবন সৃষ্টি হওয়া সম্ভব নয়।
- প্রায় 370 কোটি বা 3.7 বিলিয়ন বছর আগে আদিম পৃথিবীতে সামুদ্রিক পরিবেশে প্রাথমিক জীবনসদৃশ পদার্থের উৎপত্তি ঘটে।
- বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থের ঘনীভবন ও পলিমারাইজেশনের মাধ্যমে পৃথিবীতে প্রথম জীবনের উৎপত্তি ঘটে।
জীববৈচিত্র্যের বিভিন্ন স্তরগুলি সম্পর্কে ধারণা দাও।
অনুরূপ প্রশ্ন, জীববৈচিত্র্য কয়প্রকার ও কী কী?
জীববৈচিত্র্যের স্তর –
জীববৈচিত্র্যকে তিনটি স্তরে বিন্যস্ত করা হয়। যথা –
- জিনগত বৈচিত্র্য – একই প্রজাতিভুক্ত জীবের জিনের বৈচিত্র্য বা ভিন্নতাকে জিনগত বৈচিত্র্য বলে। জীবের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে জিন। ক্রোমোজোমের গঠনগত ও সংখ্যাগত এবং জিনের সজ্জাবিন্যাসের পরিবর্তন ঘটলে জিনগত প্রকরণ সৃষ্টি হয়।
- প্রজাতি বৈচিত্র্য – কোনো একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে বসবাসকারী বিভিন্ন প্রজাতির জীবের বৈচিত্র্যকে একত্রে প্রজাতি বৈচিত্র্য বলে। প্রজাতি হল জীববৈচিত্র্যের একক।
- বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য – একটি বাস্তুতন্ত্রের অন্তর্গত বিভিন্ন প্রজাতির বা একাধিক বাস্তুতন্ত্রের অন্তর্গত বিভিন্ন প্রজাতির বৈচিত্র্যকে একত্রে বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য বলে। বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্যকে আবার তিনভাগে ভাগ করা যায়। যথা –
- আলফা বৈচিত্র্য।
- বিটা বৈচিত্র্য।
- গামা বৈচিত্র্য।
আলফা, বিটা ও গামা বৈচিত্র্য বলতে কী বোঝো?
আলফা, বিটা ও গামা বৈচিত্র্য –
- আলফা বৈচিত্র্য (α-Diversity) – একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের বিভিন্ন জীবগোষ্ঠীর মধ্যে যে বৈচিত্র্য দেখা যায়, তাকে আলফা বৈচিত্র্য বলে। বিজ্ঞানী Whittaker 1972 খ্রিস্টাব্দে একে point diversity আখ্যা দেন।
- বিটা বৈচিত্র্য (β-Diversity) – একটিমাত্র ভৌগোলিক অঞ্চলের সংলগ্ন বিভিন্ন স্থানের জীবগোষ্ঠীর মধ্যে যে বিভিন্নতা দেখা যায়, তাকে বিটা বৈচিত্র্য বলে।
- গামা বৈচিত্র্য (γ-Diversity) – বিশাল একটি ভৌগোলিক অঞ্চলের অন্তর্গত ভিন্ন ভিন্ন বাসস্থান বা বাস্তুতন্ত্রের বিভিন্ন সম্প্রদায়ভুক্ত জীব প্রজাতির সামগ্রিক বৈচিত্র্যতাকে গামা বৈচিত্র্য বলে।
আজকের এই আর্টিকেলে আমরা নবম শ্রেণীর জীবন বিজ্ঞানের প্রথম অধ্যায় ‘জীবন ও তার বৈচিত্র্য’ -এর অন্তর্গত ‘জীবনের প্রধান/মূল বৈশিষ্ট্য’ অংশের সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর নিয়ে আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নগুলো নবম শ্রেণীর পরীক্ষা এবং যারা ভবিষ্যতে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি নেবেন, তাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আশা করি, আর্টিকেলটি আপনাদের উপকারে আসবে। যদি কোনো প্রশ্ন বা জিজ্ঞাসা থাকে, তবে আমাদের টেলিগ্রামে যোগাযোগ করতে পারেন; আমরা উত্তর দেওয়ার যথাসাধ্য চেষ্টা করবো। এছাড়া, লেখাটি প্রয়োজনীয় মনে হলে আপনার বন্ধু বা সহপাঠীদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না। ধন্যবাদ।





মন্তব্য করুন