দশম শ্রেণি – বাংলা – প্রলয়োল্লাস – বিশ্লেষণধর্মী ও রচনাধর্মী প্রশ্ন ও উত্তর

প্রলয়োল্লাস কবিতার মূলভাব হলো, প্রলয়ের মধ্য দিয়েই নতুন যুগের সূচনা হয়। কবি মনে করেন, পরাধীন ভারতবর্ষের অত্যাচারী শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে প্রলয়ের আহ্বান জানাতে হবে। প্রলয়ের মধ্য দিয়েই নতুন ও প্রগতিশীল যুগের সূচনা হবে।

Table of Contents

দশম শ্রেণি – বাংলা – প্রলয়োল্লাস – বিশ্লেষণধর্মী ও রচনাধর্মী প্রশ্ন ও উত্তর

ওই নূতনের কেতন ওড়ে কালবোশেখির ঝড়। – ‘নূতনের কেতন’ কী? ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতার বিষয়বস্তুর পরিপ্রেক্ষিতে মন্তব্যটির তাৎপর্য আলোচনা করো।

নূতনের কেতন – ‘কেতন’ শব্দের অর্থ পতাকা। ‘নূতনের কেতন’ অর্থাৎ স্বাধীনতার ভিত্তিতে যে নতুন সমাজ প্রতিষ্ঠিত হবে, তার প্রতীক পতাকার কথা বলা হয়েছে।

তাৎপূর্য – ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের এক অগ্নিগর্ভ সময়ে কাজী নজরুল ইসলামের ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতাটি রচিত হয়েছে। সমগ্র পৃথিবী- জুড়ে নানাভাবে মুক্তি আন্দোলনের যে ঘটনাগুলি ঘটছিল কবি সেগুলি সম্পর্কেও সজাগ ছিলেন। এসব থেকেই তাঁর মনে হয়েছিল যে, নতুন দিনের আগমন সুনিশ্চিত হতে চলেছে। তার আগমন ‘কালবোশেখির ঝড়’ এর মতো। কঠিন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে সর্বনাশের পথ ধরে এই পরিবর্তন আসবে – বস্ত্রশিখার মশাল জ্বেলে আসছে ভয়ংকর। সর্বনাশী ধূমকেতুর মতো তার আবির্ভাব ঘটবে। সশস্ত্র সেই আবির্ভাবে স্থিতাবস্থার আসন টলে যাবে। মধ্যাহ্ন সূর্যের প্রখরতা কিংবা মেঘগর্জনের মতো প্রবলভাবে ঘটবে বিপ্লবীশক্তির আগমন। মহাসমুদ্র দুলে উঠবে সেই ভয়ংকরের আগমনে। আবার এই ভয়ংকরের আড়ালেই রয়েছে সুন্দরের প্রতিশ্রুতি। প্রলয়ের রূপ ধরে এ হল ‘চিরসুন্দর’-এর আগমন-ভাঙনের মধ্য দিয়ে সৃষ্টিই তাঁর লক্ষ্য। তাই ভয়ংকরকে ভয় না পেয়ে তার জয়ধ্বনি করতে বলেছেন কবি। কারণ ‘কালবোশেখির ঝড়’ – এই ওড়ে ‘নূতনের কেতন’ – কাল-ভয়ংকরের বেশে এবার ওই আসে সুন্দর।

বজ্রশিখার মশাল জ্বেলে আসছে ভয়ংকর! – এখানে ‘ভয়ংকর’ বলতে কাদের কথা বলা হয়েছে? তাদের কীভাবে আগমন ঘটছে নিজের ভাষায় লেখো।

ভয়ংকর-এর পরিচয় – কাজী নজরুল ইসলামের ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় ‘ভয়ংকর’ বলতে মহাকালের মতো চণ্ড মূর্তিতে যে তরুণ বিপ্লবীদের আগমন ঘটছে তাদের কথা বলা হয়েছে।

ভয়ংকরের আগমন – যে তরুণ বিপ্লবীদের আগমন কবি প্রত্যক্ষ করেছেন তাদের লক্ষ্য স্বাধীনতা। ইংরেজের দুর্গে আঘাত হানাই তাদের লক্ষ্য। কালবৈশাখির ঝড়ের প্রচণ্ডতা নিয়ে তাদের আগমন ঘটে। তারা ‘নূতনের কেতন’ ওড়ায়। পুরোনো ব্যবস্থার বদল ঘটিয়ে তারা এক মানুষের বাসযোগ্য সুন্দর সমাজ গড়ে তুলতে চায়, যেখানে অত্যাচার অন্যায়ের অবসান ঘটবে। কিন্তু তার জন্য সকলের আগে প্রয়োজন পুরোনো ব্যবস্থার বদল। তাই ধ্বংসের উন্মত্ততা নিয়ে তরুণ বিপ্লবীদের আগমন ঘটে। কবি তাদেরকে বলেছেন – অনাগত প্রলয়-নেশার নৃত্য পাগল। শিব যেমন তাঁর রুদ্র মূর্তিতে অশুভ শক্তির বিনাশ ঘটিয়েছিল এই তরুণদলও চায় সত্য, ন্যায় এবং সুন্দরের প্রতিষ্ঠা করতে। ‘সিন্ধুপারের সিংহদ্বারে’ অর্থাৎ সমুদ্রপারে আন্দামানের সেলুলার জেলের দরজা ভাঙতে চায় তারা। কারণ এই কারাগার ইংরেজের অত্যাচার ও দমনের প্রতীক। এই মৃত্যুপুরীতে মহাকালের চণ্ড-মূর্তিতে এভাবেই ভয়ংকরের আগমন ঘটে।

দিগন্তরের কাঁদন লুটায় পিঙ্গল তার ত্রস্ত জটায়। – মন্তব্যটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো। কবিতায় এই প্রসঙ্গটি উল্লেখের কারণ কী?

মন্তব্যটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ – ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় কবি কাজী নজরুল ইসলাম স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রবল রূপকে তুলে ধরার জন্য প্রশ্নোদ্ধৃত উক্তিটির উপস্থাপনা করেছেন। মধ্যাহ্নকালীন সূর্যের দীপ্তি ভয়াল, তা অগ্নিজ্বালা সৃষ্টি করে। আবার আকাশে যখন মেঘ করে, মনে হয় যেন আগুনরঙা জটাজাল সৃষ্টি হয়েছে। সেই মেঘ থেকে ঝরে পড়া বৃষ্টি যেন দিগন্তেরই কান্না। বিন্দু বিন্দু করে পড়া চোখের জলের মতো সেই বৃষ্টি সপ্তমহাসমুদ্রকে আলোড়িত করে তোলে। কবি প্রলয়ের এই রূপকে শুধু প্রকৃতিতেই নয়, চারপাশের সমাজজীবনেও প্রত্যক্ষ করেছেন।

প্রসঙ্গটি উল্লেখের কারণ – প্রলয়ের ধ্বংসের মধ্যেই বিশ্বমায়ের সৃষ্টির অভিষেক দেখেছেন কবি। যুগবাণী গ্রন্থের ‘নবযুগ’ নামক রচনায় নজরুল লিখেছেন – আজ মহাবিশ্বে মহাজাগরণ, আজ মহামাতার মহা আনন্দের দিন, আজ মহামানবতার মহাযুগের মহা উদ্বোধন। বিক্ষোভ – আন্দোলনের তীব্রতায় ধ্বংসের যে উন্মাদনা কবির চোখে পড়ে তার সঙ্গে কবি মিল খুঁজে পান প্রকৃতির ভয়ংকর রূপের। সেই রূপে মানুষ শঙ্কিত ও দিশাহারা হয়ে উঠলেও তার মধ্যেই কবি নতুন দিন ও জীবনের নিশ্চিত প্রতিশ্রুতি খুঁজে পেয়েছেন। সংগ্রামের সেই ভয়ংকর রূপকে প্রকাশ করতে গিয়েই কবি এই মন্তব্যটি করেছেন।

জগৎ জুড়ে প্রলয় এবার ঘনিয়ে আসে/জরায়-মরা মুমূর্ষুদের প্রাণ-লুকানো ওই বিনাশে। – ‘জগৎ জুড়ে প্রলয়’ কথাটির অর্থ লেখো। এই প্রলয়ের সার্থকতা কী?

জগৎ জুড়ে প্রলয়-এর অর্থ – কাজী নজরুল ইসলামের ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতাটি ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের পটভূমিতে রচিত হলেও পৃথিবীজুড়ে যে গণমুক্তির সংগ্রামগুলিকে কবি নানাভাবে সংঘটিত হতে দেখেছেন, তাও তাঁকে অনুপ্রাণিত করেছে। কাব্য রচনার ক্ষেত্রে এই অভিজ্ঞতাও কবিকে প্রভাবিত করেছে। রাশিয়ার বিপ্লব, তুরস্কে কামাল পাশার উত্থান, আয়ার্ল্যান্ডের বিপ্লব ইত্যাদি ঘটনা নজরুলের মনে প্রবলভাবে দাগ কেটেছিল। সংগ্রাম এবং শোষণমুক্তির নানা চেহারা বিক্ষিপ্ত আকারে নানাভাবে থাকলেও বিপ্লবের সেই উন্মাদনা কবিকে স্পর্শ করেছিল। ‘জগৎ জুড়ে প্রলয়’ বলতে এই বিশ্বব্যাপী সংগ্রাম- আন্দোলনের কথাই বোঝানো হয়েছে।

প্রলয়ের সার্থকতা – প্রলয় ধ্বংসের বার্তাবাহক হলেও সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় ক্ষেত্রে এই প্রলয়কে কবি স্বাগত জানিয়েছেন। কারণ, তাঁর মতে এই প্রলয় প্রচলিত ব্যবস্থার অবসান ঘটিয়ে নতুন দিনের প্রতিষ্ঠাকে নিশ্চিত করবে, যা আসলে স্বাধীনতার প্রতিষ্ঠা। যুগবাণী-র ‘নবযুগ’ রচনায় নজরুল লিখেছিলেন – নরে আর নারায়ণে আজ আচার-ভেদ নাই। আজ নারায়ণ মানব। তাঁহার হাতে স্বাধীনতার বাঁশী। প্রলয়ের মধ্যে এই নতুন ব্যবস্থাকেই দেখেছেন কবি। তাই ভয়ংকরকে ভয় না পেয়ে তার জয়ধ্বনি করার কথা বলেছেন তিনি।

ধ্বংস দেখে ভয় কেন তোর? প্রলয় নূতন সৃজন-বেদন। – কোন্ ধ্বংসের কথা বলা হয়েছে? প্রলয়কে ‘নূতন সৃজন-বেদন’ বলার তাৎপর্য কী?

ধ্বংসের পরিচয় – কাজী নজরুল ইসলামের ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় রুদ্ররূপী শিবের সংহারমূর্তি কল্পিত হয়েছে। সেই সংহারমূর্তিতে শিব অসুন্দরকে ধ্বংস করে সুন্দরের প্রতিষ্ঠা করবেন। এখানে মহাকাল শিবের ধ্বংসলীলার কথাই বলা হয়েছে।

নূতন সৃজন-বেদন বলার তাৎপর্য – জীর্ণপাতা ঝরে গিয়েই গাছে গাছে নতুন পাতার জন্ম হয়। একইভাবে সামাজিক জীর্ণতা ধ্বংস নাহলে নতুন সৃষ্টি সম্ভব নয়।

  • মূল্যবোধের অবক্ষয় – সমকালীন বাংলা দেশে মূল্যবোধের অবক্ষয়ের কালো ছায়া নেমে এসেছিল। সাম্রাজ্যবাদী ইংরেজ শাসন মানুষের প্রাণের মুক্তিকে অবরুদ্ধ করে রেখেছিল। অন্যদিকে কুসংস্কার, ধর্মান্ধতা ইত্যাদি বিষয়গুলি সমাজের অগ্রগতিকে রুদ্ধ করেছিল। মনুষ্যত্বের অপমান, শোষণ, বঞ্চনা প্রভৃতি হয়েছিল সাধারণ মানুষের ভাগ্যলিপি।
  • ধর্মান্ধ সমাজের ধ্বংস – নজরুল আন্তরিকভাবে এই সমাজের ধ্বংস চেয়েছিলেন। সেই উদ্দেশ্যেই প্রলয়রূপী শিবের আবির্ভাব কামনা করেছেন।
  • সংহারক ও রক্ষক – শিব হলেন একাধারে সংহারক ও রক্ষক। তিনি ধ্বংসের মধ্য দিয়েই সৃষ্টি করেন। তাঁর আবির্ভাবে প্রলয় সংঘটিত হয়। প্রলয় নিয়ে আসে ধ্বংস আর ধ্বংসের সঙ্গেই আসে বিনাশের জন্য বেদনা।
  • সৃজন-বেদন – কিন্তু প্রলয়ের মধ্য দিয়ে সৃষ্টির আগমন সুনিশ্চিত হয়। আপাত ধ্বংসের পেছনে সৃষ্টির অবস্থান বলে কবি প্রলয়কে ‘সৃজন-বেদন’ বলেছেন।

কাল-ভয়ংকরের বেশে এবার ওই আসে সুন্দর! – ‘কাল-ভয়ংকরের’ পরিচয় দাও। কীভাবে তিনি সুন্দরের প্রতিষ্ঠা করবেন বলে কবির ধারণা?

কাল-ভয়ংকরের পরিচয় – কাল-ভয়ংকর হলেন ‘প্রলয়- নেশার নৃত্য পাগল’ শিব। তিনি আসেন কালবৈশাখীর রূপ ধরে। তাঁর হাতে বজ্রশিখার মশাল। সর্বনাশী জ্বালামুখী ধূমকেতুর মতো তাঁর আগমন। রক্তমাখা কৃপাণ হাতে অট্টহাসি হেসে তিনি যাবতীয় অশুভশক্তির অবসান ঘটান। জীবনহারা অসুন্দরকে তিনি ছেদন করেন বলে তাঁর আগমন ধ্বংসাত্মক। সমাজসভ্যতা যদি রথের প্রতীক হয়, তবে তিনি রথের সারথি। রক্ত-তড়িৎ চাবুক হেনে তিনি দুরন্ত ঘোড়ার গতিকে আরও বাড়িয়ে দেন। সেই ঘোড়ার খুরের দাপটে আকাশে উল্কার ছোটাছুটি বা স্থান পরিবর্তন ঘটে যায়। এভাবে মহাবিশ্বের সব কিছুর পরিবর্তন ঘটে।

সুন্দরের প্রতিষ্ঠা – সমাজের জীর্ণ-পুরাতনকে ধ্বংস করে মহাকাল শিব নতুনের বার্তা বয়ে আনেন। প্রলয়রূপী শিবের আগমনপ্রার্থনার মধ্য দিয়ে তাই কবি নতুন সূর্যোদয় প্রার্থনা করেছেন। মানুষের অন্ধবিশ্বাস, বিপথগামিতা, দাসত্ব এবং মূল্যবোধের অবক্ষয় দূর করতে না পারলে সুন্দরের প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। শিব নিজেই সত্য ও সুন্দরের প্রতীক। তাঁর ধ্বংসমূর্তি যেমন প্রলয়কে আহ্বান করে, তেমনই তাঁর সৃষ্টিও সুন্দরেরই প্রতিষ্ঠা ঘটায়। তাই সমাজের জীর্ণ অচলায়তনের প্রাচীর ভেঙে দিয়ে তিনি সুন্দরের প্রতিষ্ঠা করবেন। এই কারণেই কবি মহাকালরূপী শিবের আগমনে সকলকে জয়ধ্বনি দিতে বলেছেন।

ওই ভাঙা-গড়া খেলা যে তার কিসের তবে ডর? – ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় ভাঙা-গড়ার কোন্ রূপকে কবি ফুটিয়ে তুলেছেন লেখো।

  • নবযৌবনের বন্দনা – ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় কবি নজরুল চিরবিদ্রোহী নবযৌবনের বন্দনা করেছেন। এই বিপ্লবীশক্তির আগমন ঘটে ভয়ংকরের বেশ ধরে। ‘মহাকালের চণ্ড-রূপে’ অর্থাৎ শিবের প্রলয়ংকর মূর্তিতে যেন তাদের আগমন।
  • মৃতপ্রায় সমাজের অবসান – ‘জয় প্রলয়ঙ্কর’ ধ্বনি তুলে জরাগ্রস্ত মৃতপ্রায় সমাজের তারা অবসান ঘটায়। চারপাশ দিশাহারা হয়ে যায় শক্তির সেই প্রচণ্ডতায়। রক্তাক্ততা আর বিশৃঙ্খলতা ও অস্থিরতার মধ্য দিয়ে তাদের এই আবির্ভাবে যে ধ্বংসের উন্মাদনা থাকে তা মানুষকে শঙ্কিত করে তোলে।
  • সৃষ্টির নবনির্মাণ – ধ্বংসের এই প্রচণ্ডতা আসলে সৃষ্টির নবনির্মাণের জন্য। প্রলয়ের দেবতা শিব ধ্বংসের মধ্য দিয়ে সৃষ্টিকে নিশ্চিত করেন। সেভাবেই বিপ্লবীশক্তিও আপাত নৈরাজ্যের আড়ালে সুস্থ, সুন্দর এক সমাজগঠনের স্বপ্ন দেখে। কবির চোখে এই প্রলয় তাই জড়ত্বের অবসান ঘটানোর জন্যও।
  • মানবতার প্রতিষ্ঠা – কালরাত্রির শেষেই রয়েছে ভোরের সূর্যোদয়। অন্ধকারাগারের হাড়িকাঠে যে দেবতা বাঁধা আছেন তাকে মুক্ত করে মানবতার প্রতিষ্ঠা ঘটানোই এই তরুণদের লক্ষ্য। এই প্রলয় তাই ‘নূতন সৃজন-বেদন’।
  • নতুন সমাজ প্রতিষ্ঠার ইঙ্গিত – জীবনহারা অসুন্দরকে ছিন্ন করার জন্য যার আগমন ঘটেছে। তাই ভাঙনের পেছনে থাকে সৃষ্টির স্বপ্ন। স্বাধীনতা, সাম্য আর সম্প্রীতির বীজমন্ত্রে থাকে নতুন সমাজ প্রতিষ্ঠার ইঙ্গিত।

প্রলয়োল্লাস কবিতাই প্রলয়ের আগমনকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন যে, প্রলয়ের আগমনে প্রকৃতি বিধ্বস্ত হবে, পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে। কিন্তু প্রলয়ের ভয়ঙ্কর চেহারা সত্ত্বেও কবি তাতে আনন্দিত। কারণ তিনি বিশ্বাস করেন যে, প্রলয়ের মাধ্যমেই নতুন সৃষ্টির পথ সুগম হবে।

Rate this post


Join WhatsApp Channel For Free Study Meterial Join Now
Join Telegram Channel Free Study Meterial Join Now

মন্তব্য করুন