সপ্তম শ্রেণি বাংলা – খোকনের প্রথম ছবি – সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

Rahul

Home » সপ্তম শ্রেণি বাংলা – খোকনের প্রথম ছবি – সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

এই আর্টিকেলে আমরা সপ্তম শ্রেণির বাংলা বিষয়ের অন্তর্গত প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক বনফুলের (বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়) লেখা ‘খোকনের প্রথম ছবি’ গল্পের কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর (SAQ) নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নোত্তরগুলো সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত সহায়ক, কারণ স্কুলের বাংলা পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন নিয়মিত আসে।

বনফুলের লেখা খোকনের প্রথম ছবি গল্পের গুরুত্বপূর্ণ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর
Contents Show

এখানে কোন্ ছবির কথা বলা হয়েছে?

খোকনের প্রথম ছবি পাঠ্যাংশের অন্তর্গত উদ্ধৃতাংশের বক্তা হলেন খোকনের ড্রইংয়ের মাস্টারমশাই।

তাঁর ছবিটা বলতে এখানে খোকনের বাড়ির সামনে চমৎকার ইউক্যালিপটাস গাছের ছবি আঁকার কথা বলা হয়েছে।

খোকন কীভাবে মেঘের ছবি আঁকতে গিয়ে বেকুব হয়েছিল?

প্রকৃতির ছবি আঁকার প্রচেষ্টায় খোকন একদিন মেঘের ছবি আঁকতে গিয়েছিল। সে দেখল আকাশে একটা মেঘ ‘হাতির মতো’। রূপটিও তার সুন্দর, ঠিক যেন একটি হাতি পিছনের দু-পায়ে ভর দিয়ে শুঁড় তুলে আছে। কিন্তু সে ছবি এঁকে মিলিয়ে দেখতে গিয়ে খোকন বেকুব বনে গেল, কারণ হাতি তখন হাতি নেই, প্রকাণ্ড একটা কুমির হয়ে শুয়ে আছে।

‘তোমার নিজের আঁকা ছবি কই?’ – এটি কার উক্তি? নিজের আঁকা ছবি বলতে তিনি কী বুঝিয়েছেন?

উদ্ধৃতাংশের বক্তা হলেন খোকনের বাবার এক চিত্রকর বন্ধু।

নিজের আঁকা ছবি বলতে কোনো কিছু দেখে কপি বা নকল করা ছবি নয়, চোখ বুজে বসে কল্পনা করা ছবির কথা বুঝিয়েছেন।

খোকনের নিজের ছবি কীভাবে আঁকা হল?

খোকন তার বাবার বন্ধুর কথা শুনে একদিন নিজের ঘরে চোখ বুজে বসে রইল এবং সে কল্পনায় শুধু অন্ধকার দেখতে পেল। তারপর কালো রং আর তুলি নিয়ে খোকন সেই অন্ধকারের ছবি আঁকল ড্রইং খাতার একটি পাতা কালো রঙে ভরে দিয়ে। এইভাবেই খোকন তার নিজের ছবি আঁকল।

‘খুব বড়ো চিত্রকর হবে তুমি।’ – কে, কখন এ কথা বলেছিলেন এবং কেন?

ড্রইং মাস্টারমশাই-এর অনুপ্রেরণায় যখন খোকন বাড়ির সামনের ইউক্যালিপটাস বা বাড়ির অদূরে পুলের ছবিটা চমৎকার এঁকেছিল, তখন তাকে উৎসাহ দিতে এ কথা বলেছিলেন তার মাস্টারমশাই।

খোকন ছোটোবেলা থেকেই ছবি আঁকতে ভালোবাসত। তার ছবি আঁকার ঝোঁক এবং নৈপুণ্য দেখেই ড্রইং-এর মাস্টারমশাই উক্ত ভবিষ্যদ্বাণীটি করেছিলেন।

‘কিন্তু কিছুদিন পরে সে নিজেই বুঝতে পারল ঠিক হচ্ছে না।’ – এখানে ‘সে’ বলতে কার কথা বলা হয়েছে? তার এরূপ মন্তব্যের কারণ কী?

বনফুলের লেখা ‘খোকনের প্রথম ছবি’ পাঠ্যাংশ থেকে সংকলিত উদ্ধৃতাংশে ‘সে’ বলতে খোকনের কথা বলা হয়েছে।

ড্রইং মাস্টারের কথামতো প্রকৃতির ছবি আঁকতে বসে সূর্যের যে ছবিটা সে এঁকেছে সেটা সূর্যের মতো নয়। কারণ সূর্যের দীপ্তি ছবিতে ফোটেনি, গোলাপের সৌন্দর্য ছবিতে প্রকাশ পায়নি। এইসব প্রাকৃতিক দৃশ্যের অহরহ বদল হয় বলেই খোকন উপরোক্ত মন্তব্য করেছিল।

‘সূর্যের যে ছবিটা এঁকেছে সেটা সূর্যের মতো নয়।’ – কার লেখা, কোন্ গল্প থেকে নেওয়া হয়েছে? সূর্যের ছবিটি সূর্যের মতো নয় কেন?

বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের (বনফুল) ‘খোকনের প্রথম ছবি’ থেকে আলোচ্য অংশটি নেওয়া হয়েছে।

সূর্যের ছবিটা সূর্যের মতো নয়, কারণ সূর্য একটা জ্বলন্ত অগ্নিপিণ্ড, তার নিজস্ব তেজ বা দীপ্তি আছে। সেই দীপ্তিময় সূর্যের ছবি ড্রইং বুকের পাতায় রংতুলি নিয়ে যখন আঁকা হয়, তখন তার সেই দীপ্তি আর থাকে না।

‘প্রকৃতির ছবি ঠিক আঁকা যায় না।’ – প্রকৃতি কী? প্রকৃতির ছবি ঠিক আঁকা যায় না কেন?

প্রকৃতি হল এই বাইরের জগৎ বা নিসর্গ। অর্থাৎ বিশ্বচরাচর যেসব উপাদানে গঠিত, তার সমগ্র রূপকেই বলা যেতে পারে প্রকৃতি।

ঈশ্বর এই প্রকৃতির স্রষ্টা। তিনি যা কিছু সৃষ্টি করেছেন তা সবই সুন্দর। তিনি সমস্ত জীবজগৎকে এমনকি মানুষকেও সৃষ্টি করেছেন। আর মানুষ সেই প্রকৃতির ছবি আঁকে তা ঠিক হয় না। অর্থাৎ ঈশ্বরের সৃষ্টিপ্রকৃতি মানুষের তুলির টানে উৎকর্ষ হারায়।

‘হাতি কুমির হয়ে গেছে।’ – তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।

বনফুলের লেখা ‘খোকনের প্রথম ছবি’ পাঠ্যাংশ থেকে উদ্ধৃত তাৎপর্যনিহিত অংশটি গৃহীত।

তাৎপর্য – খোকন একদিন আকাশের দিকে দৃষ্টি রেখে যে মেঘের ছবি এঁকেছিল তার আকৃতি ছিল অনেকটা হাতির মতো। ঠিক যেন একটি হাতি পিছনের দু-পায়ে ভর করে শুঁড় তুলে আছে। কিন্তু প্রকৃতির যে-কোনো দৃশ্যের অহরহ বদল ঘটে। হাতির মতো আকৃতির মেঘ যেহেতু প্রকৃতিতে দৃশ্যমান সেহেতু তারও পরিবর্তন হয়। সেই হাতিসদৃশ মেঘও পরক্ষণে কুমিরে পরিণত হয়ে যায়।

‘একদিন তো মেঘের ছবি আঁকতে গিয়ে বেকুব হয়ে গেল খোকন’ – ‘বেকুব’ শব্দটির অর্থ কী? মেঘের ছবি আঁকতে গিয়ে খোকন বেকুব হয়ে গিয়েছিল কেন?

বেকুব শব্দটির অর্থ নির্বোধ বা বোকা।

ড্রইং মাস্টারমশায়ের পরামর্শ অনুযায়ী একদিন সূর্য, গোলাপ প্রভৃতি প্রকৃতির ছবি আঁকার পর খোকন হাতির মতো আকাশে একটা মেঘ দেখতে পেল। ঠিক যেন একটা হাতি পিছনের দু-পায়ে ভর করে শুঁড় তুলে আছে। খোকন তাড়াতাড়ি তার ড্রইং খাতায় হাতির মতো মেঘ আঁকতে লাগল। আঁকা শেষ করার পর মিলিয়ে দেখতে গেল ঠিক হয়েছে কি না। গিয়ে দেখে হাতি নেই, প্রকাণ্ড একটা কুমির শুয়ে আছে অর্থাৎ “হাতি কুমির হয়ে গেছে”। এইজন্যই খোকন বেকুব হয়ে গিয়েছিল।

‘এগুলো সব নকল করা ছবি।’ – কে, কাকে এই কথা বলেছেন? ‘নকল করা ছবি’ বলতে তিনি কী বুঝিয়েছেন?

বনফুলের লেখা ‘খোকনের প্রথম ছবি’ পাঠ্যাংশের অন্তর্গত উদ্ধৃত অংশটি খোকনের বাবার একজন বিখ্যাত চিত্রকর বন্ধু খোকনকে বলেছেন।

নকল করা ছবি বলতে সেই ছবিকে বোঝানো হয়েছে, যা নিজের ভাবনা থেকে তৈরি নয়, বরং কোনো কিছু দেখে হুবহু আঁকা। স্কুলজীবন থেকে টুল, টেবিল, চেয়ার, কলসি, কাপ, গোরু প্রভৃতির যে ছবি খোকন এঁকেছে তা সবই দেখে আঁকা। সেখানে নিজস্বতার অভাব লক্ষ করে লখনউ-এর বিখ্যাত চিত্রকর খোকনের আঁকা ছবিগুলিকে নকল করা ছবি বলেছেন।

‘চিত্রকর চলে গেলেন’ – এই চিত্রকরের পরিচয় দাও। চলে যাওয়ার আগে তিনি খোকনকে কী বলে গেলেন?

খোকনের প্রথম ছবি গল্পে উল্লিখিত চিত্রকর হলেন খোকনের বাবার বন্ধু। তিনি লখনউ শহরে থাকেন।

চলে যাওয়ার আগে খোকনের বাবার চিত্রকর বন্ধু খোকনকে চোখ বুজে কল্পনা করে, সেই কল্পনার ছবি আঁকতে বলেন। কারণ তবেই খোকনের পক্ষে মৌলিক ছবি আঁকা সম্ভব হবে বলে তিনি মনে করেন।

গল্পে ‘খোকনের প্রথম ছবি’ হিসেবে তুমি কোন ছবিটিকে স্বীকৃতি দেবে এবং কেন তা বুঝিয়ে লেখো।

খোকনের প্রথম ছবি গল্পে খোকনের প্রথম ছবি হিসেবে আমি সেটাকেই স্বীকৃতি দেব, যেটা খোকন অন্ধকারে কল্পনা করে এঁকেছিল। কালো রঙের ভিতর সে একটা মুখ ও অদ্ভুত হাসিযুক্ত চোখ দেখতে পেয়েছিল।

কারণ, প্রকৃতির ছবি বা অন্য কোনো ছবি যে কেউ আঁকতে পারে আর এগুলি সবই নকল ছবি। কিন্তু, মানুষের নিজের মনের ভিতর থেকে যে ছবি আসে সেটা আসল ছবি। তার মধ্যে কোনো কৃত্রিমতা নেই। সেটাই তার মনন এবং চিন্তনের বিকাশ। কপি বা নকল করা ছবিতে যে আনন্দ তার থেকে অনেক বেশি আনন্দ হয় নিজের সৃষ্টিতে।

পাঁচজন সাহিত্যিকের নাম এবং তাঁদের ছদ্মনাম পাশাপাশি লেখো। সাহিত্যিকেরা কেন ছদ্মনাম ব্যবহার করেন তা শিক্ষক/শিক্ষিকার থেকে জেনে নাও।

সাহিত্যিকের নামছদ্মনাম
রাজশেখর বসুপরশুরাম
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরভানুসিংহ
প্যারীচাঁদ মিত্রটেকচাঁদ ঠাকুর
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়অনিলা দেবী
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়নীললোহিত

সাহিত্যিকেরা ছদ্মনাম ব্যবহার করেন আত্মপরিচয় গোপনের উদ্দেশ্যে, কারোর দ্বারা ব্যক্তিগত আক্রমণের শিকার না-হওয়ার কারণে।

প্রকৃতির দৃশ্যের যে বদল অহরহ হয় তা খোকন কীভাবে বুঝল?

খোকন ছোটোবেলা থেকেই ছবি আঁকতে ভালোবাসত। স্কুলজীবন থেকে টুল, টেবিল, চেয়ার, কলসি, গোরু প্রভৃতির ছবি আঁকা সে শিখেছিল অনায়াসে। ড্রইংয়ের মাস্টারমশাইয়ের অনুপ্রেরণাতে প্রকৃতিরও ছবি আঁকতে শিখেছিল সে। একদিন সে দেখল আকাশের মেঘ একটা হাতির মতো; ঠিক যেন একটি হাতি পিছনের দু-পায়ে ভর করে শুঁড় তুলে আছে। খোকন তাড়াতাড়ি তার ড্রইং খাতায় ছবিটা আঁকতে শুরু করেছিল। কিন্তু আঁকা শেষ হবার পর মিলিয়ে দেখতে গিয়ে সে দ্যাখে—হাতি নেই, প্রকাণ্ড একটা কুমির শুয়ে আছে অর্থাৎ হাতি কুমির হয়ে গেছে। এই দেখেই খোকন বুঝতে পারে প্রকৃতির দৃশ্যের বদল অহরহ ঘটে।

‘এই অন্ধকারেরই ছবি আঁকবে।’ – খোকন কখন এমন সিদ্ধান্ত নিল? অন্ধকারের সেই ছবির দিকে তাকিয়ে খোকন কী দেখতে পেল?

লখনউ থেকে আসা বাবার চিত্রকর বন্ধু একসময় খোকনদের বাড়ি থেকে চলে যান। যাওয়ার আগে তিনি খোকনকে বলে গিয়েছিলেন, চোখ বুজে কল্পনা করতে এবং কল্পনায় যা দেখবে তাই এঁকে ফেলতে। এই পরামর্শ মেনেই খোকন একদিন নিজের ঘরে অনেকক্ষণ চোখ বুজে বসে থাকে কিন্তু অন্ধকার ছাড়া কিছুই সে দেখতে পায় না। তখনই খোকন ঠিক করে, সে অন্ধকারেরই ছবি আঁকবে।

খোকন অন্ধকারের যে ছবি এঁকেছিল, তা ছিল নিছকই সাদা কাগজের উপর কালো রঙের গভীর প্রলেপ। কিন্তু সেটার দিকে স্থির চোখে তাকিয়ে থাকার পর সে দেখতে পায়, কেবল অন্ধকারের কালো নয়, তার ভিতর একটা মুখ রয়েছে। চোখও আছে। অদ্ভুত হাসি সে চোখে।


এই আর্টিকেলে আমরা সপ্তম শ্রেণির বাংলা বিষয়ের অন্তর্গত, বনফুল রচিত ‘খোকনের প্রথম ছবি’ গল্পের কিছু সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর নিয়ে আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নোত্তরগুলো সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বাংলা পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন নিয়মিত আসে।

আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের উপকারে আসবে। যদি আপনার কোনো প্রশ্ন বা মতামত থাকে, তবে টেলিগ্রামে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। আপনাদের যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য আমরা সর্বদা প্রস্তুত। ধন্যবাদ।

Please Share This Article

Related Posts

খোকনের প্রথম ছবি - বনফুল - সপ্তম শ্রেণি বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর

সপ্তম শ্রেণি বাংলা – খোকনের প্রথম ছবি – অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

খোকনের প্রথম ছবি গল্পের সম্পূর্ণ বিষয়সংক্ষেপ ও আলোচনা - সপ্তম শ্রেণি

সপ্তম শ্রেণি বাংলা – খোকনের প্রথম ছবি – বিষয়সংক্ষেপ

মৃদুল দাশগুপ্তের আঁকা লেখা কবিতার গুরুত্বপূর্ণ রচনাধর্মী প্রশ্ন উত্তর

সপ্তম শ্রেণি বাংলা – আঁকা, লেখা – রচনাধর্মী প্রশ্ন ও উত্তর

About The Author

Rahul

মন্তব্য করুন

SolutionWbbse

"SolutionWbbse" শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অনলাইন অধ্যয়ন প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি, মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য গাইডলাইন, এবং বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনার সাহায্য প্রদান করা হয়। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে সকল বিষয়ের শিক্ষণীয় উপকরণ সহজেই সকল শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছে দেওয়া।

Editor Picks

সপ্তম শ্রেণি বাংলা – খোকনের প্রথম ছবি – সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

সপ্তম শ্রেণি বাংলা – খোকনের প্রথম ছবি – অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

সপ্তম শ্রেণি বাংলা – খোকনের প্রথম ছবি – বিষয়সংক্ষেপ

সপ্তম শ্রেণি বাংলা – আঁকা, লেখা – রচনাধর্মী প্রশ্ন ও উত্তর

সপ্তম শ্রেণি বাংলা – আঁকা, লেখা – সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর