গুরুকে শ্রদ্ধেয় হতে হবে শিষ্যের কাছে। – বক্তা কে? মন্তব্যটির প্রেক্ষাপট আলোচনা করো।

Rahul

এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক বাংলা বইয়ের সহায়ক পাঠকোনি‘ থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করব—“গুরুকে শিষ্যের কাছে শ্রদ্ধেয় হতে হবে।” – এই প্রশ্নের বক্তা কে এবং মন্তব্যটির প্রেক্ষাপট কী, তা বিশদভাবে আলোচনা করা হবে। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক বাংলা পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

গুরুকে শ্রদ্ধেয় হতে হবে শিষ্যের কাছে। - বক্তা কে? মন্তব্যটির প্রেক্ষাপট আলোচনা করো।

“গুরুকে শ্রদ্ধেয় হতে হবে শিষ্যের কাছে।” – বক্তা কে? মন্তব্যটির প্রেক্ষাপট আলোচনা করো।

বক্তা – মতি নন্দী রচিত কোনি উপন্যাসের দ্বিতীয় পরিচ্ছেদে সাঁতার প্রশিক্ষক ক্ষিতীশ সিংহ আলোচ্য মন্তব্যটি করেছেন।

প্রেক্ষাপট –

  • গোষ্ঠী-রাজনীতির শিকার – জুপিটার সুইমিং ক্লাবের সঙ্গে ক্ষিতীশ সিংহের প্রায় পঁয়ত্রিশ বছরের সম্পর্ক। অথচ এই মানুষটিই ক্লাবের গোষ্ঠী-রাজনীতির শিকার হন। বিশ্বস্ত অনুগামী ভেলোর সঙ্গে ক্ষিতীশের কথা থেকে জানা যায়, তাঁর বিরুদ্ধে ক্লাবের ছেলেদের দিয়ে অভিযোগপত্র লেখানো হয়েছে।
  • ক্ষিতীশের বিরুদ্ধে অভিযোগ – হরিচরণ মিত্র এবং তাঁর দলের অভিযোগ ছিল ক্ষিতীশ সিংহ ক্লাবের সাঁতারুদের সঙ্গে বাজে ব্যবহার করে থাকেন। আসলে ক্ষিতীশ কড়া মেজাজের মানুষ। সাঁতার প্রশিক্ষক হিসেবে তিনি ছাত্র তথা শিষ্যের প্রবল কৃচ্ছ্রসাধনে বিশ্বাসী ছিলেন। তিনি জানতেন যে, হরিচরণের ইচ্ছা ক্লাবের প্রধান প্রশিক্ষক হওয়ার।
  • ক্ষিতীশের প্রতিক্রিয়া – কথা প্রসঙ্গেই ক্ষিতীশ হরিচরণকে বলেছিলেন যে চ্যাম্পিয়ন শুধু খাওয়াদাওয়া বা অনুশীলন দ্বারা তৈরি করা যায় না। একজন সাঁতারুর মন-মানসিকতা বুঝে তাকে শেখাতে হয়। একজন প্রশিক্ষককে মনস্তাত্ত্বিকের মতো সাধারণজ্ঞান প্রয়োগ করে শিষ্যের কাছে গুরু হয়ে উঠতে হবে। গুরুর কথা শিষ্য তখন বেদবাক্যের মতো গ্রহণ করবে। গুরু শিষ্যের কাছে হবেন শ্রদ্ধেয়। শিষ্যকে তিনি জয়ের জন্য অনুপ্রাণিত করে তুলবেন। তবেই যথার্থ প্রশিক্ষক হয়ে ওঠা সম্ভব হবে। হরিচরণের পক্ষে তা সম্ভব নয় জানিয়েই আলোচ্য মন্তব্যটি করেন ক্ষিতীশ।

আরও পড়ুন, আমাকে রাগালে কী হয়, এবার বুঝলি তো। – কে, কাকে উদ্দেশ্য করে কথাটি বলেছে? কোন্ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মন্তব্যটি করা হয়েছে?

এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক বাংলা বইয়ের ‘কোনি সহায়ক পাঠ থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, “গুরুকে শ্রদ্ধেয় হতে হবে শিষ্যের কাছে।” – বক্তা কে? মন্তব্যটির প্রেক্ষাপট আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক বাংলা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি, এই নিবন্ধটি আপনার পড়াশোনার জন্য সহায়ক হয়েছে। যদি আপনার কোনো প্রশ্ন থাকে বা আরও বিস্তারিত তথ্য প্রয়োজন হয়, টেলিগ্রামে আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। আপনার মতামত বা ফিডব্যাকও জানাতে পারেন। পাশাপাশি, আপনার বন্ধুদের সঙ্গে এই পোস্টটি শেয়ার করতে ভুলবেন না, যাতে তারাও উপকৃত হতে পারে। ধন্যবাদ!

Please Share This Article

Related Posts

উদীয়মান এবং অস্তগামী সূর্যকে লাল দেখায় কেন?

উদীয়মান এবং অস্তগামী সূর্যকে লাল দেখায় কেন?

আলোর বিক্ষেপণ কাকে বলে? দিনের বেলায় আকাশকে নীল দেখায় কেন?

আলোর বিক্ষেপণ কাকে বলে? দিনের বেলায় আকাশকে নীল দেখায় কেন?

আলোর বিচ্ছুরণ ও আলোর প্রতিসরণ কাকে বলে? আলোর বিচ্ছুরণ ও প্রতিসরণের মধ্যে পার্থক্য লেখো।

আলোর বিচ্ছুরণ ও আলোর প্রতিসরণ কাকে বলে? আলোর বিচ্ছুরণ ও প্রতিসরণের মধ্যে পার্থক্য

About The Author

Rahul

Tags

মন্তব্য করুন

SolutionWbbse

"SolutionWbbse" শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অনলাইন অধ্যয়ন প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি, মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য গাইডলাইন, এবং বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনার সাহায্য প্রদান করা হয়। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে সকল বিষয়ের শিক্ষণীয় উপকরণ সহজেই সকল শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছে দেওয়া।

Editor Picks

উদীয়মান এবং অস্তগামী সূর্যকে লাল দেখায় কেন?

আলোর বিক্ষেপণ কাকে বলে? দিনের বেলায় আকাশকে নীল দেখায় কেন?

আলোর বিচ্ছুরণ ও আলোর প্রতিসরণ কাকে বলে? আলোর বিচ্ছুরণ ও প্রতিসরণের মধ্যে পার্থক্য

আলোক কেন্দ্র কাকে বলে? আলোক কেন্দ্রের বৈশিষ্ট্য ও গুরুত্ব

উত্তল লেন্স ও অবতল লেন্স কাকে বলে? উত্তল লেন্স ও অবতল লেন্সের মধ্যে পার্থক্য