এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণির বাংলা বিষয়ের প্রথম পাঠের অন্তর্গত ‘চন্দ্রগুপ্ত’ -এর কিছু ‘অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর’ নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নোত্তরগুলো অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বিদ্যালয়ের পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন নিয়মিত আসে।

এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণির বাংলা বিষয়ের প্রথম পাঠের অন্তর্গত ‘চন্দ্রগুপ্ত’-এর কিছু ‘অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর’ নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নোত্তরগুলো অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বিদ্যালয়ের পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন নিয়মিত আসে।
সঠিক উত্তর নির্বাচন করো।
নাটকটির ঘটনাস্থল – (সরস্বতী/শতদ্রু/সিন্ধু) নদতট।
উত্তর – সিন্ধু।
নাটকের ঘটনাটি ঘটেছে (সকাল/দুপুর/সন্ধ্যা) বেলায়।
উত্তর – সন্ধ্যাবেলায়।
‘সত্য সম্রাট।’ – বক্তা যাকে সত্য বলেছে তা হল – (দিগবিজয় সম্পূর্ণ করতে হলে নূতন গ্রিক সৈন্য চাই/চন্দ্রগুপ্ত একজন গুপ্তচর/আন্টিগোনস একজন বিশ্বাসঘাতক/ভারতবর্ষ এক বিচিত্র দেশ)।
উত্তর – ভারতবর্ষ এক বিচিত্র দেশ।
চন্দ্রগুপ্তকে নির্বাসিত করেছেন – (ধননন্দ/মহাপদ্মনন্দ/মহানন্দ)।
উত্তর – ধননন্দ।
হেলেন হলেন – (সেলুকস/সেকেন্দার/আন্টিগোনস)-এর কন্যা।
উত্তর – সেলুকস।
অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর
দ্বিজেন্দ্রলাল রায় কৃষিবিদ্যা শেখার জন্য কোথায় গিয়েছিলেন?
দ্বিজেন্দ্রলাল রায় কৃষিবিদ্যা শেখার জন্য বিলেতে গিয়েছিলেন।
দ্বিজেন্দ্রলাল রায় রচিত দুটি নাটকের নাম লেখো।
দ্বিজেন্দ্রলাল রায় রচিত দুটি নাটক হল – ‘সাজাহান’, ‘চন্দ্রগুপ্ত’।
চন্দ্রগুপ্ত নাট্যাংশটির ঘটনাস্থল ও সময় নির্দেশ করো।
চন্দ্রগুপ্ত নাট্যাংশটির ঘটনাস্থল সিন্ধুনদতট, ঘটনাটি ঘটেছে সন্ধ্যার সময়।
চন্দ্রগুপ্ত নাট্যাংশে উল্লিখিত ‘হেলেন’ চরিত্রের পরিচয় দাও।
চন্দ্রগুপ্ত নাট্যাংশে উল্লিখিত হেলেন চরিত্রটি সেলুকসের কন্যা।
‘রাজার প্রতি রাজার আচরণ।’ – উদ্ধৃতাংশের বক্তা কে?
প্রশ্নে প্রদত্ত উদ্ধৃতাংশটির বক্তা হলেন রাজা পুরু, যিনি সেকেন্দার শাহর কাছে পরাজিত হয়েছিলেন।
‘জগতে একটা কীর্তি রেখে যেতে চাই’ – বক্তা কীভাবে এই কীর্তি রেখে যেতে চান?
বক্তা দিগবিজয়ের মাধ্যমে জগতে কীর্তি রেখে যেতে চান।
‘সম্রাট, আমায় বধ না করে বন্দি করতে পারবেন না।’ – বক্তাকে ‘বন্দি’ করার প্রসঙ্গ এসেছে কেন?
বক্তা অর্থাৎ চন্দ্রগুপ্ত গ্রিক শিবিরে প্রবেশ করে সেলুকসের সাহায্যে সমরকৌশল রপ্ত করে নিচ্ছিলেন, এ কথা প্রকাশিত হয়ে পড়াতেই তাঁকে বন্দি করার প্রসঙ্গ এসেছে।
দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের একটি ঐতিহাসিক নাটকের নাম লেখো।
দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের একটি ঐতিহাসিক নাটক ‘সাজাহান’।
‘চন্দ্রগুপ্ত’ নাটকের ঘটনাটি কোথায় ঘটেছে?
‘চন্দ্রগুপ্ত’ নাটকের ঘটনাটি ঘটেছে সিন্ধুনদতটে।
সেলুকস কে?
সেলুকস হলেন একজন গ্রিক সেনাপতি।
সেকেন্দার শাহ কার রাজ্য ফিরিয়ে দিয়েছিলেন?
সেকেন্দার শাহ পুরুর রাজ্য ফিরিয়ে দিয়েছিলেন।
মহাপদ্ম কে?
নন্দবংশের প্রথম রাজা হলেন মহাপদ্ম নন্দ।
‘সূর্যরশ্মি তাঁহার মুখের উপর আসিয়া পড়িয়াছিল।’ – কোন্ সময়ে কার মুখে সূর্যরশ্মি পড়েছিল?
সূর্য যখন পশ্চিম দিগন্তে হেলে পড়েছে, অর্থাৎ সন্ধ্যাকালে অস্তগামী সূর্যরশ্মি সেলুকসের কন্যা হেলেনের মুখে এসে পড়েছিল।
‘পুরুকে বন্দি করে আনি যখন -সে কি বললে জানো?’ – পুরু কী বলেছিলেন? সে-কথা উদ্ধৃতাংশের বক্তাকে কীভাবে অভিভূত করে তোলে?
তিনি সেকেন্দারের প্রশ্নের উত্তরে পুরু বলেছিলেন, ‘রাজার প্রতি রাজার আচরণ!’ পুরুর এই উত্তরে সেকেন্দার চমকে গিয়ে ভাবলেন ‘এ একটা জাতি বটে!’ এবং তিনি পুরুর সাহসিকতায় মুগ্ধ হয়ে পুরুকে তাঁর রাজ্য ফিরিয়ে দিলেন।
‘আমি নির্বাক হয়ে দাঁড়িয়ে দেখি।’ – ‘আমি’ কে? তিনি কী দেখেন?
প্রশ্নোক্ত উক্তিটির বক্তা অর্থাৎ ‘আমি’ হলেন সেকেন্দার শাহ। বর্ষায় ঘন কালো মেঘরাশি গুরুগম্ভীর গর্জন করে প্রকাণ্ড দৈত্যসৈন্যের মতো আকাশে ছেয়ে আসে – এই চিত্র তিনি দেখেন।
‘সম্রাট মহানুভব।’ – কে, কোন্ প্রসঙ্গে উক্তিটি করেছেন?
প্রশ্নোক্ত উক্তিটি কপ্রশ্নোক্ত উক্তিটি করেছেন গ্রিক সেনাপতি সেলুকস। ভারতীয়দের শৌর্য-বীর্য প্রসঙ্গে তিনি এমন উক্তি করেছেন।
‘শূন্য-প্রেক্ষণে চেয়ে আছে।’ – কে চেয়ে থাকে? সে কোথায় ছিল?
শূন্য-প্রেক্ষণে চেয়ে থাকে মহাকুরঙ্গম অর্থাৎ বড় শিংওয়ালা হরিণ। নাট্যকার দ্বিজেন্দ্রলাল রচিত ‘চন্দ্রগুপ্ত’ নাটকে সে ছিল নির্জন বনমধ্যে।
শূন্যস্থান পূরণ করো
আমার ইচ্ছা, শুদ্ধ আমার হৃত রাজ্য ___ করা।
উত্তর – আমার ইচ্ছা, শুদ্ধ আমার হৃত রাজ্য পুনরুদ্ধার করা।
সত্য সেলুকস! কী ___ এই দেশ!
উত্তর – সত্য সেলুকস! কী বিচিত্র এই দেশ!
এর বিশাল ___ ফেনিল উচ্ছ্বাসে উদ্দাম বেগে ছুটেছে।
উত্তর – এর বিশাল নদ-নদী ফেনিল উচ্ছ্বাসে উদ্দাম বেগে ছুটেছে।
আমার কাছে কীরূপ ___ প্রত্যাশা করো?
উত্তর – আমার কাছে কীরূপ আচরণ প্রত্যাশা করো?
শিবিরের পাশে বসে নির্জনে শুষ্ক ___ কী লিখছিল।
উত্তর – শিবিরের পাশে বসে নির্জনে শুষ্ক তালপত্রে কী লিখছিল।
ব্যাকরণ
নীচের বাক্যগুলি থেকে সন্ধিবদ্ধ পদ খুঁজে নিয়ে সন্ধিবিচ্ছেদ করো –
1. আমি নির্বাক হয়ে দাঁড়িয়ে দেখি।
2. বিশাল নদ-নদী ফেনিল উচ্ছ্বাসে উদ্দাম বেগে ছুটেছে।
3. সে নির্ভীক নিষ্কম্পস্বরে উত্তর দিল, ‘রাজার প্রতি রাজার আচরণ।’
4.আমি এসেছি শৌখিন দিগবিজয়ে।
5. তুমি হৃত রাজ্য উদ্ধার করবে।
| সন্ধিবদ্ধ পদ | সন্ধিবিচ্ছেদ |
| নির্বাক | নিঃ + বাক |
| উচ্ছ্বাসে | উৎ + শ্বাস + এ (বিভক্তি) |
| উদ্দাম | উৎ + দাম |
| নির্ভীক | নিঃ + ভীক |
| নিষ্কম্প | নিঃ + কম্প |
| দিগবিজয়ে | দিক্ + বিজয় + এ (বিভক্তি) |
| উদ্ধার | উৎ + হার |
ব্যাসবাক্যসহ সমাসের নাম লেখো –
দৈত্যসৈন্য, নদনদী, স্নেহছায়া, অসম্পূর্ণ, বিজয়বার্তা, অভ্রভেদী।
| প্রদত্ত শব্দ | ব্যাসবাক্য | সমাসের শ্রেণি |
| দৈত্যসৈন্য | দৈত্যের ন্যায় সৈন্য | উপমিত কর্মধারয় সমাস |
| নদনদী | নদ ও নদী | দ্বন্দ্ব সমাস |
| স্নেহছায়া | স্নেহরূপ ছায়া | রূপক কর্মধারয় সমাস |
| অসম্পূর্ণ | নয় সম্পূর্ণ | নঞ্তৎপুরুষ সমাস |
| বিজয়বার্তা | বিজয়সূচক বার্তা | মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস |
| অভ্রভেদী | অভ্রকে ভেদ করে যা | উপপদ তৎপুরুষ সমাস |
ক্রিয়ার কাল নির্দেশ করো
হেলেন সেলুকসের হস্ত ধরিয়া তাঁহার পার্শ্বে দণ্ডায়মানা। – সাধারণ বর্তমান।
এই মরুভূমি স্বেচ্ছাচারের মতো তপ্ত বালুরাশি নিয়ে খেলা করছে। – ঘটমান বর্তমান।
চমকিত হলাম। – সাধারণ অতীত।
আমার শিবিরে তুমি গুপ্তচর হয়ে প্রবেশ করেছ। – পুরাঘটিত বর্তমান।
নির্ভয়ে তুমি তোমার রাজ্যে ফিরে যাও। – বর্তমান অনুজ্ঞা।
নিম্নরেখাঙ্কিত শব্দগুলির কারক-বিভক্তি নির্দেশ করো –
কী বিচিত্র এই দেশ!
– কর্তৃকারকে ‘শূন্য’ বিভক্তি।
আমি বিস্মিত আতঙ্কে চেয়ে থাকি।
– করণ কারকে ‘এ’ বিভক্তি।
মদমত্ত মাতঙ্গ জঙ্গমপর্বতসম মন্থর গতিতে চলেছে।
– কর্তৃকারকে ‘শূন্য’ বিভক্তি।
বাধা পেলাম প্রথম সেই শতদ্রুতীরে।
– অধিকরণ কারকে ‘এ’ বিভক্তি।
আমি যা শিখেছি তা এই পত্রে লিখে নিচ্ছিলাম।
– অধিকরণ কারকে ‘এ’ বিভক্তি।
নীচের শব্দগুলির দল বিশ্লেষণ করো –
স্থিরভাবে, নিষ্কম্পম্বরে, বিজয়বাহিনী, চন্দ্রগুপ্ত, আর্যকুলরবি।
| প্রদত্ত শব্দ | দল বিশ্লেষণ | মুক্ত দল / রুদ্ধ দল |
| স্থিরভাবে | স্থির্ – ভা – বে | স্থির্ (রুদ্ধ), ভা (মুক্ত), বে (মুক্ত) |
| নিষ্কম্পস্বরে | নিঃ – কম্ – প – স্ব – রে | নিঃ (রুদ্ধ), কম্ (রুদ্ধ), প (মুক্ত), স্ব (মুক্ত), রে (মুক্ত) |
| বিজয়বাহিনী | বি – জয় – বা – হি – নী | বি (মুক্ত), জয় (রুদ্ধ), বা (মুক্ত), হি (মুক্ত), নী (মুক্ত) |
| চন্দ্রগুপ্ত | চন্ – দ্র – গুপ্ – ত | চন্ (রুদ্ধ), দ্র (মুক্ত), গুপ্ (রুদ্ধ), ত (মুক্ত) |
| আর্যকুলরবি | আর্ – য – কু – ল – র – বি | আর্ (রুদ্ধ), য (মুক্ত), কু (মুক্ত), ল (মুক্ত), র (মুক্ত), বি (মুক্ত) |
নির্দেশ অনুযায়ী বাক্য পরিবর্তন করো –
নদতটে শিবির-সম্মুখে সেকেন্দার ও সেলুকস অস্তগামী সূর্যের দিকে চাহিয়া ছিলেন। (দুটি বাক্যে ভেঙে লেখো)
উত্তর – নদতটে শিবির-সম্মুখে সেকেন্দার ও সেলুকস দাঁড়িয়েছিলেন। তাঁরা অস্তগামী সূর্যের দিকে চাহিয়া ছিলেন।
আমার কাছে কীরূপ আচরণ প্রত্যাশা করো? (পরোক্ষ উক্তিতে)
উত্তর – বক্তা শ্রোতাকে জিজ্ঞাসা করলেন, তিনি তাঁর কাছে কীরূপ আচরণ প্রত্যাশা করেন।
জগতে একটা কীর্তি রেখে যেতে চাই। (না-সূচক বাক্যে)
উত্তর – জগতে একটা কীর্তি না রেখে যেতে চাই না।
আমি যা শিখেছি তা এই পত্রে লিখে নিচ্ছিলাম। (সরল বাক্যে)
উত্তর – আমি আমার শেখা বিষয়গুলো এই পত্রে লিখে নিচ্ছিলাম।
তোমার অপরাধ তত নয়। (হ্যাঁ-সূচক বাক্যে)
উত্তর – তোমার অপরাধ কম।
এক গৃহহীন নিরাশ্রয় হিন্দু রাজপুত্র ছাত্র হিসাবে তাঁর কাছে উপস্থিত, তাতেই তিনি ত্রস্ত। (নিম্নরেখ শব্দের বিশেষ্যরূপ ব্যবহার করে বাক্যটি লেখো)
উত্তর – এক গৃহহীন নিরাশ্রয় হিন্দু রাজপুত্রের ছাত্র হিসেবে তাঁর কাছে উপস্থিতিতেই তিনি ত্রস্ত।
কী বিচিত্র এই দেশ! (নির্দেশক বাক্যে)
উত্তর – এই দেশ বড়ই বিচিত্র।
সত্য সম্রাট। (না-সূচক বাক্যে)
উত্তর – এ কথা মিথ্যা নয় সম্রাট।
এ দিগবিজয় অসম্পূর্ণ রেখে যাচ্ছেন কেন সম্রাট? (পরোক্ষ উক্তিতে)
উত্তর – বক্তা (সেলুকস) সম্রাটকে (সেকেন্দার) প্রশ্ন করলেন যে, কেন তিনি এ দিগবিজয় অসম্পূর্ণ রেখে যাচ্ছেন।
ভারতবাসী মিথ্যা কথা বলতে এখনও শিখে নাই। (হ্যাঁ-সূচক বাক্যে)
উত্তর – ভারতবাসী মিথ্যা কথা বলা শিখতে এখনও অক্ষম।
আমি এরূপ বুঝি নাই। (হ্যাঁ-সূচক বাক্যে)
উত্তর – আমি অন্যরূপ বুঝিয়াছি। (বা, আমি বিষয়টি বুঝতে ব্যর্থ হয়েছি।)
‘সেকেন্দার সাহা এত কাপুরুষ তাহা ভাবি নাই।’ (নিম্নরেখাঙ্কিত শব্দের বিশেষ্যের রূপ ব্যবহার করো)
উত্তর – সেকেন্দার শাহর যে এত কাপুরুষতা, তাহা ভাবি নাই।
সম্রাট আমায় বধ না করে বন্দি করতে পারবেন না। (যৌগিক বাক্যে)
উত্তর – সম্রাট আমায় বধ করুন, তবেই বন্দি করতে পারবেন।
আমি পরীক্ষা করছিলাম মাত্র। (জটিল বাক্যে)
উত্তর – আমি যা করছিলাম, তা পরীক্ষা মাত্র।
নির্ভয়ে তুমি তোমার রাজ্যে ফিরে যাও। (না-সূচক বাক্যে)
উত্তর – কোনো ভয় না করেই তুমি তোমার রাজ্যে ফিরে যাও।
এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণির বাংলা বিষয়ের প্রথম পাঠের অন্তর্গত ‘চন্দ্রগুপ্ত’ -এর কিছু ‘অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর’ নিয়ে আলোচনা করলাম। এই প্রশ্নোত্তরগুলো অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বিদ্যালয়ের বাংলা পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন নিয়মিত আসে।
আশা করি, এই আর্টিকেলটি তোমাদের উপকারে এসেছে। যদি তোমাদের কোনো প্রশ্ন বা মতামত থাকে, তবে টেলিগ্রামে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারো। তোমাদের যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য আমরা সর্বদা প্রস্তুত। ধন্যবাদ।





Leave a Comment