এই আর্টিকেলে আমরা সপ্তম শ্রেণির বাংলা বিষয়ের অন্তর্গত রামকিঙ্কর বেইজের লেখা ‘আত্মকথা’ গদ্যাংশের কিছু গুরুত্বপূর্ণ অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর (SAQ) নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নোত্তরগুলো সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত সহায়ক, কারণ স্কুলের বাংলা পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন নিয়মিত আসে।

রামকিঙ্করের প্রথম শিল্পের ইস্কুল ছিল বাড়ির পাশের কুমোরপাড়ায়।
পোর্ট্রেট শব্দের অর্থ হল প্রতিকৃতি।
অয়েল পেন্টিং বলতে বোঝায় তেলরঙে আঁকা ছবি।
রামকিঙ্করের ছবি বা মূর্তির অধিকাংশ ক্যারেক্টারই খুব সাধারণ ছিল।
বাড়িঘরের দেয়ালে দেবদেবীর ছবি থাকত।
বাড়ির সামনের রাস্তাটা লাল মোরামে ঢাকা ছিল।
সেসময় শ্রদ্ধেয় রামানন্দ চট্টোপাধ্যায় মহাশয় বাঁকুড়ায় এসেছিলেন।
তিনি আচার্য নন্দলালবাবুর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন।
শান্তিনিকেতনে ছাত্রদের অ্যানাটমি ও মাসল সম্বন্ধে শিক্ষা দেওয়া হত।
রামকিঙ্কর শান্তিনিকেতনে প্রথম অয়েল পেন্টিং বিষয়টি শুরু করেন।
তাঁর গায়ে ছিল সিল্কের পাঞ্জাবি এবং পরনে ধুতি।
সাদামাটা সুরটি লেখককে ভীষণভাবে টানত।
ভিসুয়াল আর্টে লেখকের প্রথম বর্ণপরিচয় হয়।
সুযোগ পেলেই রামকিঙ্কর মাটিতে হাত লাগিয়ে ছানাছানি করতেন।
রামকিঙ্কর অবৈতনিক ছাত্র হিসেবে পড়াশোনার সুযোগ পেয়েছিলেন।
একমাত্র রবীন্দ্রনাথের শান্তিনিকেতনই ব্রিটিশ কর্তৃত্বের বাইরে ছিল।
শান্তিনিকেতন ব্রহ্মচর্য বিদ্যালয় ছিল।
নন্দলাল বসু কারও কাজে নিজের মতামত ইমপোজ করতেন না বা চাপিয়ে দিতেন না।
রামকিঙ্কর অয়েলে কাজ করায় নন্দলালবাবু একটু অসন্তুষ্ট হয়েছিলেন।
নন্দলাল বসু শিল্পী হিসেবে যেমন মর্যাদাবান ছিলেন, শিক্ষক হিসেবেও তেমনি ছিলেন।
‘আত্মকথা’ প্রবন্ধটি রামকিঙ্কর বেইজ-এর লেখা।
রামকিঙ্করের প্রথম শিল্পের ইস্কুল বাড়ির পাশের কুমোরপাড়া।
শিল্পী রামকিঙ্করের প্রথম বর্ণপরিচয় হয় ভিসুয়াল আর্টে।
ছেলেবেলা থেকেই রামকিঙ্করের অনেকক্ষণ ধরে কুমোরদের মূর্তি গড়া ও অন্যান্য কাজ দেখার বেশ অভ্যেস ছিল।
ছেলেবেলায় রামকিঙ্কর পাড়ার প্রতিমা-মিস্ত্রিদের দেখে ছাগলের ঘাড়ের লোম কেটে তা শক্ত বাঁশের কাঠির ডগায় বেঁধে নিয়ে তুলির কাজ চালাতেন।
কংগ্রেসের কাজে প্রসেশনের সময় রামকিঙ্কর লিডারদের যে পোর্ট্রেট আঁকতেন, তাঁর অঙ্কন পদ্ধতি ছিল অয়েলপেন্ট।
তৎকালীন শান্তিনিকেতন অর্থে রবীন্দ্রনাথের শান্তিনিকেতন, একমাত্র এই স্থানটিই ছিল ব্রিটিশ কর্তৃত্বের বাইরে।
অয়েল-পেন্টিং হল তেল রং, যা দিয়ে তৈলচিত্র অঙ্কন করা হয়।
গাছের পাতার রস, বাটনা-বাটা শিলের হলুদ, মেয়েদের পায়ের আলতা, মুড়ি-ভাজা খোলার চাঁছা ভুসোকালি – এসব দিয়ে শিল্পী রামকিঙ্কর রঙের প্রয়োজন মেটাতেন।
প্রবাসী পত্রিকার সম্পাদক শ্রদ্ধেয় রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়ের সৌজন্যে ১৯২৫ খ্রিস্টাব্দে রামকিঙ্করের সঙ্গে শান্তিনিকেতনের যোগাযোগ হয়।
আচার্য নন্দলাল বসু কারও কাজে কখনও ইমপোজ করতেন না। অর্থাৎ নিজের মতামত অন্যের উপর চাপিয়ে না দিয়ে তাদের পূর্ণ স্বাধীনতা দিতেন।
সাধারণ চরিত্র, কমন ল্যান্ডস্কেপ, একেবারে গ্রামের কমপ্লিট ক্যারেক্টার নিয়ে যে-সমস্ত ছবিতে সাধারণ বাস্তবতার পরিচয় মেলে, নন্দলাল বসুর কাজের সেই দিকটা শিল্পী রামকিঙ্করকে বেশি প্রভাবিত করেছিল।
ন্যাশনাল স্কুলে ভরতির পর রামকিঙ্করের উপর ভার ছিল মহাপুরুষদের বাণী থেকে উদ্ধৃতি লিখে ঝুলিয়ে দেওয়া আর প্রসেশনের সময় লিডারদের পোর্ট্রেট এঁকে অয়েল-পেন্ট করা।
এই আর্টিকেলে আমরা সপ্তম শ্রেণির বাংলা বিষয়ের অন্তর্গত, রামকিঙ্কর বেইজ রচিত ‘আত্মকথা’ পাঠের কিছু অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর নিয়ে আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নোত্তরগুলো সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বাংলা পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন নিয়মিত আসে।
আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের উপকারে আসবে। যদি আপনার কোনো প্রশ্ন বা মতামত থাকে, তবে টেলিগ্রামে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। আপনাদের যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য আমরা সর্বদা প্রস্তুত। ধন্যবাদ।





মন্তব্য করুন