যেদিন তুমি ওইরকম স্ট্রোক দিতে শিখবে। — কাকে দেখিয়ে এরূপ বলা হয়েছে? যার উদ্দেশে বলা হয়েছে সে কী বলেছিল? ‘ওইরকম স্ট্রোক’ বলতে বক্তা কী বুঝিয়েছেন?

“যেদিন তুমি ওইরকম স্ট্রোক দিতে শিখবে।” এই উক্তিটি দশম বাংলা সহায়ক পাঠ কোনি উপন্যাস থেকে নেওয়া হয়েছে। “যেদিন তুমি ওইরকম স্ট্রোক দিতে শিখবে।” — কাকে দেখিয়ে এরূপ বলা হয়েছে? যার উদ্দেশে বলা হয়েছে সে কী বলেছিল? ‘ওইরকম স্ট্রোক’ বলতে বক্তা কী বুঝিয়েছেন? এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক বাংলা পরীক্ষার জন্য অত্যান্ত গুরুত্তপূর্ণ। কোনি উপন্যাসের এই রচনাধর্মী প্রশ্নটি তৈরী করে গেলে মাধ্যমিক বাংলা পরীক্ষায় একটি ৫ নম্বরের পাওয়া যেতে পারে।

মতি নন্দী রচিত কোনি উপন্যাসের ষষ্ঠ পরিচ্ছেদে ক্ষিতীশ সিংহ জুপিটার ক্লাবের সাঁতারু সুহাসের সাঁতার দেখিয়ে কোনিকে সাঁতার শেখানোর চেষ্টা করছেন। ক্ষিতীশ চান কোনি সুহাসের মতো নিখুঁত স্ট্রোক দিয়ে সাঁতার কাটুক। প্রথমে কোনি মনোযোগ দেয় না, তবে নাইলনের কস্টিউমের প্রলোভনে সে সুহাসের স্ট্রোক শেখা শুরু করে। ক্ষিতীশ সুহাসের সাঁতারের বিভিন্ন দিক, যেমন হাতের ভঙ্গি, কবজির শক্তি, মাথার নড়াচড়া, কাঁধের অবস্থান ইত্যাদি বিষয়ে কোনিকে মনোযোগ দিতে বলেন।

ক্ষিতীশ ‘ওইরকম স্ট্রোক’ শব্দটি ব্যবহার করে সুহাসের সাঁতারের নিখুঁততা বোঝাতে চান এবং কোনিকে অনুপ্রাণিত করেন। এই অংশে ক্ষিতীশের ধৈর্য, কোনির আগ্রহ এবং সুহাসের দক্ষতা স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।

যেদিন তুমি ওইরকম স্ট্রোক দিতে শিখবে। — কাকে দেখিয়ে এরূপ বলা হয়েছে? যার উদ্দেশে বলা হয়েছে সে কী বলেছিল? 'ওইরকম স্ট্রোক' বলতে বক্তা কী বুঝিয়েছেন?

“যেদিন তুমি ওইরকম স্ট্রোক দিতে শিখবে।” — কাকে দেখিয়ে এরূপ বলা হয়েছে? যার উদ্দেশে বলা হয়েছে সে কী বলেছিল? ‘ওইরকম স্ট্রোক’ বলতে বক্তা কী বুঝিয়েছেন?

উদ্দিষ্ট ব্যক্তি – মতি নন্দী রচিত কোনি উপন্যাসের ষষ্ঠ পরিচ্ছেদে ক্ষিতীশ সিংহ জুপিটার ক্লাবের সাঁতারু সুহাসকে দেখিয়ে কোনির উদ্দেশে আলোচ্য উক্তিটি করেছেন।

উদ্দিষ্টের প্রতিক্রিয়া – ক্ষিতীশ কোনিকে সুহাসের সাঁতার দেখিয়ে বলেন তাকেও সেভাবে সাঁতার কাটতে হবে। প্রথমে কোনি তা মনোযোগ দিয়ে শোনে না। পরে তাকে নাইলনের কস্টিউম কিনে দেওয়ার আশ্বাস দেন ক্ষিতীশ। তবে শর্ত থাকে, সুহাসের মতো তাকেও স্ট্রোক দিতে হবে। এই কথা শুনে কোনি তীক্ষ্ণ চোখে, সুহাসের দিকে তাকিয়ে ঠোঁট বেঁকিয়ে বলেছিল যে সে দু-দিনেই শিখে নেবে।

ওইরকম স্ট্রোক-এর পরিচয় – ক্ষিতীশ কোনিকে বলেছিলেন সুহাসকে ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করতে – কেমন করে সুহাসের হাতটা মাথার ঠিক সামনে জলে প্রবেশ করছে, তারপর নীচে নামছে এবং প্রসারিত করে উরু পর্যন্ত যাচ্ছে। তিনি সুহাসকে দেখিয়ে কোনিকে বলেছেন যে, খুব দ্রুত হাত চালানো প্রয়োজন, তবে তা এলোপাথাড়ি জলে আঘাত করা নয়। কবজি শক্ত রেখে মসৃণভাবে জলের মধ্যে হাত প্রবেশ করাতে হবে। ক্ষিতীশ বলেন এজন্য রোজ অনুশীলন জরুরি। শুধু নিশ্বাস নেওয়ার জন্য মাথা ঘুরবে। বেশি মাথা নাড়ালে গতি কমে যাবে। সুহাসের কাঁধটা জল থেকে উঠে আছে কী ভঙ্গিতে সেটাও কোনিকে দেখান ক্ষিতীশ সিংহ। সুহাসের স্ট্রোক ছিল নিখুঁত। ক্ষিতীশ সিংহ ‘ওইরকম স্ট্রোক’ শব্দটি ব্যবহার করে কোনিকে বিষয়টা বোঝাতে চেয়েছেন।

আরও পড়ুন, সিস্টেমটা খুব ভালো। – কোন্ সিস্টেমের কথা বলা হয়েছে? সিস্টেমটা বক্তার ভালো লাগার কারণ কী?

উপসংহারে বলা যায়, মতি নন্দী রচিত ‘কোনি’ উপন্যাসের ষষ্ঠ পরিচ্ছেদে ক্ষিতীশ সিংহ কোনিকে একজন দক্ষ সাঁতারু হিসেবে গড়ে তোলার জন্য জুপিটার ক্লাবের সাঁতারু সুহাসকে উদাহরণ হিসেবে উপস্থাপন করেছেন। সুহাসের সাঁতারের নিখুঁত কৌশল, স্ট্রোক, শরীরের ভঙ্গি ইত্যাদি বিষয়টি বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করে কোনিকে সেগুলো অনুশীলন করার পরামর্শ দিয়েছেন। ক্ষিতীশের এই নির্দেশাবলী কোনির সাঁতার কেলাকে আরো উন্নত করতে সাহায্য করে।

এই অংশে আমরা দেখতে পাই কোনি একজন মনোযোগী ও দ্রুত শেখা শিষ্যা। সুহাসের সাঁতার দেখে সে অনুপ্রাণিত হয় এবং দু’দিনেই সাঁতার শিখে নেওয়ার আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করে।

এই অংশটি পাঠকদের মনে সাঁতার কেলা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা তৈরি করে। একই সাথে একজন প্রশিক্ষকের ভূমিকা ও একজন শিষ্যের আগ্রহের সুন্দর প্রতিফলন ঘটেছে এখানে।

Rate this post


Join WhatsApp Channel For Free Study Meterial Join Now
Join Telegram Channel Free Study Meterial Join Now

মন্তব্য করুন