নিউক্লিয়োটাইড ও নিউক্লিয়োসাইড কাকে বলে? নিউক্লিয়োটাইড ও নিউক্লিয়োসাইডের মধ্যে পার্থক্য

Souvick

Home » নিউক্লিয়োটাইড ও নিউক্লিয়োসাইড কাকে বলে? নিউক্লিয়োটাইড ও নিউক্লিয়োসাইডের মধ্যে পার্থক্য

এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “নিউক্লিয়োটাইড ও নিউক্লিয়োসাইড কাকে বলে? নিউক্লিয়োটাইড ও নিউক্লিয়োসাইডের মধ্যে পার্থক্য লেখো।” — নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের দ্বিতীয় অধ্যায় “জীবনের প্রবহমানতা” -এর “কোশ বিভাজন এবং কোশচক্র” অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

নিউক্লিয়োটাইড ও নিউক্লিয়োসাইড কাকে বলে? নিউক্লিয়োটাইড ও নিউক্লিয়োসাইডের মধ্যে পার্থক্য লেখো।

নিউক্লিয়োটাইড ও নিউক্লিয়োসাইড কাকে বলে?

নিউক্লিয়োটাইড –

নিউক্লিয়োটাইড হল নিউক্লিক অ্যাসিডের গঠনগত একক যা একটি পিউরিন বা পিরিমিডিন বেস, একটি পেন্টোজ শর্করা (রাইবোজ অথবা ডিঅক্সিরাইবোজ) এবং একটি ফসফেট গ্রুপ নিয়ে গঠিত।

নিউক্লিয়োটাইড = একটি নাইট্রোজেন বেস (পিউরিন/পিরিমিডিন) + একটি পেন্টোজ শর্করা (রাইবোজ/ডিঅক্সিরাইবোজ) + একটি ফসফেট গ্রুপ

নিউক্লিয়োসাইড –

একটি পেন্টোজ শর্করা, একটি নাইট্রোজেনঘটিত ক্ষারক দ্বারা গঠিত নিউক্লিক অ্যাসিডের অংশকে নিউক্লিয়োসাইড বলে।

নিউক্লিয়োসাইড = একটি পেন্টোজ শর্করা (রাইবোজ/ডিঅক্সিরাইবোজ) + একটি নাইট্রোজেন বেস (পিউরিন/পিরিমিডিন)

নিউক্লিয়োটাইড ও নিউক্লিয়োসাইডের মধ্যে পার্থক্য লেখো।

নিউক্লিয়োটাইড ও নিউক্লিয়োসাইডের মধ্যে পার্থক্য –

বিষয়নিউক্লিয়োটাইডনিউক্লিয়োসাইড
গঠননিউক্লিয়োটাইড নিউক্লিয়োসাইড, ফসফোরিক অ্যাসিডের সাথে যুক্ত হয়ে গঠিত হয়।নিউক্লিয়োসাইড, পেন্টোজ শর্করা (রাইবোজ বা নাইট্রোজেন ক্ষারক ডিঅক্সিরাইবোজ), (পিউরিন বা পিরিমিডিন) নিয়ে গঠিত হয়।
উপস্থিত রাসায়নিক বন্ধনীগ্লাইকোসাইডিক বন্ধনীটি নাইট্রোজেনাস বেস এবং শর্করার মধ্যে থাকে।গ্লাইকোসাইডিক বন্ধনী ছাড়াও, শর্করা এবং ফসফোরিক অ্যাসিডের মধ্যে ফসফোডাইএস্টার বন্ধনী থাকে।

এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “নিউক্লিয়োটাইড ও নিউক্লিয়োসাইড কাকে বলে? নিউক্লিয়োটাইড ও নিউক্লিয়োসাইডের মধ্যে পার্থক্য লেখো।” — নিয়ে আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের দ্বিতীয় অধ্যায় “জীবনের প্রবহমানতা” -এর “কোশ বিভাজন এবং কোশচক্র অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন।

Please Share This Article

Related Posts

বায়ুদূষণ কাকে বলে? বায়ুদূষণের ক্ষতিকারক প্রভাবগুলি লেখো।

বায়ুদূষণ কাকে বলে? বায়ুদূষণের ক্ষতিকারক প্রভাবগুলি লেখো।

অ্যাজমা বা হাঁপানি কী? অ্যাজমা রোগের সৃষ্টিতে পরিবেশগত ভূমিকাগুলি উল্লেখ করো।

অ্যাজমা বা হাঁপানি কী? অ্যাজমা রোগের সৃষ্টিতে পরিবেশগত ভূমিকাগুলি উল্লেখ করো।

ব্রংকাইটিস কী? ব্রংকাইটিস রোগের সৃষ্টিতে পরিবেশের ভূমিকা উল্লেখ করো।

ব্রংকাইটিস কী? ব্রংকাইটিস রোগের সৃষ্টিতে পরিবেশের ভূমিকা উল্লেখ করো।

About The Author

Souvick

Tags

মন্তব্য করুন

SolutionWbbse

"SolutionWbbse" শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অনলাইন অধ্যয়ন প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি, মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য গাইডলাইন, এবং বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনার সাহায্য প্রদান করা হয়। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে সকল বিষয়ের শিক্ষণীয় উপকরণ সহজেই সকল শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছে দেওয়া।

Editor Picks

সপ্তম শ্রেণি বাংলা – মেঘ-চোর – অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

সপ্তম শ্রেণি বাংলা – মেঘ-চোর – বিষয়সংক্ষেপ

সপ্তম শ্রেণি বাংলা – নোট বই – সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

সপ্তম শ্রেণি বাংলা – নোট বই – অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

সপ্তম শ্রেণি বাংলা – নোট বই – বিষয়সংক্ষেপ