এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “দেশীয় রাজ্য জুনাগড়ের ভারতভুক্তি সম্পর্কে আলোচনা করো।” নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক ইতিহাস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই “দেশীয় রাজ্য জুনাগড়ের ভারতভুক্তি সম্পর্কে আলোচনা করো।” প্রশ্নটি মাধ্যমিক ইতিহাসের অষ্টম অধ্যায় “উত্তর-ঔপনিবেশিক ভারত: বিশ শতকের দ্বিতীয় পর্ব (1947-1964)“ -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়।

দেশীয় রাজ্য জুনাগড়ের ভারতভুক্তি সম্পর্কে আলোচনা করো।
ভারতবর্ষের কাথিয়াবাড় উপদ্বীপে অবস্থিত জুনাগড় রাজ্য স্বাধীন ভারতবর্ষে যোগ দিতে রাজি ছিল না, বেশিরভাগ দেশীয় রাজ্য ভারতবর্ষে যোগ দিলেও জুনাগড় ছিল ব্যতিক্রম।
নবাবের পাকিস্তান প্রীতি –
জুনাগড়ের মুসলমান নবাব পাকিস্তানে যোগ দিতে ইচ্ছুক ছিলেন, জুনাগড়ের দেওয়ান শাহনওয়াজ ভুট্টো ছিলেন মুসলিম লিগের অন্ধ সমর্থক। তাই জুনাগড়ের বাসিন্দাদের 40 শতাংশই হিন্দু হলেও জুনাগড়কে পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করা হয়।
বিক্ষোভ –
জুনাগড়ের হিন্দু প্রজারা জুনাগড়কে পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্ত করার প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে তীব্র বিক্ষোভ করে। তীব্র বিদ্রোহের ফলে জুনাগড়ের নবাব পাকিস্তানে পালিয়ে যান, জুনাগড়ে ভারতীয় সেনাবাহিনী প্রবেশ করে।
জুনাগড়ে গণভোট –
1948 খ্রিস্টাব্দে জুনাগড়ের বাসিন্দাদের মধ্যে গণভোট হয় তারা ভারত না পাকিস্তান কোন দেশে যোগ দিতে চায় সেই বিষয়ে মত নেওয়ার জন্য। গণভোটে জুনাগড়ের বাসিন্দারা ভারতে যোগদানের পক্ষে মতদান করে। 1949 খ্রিস্টাব্দে জুনাগড় ভারতের সঙ্গে যুক্ত হয়।
এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “দেশীয় রাজ্য জুনাগড়ের ভারতভুক্তি সম্পর্কে আলোচনা করো।” নিয়ে আলোচনা করেছি। এই “দেশীয় রাজ্য জুনাগড়ের ভারতভুক্তি সম্পর্কে আলোচনা করো।” প্রশ্নটি মাধ্যমিক ইতিহাসের অষ্টম অধ্যায় “উত্তর-ঔপনিবেশিক ভারত: বিশ শতকের দ্বিতীয় পর্ব (1947-1964)” -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন।





Leave a Comment