মাধ্যমিক ভূগোল – ভারতের অর্থনৈতিক পরিবেশ – ভারতের পরিবহণ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা – সংক্ষিপ্ত উত্তরভিত্তিক প্রশ্ন ও উত্তর

পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা হল একটি দেশের অর্থনীতি ও সামাজিক উন্নয়নের অন্যতম চালিকাশক্তি। এটি মানুষের মধ্যে ও বিভিন্ন স্থানের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করে। ভারত একটি বিশাল ও জনবহুল দেশ। এখানে বিভিন্ন ধরনের পরিবহন ব্যবস্থা বিদ্যমান। এই পরিবহন ব্যবস্থা দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

Table of Contents

মাধ্যমিক ভূগোল – ভারতের অর্থনৈতিক পরিবেশ – ভারতের পরিবহণ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা

মাধ্যমিক ভূগোল একটি পাঠ্যক্রম যা মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের জন্য তৈরি করা হয়েছে। এই পাঠ্যক্রমে ভারতের অর্থনৈতিক পরিবেশ, যেমন কৃষি, কারখানা, বাণিজ্য এবং পরিবহন এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। পাঠ্যক্রমটি প্রশ্ন উত্তরের মাধ্যমে ছাত্রদের জ্ঞান নিশ্চিত করার জন্য তৈরি করা হয়েছে।

ভারত দক্ষিণ এশিয়ার একটি দেশ যা উত্তরে হিমালয় পর্বত শ্রেণী এবং দক্ষিণে সমুদ্র পূর্ব এবং পশ্চিমে বস্তুনিবেশ দ্বারা ঘিরিত। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় জনবহুল দেশ এবং একটি বিকল্প উন্নয়নে বিশ্বাস করে। ভারতের প্রধান অর্থনৈতিক উৎস হল কৃষি এবং প্রাথমিক শিল্প। ভারতের অর্থনৈতিক প্রবর্তনে সেবা খাতের ভূমিকা হল দ্রুত এবং দীর্ঘমেয়াদী সামাজিক উন্নয়ন এবং মানবাধিকারের সমর্থনে বিভিন্ন সরঞ্জাম ও যোগাযোগ ব্যবস্থা সমূহের উন্নয়ন হল গুরুত্বপূর্ণ।

ভারত একটি বিশাল দেশ যেখানে বিভিন্ন উপকরণ ব্যবহার করে পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা পরিচালিত হয়। রাষ্ট্রীয় সড়ক পারিবহন সিস্টেম, রেলওয়ে নেটওয়ার্ক, বিমানপ্রযুক্তি, নৌযান ও সেবা পাওয়া পরিবহন মাধ্যম ইত্যাদি ভারতের পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার একটি অংশ। এছাড়াও সামাজিক যোগাযোগের উন্নয়ন সাধন করতে বিভিন্ন ইলেকট্রনিক প্লাটফর্ম এবং ইন্টারনেট সেবা প্রদানের সুযোগ রয়েছে। এই সংক্ষিপ্ত উত্তরভিত্তিক প্রশ্নগুলি ভারতের পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার সাথে সম্পর্কিত।

পরিবহণ বলতে কী বোঝ?

বিভিন্ন যানবাহনের মাধ্যমে যখন পণ্য এবং যাত্রী এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় বহন করে নিয়ে যাওয়া হয়, তখন তাকে পরিবহণ বলে। পরিবহণ ব্যবস্থার উন্নতি হলে দেশের অধিক উন্নতি হয়।

যোগাযোগ বলতে কী বোঝ?

সংবাদ, তথ্য বা ভাবের আদান-প্রদানকে এক কথায় যোগাযোগ বলে। যোগাযোগ ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে তথ্যের আদান প্রদান হয়। টেলিফোন, ফ্যাক্স, ইন্টারনেট এসব যোগাযোগের মাধ্যম ৷

জাতীয় সড়ক কাকে বলে?

কেন্দ্রীয় সরকার কর্তৃক নির্মিত যেসব সড়ক পথগুলি বিভিন্ন রাজ্যের মধ্যে সংযোগ রক্ষা করে সেই সব সড়ক পথকে জাতীয় সড়ক বলে। জাতীয় সড়কগুলি যেমন দৈর্ঘ্যে বেশি হয়, তেমনি এগুলি 2-6 লেন সম্পন্ন হয়ে থাকে।

রাজ্য সড়ক কী?

রাজ্য সরকার কর্তৃক নির্মিত এবং রক্ষণাৰেক্ষিত সড়কপথকে রাজ্য সড়ক বলে। এইসব রাজ্য সড়কগুলি জাতীয় সড়কের সাথে সংযুক্ত থাকে।

সোনালি চতুৰ্ভুজ কী?

ভারতের চারটি প্রধান শহর যথা কলকাতা, দিল্লি, মুম্বাই এবং চেন্নাই-এর মধ্যে সংযুক্ত ছয় লেন বিশিষ্ট সড়ক পথকে সোনালি চতুৰ্ভুজ বলে। এটিও কেন্দ্রীয় সরকার দ্বারা নির্মিত।

শিপিং লেন কী?

নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য জাহাজ সমুদ্রের যে পথকে অনুসরণ করে সেই নির্দিষ্ট পথকেই শিপিং লেন বলে।

শিপিং লাইন কী?

যেসব নির্দিষ্ট কোম্পানি বা সংস্থার জাহাজ সমুদ্রে চলাচল করে ওইসব সংস্থা বা কোম্পানিকে শিপিং লাইন বলে।

জলপথ কী?

নদী, সমুদ্র, হ্রদের ওপর দিয়ে যে নির্দিষ্ট পথে জলযান চলাচল করে, তাকে জলপথ বলে। জলপথ এখনও পর্যন্ত পৃথিবীর সবচেয়ে সস্তা পরিবহণ মাধ্যম।

স্থলপথ কী?

স্থলভাগের ওপর দিয়ে নির্মিত পরিবহণ পথকে স্থলপথ বলে। স্থলপথ দুধরনের হতে পারে — সড়কপথ ও রেলপথ।

আকাশপথ কাকে বলে?

বায়ুমণ্ডলের যে পথ দিয়ে আকাশযান যাতায়াত করে সেই পথকে আকাশ পথ বলে। বিমানপথ বা আকাশপথ নির্মাণে তেমন কোনো খরচ নেই। তবে এই পথে পরিবহণ ব্যয় খুব বেশি।

সড়কপথ পরিবহণের দুটি সুবিধা লেখো।

1. সড়কপথ দেশের সর্বত্র গড়ে তোলা সম্ভব। তাই দুর্গম অঞ্চলেও সড়কপথ গড়ে ওঠে। 2. সড়কপথে পরিবহণে ব্যয় অপেক্ষাকৃত কম।

সড়কপথে পরিবহণের দৃষ্টি অসুবিধা লেখো।

1. সড়কপথের রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় যথেষ্ট বেশি। 2. যানজট সড়কপথে যাত্রী এবং পণ্য পরিবহণে বাধা তৈরি করে।

রেলপরিবহণ ব্যবস্থার দুটি সুবিধা লেখো।

1. রেলপথের মাধ্যমে ভারী এবং প্রচুর পণ্য দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়া যায়। 2. রেলপথের মাধ্যমে একসাথে অনেক পণ্য কম দামে পরিবহণ করা সম্ভব।

রেলপরিবহণ ব্যবস্থার দুটি অসুবিধা লেখো।

1. রেল পরিবহণ ব্যবস্থা সর্বত্র চালু করা সম্ভব নয়। নদীবহুল অঞ্চল অথবা উচ্চ পার্বত্য অংশে রেলপরিবহণ ব্যবস্থা গড়ে তোলা কঠিন।
2. একটি নির্দিষ্ট পথেই রেল চলাচল করে বলে প্রয়োজনে পথ পরিবর্তন করতে পারে না।

আকাশপথে পরিবহণের দুটি সুবিধা লেখো।

1. এটি অতি দ্রুত পণ্য বা যাত্রী পরিবহণে করতে পারে।
2. জরুরি অবস্থায় উদ্ধার কাজ এবং ত্রাণকার্যে আকাশপথ পরিবহণ প্রধান ভরসা।

আকাশপথে পরিবহণের দৃষ্টি অসুবিধা লেখো।

1. আকাশপথ পরিবহণ খুব ব্যয়বহুল। তাই সবার পক্ষে এর পরিসেবা নেওয়া সম্ভব নয়।
2. আকাশ পথে স্বল্প দূরত্বে পরিবহণ করা যায় না।

বন্দর সংযোজক পরিকল্পনা কী?

যে পরিকল্পনার মাধ্যমে চার লেন বিশিষ্ট সড়কপথ ভারতের বিভিন্ন বন্দরগুলিকে সংযুক্ত করে, তাকে বন্দর সংযোজক পরিকল্পনা বলে।

স্থল পরিবহণ কত রকমের হতে পারে?

স্থল পরিবহণ ব্যবস্থাকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা — সড়কপথ ও রেলপথ। রেলপথ আবার দুরকমের হয়, যথা — 1. ভূপৃষ্ঠস্থ রেলপথ এবং 2. ভূগর্ভস্থ রেলপথ।

জলপথ পরিবহণ কত রকমের হয়?

জলপথ পরিবহণ দুরকমের হতে পারে। যথা — অভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিক জলপথ। অভ্যন্তরীণ জলপথ আবার দুরকমের — 1. নদীপথ এবং 2. খালপথ।

নলপথ কী?

পাইপ লাইন বা নলপথের মাধ্যমে তরল এবং গ্যাসীয় পদার্থের পরিবহণ করা হয়। প্রাকৃতিক গ্যাস, খনিজ তেল, জল একস্থান থেকে অন্যস্থানে পরিবাহিত হয়। খনিজ তেল পরিবহণে নলপথের ভূমিকা খুব বেশি।

রজ্জুপথ বলতে কী বোঝ?

দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে বা খনি অঞ্চলে গভীর উপত্যকা পারাপার করার জন্য নির্মিত দড়ির মাধ্যমে পরিবহণ ব্যবস্থাকে রজ্জুপথ বলে। এগুলি স্বল্প দূরত্বের হয়। ভ্রমণার্থী, খাবার, জল বা খনিজ দ্রব্য রজ্জুপথে পরিবহণ করা হয়।

মোবাইল ফোন কোন্ কাজে লাগে?

1. পৃথিবীর যে – কোনো প্রান্তের মানুষ অন্য প্রান্তের মানুষের সাথে যোগাযোগ করতে পারে।
2. বর্তমানে মোবাইল ফোন ছবি তোলা, SMS, MMS, ইন্টারনেটের কাজেও বহুল ব্যবহৃত হয়।

পুনঃরপ্তানি বন্দর কাকে বলে?

যে বন্দরের মাধ্যমে পণ্যদ্রব্য আমদানি, আমদানিকৃত পণ্য সঞ্চয় অথবা ব্যাবসা করার পর রপ্তানি করা হয়, তাকে পুনঃরপ্তানি বন্দর বলে। যেমন – কেরলের কোল্লাম বন্দর।

ইন্টারনেটের কাজ কী?

ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্যরাশি প্রয়োজন মতো ব্যবহার করা যায়। পৃথিবীর যে – কোনো স্থানে বার্তা, ইমেল, তথ্য, সিনেমা, গান প্রভৃতি খুব দ্রুত পাঠানো যায়। বর্তমানে ইন্টারনেট ছাড়া যোগাযোগ ব্যবস্থা বিকল।

পরিবহণ ও যোগাযোগ ব্যবস্থার মধ্যে প্রভেদ কী?

পরিবহণ বলতে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় পণ্যের লেনদেন ও যাত্রীর যাতায়াতকে বোঝায়। কিন্তু যোগাযোগ হল তথ্যের আদানপ্রদান।

শিল্পের ওপর সড়ক পরিবহণের প্রভাব কতখানি?

যেসব শিল্পে কাঁচামাল বা উৎপাদিত দ্রব্য খুব বেশি দূরে আমদানি-রপ্তানি করতে হয় না, সেইসব শিল্পে সড়ক পরিবহণের প্রভাব সবচেয়ে বেশি। মূলত আঞ্চলিক পরিবহণের ক্ষেত্রে সড়কপথ ব্যয় সংকোচনকারী এবং লাভজনক পরিবহণ মাধ্যম।

শিল্পের ওপর জলপথ পরিবহণের ভূমিকা কতখানি?

জলপথ পরিবহণ সবচেয়ে সস্তা ও লাভজনক। সেইজন্য আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে জলপথের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। জলপথ পরিবহণ সস্তা এবং সুলভ বলেই বন্দরের নিকটবর্তী অঞ্চলেই বিভিন্ন শিল্পের বিকাশ ঘটে। যে দেশে যত বেশি বন্দর সেই দেশ শিল্পে তত উন্নত।

গ্রামীণ পথ কোন্‌গুলি?

গ্রামের মধ্যে দিয়ে প্রসারিত পথকে গ্রামীণ পথ বলে। এগুলি বেশির ভাগ সময়ে কাঁচা, মোরাম দেওয়া থাকে। এগুলি অপ্রশস্ত এবং আঁকাবাঁকা হয়ে থাকে। গ্রামীণ পথগুলি প্রধান সড়কপথের সাথে মেশে।

জলপথকে উন্নয়নের জীবনরেখা বলে কেন?

আধুনিক যুগে বাণিজ্যের মাধ্যম হিসেবে জলপথের গুরুত্ব এত বেশি যে একে উন্নয়নের জীবনরেখা বলে।
1. বহির্বাণিজ্যের বেশিরভাগই জলপথে পরিবাহিত হয়। 2. জলপথে পরিবহণ ব্যয় সবচেয়ে কম। 3. সমুদ্রবেষ্টিত দেশগুলির অর্থনৈতিক উন্নতি নির্ভর করে জলপথে বাণিজ্যের ওপর।

লাইনার কী?

জলপথে বাণিজ্যের যে জাহাজগুলি একটি নির্দিষ্ট পথে পণ্য এবং যাত্রী পরিবহণ করে, তাকে লাইনার বলে। এগুলি দ্রুতগামী এবং নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলে। এর পরিবহণ ব্যয় অপেক্ষাকৃত বেশি হয়।

ট্রাম্প কী?

জলপথের এই জাহাজগুলি ধীরগামী। এগুলির কোনো নির্দিষ্ট যাত্রাপথ নেই বা নির্দিষ্ট সময় ধরেও চলে না। যেখানে যেমন পণ্য পায় তেমনি ওইসব সব পণ্য বহন করে নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছে দেয়। কয়লা, কাঠ শিল্পের বিভিন্ন কাঁচামাল এই সব জাহাজগুলি বহন করে।

সওদাগরি জাহাজ কী?

এইসব জাহাজগুলি নির্দিষ্ট কিছু পণ্য নির্দিষ্ট পথে, নির্দিষ্ট দেশে পরিবহণ করে। যেমন — খনিজ তেল, লোহা ও ইস্পাত, মূল্যবান কাঠ ইত্যাদি এরা পরিবহণ করে।

বায়ুদূত কী?

দেশের অভ্যন্তরে স্থানীয়ভাবে ছোটো ছোটো বিমানবন্দরগুলির মধ্যে ছোটো ছোটো বিমানগুলি চলাচল করে। অল্প সংখ্যক আসনবিশিষ্ট স্বল্প দূরত্ব অতিক্রমকারী বিমান পরিসেবা বায়ুদূত নামে পরিচিত।

পবন হংস কী?

রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ এবং কখনো কখনো রাজ্য সরকারের উদ্যোগে যে হেলিকপ্টার পরিসেবা প্রদান করা হয় তার নাম পবন হংস। খনিজ তেলের ক্ষেত্র এবং অল্প দূরত্বের পাহাড়ি পথে যাতায়াতের জন্য এই হেলিকপ্টার পরিসেবা চালু আছে।

টেলিঘনত্ব কাকে বলে?

কোনো দেশে বা অঞ্চলে বসবাসকারী প্রতি 1000 জন লোকের মধ্যে যতজন লোক টেলিফোন ব্যবহার করে, তাকে টেলিঘনত্ব বলে। আধুনিক বা উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার অন্যতম সূচক বোঝানো হয় টেলিঘনত্বের মাধ্যমে। টেলিঘনত্ব ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জে প্রথম চালু হয়।

চক্ররেল কী?

কলকাতা পরিবহণ-পরিসেবার সুব্যবস্থার উদ্দেশ্যে কলকাতা চক্ররেল পরিসেবা চালু আছে। এটি প্রিন্সেপঘাট, বনগাঁ, ব্যারাকপুর প্রভৃতি স্টেশন থেকে শুরু হয়ে হাসনাবাদ, বারাসত, দমদম, প্রিন্সেপঘাট ও ব্যারাকপুর স্টেশনে এসে শেষ হয়।

কৃষি উন্নয়নে রেলপথের ভূমিকা কতখানি?

রেলপথের মাধ্যমে কৃষিপণ্য বাজার এলাকায় পৌঁছোনোর সুযোগ পায়। উৎপাদিত কৃষিপণ্য রেলপথের মাধ্যমে অনেক দূরে নিয়ে গিয়ে বিক্রয় করা যায়। তেমনি কৃষিতে প্রয়োজনীয় সার, কীটনাশক, বীজ, কৃষিযন্ত্রপাতি রেল পরিবহণ করে এনে কৃষক এবং কৃষিকাজে সহায়তা করে।

এই উত্তরভিত্তিক প্রশ্নগুলি মাধ্যমিক ভূগোল, ভারতের অর্থনৈতিক পরিবেশ এবং ভারতের পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উপর নির্ভর করে। মাধ্যমিক ভূগোল শিক্ষার্থীদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় এবং এই পরীক্ষাগুলি শিক্ষার্থীদের ভারতের অর্থনৈতিক এবং পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পর্কে ধারণা দেয়। ভারতের অর্থনৈতিক পরিবেশ সম্পর্কে জানা হয়েছে যে ভারত একটি দেশীয় অর্থনীতি সম্পন্ন দেশ এবং এর অর্থনৈতিক উন্নয়ন দ্রুত হচ্ছে। ভারতের বিভিন্ন অর্থনৈতিক খাতে একটি বিশাল অবদান রয়েছে এবং এটি বিশ্ব অর্থনৈতিক সম্পদের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস।

ভারতের পরিবহন ব্যবস্থা দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের অন্যতম চালিকাশক্তি। এই ব্যবস্থার উন্নয়ন দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

Rate this post


Join WhatsApp Channel For Free Study Meterial Join Now
Join Telegram Channel Free Study Meterial Join Now

মন্তব্য করুন