সপ্তম শ্রেণি বাংলা – কার দৌড় কদ্দূর – বিষয়সংক্ষেপ

Rahul

Home » সপ্তম শ্রেণি বাংলা – কার দৌড় কদ্দূর – বিষয়সংক্ষেপ

এই আর্টিকেলে আমরা সপ্তম শ্রেণির বাংলা বিষয়ের অন্তর্গত স্বনামধন্য লেখক শিবতোষ মুখোপাধ্যায় রচিত ‘কার দৌড় কদ্দূর’ প্রবন্ধটি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব। এখানে লেখক পরিচিতি, রচনার উৎস, পাঠপ্রসঙ্গ, বিষয়সংক্ষেপ এবং নামকরণ সহজ ভাষায় তুলে ধরা হয়েছে।

এই আলোচনাটি আপনাদের ‘কার দৌড় কদ্দূর’ প্রবন্ধটি সম্পর্কে একটি সুস্পষ্ট ধারণা দেবে এবং এর মূলভাব বুঝতে বিশেষভাবে সহায়ক হবে। এছাড়া, সপ্তম শ্রেণির পরীক্ষায় এই অধ্যায় থেকে লেখক পরিচিতি ও প্রবন্ধের সারসংক্ষেপ সম্পর্কিত নানা প্রশ্ন এসে থাকে; তাই পরীক্ষার সেরা প্রস্তুতির জন্য এই তথ্যগুলো জেনে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সপ্তম শ্রেণি বাংলা – কার দৌড় কদ্দূর - বিষয়সংক্ষেপ

লেখক পরিচিতি

প্রখ্যাত প্রাণীবিজ্ঞানী ও মননশীল অধ্যাপক শিবতোষ মুখোপাধ্যায় 1926 খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতামহ স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায় এবং পিতা বিচারপতি রমাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। তিনি কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাণীবিজ্ঞানে এমএসসি এবং পিএইচডি করেন এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। খুব কম বয়সেই কৃতী অধ্যাপকরূপে তাঁর আত্মপ্রকাশ ঘটে। মাত্র 27 বছর বয়সে কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে প্রাণীবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপকরূপে কর্মজীবন শুরু করেন। 1960 খ্রিস্টাব্দে আমেরিকার রকফেলার বিশ্ববিদ্যালয়ে আমন্ত্রিত অধ্যাপকপদ পেয়ে নানা গবেষণামূলক কাজ ও কৃতিত্বের সঙ্গে অধ্যাপনা করেন। দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করেন 1972 খ্রিস্টাব্দে। জুলজিকাল সোসাইটি অফ ইন্ডিয়া, এশিয়াটিক সোসাইটি-সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জীববিদ্যার উন্নয়নমূলক গবেষণার জন্য শিবতোষ মুখোপাধ্যায় অসংখ্য স্বীকৃতি ও সম্মানে বিভূষিত হন। ‘স্যার দোরাবজি টাটা স্বর্ণপদক’, ‘জয়গোবিন্দ স্বর্ণপদক’ তাঁর উজ্জ্বল প্রাপ্তি। বিজ্ঞানভিত্তিক জনপ্রিয় লেখালেখিতেও তিনি অসামান্য কৃতিত্ব প্রদর্শন করেছেন। ‘অণুর উত্তরায়ণ’, ‘লাবণ্যের অ্যানাটমি’, ‘দিকবিদিক’, ‘মানহাটান ও মার্টিনি’, ‘আসা যাওয়ার পথের ধারে’ ইত্যাদি তাঁর বিশেষ উল্লেখযোগ্য রচনা। তাঁর জীবনাবসান ঘটে 1993 খ্রিস্টাব্দে।

পাঠপ্রসঙ্গ

বিজ্ঞানভিত্তিক ‘কার দৌড় কদ্দূর’ প্রবন্ধটিতে প্রাবন্ধিক শিবতোষ মুখোপাধ্যায় দেখিয়েছেন বিশ্বচরাচরের গতিশীলতা থেকে প্রাণীজগৎও বাদ পড়েনি। তাই বিচিত্র প্রাণীজগৎ বিশ্বচরাচরের সঙ্গে সমতা বজায় রেখে ছুটে চলে আপন খেয়ালে। প্রাবন্ধিক তাই বিচিত্র সব প্রাণীর বৈচিত্র্যময় গমনাগমনের স্বরূপটিকে তাঁর আলোচনায় সহজসরলভাবে উপস্থাপিত করতে চেয়েছেন।

এরপর প্রবন্ধকার বিভিন্ন প্রাণীর গমন প্রকৃতির বর্ণনা করেছেন। এককোষী প্রাণী থেকে বহুকোষী প্রাণীর গমনের বিচিত্র বর্ণনায় অ্যামিবার, শামুকের, প্যারামেসিয়ামের মন্থর গমনের চিত্ররূপ তুলে ধরেছেন যেমন, তেমনি সামুদ্রিক জীবের মাইলের পর মাইল গা ভাসিয়ে পাড়ি দেওয়ার, পতঙ্গদের ওড়ার সময় ডানা নাড়ার কৌশল বর্ণনা করেছেন। দৈহিক ওজনের পরিমাণ কীভাবে গমনশক্তিকে প্রভাবিত করে, তার বর্ণনা প্রসঙ্গে বিশাল ওজনধারী হিপোর ঘণ্টায় 20/30 মাইল পথ হাঁটা, 30 পাউন্ড ওজন নিয়ে চিতাবাঘের 70 মাইল, সমওজনের নেকড়ের ঘণ্টায় 36 মাইল, 80 পাউন্ড ওজনের দেহ নিয়ে গ্যাজেল হরিণের ঘণ্টায় 60 মাইল বেগে দৌড়োনোর বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়াও খরগোশ, ঘোড়া, গাধা, ইমু, কাঙারু, মহিষ, হাতি, শেয়াল প্রভৃতি প্রাণীর গতিবেগের তথ্যভিত্তিক বর্ণনা দেওয়া হয়েছে।

পরিশেষে দৈহিক গমন ছাড়াও মানুষের মনের গতিবেগ, তার বিচিত্র অভিপ্রায়, বিচিত্র অনুভূতির গমনস্বরূপ বর্ণিত হয়েছে প্রবন্ধটিতে। মানুষ তার মনোরথের উপর নির্ভর করে কত দেশ-বিদেশ ভ্রমণ করেছে, আবিষ্কার করেছে কত নতুন দেশ, মহাদেশ; জয় করেছে জল-স্থল-ব্যোম। মানুষ আজ শুধু নিজে চলে না, সে বাস-ট্রাম-ট্রেন-রকেট-জাহাজ-এরোপ্লেন প্রভৃতি চালানোর কৌশলও আয়ত্ত করেছে।

প্রবন্ধটির শেষাংশে প্রবন্ধকার একটি শাশ্বত সত্যকে তুলে ধরেছেন। সূর্যের চারপাশে কিংবা নিজের কক্ষপথে পৃথিবীর প্রতিনিয়ত পরিক্রমা প্রসঙ্গে প্রবন্ধকার পৃথিবীকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন – ‘তোমার কেন চলবার জন্য এত দায়। এ যাত্রা তোমার থামাও।’ পৃথিবী উত্তরে জানিয়েছিল – ‘থামা মানে জীবনের শেষ।’ – এই উক্তিটি বিশেষ অর্থবহ। প্রবন্ধকারের বিজ্ঞানমনস্কতার সঙ্গে দার্শনিক মনোভাবটিও এখানে প্রকাশিত হয়েছে।

বিষয়সংক্ষেপ

বিশ্বচরাচরের প্রাণীরা এক জায়গায় চুপচাপ বসে না থেকে দিকে দিকে ভ্রমণ করে। এই দৌড়ের বিচিত্র রূপ, বিচিত্র উদ্দেশ্য, বিচিত্র ভঙ্গিমা আলোচ্য পাঠ্যাংশ ‘কার দৌড় কদ্দূর’-এ বর্ণিত হয়েছে। ইঁদুর দৌড়োয় গর্তের দিকে, নদীর দৌড় সাগরের দিকে, খবরের দৌড় কানের দিকে, আঘ্রাণের দৌড় নাকের দিকে, সুন্দরের দৌড় স্বভাবতই বিদ্যার দিকে, খদ্দেরের দৌড় দোকানের দিকে, দুঃখের দৌড় সুখের দিকে, জন্মের দৌড় মৃত্যুর দিকে, আপেল দৌড়োয় মাটির দিকে। কখনও ‘দৌড়’ কথাটি ভিন্নার্থক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।

গাছ দৌড়োয় না, তারা এক জায়গায় ঠায় দাঁড়িয়ে থেকে চারদিকের পরিবেশ থেকে খাদ্য-উপাদান সংগ্রহ করে নিজেদের দেহে প্রয়োজনীয় খাদ্য প্রস্তুত ও সংশ্লেষ করতে পারে। কিন্তু প্রাণীদের সেই উপায় নেই; তাই তাদের খাদ্যের অন্বেষণে নানাস্থানে গমনাগমন করতে হয়। নিম্নশ্রেণির এককোষী অ্যামিবা ক্ষণপদের সাহায্যে, প্যারামেসিয়াম সিলিয়ার সাহায্যে, শামুক মাংসল পুরু পায়ের সাহায্যে গমন করে।

গমনাগমনের প্রকৃত মাধুর্য ধরা পড়ে উচ্চ শ্রেণির প্রাণীদের গমনাগমনে। দৈহিক ওজনের সঙ্গে প্রাণীর গমনশক্তির বিশেষ সম্পর্ক আছে। কত ভারী জন্তু কত ওজন নিয়ে কত পথ অতিক্রম করতে পারে, তাই বিবেচ্য প্রাণীদের দৌড়ের স্বরূপ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে।

চিতাবাঘের ওজন তিরিশ পাউন্ড, সে ঘণ্টায় 70 মাইল দৌড়োয়, একই ওজনের নেকড়ে দৌড়োয় ঘণ্টায় 36 মাইল। হিপোর দেহের ওজন আঠাশশো পাউন্ড। সে ঘণ্টায় দৌড়োয় 20/30 মাইল। গোবি মরুভূমিতে গ্যাজেল নামক এক ধরনের হরিণ আশি পাউন্ড দেহের ওজন নিয়ে ঘণ্টায় 60 মাইল, এন্টিলোপ হরিণ ঘণ্টায় 45 মাইল, রেস হর্স 1000 পাউন্ড দেহের ওজন নিয়ে ঘণ্টায় 40/42 মাইল দৌড়োয়। বুনো গাধার দেহের ওজন 300 পাউন্ড, সে রেস হর্সের সমান গতিতে দৌড়োয়; হাতি 7000 পাউন্ড দেহের ওজন নিয়ে গদাইলশকরি চালে ঘণ্টায় 25 মাইল পথ গমন করে।

পাখিদের ওড়ার গতিবেগও বিভিন্ন। মেরুপ্রদেশের টার্নস প্রতিবছর এগারো হাজার মাইল একবারে উড়ে যায় আবার পরে ফিরে আসে। কোনো কোনো হক্ জাতীয় পাখি ঘণ্টায় একশো পঞ্চাশ মাইল বেগে উড়তে পারে, আফ্রিকার ইমু জাতীয় পাখি আবার ওড়া ছেড়ে হাঁটায় পারদর্শী হয়ে উঠেছে। 110 পাউন্ড দেহের ওজন নিয়ে সে ঘণ্টায় 31 মাইল দৌড়োয়।

পৃথিবীতে সব চলার মাঝে মানুষের নিজের মনোভূমিতে চলা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ ও বিস্ময়কর। সে চলাই প্রকৃত চলা। মনের দৌড়ে মানুষ চ্যাম্পিয়ন। এই মনকে সঙ্গে নিয়ে মানুষ যুগে-যুগে, দেশে-দেশে পদচালনা করে কত দেশ-মহাদেশ, কত রহস্য আবিষ্কার করেছে। ভ্রমণনেশায় হিউয়েন সাঙ চিন দেশ থেকে এসেছেন ভারতবর্ষে, ভারতের অতীশ দীপঙ্কর গিয়েছেন তিব্বতে, ভাস্কো-ডা-গামা সুদূর ইউরোপ থেকে জলপথে এসেছেন ভারতে। শঙ্করাচার্য পদব্রজে সারা ভারত পর্যটন করে ভারতবর্ষকে আবিষ্কার করেছেন।

এই দৌড় বা চলাই হল জীবনের ধর্ম। চলা বন্ধ হলেই জীবনের শেষ। চলাই জীবন, থামা মানেই মৃত্যু। বিশ্বপ্রকৃতির দিকে তাকালেই এই শাশ্বত সত্যটি উপলব্ধি করা যায়।

নামকরণ

শিবতোষ মুখোপাধ্যায় বিরচিত বিজ্ঞানভিত্তিক প্রবন্ধ ‘কার দৌড় কদ্দূর’-এর নামকরণের সার্থকতা কতখানি গ্রহণযোগ্য, তা নির্ধারণের আগে সাহিত্যে গল্প-কবিতা-নাটক-উপন্যাস প্রভৃতির নামকরণ নির্দেশক বিষয় কী, তার প্রতি আলোকপাত করা দরকার। সাধারণত কাহিনির কেন্দ্রীয় চরিত্র, মূল বিষয়বস্তু, তাৎপর্যপূর্ণ কোনো ঘটনা অথবা কোনো ব্যঞ্জনার নিরিখে নির্ধারিত হয় কোনো গল্প-কবিতা-নাটক-উপন্যাস প্রভৃতির নামকরণ।

আলোচ্য ‘কার দৌড় কদ্দূর’ প্রবন্ধের নামকরণ নির্ধারিত হয়েছে কাহিনির মূল বিষয়বস্তুর আঙ্গিকে। সমগ্র প্রবন্ধটিতে বিভিন্ন প্রাণীর গমনাগমন বা দৌড়ের স্বরূপ উদ্‌ঘাটিত হয়েছে। তা ছাড়াও ‘দৌড়’ কথাটি বিশেষ সাহিত্যরসে ব্যঞ্জনাময় হয়ে উঠেছে নানা আলংকারিক ব্যবহারে। ‘দৌড়’ কথাটি কখনও ব্যবহৃত হয়েছে সামর্থ্য অর্থে, কখনও গতি অর্থে আবার কখনও বা দার্শনিক ও মনস্তাত্ত্বিক চিন্তাভাবনায়।

‘দুঃখের দৌড় সুখের দিকে’, ‘মৃত্যুর দৌড় জন্মের দিকে’ কথাগুলি দার্শনিকতায় সমৃদ্ধ, ‘ইঁদুরের দৌড় গর্তের পানে’, ‘খদ্দেরের দৌড় দোকানের দিকে’, ‘রোগীর দৌড় ডাক্তারের কাছে’ প্রভৃতি ক্ষেত্রে ‘দৌড়’ শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে অভিলক্ষ্য হিসেবে। এরপর অ্যামিবা, প্যারামেসিয়াম, শামুক, চিতা, হরিণ, গ্যাজেল, বুনো মোষ, হাতি, ঘোড়া, কাঙারু, টার্নস প্রভৃতি নিম্নশ্রেণির এককোষী জীব থেকে বহুকোষী উন্নত প্রাণীর বা জীবের ক্ষেত্রে ‘দৌড়’ ব্যবহৃত হয়েছে চলা হিসেবে।

অতএব দৌড় বিষয়টিকে বিন্যস্ত করতেই তিনি অজস্র প্রসঙ্গের অবতারণা করেছেন। সুতরাং প্রবন্ধের মূলভাব হয়ে উঠেছে ‘দৌড়’। তাই বিষয়-অনুসারী নামকরণ বলতে যা বোঝায়, সেই অর্থে এ নামকরণ যথেষ্ট তাৎপর্যময় এবং সার্থক হয়েছে।


এই আর্টিকেলে আমরা সপ্তম শ্রেণির বাংলা বইয়ের ‘কার দৌড় কদ্দূর’ প্রবন্ধটির বিষয়সংক্ষেপ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। আশা করি, লেখাটি এই পাঠ্যাংশটি সম্পর্কে আপনাদের একটি সুস্পষ্ট ধারণা দিয়েছে এবং বিষয়টি সহজে বুঝতে সাহায্য করেছে। সপ্তম শ্রেণির পরীক্ষায় এই অধ্যায় থেকে লেখক পরিচিতি ও প্রবন্ধটির সারসংক্ষেপ বা মূলভাব সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে। তাই পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের জন্য এই তথ্যগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

যোগাযোগ: আপনাদের যদি কোনো প্রশ্ন বা মতামত থাকে, তবে টেলিগ্রামে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। আপনাদের যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে আমরা সর্বদা প্রস্তুত। ধন্যবাদ!

Please Share This Article

Related Posts

সপ্তম শ্রেণির বাংলা কবিতা আজি দখিন-দুয়ার খোলা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

সপ্তম শ্রেণি বাংলা – আজি দখিন-দুয়ার খোলা – বিষয়সংক্ষেপ

সপ্তম শ্রেণির বাংলা কুতুব মিনারের কথা গদ্যাংশের রচনাধর্মী প্রশ্ন উত্তর

সপ্তম শ্রেণি বাংলা – কুতুব মিনারের কথা – রচনাধর্মী প্রশ্ন ও উত্তর

সৈয়দ মুজতবা আলীর কুতুব মিনারের কথা - সপ্তম শ্রেণির বাংলা পরীক্ষার প্রস্তুতি (Class 7 Bengali)

সপ্তম শ্রেণি বাংলা – কুতুব মিনারের কথা – সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

About The Author

Rahul

মন্তব্য করুন

SolutionWbbse

"SolutionWbbse" শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অনলাইন অধ্যয়ন প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি, মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য গাইডলাইন, এবং বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনার সাহায্য প্রদান করা হয়। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে সকল বিষয়ের শিক্ষণীয় উপকরণ সহজেই সকল শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছে দেওয়া।

Editor Picks

সপ্তম শ্রেণি বাংলা – কার দৌড় কদ্দূর – বিষয়সংক্ষেপ

সপ্তম শ্রেণি বাংলা – আজি দখিন-দুয়ার খোলা – বিষয়সংক্ষেপ

সপ্তম শ্রেণি বাংলা – কুতুব মিনারের কথা – রচনাধর্মী প্রশ্ন ও উত্তর

সপ্তম শ্রেণি বাংলা – কুতুব মিনারের কথা – সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

সপ্তম শ্রেণি বাংলা – কুতুব মিনারের কথা – অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর