বৃষ্টির জল সংরক্ষণ সম্পর্কে টীকা লেখো।

Rahul

Home » বৃষ্টির জল সংরক্ষণ সম্পর্কে টীকা লেখো।

এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ভূগোলের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “বৃষ্টির জল সংরক্ষণ সম্পর্কে টীকা লেখো।” — নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভূগোলের পঞ্চম অধ্যায় “ভারতের প্রাকৃতিক পরিবেশ” -এর “ভারতের নদনদী ও হ্রদসমূহ” অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

বৃষ্টির জল সংরক্ষণ সম্পর্কে টীকা লেখো-মাধ্যমিক ভূগোল
বৃষ্টির জল সংরক্ষণ সম্পর্কে টীকা লেখো-মাধ্যমিক ভূগোল

বৃষ্টির জল সংরক্ষণ সম্পর্কে টীকা লেখো।

ধারণা – যে পদ্ধতিতে বৃষ্টির জলকে সরাসরি বাড়ির ছাদে বা ভূপৃষ্ঠস্থ জলাশয়ে সঞ্চয় করে গৃহস্থালি, কৃষি, পশুপালন, শিল্পের কাজে ব্যবহার করা হয় তাকে বৃষ্টির জল সংরক্ষণ বলে। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার জলের চাহিদা মেটানোর জন্য অত্যন্ত সহজ ও সুন্দর পদ্ধতি হল বৃষ্টির জল সংরক্ষণ পদ্ধতি।

পদ্ধতি – বৃষ্টির জলসংরক্ষণের দুটি পদ্ধতি রয়েছে। যথা –

  1. বাড়ির ছাদে জল সংরক্ষণ।
  2. ভূপৃষ্ঠে বিভিন্ন আধারে জলসংরক্ষণ।

বাড়ির ছাদে জলসংরক্ষণ (Roof top Harvesting) –

বর্ষার সময় সরাসরি বৃষ্টির জলকে পাইপের মধ্যে দিয়ে বাড়ির ছাদে সংরক্ষণ করা হয়। এরপর বিভিন্ন পদ্ধতির মাধ্যমে পরিশ্রুত করে গৃহস্থালির দৈনন্দিন কাজে ব্যবহার করা হয়। (যেমন – স্নান করা, জামাকাপড় কাচা, গাছে জল দেওয়া ইত্যাদি। উদাহরণ হিসেবে সমগ্র ভারতের Role Model তামিলনাড়ুর দৃষ্টান্ত তুলে ধরা হল। তামিলনাড়ুর প্রায় 42% শহরের বাড়ি ও 36% গ্রামীণ বাড়ি বৃষ্টির জল সংরক্ষণের উপযোগী হয়েছে। এছাড়াও রাজস্থানের জয়পুর ও থর এলাকাতেও এরূপ প্রকল্প রয়েছে।

ভূপৃষ্টে বিভিন্ন আধারে জল সংরক্ষণ –

বৃষ্টির জলকে বিভিন্ন জলাশয়, কৃত্রিম কংক্রিটের পুকুর, কুয়ো, খাল প্রভৃতিতে সঞ্চয় করে যখন ব্যবহার করা হয় তখন তাকে ভূপৃষ্ঠের বিভিন্ন আধারে জলসংরক্ষণ বলে। এছাড়া জলভরণ কুয়ো, জলভরণ জলকূপ পদ্ধতিতে মাটির অনেক গভীরে পাইপ প্রবেশ করিয়ে বৃষ্টির জলকে সরাসরি ভূগর্ভে নিয়ে যাওয়া হয়। এই জল চুঁইয়ে চুঁইয়ে ভৌমজলের সঞ্চয় বাড়ায়।


এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ভূগোলের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “বৃষ্টির জল সংরক্ষণ সম্পর্কে টীকা লেখো।” — নিয়ে আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভূগোলের পঞ্চম অধ্যায় “ভারতের প্রাকৃতিক পরিবেশ” -এর “ভারতের নদনদী ও হ্রদসমূহ” অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন, আমরা উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব। । ধন্যবাদ।

Please Share This Article

Related Posts

বায়ুর সঞ্চয়কার্যের ফলে সৃষ্ট ভূমিরূপগুলির বর্ণনা দাও।

বায়ুর সঞ্চয়কার্যের ফলে সৃষ্ট ভূমিরূপগুলির বর্ণনা দাও।

সক্রিয় সেনসর ও নিষ্ক্রিয় সেনসর বলতে কী বোঝো? সক্রিয় সেনসর ও নিষ্ক্রিয় সেনসরের মধ্যে পার্থক্য করো।

সক্রিয় ও নিষ্ক্রিয় সেনসর বলতে কী বোঝো? সক্রিয় ও নিষ্ক্রিয় সেনসরের মধ্যে পার্থক্য

জিওস্টেশনারি ও সান-সিনক্রোনাস উপগ্রহ কী? জিওস্টেশনারি ও সান-সিনক্রোনাস উপগ্রহের মধ্যে পার্থক্য

জিওস্টেশনারি ও সান-সিনক্রোনাস উপগ্রহ কী? জিওস্টেশনারি ও সান-সিনক্রোনাস উপগ্রহের মধ্যে পার্থক্য

About The Author

Rahul

Tags

মন্তব্য করুন

SolutionWbbse

"SolutionWbbse" শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অনলাইন অধ্যয়ন প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি, মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য গাইডলাইন, এবং বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনার সাহায্য প্রদান করা হয়। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে সকল বিষয়ের শিক্ষণীয় উপকরণ সহজেই সকল শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছে দেওয়া।

Editor Picks

সপ্তম শ্রেণি বাংলা – একুশের তাৎপর্য – বিষয়সংক্ষেপ

সপ্তম শ্রেণি বাংলা – একুশের কবিতা – রচনাধর্মী প্রশ্ন ও উত্তর

সপ্তম শ্রেণি বাংলা – একুশের কবিতা – সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

সপ্তম শ্রেণি বাংলা – একুশের কবিতা – অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

সপ্তম শ্রেণি বাংলা – একুশের কবিতা – বিষয়সংক্ষেপ