সমবৃত্তীয় অঙ্গ কীভাবে অভিব্যক্তির সপক্ষে প্রমাণ হিসেবে কাজ করে? | মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান

Souvick

Home » সমবৃত্তীয় অঙ্গ কীভাবে অভিব্যক্তির সপক্ষে প্রমাণ হিসেবে কাজ করে? | মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান

এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “সমবৃত্তীয় অঙ্গ কীভাবে অভিব্যক্তির সপক্ষে প্রমাণ হিসেবে কাজ করে?” — নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের চতুর্থ অধ্যায় “অভিব্যক্তি ও অভিযোজন”-এর “অভিব্যক্তি” অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক বোর্ড পরীক্ষা (Madhyamik Examination) এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

সমবৃত্তীয় অঙ্গ কীভাবে অভিব্যক্তির সপক্ষে প্রমাণ হিসেবে কাজ করে?

অভিব্যক্তির সপক্ষে প্রমাণ হিসেবে সমবৃত্তীয় অঙ্গ

সমবৃত্তীয় অঙ্গ কাকে বলে?

জীবদেহের যেসব অঙ্গের উৎপত্তি এবং অভ্যন্তরীণ গঠন আলাদা কিন্তু কাজের দিক থেকে এক, তাদের সমবৃত্তীয় অঙ্গ (Analogous Organs) বলে।

সমবৃত্তীয় অঙ্গগুলি কীভাবে অভিব্যক্তির সপক্ষে প্রমাণ দেয়, তা নিচে প্রাণী ও উদ্ভিদের উদাহরণের সাহায্যে আলোচনা করা হলো –

  • প্রাণীদের সমবৃত্তীয় অঙ্গ – প্রাণীদের ক্ষেত্রে সমবৃত্তীয় অঙ্গের একটি চমৎকার উদাহরণ হলো পতঙ্গের ডানা এবং পাখির ডানা। উভয়েরই ডানা ওড়ার জন্য ব্যবহৃত হলেও, উৎপত্তি ও গঠনগতভাবে তারা সম্পূর্ণ আলাদা। কারণ পাখির ক্ষেত্রে তাদের অগ্রপদটি ডানায় রূপান্তরিত হয়েছে। অপরদিকে, পতঙ্গের ক্ষেত্রে তাদের ডানা মূলত বহিঃকঙ্কালের একটি প্রসারিত অংশ।
  • উদ্ভিদের সমবৃত্তীয় অঙ্গ – উদ্ভিদের ক্ষেত্রে সমবৃত্তীয় অঙ্গের উদাহরণ হলো মটর গাছের আকর্ষ ও ঝুমকোলতার আকর্ষ। এই দুটি অঙ্গই উদ্ভিদকে আরোহণের কাজে সাহায্য করে, কিন্তু এদের উৎপত্তি ও গঠন আলাদা। মটর গাছের আকর্ষ হলো যৌগিকপত্রের পত্রকের রূপান্তর। অপরদিকে, ঝুমকোলতার আকর্ষ মূলত রূপান্তরিত শাখা।

সুতরাং দেখা যাচ্ছে যে, উৎপত্তিগতভাবে আলাদা জীবগুলি একই পরিবেশে বাস করার কারণে পরিবেশের সাথে অভিযোজিত হতে গিয়ে তাদের মধ্যে সাদৃশ্যযুক্ত পরিবর্তন ঘটেছে। বিজ্ঞানীদের মতে, এই ঘটনাটি অভিব্যক্তির সপক্ষে একটি জোরালো প্রমাণ


এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “সমবৃত্তীয় অঙ্গ কীভাবে অভিব্যক্তির সপক্ষে প্রমাণ হিসেবে কাজ করে?” — নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। এই নোটটি মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের চতুর্থ অধ্যায় “অভিব্যক্তি ও অভিযোজন” থেকে নেওয়া হয়েছে এবং পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য খুবই দরকারি।

আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন।

Please Share This Article

Related Posts

বায়ুদূষণ কাকে বলে? বায়ুদূষণের ক্ষতিকারক প্রভাবগুলি লেখো।

বায়ুদূষণ কাকে বলে? বায়ুদূষণের ক্ষতিকারক প্রভাবগুলি লেখো।

অ্যাজমা বা হাঁপানি কী? অ্যাজমা রোগের সৃষ্টিতে পরিবেশগত ভূমিকাগুলি উল্লেখ করো।

অ্যাজমা বা হাঁপানি কী? অ্যাজমা রোগের সৃষ্টিতে পরিবেশগত ভূমিকাগুলি উল্লেখ করো।

ব্রংকাইটিস কী? ব্রংকাইটিস রোগের সৃষ্টিতে পরিবেশের ভূমিকা উল্লেখ করো।

ব্রংকাইটিস কী? ব্রংকাইটিস রোগের সৃষ্টিতে পরিবেশের ভূমিকা উল্লেখ করো।

About The Author

Souvick

মন্তব্য করুন

SolutionWbbse

"SolutionWbbse" শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অনলাইন অধ্যয়ন প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি, মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য গাইডলাইন, এবং বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনার সাহায্য প্রদান করা হয়। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে সকল বিষয়ের শিক্ষণীয় উপকরণ সহজেই সকল শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছে দেওয়া।

Editor Picks

সপ্তম শ্রেণি বাংলা – একুশের তাৎপর্য – বিষয়সংক্ষেপ

সপ্তম শ্রেণি বাংলা – একুশের কবিতা – রচনাধর্মী প্রশ্ন ও উত্তর

সপ্তম শ্রেণি বাংলা – একুশের কবিতা – সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

সপ্তম শ্রেণি বাংলা – একুশের কবিতা – অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

সপ্তম শ্রেণি বাংলা – একুশের কবিতা – বিষয়সংক্ষেপ