এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ভূগোলের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “বিশাখাপত্তনম বন্দর সম্পর্কে টীকা লেখো।” — নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভূগোলের পঞ্চম অধ্যায় “ভারতের অর্থনৈতিক পরিবেশ” -এর “ভারতের পরিবহণ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা” অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

বিশাখাপত্তনম বন্দর সম্পর্কে টীকা লেখো।
অবস্থান – ভারতের পূর্ব উপকূলে বঙ্গোসাগরের তীরে অন্ধ্রপ্রদেশে বিশাখাপত্তনম বন্দরটি অবস্থান করছে। ভারতের এই তৃতীয় বৃহত্তম বন্দরটি করমণ্ডল উপকূলে অবস্থিত।
পশ্চাদ্ভূমি – এই বন্দরের পশ্চাদ্ভূমি অন্ধ্রপ্রদেশ, ওড়িশা এবং ছত্তিশগড়ের কিছু অংশ নিয়ে গঠিত। এর পশ্চাদ্ভূমি খনিজ, কৃষিজ ও বনজ সম্পদে সমৃদ্ধ।
বিশাখাপত্তনম বন্দর গড়ে ওঠার কারণ –
- স্বাভাবিক ও গভীর পোতাশ্রয় – বিশাখাপত্তনম বন্দরটি সর্বাধিক গভীর সুরক্ষিত ও স্বাভাবিক পোতাশ্রয় যুক্ত। এর প্রবেশ পথ ‘ডলফিন নোজ’ নামক অন্তরীপ দ্বারা আবদ্ধ থাকায় সামুদ্রিক ঝড়ঝঞ্ঝা থেকে মুক্ত থাকে।
- সমৃদ্ধ পশ্চাদ্ভূমি – এই বন্দরের পশ্চাদ্ভূমি খনিজ-কৃষিজ ও বনজ সম্পদে সমৃদ্ধ।
- জাহাজ শিল্পকেন্দ্র ও অন্যান্য শিল্প – পশ্চাদভূমির কাঁচামালগুলির ওপর নির্ভর করে এখানে বিভিন্ন শিল্প গড়ে উঠেছে। ভারতের বৃহত্তম জাহাজ নির্মাণ কেন্দ্র এই বন্দর সন্নিহিত স্থানেই গড়ে উঠেছে।
- উন্নত পরিবহণ – এই বন্দরটি পশ্চাদ্ভূমির উন্নত রেল ও সড়ক পরিবহণের সঙ্গে যুক্ত।
রপ্তানিকৃত পণ্য – লৌহ আকরিক, ম্যাঙ্গানিজ, কাঠ, তৈলবীজ, লাক্ষা, মশলা প্রভৃতি।
আমদানিকৃত পণ্য – খনিজ তেল, লৌহ-ইস্পাত নানা ধরনের শিল্পজাত দ্রব্য প্রভৃতি।

এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ভূগোলের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “বিশাখাপত্তনম বন্দর সম্পর্কে টীকা লেখো।” — নিয়ে আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভূগোলের পঞ্চম অধ্যায় “ভারতের অর্থনৈতিক পরিবেশ” -এর “ভারতের পরিবহণ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা” অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন, আমরা উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব। । ধন্যবাদ।





মন্তব্য করুন