নদীর বহনক্ষমতা বলতে বোঝায় নদীর জলধারা কতটুকু পলি, বালি, কাঁকর, পাথর ইত্যাদি বহন করতে পারে। নদীর গতি, জলপ্রবাহের পরিমাণ, নদীর তলদেশের গঠন, পলির পরিমাণ ইত্যাদি বিষয় নদীর বহনক্ষমতা নির্ধারণ করে।

নদী চারভাবে বহন করে। এগুলি হল —
| বহন প্রক্রিয়া | বিবরণ |
| দ্রবণের মাধ্যমে | চুনাপাথর, লবণ প্রভৃতিকে জলে গুলে বা দ্রবণের মাধ্যমে নদী বয়ে নিয়ে চলে। |
| ভাসমান প্রক্রিয়ায় | কাদা, বালি প্রভৃতি হালকা পদার্থগুলি নদী ভাসিয়ে নিয়ে যায়। নদী যে পরিমাণ পদার্থ বহন করে, তার প্রায় 70 শতাংশ বহন করে ভাসমান প্রক্রিয়ায়। |
| লক্ষনের মাধ্যমে | কিছুটা বড়ো বা মাঝারি আকৃতির পাথরগুলি স্রোতের সঙ্গে যাওয়ার সময় নদীখাতে বার বার ধাক্কা খেয়ে লাফিয়ে লাফিয়ে যায়। |
| টান বা আকর্ষণ প্রক্রিয়ায় | খুব বড়ো বড়ো পাথর নদীর স্রোতের আকর্ষণে বাহিত হয়। |
আরও পড়ুন – নদী কী কী প্রক্রিয়ায় ক্ষয়কার্য করে?
নদীর বহনক্ষমতা, জলের প্রবাহের চেয়ে অনেক বেশি, এটি প্রকৃতির একটি গোপন কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ শক্তি। এই ব্লগ পোস্টে, আমরা নদীর এই বিস্ময়কর ক্ষমতা সম্পর্কে শিখেছি এবং এটি কীভাবে ভূমিরূপ গঠন, কৃষি, নৌ চলাচল, এমনকি বাঁধ নির্মাণকেও প্রভাবিত করে।





মন্তব্য করুন