এই আর্টিকেলে আমরা সপ্তম শ্রেণির বাংলা বিষয়ের অন্তর্গত কবি আশরাফ সিদ্দিকী রচিত ‘একুশের কবিতা’ থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর নিয়ে আলোচনা করব। সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার চূড়ান্ত প্রস্তুতির জন্য এই প্রশ্নোত্তরগুলো অত্যন্ত সহায়ক, কারণ বিদ্যালয়ের বাংলা পরীক্ষায় এই অংশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
সপ্তম শ্রেণি বাংলা – একুশের কবিতা – অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

মদনমোহন তর্কালঙ্কারের ‘প্রভাতবর্ণন’ কবিতার অংশ। কবিতাটি কবির ‘শিশুশিক্ষা’ (প্রথম ভাগ) গ্রন্থে আছে।
শৈশবে পাঠশালায় পড়া এই পঙ্ক্তি মন্ত্রের ছন্দের মতোই পবিত্র বাক্য মনে হয়েছে কবির। মন্ত্র যেমন বার বার উচ্চারিত হয়, এই পঙ্ক্তিটিও তেমনি দুলে দুলে পাঠ করা হয়।
অরণ্য – সুন্দরবন, জলদাপাড়া, গরুমারা, পার্বত্য চট্টগ্রামের ভোলা ও মধুমতী।
নদী – গঙ্গা, পদ্মা, তিস্তা, মেঘনা, বুড়িগঙ্গা।
আমার জানা দুটি পৃথক লোকসংগীত ধারার নাম হল – লালনগীতি, ঝুমুর গান।
একুশে ফেব্রুয়ারি পুলিশের গুলিতে মৃত শহিদদের কথা এবং বাংলা ভাষার সম্মান রক্ষার জন্য মানুষের প্রতিবাদের কথা লিখে নিল ইতিহাস।
বাংলা ভাষায় যারা কথা বলে, গান গায় – সেইসব মানুষদের ‘সহস্র পাখি’ বলা হয়েছে।
ভাটার টানে নৌকো ছেড়ে মাঝি ভাটিয়ালি গান গায়।
বিন্নি ধানের মাঠের ধারে গুলির আওয়াজ শোনা গেল।
বাংলা ভাষায় ‘আমার মা’ কথা বলেন।
রাখাল গরুর পাল মাঠে নিয়ে যায়।
শিশুগণ নিজ নিজ পাঠে মন দেয়।
সুরের সঙ্গে মিশে আছে কবির মায়ের মুখ, মায়ের গাওয়া কত না গানের কলি।
আকাশে কালবৈশাখীর ঝড় উঠলে মাঠ, ঘাট, বাট, হাট, বন, মন কাঁপল।
আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের উপকারে এসেছে। যদি আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা মতামত থাকে, তবে টেলিগ্রামে সরাসরি আমার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। আপনাদের সব প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য আমরা সর্বদা প্রস্তুত। ধন্যবাদ।




মন্তব্য করুন