এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণির বাংলা বিষয়ের সপ্তম পাঠের অন্তর্গত ‘জেলখানার চিঠি’-এর কিছু ‘অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর’ নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নোত্তরগুলো অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বিদ্যালয়ের পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন নিয়মিত আসে।

সঠিক উত্তর নির্বাচন করো
বন্ধু দিলীপ রায়ের চিঠিটি নেতাজি পেয়েছিলেন – (25-3-25 / 24-3-25 / 26-3-25) তারিখে।
উত্তর – 24-3-25 তারিখে।
বন্ধু দিলীপ রায়কে নেতাজির পাঠানো জবাবি চিঠিটি প্রেরণের তারিখ – (3-5-25 / 4-5-25 / 2-5-25)।
উত্তর – 2-5-25।
সুভাষচন্দ্রের পত্রে কোন্ কবির নাম উল্লিখিত হয়েছে? (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর / সুকান্ত ভট্টাচার্য / কাজী নজরুল ইসলাম)।
উত্তর – কাজী নজরুল ইসলাম।
তৎকালের কোন্ বিখ্যাত দেশনেতার নাম সুভাষচন্দ্রের পত্রে রয়েছে? (লালা লাজপত রায় / চিত্তরঞ্জন দাশ / বাল গঙ্গাধর তিলক)।
উত্তর – বাল গঙ্গাধর তিলক।
মান্দালয় জেল কোথায় অবস্থিত? – (মালয়েশিয়ায় / আন্দামানে / বার্মায়)।
উত্তর – বার্মায়।
‘Martyrdom’ শব্দটির অর্থ হলো – (শহিদত্ব / রাজনীতিক / রাজবন্দি)।
উত্তর – শহিদত্ব।
লোকমান্য তিলক মান্দালয় জেলে কত বছর বন্দি ছিলেন? (পাঁচ বছর / সাত বছর / ছয় বছর)।
উত্তর – ছয় বছর।
তোমার পাঠ্য সুভাষচন্দ্র বসুর পত্রটি কোন্ মূল ভাষা থেকে অনূদিত? – (হিন্দি / ইংরেজি / উর্দু)।
উত্তর – ইংরেজি।
শূন্যস্থান পূরণ করো
এবারও বুঝি তেমনি চিঠিখানাকে ___ -এর ভিতর দিয়ে আসতে হবে।
উত্তর – এবারও বুঝি তেমনি চিঠিখানাকে ‘double distillation’-এর ভিতর দিয়ে আসতে হবে।
ভবিষ্যতে ___ আমার একটা কর্তব্য হবে।
উত্তর – ভবিষ্যতে কারাসংস্কার আমার একটা কর্তব্য হবে।
সাধারণত একটা ___ বন্দিদশায় মানুষের অন্তরে শক্তির সঞ্চার করে।
উত্তর – সাধারণত একটা দার্শনিক ভাব বন্দিদশায় মানুষের অন্তরে শক্তির সঞ্চার করে।
তাই নিজেকে ___ বলে মনে করবার মত স্পর্ধা আমার নেই।
উত্তর – তাই নিজেকে Martyr বলে মনে করবার মত স্পর্ধা আমার নেই।
___ ইউরোপীয় বন্দীদের জন্যে সংগীতের সাপ্তাহিক বন্দোবস্ত আছে।
উত্তর – আলিপুর জেলে ইউরোপীয় বন্দীদের জন্যে সংগীতের সাপ্তাহিক বন্দোবস্ত আছে।
সভ্য সমাজ অপরাধীদের প্রতি আরও ___ কেন দেখাবে না?
উত্তর – সভ্য সমাজ অপরাধীদের প্রতি আরও সহানুভূতি কেন দেখাবে না?
সেই দিক দিয়ে দেখলে মনে হয়, এগুলোর ___ ব্যর্থ।
উত্তর – সেই দিক দিয়ে দেখলে মনে হয়, এগুলোর উদ্দেশ্য ব্যর্থ।
তুমি কিছুদিন পূর্বে ___ পাঠিয়েছিলে তার সবগুলিই পেয়েছি।
উত্তর – তুমি কিছুদিন পূর্বে যে সব বই পাঠিয়েছিলে তার সবগুলিই পেয়েছি।
অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর
সুভাষচন্দ্র বসু প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বিতাড়িত হয়েছিলেন কেন?
সুভাষচন্দ্র বসু ভারতবিদ্বেষী ইংরেজ অধ্যাপক ওটেনকে প্রহারের অভিযোগে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বিতাড়িত হন।
রাসবিহারী বসুর কাছ থেকে তিনি কোন্ দায়িত্বভার গ্রহণ করেছিলেন?
রাসবিহারী বসুর কাছ থেকে সুভাষচন্দ্র বসু আজাদ হিন্দ ফৌজের দায়িত্বভার গ্রহণ করেছিলেন।
তোমার পাঠ্য পত্রখানি কে, কোথা থেকে, কাকে লিখেছিলেন?
আমার পাঠ্য পত্রখানি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু মান্দালয় জেল থেকে তাঁর প্রিয় বন্ধু দিলীপ রায়কে লিখেছিলেন।
কোন ব্যাপারটিকে পত্রলেখক আধ্যাত্মিক দৃষ্টিতে দেখার কথা বলেছেন?
পরজাতিশাসিত, পরাধীন দেশের শৃঙ্খলমোচনের ভার নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন বলে অকারণে ও সম্পূর্ণ অজ্ঞাতকারণে জেলে বন্দি থাকার সমস্ত ব্যাপারটিকে পত্রলেখক আধ্যাত্মিক দৃষ্টিতে দেখার কথা বলেছেন।
বন্দিদশায় মানুষের মনে শক্তি সঞ্চারিত হয় কীভাবে?
বন্দিদশায় সাধারণত একটা দার্শনিক ভাব মানুষের অন্তরে শক্তি সঞ্চার করে।
মান্দালয় জেল কোথায় অবস্থিত?
তৎকালীন বৃহত্তম ইংরেজ উপনিবেশ ভারতের সঙ্গে সংযুক্তির কারণে বন্দিদের বার্মা মুলুকে নির্বাসনের বন্দিত্বে পাঠানো হত। বার্মা তথা আজকের মায়ানমারে অবস্থিত ছিল মান্দালয় জেল।
ভারতীয় জেল বিষয়ে একটি পুস্তক সুভাষচন্দ্রের লেখা হয়ে ওঠেনি কেন?
ভারতীয় জেল বিষয়ে একটি পুস্তক সুভাষচন্দ্রের লেখা হয়ে ওঠেনি, তার কারণ – যথেষ্ট উদ্যম ও শক্তির অভাব। তা ছাড়া সেই চেষ্টার উপযুক্ত সামর্থ্য না থাকা।
সুভাষচন্দ্র কেন দিলীপ রায়ের প্রেরিত বইগুলি ফেরত পাঠাতে পারেননি?
সুভাষচন্দ্র বসু তাঁর প্রিয় বন্ধু দিলীপ রায়ের জেলে প্রেরিত বইগুলি তাঁকে ফেরত পাঠাতে পারেননি, তার কারণ – তিনি ছাড়াও সেগুলির আরও অনেক পাঠক জুটেছিল।
অপরাধীদের প্রবৃত্তিগুলি কী বলেই ধরতে হবে?
অপরাধীদের প্রবৃত্তিগুলি মানসিক ব্যাধি বলেই ধরতে হবে।
‘আমি বরং আরও বলি যে’ – কী বলা হয়েছে?
প্রশ্নে প্রদত্ত মন্তব্যটিতে যে কথা বলা হয়েছে তা হলো – কোনো ভদ্র বা সুশিক্ষিত ব্যক্তি কারাবাস পছন্দ করতেই পারে না।
কাজী নজরুলের কবিতা কীসের কাজে ঋণী বলে লেখক মনে করেন?
কাজী নজরুলের কবিতা তাঁর জেলের অভিজ্ঞতার কাজে অনেকখানি ঋণী বলে লেখক মনে করেন।
জেলখানার সমস্ত আবহাওয়াটা কীসের উপযোগী?
জেলখানার সমস্ত আবহাওয়াটা মানুষকে যেন বিকৃত অমানুষ করে তোলারই উপযোগী।
কারাসংস্কার বিষয়ে আমাদের কী অনুসরণ করা উচিত?
কারাসংস্কার বিষয়ে আমাদের বরং আমেরিকার ইউনাইটেড স্টেটসের মতো উন্নত দেশগুলির ব্যবস্থাই অনুসরণ করা উচিত।
বেশিদিনের মেয়াদের পক্ষে সবচেয়ে বড়ো বিপদ কী?
বেশিদিনের মেয়াদের পক্ষে সবচেয়ে বড়ো বিপদ হলো – আপনার অজ্ঞাতসারে মানুষকে অকালবার্ধক্য এসে চেপে ধরে।
দীর্ঘ কারাবাসে মানুষ যে দেহে-মনে অকালবৃদ্ধ হয়ে যায়, এর কারণ কী কী?
দীর্ঘ কারাবাসে মানুষ যে দেহে-মনে অকালবৃদ্ধ হয়ে যায়, তার কারণ হলো – খারাপ খাদ্য, ব্যায়াম বা স্ফূর্তির অভাব, সমাজবিচ্ছিন্নতা, অধীনতার শৃঙ্খলভার, বন্ধুজন বা সংগীতের অভাব।
বন্ধুর পাঠানো বইগুলি সুভাষচন্দ্র কেন ফেরত পাঠাতে পারবেন না?
বন্ধুর পাঠানো বইগুলি সুভাষচন্দ্র ফেরত পাঠাতে পারবেন না, কারণ সেগুলির অনেক পাঠক জুটেছে।
‘এই ব্যবস্থার যেটি সব চেয়ে বেশি প্রয়োজন’ – প্রয়োজনটি কী?
প্রশ্নে প্রদত্ত মন্তব্যটিতে প্রয়োজনটি হচ্ছে- একটা নতুন প্রাণ, একটা নতুন মনোভাব এবং বন্দি অপরাধী বা জেলের আবাসিকদের প্রতি একটা সহানুভূতির মনোভাব। এজন্য অপরাধীদের প্রবৃত্তিগুলিকে ‘মানসিক ব্যাধি’ বলেই ধরতে হবে এবং সেদিক থেকেই তাদের ব্যবস্থা করতে হবে। প্রতিষেধকমূলক দণ্ডবিধিকে সংস্কারমূলক নতুন দণ্ডবিধিতে উন্নীত করতে হবে।
‘আমার মনে হয় না, …’ – প্রসঙ্গক্রমে লেখক কী কী বলেছেন?
জেলখানায় বন্দি আবাসিকদের প্রতি সহানুভূতি জানানোর গভীর প্রয়োজনীয়তার কথা বলতে গিয়ে লেখক জানাচ্ছেন – জেলে না এলে তিনিও হয়তো কারাবাসী বা অপরাধীদের সহানুভূতির চোখে নাও দেখতে পারতেন। তাঁর আরও মনে হয়েছে- এ দেশের শিল্পী-সাহিত্যিকদেরও যদি এমনতর কারাভিজ্ঞতা থাকত তবে শিল্প উপকৃত হত। যেমন কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য উপকৃত হয়েছে।
‘আমরা সচরাচর তা বুঝতে পারি না’ – বক্তব্য পরিস্ফুট করো।
জেলখানায় বন্দি থাকাকালে মানুষের মন ধীরে ধীরে মরতে শুরু করে। স্বয়ং লেখক বন্দি থেকে তা অনুভব করেছেন বলে তাঁর মনে হয়েছে। এ ব্যাপারে বাইরের কিছু কিছু ব্যাপার জেলজীবনেও টেনে আনা উচিত। এ সমস্ত বিষয় আমাদের জীবনকে সর্বদাই সরস ও সমৃদ্ধ করে তোলে। সেগুলি হলো – পিকনিক, বিশ্রাভালাপ, সংগীতচর্চা, সাধারণ বক্তৃতা, খোলা স্থানে খেলাধুলা করা, কাব্যসাহিত্যের চর্চা ইত্যাদি।
জেলের মধ্যে বন্ধুর কাছ থেকে বই পেয়ে লেখক কেমন অনুভব করেছিলেন?
নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে দেশসেবার অপরাধে অনেকবারই কারাবরণ করতে হয়। বলা বাহুল্য, এই অকারণ কারাবরণ থেকে মানসিক মুক্তির পথে বই তাঁর কাছে ছিল একটি উপযুক্ত সঙ্গী। বন্ধু দিলীপ রায় তাঁকে বেশ কিছু বই পাঠিয়েছিলেন। সেগুলি তাঁকে যথেষ্ট আনন্দ দিয়েছিল। তবে সেগুলির আরও অনেক পাঠক তৈরি হওয়ায় তিনি সেগুলি ফেরত পাঠাতে পারেননি।
‘এই দৃশ্য তোমাকে প্রতিদিন গভীর ও বিষণ্ণ করে তুলেছে।’ – প্রসঙ্গ ব্যাখ্যা করো।
বন্ধু দিলীপ রায় তাঁর চিঠিতে মানুষের অকারণ অশ্রু প্রসঙ্গে গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছিলেন। তার উত্তরে লেখক জানাচ্ছেন – ‘এই অশ্রু সবটুকুই দুঃখের অশ্রু নয়। তার মধ্যে করুণা ও প্রেমবিন্দু আছে।’ তাঁর ধারণা কোনো সমৃদ্ধতর ও প্রশস্ততর আনন্দস্রোতে পৌঁছোতে হলে এমন ছোটো ছোটো দুঃখের ঢেউ পার হয়ে যেতেই হয়। কারণ তিনি বিশ্বাস করেন যে, কোনো দুঃখ-যন্ত্রণা উন্নততর কাজ ও উচ্চতর সাফল্যের অনুপ্রেরণা।
ব্যাকরণ
নীচের বাক্যগুলির তথ্যগত অশুদ্ধি সংশোধন করো –
নেতাজি মনে করতেন না যে, আমাদের সমস্ত দুঃখকষ্টের অন্তরে একটা মহত্তর উদ্দেশ্য কাজ করছে।
উত্তর – নেতাজি মনে করতেন যে, আমাদের সমস্ত দুঃখকষ্টের অন্তরে একটা মহত্তর উদ্দেশ্য কাজ করছে।
কারাগারে বন্দি অবস্থায় নেতাজি সুভাষ গীতার আলোচনা লিখেছিলেন।
উত্তর – কারাগারে বন্দি অবস্থায় লোকমান্য তিলক গীতার আলোচনা লিখেছিলেন।
জেল জীবনের কষ্ট মানসিক অপেক্ষা দৈহিক বলে নেতাজি মনে করতেন।
উত্তর – জেল জীবনের কষ্ট দৈহিক অপেক্ষা মানসিক বলে নেতাজি মনে করতেন।
নীচের বাক্যগুলি থেকে সমাসবদ্ধ পদ বেছে নিয়ে ব্যাসবাক্যসহ সমাসের নাম লেখো –
তোমার চিঠি হৃদয়তন্ত্রীকে কোমলভাবে স্পর্শ করেছে।
- সম্পূর্ণ অজ্ঞাতকারণে জেলে আছি।
- তখন আমার নিঃসংশয় ধারণা জন্মে।
- নূতন দণ্ডবিধির জন্য পথ ছেড়ে দিতে হবে।
- লোকমান্য তিলক কারাবাস-কালে গীতার আলোচনা লেখেন।
| সমাসবদ্ধ পদ | ব্যাসবাক্য | সমাসের শ্রেণি |
| হৃদয়তন্ত্রীকে | হৃদয় রূপ তন্ত্রী | রূপক কর্মধারয় |
| অজ্ঞাত | নয় জ্ঞাত | নঞ তৎপুরুষ |
| নিঃসংশয় | নিঃ (নেই) সংশয় | নঞ তৎপুরুষ (বা নঞ বহুব্রীহি) |
| দণ্ডবিধি | দণ্ড দানের নিমিত্ত বিধি | নিমিত্ত তৎপুরুষ / সম্বন্ধ তৎপুরুষ |
| লোকমান্য | লোকের দ্বারা মান্য | করণ তৎপুরুষ |
| কারাবাস | কারাতে বাস / কারায় বাস | অধিকরণ তৎপুরুষ |
শব্দগুলির ব্যুৎপত্তি নির্ণয় করো –
(পাঠক, দর্শন, দৈহিক, আধ্যাত্মিক, ভণ্ডামি, সমৃদ্ধ, মহত্ত্ব, অভিজ্ঞতা)
| শব্দ | ব্যুৎপত্তি |
| পাঠক | পঠ্ + অক (ণক) |
| দর্শন | দৃশ্ + অনট্ (অন) |
| দৈহিক | দেহ + ইক (ষ্ণিক) |
| আধ্যাত্মিক | অধ্যাত্ম + ইক (ষ্ণিক) |
| ভণ্ডামি | ভণ্ড + আমি |
| সমৃদ্ধ | সম্ + ঋধ্ + ত (ক্ত) |
| মহত্ত্ব | মহৎ + ত্ব |
| অভিজ্ঞতা | অভিজ্ঞ + তা |
নির্দেশ অনুযায়ী বাক্য পরিবর্তন করো –
আমার পক্ষে এর উত্তর দেওয়া সুকঠিন। (না-সূচক বাক্যে)
উত্তর – আমার পক্ষে এর উত্তর দেওয়া সহজ নয়।
সেই জন্যই সাধারণের কাছে মুখ দেখাতে সে লজ্জা পায়। (প্রশ্নবোধক বাক্যে)
উত্তর – সেই জন্যই কি সাধারণের কাছে মুখ দেখাতে সে লজ্জা পায় না?
লজ্জায় তারা বাড়িতে কোনো সংবাদ দেয়নি। (যৌগিক বাক্যে)
উত্তর – তারা লজ্জা পেয়েছে তাই বাড়িতে কোনো সংবাদ দেয়নি।
কতকগুলি অভাব আছে যা মানুষ ভিতর থেকে পূর্ণ করে তুলতে পারে। (সরল বাক্যে)
উত্তর – কতকগুলি অভাব মানুষ ভিতর থেকে পূর্ণ করে তুলতে পারে।
বিনা দুঃখ কষ্টে যা লাভ করা যায় তার কোনো মূল্য আছে? (নির্দেশক বাক্যে)
উত্তর – বিনা দুঃখকষ্টে যা লভ্য তার কোনো মূল্য নেই।
এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণির বাংলা বিষয়ের সপ্তম পাঠের অন্তর্গত ‘জেলখানার চিঠি’-এর কিছু ‘অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর’ নিয়ে আলোচনা করলাম। এই প্রশ্নোত্তরগুলো অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বিদ্যালয়ের বাংলা পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন নিয়মিত আসে।
আশা করি, এই আর্টিকেলটি তোমাদের উপকারে এসেছে। যদি তোমাদের কোনো প্রশ্ন বা মতামত থাকে, তবে টেলিগ্রামে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারো। তোমাদের যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য আমরা সর্বদা প্রস্তুত। ধন্যবাদ।





Leave a Comment