এই আর্টিকেলে আমরা সপ্তম শ্রেণির বাংলা বিষয়ের অন্তর্গত প্রাবন্ধিক শিবতোষ মুখোপাধ্যায়ের লেখা ‘কার দৌড় কদ্দূর’ প্রবন্ধের কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর (SAQ) নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নোত্তরগুলো সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত সহায়ক, কারণ স্কুলের বাংলা পরীক্ষায় এই অধ্যায় থেকে এই ধরনের প্রশ্ন নিয়মিত আসে।

‘শামুক চলে যাবার সময় রেখে যায় জলীয় চিহ্ন’ – সেটি আসলে কী?
শামুক যাতায়াত করে তার দেহেরই নীচের দিকে একপ্রকার বর্ধিত মাংসল পা দিয়ে। আর চলার গতিকে সহজ করতে তারা দেহ থেকে নির্গত করে এক বিশেষ তরল পদার্থ। এই তরল তার চলার পথকে পিচ্ছিল করে এবং চলার পথে রেখে যায় চকচকে জলীয় চিহ্ন।
‘আমাদের নিজেদের শরীরের মধ্যে একরকম ভবঘুরে সেল আছে।’ – সেলটিকে ‘ভবঘুরে’ বলা হয়েছে কেন?
ভবঘুরে যেমন এক জায়গা থেকে আর-এক জায়গায় ঘুরে বেড়ায়, তেমনি আমাদের দেহের ভিতর একরকম সেল বা কোশ আছে। তবে তাদের একটা উদ্দেশ্য আছে। তারা দেহে প্রবেশ করা জীবাণু বা বহিঃশত্রুকে নাশ করে। শরীরের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত পর্যন্ত ঘুরে বেড়ায় বলেই তাদের ‘ভবঘুরে’ বলা হয়েছে।
‘রক্ষে এই যে’ – লেখক কোন্ বিষয়টিকে সৌভাগ্য বলে মনে করেছেন এবং কেন?
লেখক জীবনের চলার গতিকে সৌভাগ্য বলে মনে করেছেন। কোনো প্রাণী তা সে যত ক্ষুদ্রই হোক, চলা তার থামেনি। যেমন – ‘অ্যামিবা’, আবির্ভাবের পর থেকে নিজস্ব শ্লথ গতিতে সে চলমান। চলমানতাই জীবন, কারণ এই চলমানতার গতি আছে বলেই জীবনের অস্তিত্ব আছে, আর থেমে যাওয়াই মৃত্যুর সমান।
প্যারামেসিয়াম কীভাবে চলাফেরা করে?
প্যারামেসিয়াম একটি এককোশী প্রাণী। এই এককোশী প্রাণীটির চারপাশে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র চুলের মতো অসংখ্য গমনাঙ্গ আছে, যাকে বলা হয় ‘সিলিয়া’। হাজার দাঁড়ের সাহায্যে নৌকো যেমন গতি পায় ও এগিয়ে যায়, তেমনি প্যারামেসিয়ামও অজস্র সিলিয়ার যথেচ্ছ ব্যবহারের ফলে এগোতে-পিছোতে পারে।
ক্রমবিকাশের পথ পরিক্রমায় ঘোড়ার আঙুলের কোন্ পরিবর্তন ঘটেছে?
ক্রমবিকাশের ইতিহাস থেকে জানা যায় – ঘোড়ার পূর্বপুরুষদের এখনকার ঘোড়ার মতো পায়ে খুর ছিল না, হাতে-পায়ে পাঁচটি করে আঙুল ছিল। কিন্তু ক্রমবিকাশের পথে কালের পরিক্রমায় অন্য আঙুলগুলি অবলুপ্ত হয়ে কেবল মাঝের আঙুলটি খুরে পরিণত হয়েছে।
অ্যাডিনোসিন ট্রাইফসফেট কী কাজ করে?
উচ্চতর প্রাণীদের চলার পিছনে যে বিষয়টির সাহায্য থাকে, তা হলো পেশিসঞ্চালনের সাহায্যে পা নাড়ানো। পেশি যখন কাজ করে, তখনই সেখানে উৎপন্ন হয় ‘অ্যাডিনোসিন ট্রাইফসফেট’ (ATP) নামক রাসায়নিক পদার্থ। এর ক্রিয়ার ফলেই চলার শক্তি উৎপাদিত হয়।
‘তার চলাফেরার ভঙ্গিটি ভারি মজার।’ – কার চলার ভঙ্গির কথা বলা হয়েছে? তা ‘মজার’ কীভাবে?
অ্যামিবার চলার ভঙ্গির কথা বলা হয়েছে।
এককোশী অ্যামিবা তার দেহের খানিক প্রোটোপ্লাজম সামনে গড়িয়ে দেয়, ফলে সৃষ্টি হয় ক্ষণপদ। আর এই ক্ষণপদের সাহায্যেই প্রোটোপ্লাজমের দিকে সে এগিয়ে যায় এবং কয়েক মিনিটে সে কয়েক মিলিমিটার পথ মন্থর গতিতে অতিক্রম করে। তার এই চলাফেরার ভঙ্গিটিকে লেখক মজার বলে উল্লেখ করেছেন।
‘এরা শরীরের সৈন্যসামন্ত।’ – কারা শরীরের সৈন্যসামন্ত? তাদের এমন বলার কারণ কী?
মানুষের শরীরে কতকগুলি ভবঘুরে কোশ আছে, লেখক যাদেরকে শরীরের সৈন্যসামন্ত বলেছেন।
এই ভবঘুরে কোশগুলি দেহের যেখানে-সেখানে ভ্রমণ করে। এদের কাজ হলো, বাইরে থেকে কোনো রোগজীবাণু দেহে প্রবেশ করে ক্ষতি করার চেষ্টা করলে, তাদের থেকে দেহকে রক্ষা করা। মানবদেহে ক্ষতিসাধনকারী রোগজীবাণু থেকে দেহকে রক্ষা করে বলেই এদের ‘সৈন্যসামন্ত’ বলা হয়েছে।
‘পাখিরা বহুদূরত্ব পার হতে পারে।’ – পাখিবিশেষে এই দূরত্ব অতিক্রমের খবরাখবর কী?
‘কার দৌড় কদ্দূর’ প্রবন্ধে বিভিন্ন পাখির দূরত্ব অতিক্রম করে ওড়া প্রসঙ্গে নানা তথ্য আছে। এদের মধ্যে মেরুপ্রদেশের ‘টার্নস’ প্রতিবছর 11 হাজার মাইল উড়ে যায় ও আবার ফিরে আসে, হক্ জাতীয় পাখি ঘণ্টায় 150 মাইল বেগে উড়তে পারে। অন্যদিকে আফ্রিকার ইমু-জাতীয় পাখি ওড়া ছেড়ে ক্রমে হাঁটায় পারদর্শী হয়ে উঠেছে, এরা 110 পাউন্ড দৈহিক ওজন নিয়ে ঘণ্টায় 31 মাইল বেগে চলতে পারে।
পৃথিবীর পরিক্রমা প্রসঙ্গে প্রবন্ধকার পৃথিবীকে কী জিজ্ঞাসা করেছিলেন?
সূর্যের চারপাশে কিংবা নিজের কক্ষপথে পৃথিবীর প্রতিনিয়ত পরিক্রমা-প্রসঙ্গে প্রবন্ধকার পৃথিবীকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন – তোমার কেন চলবার জন্য এত দায়? এ যাত্রা তোমার থামাও।
উচ্চতর জীবদের পেশি কাজ করার ক্ষেত্রে কীভাবে শক্তি উৎপাদিত হয়?
উচ্চতর জীবকুল পেশিসঞ্চালনের মাধ্যমে তার গমন-অঙ্গ নাড়াতে পারে। আর এই পেশি যখন কাজ করে, তখন অ্যাডিনোসিন ট্রাইফসফেট (ATP) নামক রাসায়নিক পদার্থের ক্রিয়ায় শক্তি উৎপন্ন হয়।
একটি এককোশী জীবের নাম লেখো। এর চলার ধরনটি উল্লেখ করো।
একটি এককোশী জীব হলো অ্যামিবা।
অ্যামিবা নিজের সেল থেকে খানিক অংশ ক্ষণিকের পা হিসেবে এগিয়ে দেয়। এরপর সে সেলের মধ্যে থাকা প্রোটোপ্লাজমকে সেদিকে গড়িয়ে দেয়। এমনি করে মুহুর্মুহু ক্ষণপদ সৃষ্টি করে অতি ধীর গতিতে অ্যামিবা গমন করে। অত্যন্ত মন্থর গতিতে সে কয়েক মিনিটে মাত্র কয়েক মিলিমিটার পথ অতিক্রম করতে পারে।
‘আপনার কৃতিত্বে কেউ বা গা দিয়ে কেউ বা পা দিয়ে এক জায়গা থেকে আর এক জায়গায় চলে যায়।’ – ‘গা’ বা ‘পা’-এর ব্যবহারে এক জায়গা থেকে আর-এক জায়গায় চলে যায় এমন কয়েকটি প্রাণীর নাম লেখো।
- গা-এর ব্যবহার করে এক জায়গা থেকে আর-এক জায়গায় চলে যায় এমন কয়েকটি প্রাণী হলো – এককোশী অ্যামিবা, প্যারামেসিয়াম, সাপ, কেঁচো প্রভৃতি।
- পা-এর ব্যবহার করে এক জায়গা থেকে আর-এক জায়গায় চলে যায় এমন কয়েকটি প্রাণী হলো – মানুষ, গোরু, ছাগল, কুকুর প্রভৃতি উন্নত শ্রেণির মেরুদণ্ডী প্রাণী।
‘একেবারে কখনও থেমে যায়নি।’ – কার না থামার কথা বলা হয়েছে? তার চলনভঙ্গির পরিচয় দাও। বক্তার মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
‘কার দৌড় কদ্দূর’ প্রবন্ধে একটিমাত্র কোশের দেহবিশিষ্ট, আণুবীক্ষণিক, ক্ষুদ্রাকার জীব অ্যামিবার না-থামার কথা বলা হয়েছে।
অ্যামিবার দেহ বলতে একটিমাত্র কোশ। চলার প্রয়োজন হলেই অ্যামিবা নিজের দেহ থেকে দেহমধ্যস্থ প্রোটোপ্লাজমের বাকি অংশকে সামনের দিকে গড়িয়ে খানিক অংশ ক্ষণিকের পা হিসেবে এগিয়ে দেয়। এভাবে প্রোটোপ্লাজমের সামনে বাইরে দিয়ে মুহুর্মুহু ক্ষণপদ বের করে অ্যামিবা এগিয়ে চলে।
বড়ো-ছোটো যে-কোনো জীবকেই পৃথিবীর সঙ্গে ভারসাম্য রক্ষা করে টিকে থাকতে হয়। অ্যামিবা অত্যন্ত মন্থর গতির জীব হওয়া সত্ত্বেও মিনিটে কয়েক মিলিমিটার অতিক্রম করে, সৃষ্টির আদিকাল থেকে ভারসাম্য রক্ষা করে চলেছে। চলার গতি আছে বলেই তার অস্তিত্ব আজও বিপন্ন হয়নি। তাই লেখক এমন মন্তব্য করেছেন।
‘আমাদের নিজেদের শরীরের মধ্যে একরকম ভবঘুরে সেল আছে।’ – কোন্ সেলের কথা বলা হয়েছে? শরীরে তারা কী কাজ করে?
আমাদের শরীরের মধ্যে রক্তে থাকা শ্বেতকণিকা নামক এক ভবঘুরে সেলের কথা বলা হয়েছে।
শ্বেতকণিকা দেহে অনুপ্রবেশকারী জীবাণুকে ধ্বংস করে আমাদের বহু রোগ থেকে রক্ষা করে। শ্বেতকণিকার মধ্যে থাকা নিউট্রোফিলস এবং লিম্ফোসাইটস জীবাণু ও ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ থেকে আমাদের দেহকে রক্ষা করে।
‘বাইরের চলাটা আসল নয়।’ – লেখকের মতে আসল চলা কোনটি?
লেখক শিবতোষ মুখোপাধ্যায় বলেছেন, এই পৃথিবীতে সকল চলার মাঝে যে সত্যিকারের চলা আছে, তা হলো মানুষের নিজ মনের চলা। এই চলা দুর্বার। এই দুর্বার চলার মধ্য দিয়েই মানুষ তার সামনের সমস্ত চরম বিপদ থেকে নিজেকে উদ্ধার করতে পারে। এমনকি শারীরিক প্রতিবন্ধকতা নিয়েও জয় করে সকল বাধা। তাই লেখক বলেছেন, মনের দৌড়ে মানুষ চ্যাম্পিয়ন।
‘এ পথে আমি যে গেছি’ – রবীন্দ্রসংগীতের অনুষঙ্গটি পাঠ্যাংশে কোন্ প্রসঙ্গে ব্যবহৃত হয়েছে?
‘কার দৌড় কদ্দূর’ বিজ্ঞানমূলক প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক শিবতোষ মুখোপাধ্যায় বিভিন্ন প্রাণীর বিচিত্র গমনাগমনের স্বরূপ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বাগান-শামুকের গমনের প্রসঙ্গে এসেছেন। বাগান-শামুক তাদের প্রসারিত একখানি মাংসল পুরু পা দিয়ে চলে, আর চলার সময় পথে রেখে যায় একটা জলীয় পদচিহ্ন। এমন পদচিহ্ন দেখলে কী মনে হতে পারে, কথাপ্রসঙ্গে কৌতুকের সুরে তা জানাতে গিয়েই তিনি জুতসই রবীন্দ্রসংগীতের উদ্ধৃতি এনে বলেছেন – ‘এ পথে আমি যে গেছি’।
‘একরকম মনে করলে ভুল হবে।’ – কোন্ দুটি বিষয়ের ভুল সাপেক্ষে এমন মন্তব্য করা হয়েছে?
হালকা কোনো পাখির হাওয়ায় তিরের মতো ছুটে চলে যাওয়া, অপরদিকে অত্যধিক ওজন নিয়ে একখানি হিপোর কাদা ভেঙে থপ থপ করে যাওয়া – এই দুইয়ের গমন প্রসঙ্গে আলোচ্য মন্তব্যটি করা হয়েছে। আসলে গমনশক্তিকে বিচার করতে হয় সর্বদা দৈহিক ওজনের পরিমাণ হিসাব করে।
‘ক্রমবিকাশের ইতিহাসে জানা যায়’ – এ প্রসঙ্গে লেখক কোন্ তথ্যের অবতারণা করেছেন?
ক্রমবিকাশের ইতিহাস থেকে জানা যায় – ঘোড়ার পূর্বপুরুষদের এখনকার ঘোড়ার মতো পায়ে খুর ছিল চিহ্নিত, হাতে-পায়ে পাঁচটি করে আঙুল ছিল। কিন্তু ক্রমবিকাশের পথে কালের পরিক্রমায় বা বিবর্তনের ধারায় ক্রমে আঙুলগুলি অদৃশ্য হয়ে যায়। থেকে যায় কেবল মাঝের আঙুলটি, যেটি খুরে পরিণত হয়েছে।
‘মনের দৌড়ে মানুষ চ্যাম্পিয়ন’ – এমন কয়েকজন মানুষের কথা লেখো যাদের শারীরিক অসুবিধা থাকলেও মনের দৌড়ে সত্যিই তাঁরা প্রকৃত চ্যাম্পিয়ন হয়ে উঠেছেন।
মনের দৌড়ে সত্যিই মানুষ চ্যাম্পিয়ন, কেন-না তার মতো অতিসক্রিয় মন আর কোনো প্রাণীর নেই। এই মনের শক্তিতেই মানুষ তার চরম বিপদ থেকে নিজেকে উদ্ধার করে, শারীরিক প্রতিবন্ধকতা নিয়েও জয় করে বাধাসমূহ। এরকম শারীরিক প্রতিবন্ধকতা ছিল, অথচ মনের দৌড়ে সত্যিকারের চ্যাম্পিয়ন, এমন কয়েকজন মানুষ হলেন – হেলেন কেলার, যিনি অন্ধ ও বধির হওয়া সত্ত্বেও সমাজসেবামূলক কাজে বিশ্বখ্যাতা; গ্রিক কবি হোমার ছিলেন অন্ধ, অথচ তাঁর রচিত দুই মহাকাব্য ‘ইলিয়াড’ ও ‘ওডিসি’ তাঁকে এনে দিয়েছিল বিশ্বখ্যাতি। একইভাবে বিথোভেন, ভিনসেন্ট ভ্যান গঘ্, স্টিফেন হকিং, সুধাচন্দ্রন, মাসুদুর রহমানের নাম করা যেতে পারে।
‘মানুষ এখন শুধু নিজে চলেই ক্ষান্ত নয়।’ – নিজের চলা ছাড়া বর্তমানে মানুষ কী কী জিনিস চালাতে সক্ষম?
মানুষ শুধু নিজেই চলিষ্ণু নয়, সে এখন চালকও। নিজে চলে, অন্য কিছুকে চালনা করে মানুষ এখন প্রমাণ করেছে জীবজগতে সে শ্রেষ্ঠ। সে জলে চালাচ্ছে জাহাজ-ডুবোজাহাজ। স্থলে চালাচ্ছে অজস্র যান ও সেইসঙ্গে রেলপথে রেলগাড়ি চালিয়ে নিমেষে অতিক্রম করে চলেছে বহুদূরত্ব। আকাশপথে তার হাতে চালিত হচ্ছে প্লেন-জেট প্লেন। এমনি করে মানুষ জল-স্থল ও আকাশপথে অনেক কিছুই চালাতে সক্ষম হয়ে উঠেছে।
‘এ যাত্রা তোমার থামাও।’ – লেখক কাকে এ কথা বলেছেন? এর কোন্ উত্তর তিনি কীভাবে পেয়েছেন?
লেখক শিবতোষ মুখোপাধ্যায় আলোচ্য মন্তব্যটি পৃথিবীর উদ্দেশে করেছেন।
প্রবন্ধকার পৃথিবীর কাছে জানতে চেয়েছিলেন – ‘তোমার কেন চলবার জন্য এত দায়? এ যাত্রা তোমার থামাও। সূয্যি তো কারুর পিছু পিছু ধাওয়া করছে না? তুমি কেন এত তাড়াতাড়ি করছ?’ লেখকের এই প্রশ্নের উত্তরে পৃথিবী জানিয়েছিল – ‘থামা মানে জীবনের শেষ। যতদিন আছো ততদিন চলো, দাঁড়িও না। শাশ্বত সত্যের দিকে যাওয়ার গতি বন্ধ করো মহাশূন্যে। চরৈবেতি’ অর্থাৎ পৃথিবীর কাছ থেকে লেখক এগিয়ে চলার বাণী শুনেছিলেন।
এই আর্টিকেলে আমরা সপ্তম শ্রেণির বাংলা বিষয়ের অন্তর্গত, শিবরাম চক্রবর্তী রচিত ‘কার দৌড় কদ্দূর’ প্রবন্ধের কিছু সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর নিয়ে আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নোত্তরগুলো সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বাংলা পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন নিয়মিত আসে।
আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের উপকারে আসবে। যদি আপনার কোনো প্রশ্ন বা মতামত থাকে, তবে টেলিগ্রামে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। আপনাদের যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য আমরা সর্বদা প্রস্তুত। ধন্যবাদ।





মন্তব্য করুন